📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 দু’ই সাজদার মধ্যে পঠিতব্য দু‘আ ও যিকরসমূহ

📄 দু’ই সাজদার মধ্যে পঠিতব্য দু‘আ ও যিকরসমূহ


নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বৈঠকে বলতেন : আল্লাহুম্মাগফিরলী অরহামনী অজবুরনী অাহদিনী, অ'আ-ফিনী, অরযুক্বনী *
অপর বর্ণনায় রব্বি শব্দ এসেছে। অর্থঃ হে আল্লাহ তুমি আমাকে ক্ষমা কর, দয়া কর, ক্ষতি পূরণ কর, মর্যাদা বৃদ্ধি কর, হিদায়াত দাও, নিরাপত্তা ও জীবিকা দান কর। (২)
২। কখনও তিনি বলতেন : রব্বিগফিরলী ইগফিরলী *
অর্থ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, আমাকে ক্ষমা কর। (৩) উপরোক্ত দুটি দু'আ তিনি রাত্রিকালীন নফল ছালাতে পাঠ করতেন। (৪) অতঃপর তিনি তাকবীর বলে দ্বিতীয় সাজদা করতেন। (১) তিনি এ বিষয়ে ছালাতে ত্রুটিকারীকে পূর্বোক্ত বক্তব্যের ন্যায় ধীরস্থিরতার জন্য নির্দেশ দিয়ে বলেন:
সুম্মা তাক্বূলু : «আল্লাহু আকবারু সুম্মা তাসজুদু হাত্তা- তাত্বমা'ইন্না মাফা-সিলুকা, সুম্মা ইফ'আল যা-লিকা ফী সলা-তিকা কুল্লিহা- *
অতঃপর তুমি 'আল্লাহু আকবার' বলবে, অতঃপর এমনভাবে সাজদা করবে যাতে তোমার জোড়াগুলো স্থির হয়ে যায়। অতঃপর পুরো ছালাতে তুমি এমনটি করবে। (২)
কান্না ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ইয়ারফা'উ ইয়াদaihi মা'আ হা-যাত তাকবীলি আহ্ইয়া-নান *
তিনি কখনও এই তাকবীরের সময় হস্তদ্বয় উত্তোলন করতেন। (৩) তিনি এই সাজদাকে প্রথম সাজদার ন্যায় সম্পাদন করতেন, অতঃপর তাকবীর বলে স্বীয় মস্তক উত্তোলন করতেন। (৪) এ বিষয়ে তিনি ছালাতে ত্রুটিকারীকে দ্বিতীয় সাজদার নির্দেশ দান পূর্বক বলেন:
সুম্মা ইয়ারফা'উ রা'সাহু ফাইউকাব্বিরু, অক্ব-লা লাহু : সুম্মা ইসনা' যা-লিকা ফী কুল্লি রাক'আতিন অ সাজদাতিন ফাইযা- ফা'আলতা যা-লিকা ফাক্বাদ তামাক্কাত সলা-তুকা, অ ইন আনক্বাসতা মিনহু শাইয়্যান, আনক্বাসতা মিন সলা-তিকা )
অতঃপর স্বীয় মস্তক উত্তোলন পূর্বক 'আল্লাহ আকবার' বলতেন (৫) এবং তাকে এও বলেন- অতঃপর প্রত্যেক রাক'আত ও সাজদায় এমনটি করবে। আর তুমি যখন এসব করবে তখন তোমার ছালাত পূর্ণ হবে। যদি এতে ত্রুটি কর তবে যে পরিমাণ ত্রুটি করবে সেই পরিমাণেই ছালাত ত্রুটিপূর্ণ থেকে যাবে (১) তিনি এই ক্ষেত্রে কখনো কখনো হস্তদ্বয় উত্তোলন করতেন। (২)

টিকাঃ
(২) আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, হাকিম এবং তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
(৩) হাসান সনদে ইবনু মাজাহ, ইমাম আহমাদ এই দু'আ গ্রহণ করেন। ইসহাক ইবনু রা-হাওয়াইহ্ বলেন: ইচ্ছা করলে এ দু'আ তিনবার বলবে অথবা ইচ্ছা করলে আল্লাহুম্মাগফিরলী বলবে, কেননা দুই সাজদার মধ্যখানে দুটি দু'আই নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উল্লেখ হয়েছে, যেমন রয়েছে- 'মাসা-ইলুল ইমাম আহমদ ও ইসহাক বিন রা-হাওয়াইহ্' এর গ্রন্থে ইসহাক আল-মারওয়াযীর বর্ণনা মতে। (পৃষ্ঠা ১৯)
(৪) এটি ফরয ছালাতে পড়া রীতি বিরুদ্ধ নয়। যেহেতু ফরয এবং নফলের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, এ মতই পোষণ করেন ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক। তারা মনে করেন যে, এটা ফরয এবং নফল উভয় ছালাতেই বৈধ যেমন ইমাম তিরমিযী উদ্ধৃত করেন, ইমাম ত্বাহাবীও 'মুশকিলুল আ-ছা-র' গ্রন্থে এর বৈধতা স্বীকার করেন। বিশুদ্ধ চিন্তা-বিবেচনাও এ কথার সমর্থন করে কেননা ছালাতে এমন কোন স্থান নেই যেখানে যিকর পাঠ করা যায় না। অতএব এখানেও তাই হওয়া উচিত। ব্যাপারটি অতি স্পষ্ট।
