📘 সালাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন 📄 কুরআন অধ্যয়নের পদ্ধতি

📄 কুরআন অধ্যয়নের পদ্ধতি


'ওয়ানহার'-এর অর্থ সংশয় নিরসন

কিছু আলেম এই অভিযোগ করেন যে, 'ওয়ানহার'-এর অর্থ কুরবানী করা। তাহলে এতে বুকের উপর হাত বাঁধার মর্ম আসল কোথা হতে? জবাবে নিবেদন রইল যে, কুরবানী সম্পর্কে অন্য অনেক দলীল রয়েছে। যেগুলির দ্বারা কুরবানীর শারঈ ইবাদত হওয়া প্রমাণিত হয়। কিন্তু সূরা কাওসারের মধ্যে 'ওয়ানহার' শব্দটির মর্ম হিসেবে কুরবানীর অর্থ গ্রহণ করা যাবে না। কেননা এখানে এই মর্ম আল্লাহ্ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবা রাযিআল্লাহু আনহুমদের মর্মের বিরোধী। 'ওয়ানহার'-এর অর্থ কুরবানী করা আল্লাহ্ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। এমনকি কোন সাহাবী হতেও সহীহ সনদে প্রমাণিত নেই। 'ওয়ানহার'-এর তাফসীরের মধ্যে আল্লাহ্ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবা হতে স্রেফ এটাই প্রমাণিত আছে যে, এর দ্বারা নামাযে বুকে হাত বাঁধা উদ্দেশ্য।

টিকাঃ
৪২৬. আত-তালীকুল মানসূর আলা ফাতহিল গফুর পৃ. ৩১।

📘 সালাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন 📄 কুরআন : আপনার নিত্যসাথী

📄 কুরআন : আপনার নিত্যসাথী


আহনাফের মধ্য হতে দলীল

আহনাফের মধ্য হতেও কিছু আলেম সাইয়েদুনা আলী রাযিআল্লাহু আনহু - এর তাফসীর হতে দলীল গ্রহণ করতে গিয়ে বলেছেন যে, নামাযে বুকের উপর হাত বাঁধা কুরআন মাজীদ দ্বারাও প্রমাণিত। এমনকি কিছু হানাফী আলেম এরই ভিত্তিতে শীআদের খন্ডন করে থাকেন। যারা নামাযে হাত-ই বাঁধে না। যেমন দেওবন্দী মাযহাবের রঈসুল মুনাযিরীন মাওলানা আবুল ফযল মুহাম্মাদ কারামুদ্দীন সাহেব স্বীয় প্রসিদ্ধ 'আফতাবে হেদায়াত' গ্রন্থে লিখেছেন, 'এখানে নহরের এই অর্থ প্রতীয়মান হয় যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রেখে নামায পড়। ওয়ানহার এর প্রসিদ্ধতর ও স্পষ্টতর অর্থ এই যে, বুকের উপর হাত বেঁধে নামায পড়তে হবে। এটাই খুশূ ও খুযূ প্রকাশের তরীকা'।

ফন্ট সাইজ
15px
17px