📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 নবী (ﷺ)

📄 নবী (ﷺ)


নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর (রাযিঃ)-কে এই দু'আ বলতে শিখিয়েছিলেন:
আল্লাহুম্মা ইন্নী যলামতু নাফসী যুলমান কাসীরান অলা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন 'ইনদিকা অরহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রাহীম
হে আল্লাহ! আমি নিজের উপর অনেক অত্যাচার করেছি, আর কেউ পাপরাশি মোচন করতে পারবে না একমাত্র তুমি ছাড়া। অতএব আমাকে ক্ষমা কর, ক্ষমা তোমার নিকটেই রয়েছে। আর আমাকে রহম কর, নিশ্চয় তুমি অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২)

টিকাঃ
(২) মুসলিম, আবূ আওয়ানাহ, নাসাঈ, ইবনুল জারুদ "আল-মুন্তাক্বা" গ্রন্থে (২৭), আর এটা ইরওয়াতেও সংকলিত হয়েছে (৩৫০)।
(৩) আবূ দাউদ, আহমাদ; ছহীহ সনদে।
(৪) মুসলিম ও আবূ আওয়ানাহ।
(৫) ছলাতের ভিতর বলেছি- "তাশাহহুদে" বলিনি কারণ মূল হাদীছে এরূপই আছে-=="তার ছলাতে” যা তাশাহহুদ ও অন্য কোন অবস্থাকে নির্দিষ্ট করছেনা। বরং এটা দু'আ যোগ্য সকল অবস্থাকেই আওতাভুক্ত করছে যেমন সাজদাহ ও তাশাহহুদ, এ দু'অবস্থায় দু'আর নির্দেশ এসেছে যেমন ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে।

📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 আবূ বাক্র (রাঃ) কে এই দু‘আ বলতে শিখিয়েছিলেন

📄 আবূ বাক্র (রাঃ) কে এই দু‘আ বলতে শিখিয়েছিলেন


আল্লাহুম্মা ইন্নী যলামতু নাফসী যুলমান কাসীরান অলা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন 'ইনদিকা অরহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রাহীম
হে আল্লাহ! আমি নিজের উপর অনেক অত্যাচার করেছি, আর কেউ পাপরাশি মোচন করতে পারবে না একমাত্র তুমি ছাড়া। অতএব আমাকে ক্ষমা কর, ক্ষমা তোমার নিকটেই রয়েছে। আর আমাকে রহম কর, নিশ্চয় তুমি অতি ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। (২)

টিকাঃ
(১) নাসাঈ, হাকিম বর্ণনা করে ছহীহ আখ্যা দিয়েছেন এবং যাহাবী তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
(২) বুখারী ও মুসলিম। [দু'আ মাছুর সম্বন্ধে দু'টি তথ্য। (ক) এ দু'আটিকে আমাদের দেশের আলিম ও জনসাধারণ দু'আয়ে মা'ছুর বলে থাকে। মাছুর মাثور অর্থ বর্ণিত বা বর্ণনাকৃত। এ অর্থে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যত দু'আ বর্ণনা করা হয়েছে সবই মাছুর। নির্দিষ্টভাবে শুধু আল্লাহুম্মা ইন্নী যলামুনাফসী...... দু'আকে মাছুর বলা ভুল। বরং এ দু'আটি "দু'আয়ে সিদ্দীক্বী" নামে নামকরণ করা হলে সঙ্গত হতো।==

📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 সালাম ফিরানো

📄 সালাম ফিরানো


অতঃপর নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ডানে সালাম প্রদান করতেন এ বলে- "আস্সালামু আলাইকুম অরহমাতুল্লাহ" (এ পরিমাণ মাথা ঘুরাতেন যে) তাঁর ডান গালের শুভ্রতা দেখা যেত, বাম দিকেও সালাম প্রদান করতেন- "আস্সালামু আলাইকুম অরহমাতুল্লাহ" (এ পরিমাণ মাথা ঘুরাতেন যে) তাঁর বাম গালের শুভ্রতা দেখা যেত। (১) কখনো কখনো প্রথম সালামে এটুকু বৃদ্ধি করতেনঃ "অবারাকাতুহ্" (২) আর ডানে "আস্সালামু আলাইকুম অরহমাতুল্লাহ" বললে বামে কখনো কখনো এটুকু বলে ক্ষান্ত হতেন "আস্সালামু আলাইকুম"। (৩) আবার কখনো কখনো একটিই সালাম প্রদান করতেন সম্মুখের দিকে ডান দিকে সামান্য একটু ধাবমান অবস্থায়। (৪)
ছাহাবাগণ ডানে বামে সালাম ফিরানোর সময় তাদের হাত দ্বারা ইঙ্গিত করতেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে এরূপ করতে দেখে বলেছিলেনঃ (৫) মা- শা'নুকুম তুশীরূনা বিআইদীকুম কাআন্নাহা- আযনা-বু খাইলিওঁ শুমসিন? ইযা- সাল্লামা আহাদুকুম ফালইয়ালতাফিত ইলা- সা-হিবিহী অলা- ইউমি'উ বিয়াদিহী (ফাল্লামা- সল্লূ- মা'আহু আইযান লাম ইয়াফ'আলূ- যা-লিকা ) (অফী রিওয়ায়াতিন : ইন্নামা- ইয়াকফী আহাদাকুম আন ইয়াদা'আ ইয়াদাহু 'আলা- ফখিযিহী সুম্মা ইউসাল্লিমু 'আলা- আখীহি মিন 'আলা- ইয়ামীনীহী অশিমা-লিহী )
তোমাদের ব্যাপার কী, তোমরা তোমাদের হাত দ্বারা এভাবে ইঙ্গিত করছ যেন তা উশৃঙ্খল তেজস্বী ঘোড়ার লেজ? যখন তোমাদের কেউ সালাম ফিরাবে সে যেন তার সাথীর দিকে দৃষ্টিপাত করে, হাত দ্বারা ইঙ্গিত না করে।" এরপর যখন তারা নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছালাত আদায় করত তখন আর তারা তা করত না। অন্য বর্ণনায় এসেছে: তোমাদের যে কারো জন্য এতটুকু যথেষ্ট যে, সে তার উরুর উপর হাত রাখবে এবং ডানে বামে অবস্থিত তার ভাইকে সালাম প্রদান করবে। (১)
নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: অ তাহলীলুহাত তাসলিম আর ছলাতের হালালকারী অর্থাৎ ছলাতে হারাম বা নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ বৈধকারী হলো সালাম প্রদান। (২)

টিকাঃ
(১) অনুরূপভাবে মুসলিম (৫৮২), আবূ দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী এটিকে বর্ণনা করে ছহীহ বলেছেন।
(২) আবূ দাউদ, ইবনু খুযাইমাহ (১/৮৭/২) ছহীহ সনদে। আব্দুল হক এটিকে ছহীহ প্রমাণ করেছেন তার "আহকাম" গ্রন্থে (৫৬/২)। অনুরূপভাবে নব্বী ও হাফিয ইবনু হাজারও, আরো বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক তার মুছান্নাফ গ্রন্থে (২/২১৯), আবূ ই'য়ালা তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে (৩/১২৫২), ত্ববরানী "কাবীর" গ্রন্থে (৩/৬৭/২), আওসাত্ব গ্রন্থে (১/২৬০০/২), দারাকুত্বনী অন্য সূত্রে।
(৩) নাসাঈ, আহমাদ ও সাররাজ ছহীহ সনদে।
(৪) ইবনু খুযাইমাহ, বাইহাকী, যিয়া-“মুস্তারাহ” গ্রন্থে, আব্দুল গনী মাকদিসী সুনান গ্রন্থে (২৪৩/১) ছহীহ সনদে, আহমাদ, ত্ববরানী "আউসাত্ব” গ্রন্থে, (৩২/২) যাওয়ায়েদুল মু'জামাইন থেকে, হাকিম বর্ণনা করে ছহীহ বলেছেন এবং যাহাবী ও ইবনুল মুলাকুকুিন (২৯/১) তার সমর্থন করেছেন। আর এটি ইরওয়া গ্রন্থে (৩২৭নং) হাদীছের আওতায় উদ্ধৃত হয়েছে।
(৫) শুমস শব্দটি শুমূস শব্দের বহুবচন, যার অর্থ তেজস্বিতা ও উগ্রতাসম্পন্ন ঐ চঞ্চল পশু যে স্থির থাকে না।
(১) মুসলিম, আবূ আওয়ানাহ, সাররাজ ও ইবনু খুযাইমাহ। জ্ঞাতব্য: ইবাযিয়াহরা (খারীজীদের একটি দল) এ হাদীছকে বিকৃত করেছে। তাদের মধ্যমণি (নেতা) তার অজ্ঞাত মুসনাদে এটিকে অন্য শব্দে বর্ণনা করেছেন। যাতে করে এটি দ্বারা তাকবীরের সাথে হাত উঠালে তাদের নিকট ছালাত বিনষ্ট হওয়ার পক্ষে দলীল গ্রহণ করতে পারে। তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন সায়ইয়াবীও, তারও প্রতিবাদ করা হয়েছে ভূমিকায়। তাদের বর্ণিত শব্দ বাত্বিল। এর বিশদ বর্ণনা রয়েছে "যাঈফাহ” গ্রন্থে (৬০৪৪)।
(২) এটিকে হাকিম ছহীহ আখ্যা দিয়েছেন এবং যাহাবী তার সমর্থন করেছেন। পূর্ণ হাদীছ ৮৬ পৃষ্ঠায় অতিক্রান্ত হয়েছে।

📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 সালাম বলা ওয়াজিব

📄 সালাম বলা ওয়াজিব


নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: অ তাহলীলুহাত তাসলিম আর ছলাতের হালালকারী অর্থাৎ ছলাতে হারাম বা নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ বৈধকারী হলো সালাম প্রদান। (২)

টিকাঃ
(২) এটিকে হাকিম ছহীহ আখ্যা দিয়েছেন এবং যাহাবী তার সমর্থন করেছেন। পূর্ণ হাদীছ ৮৬ পৃষ্ঠায় অতিক্রান্ত হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00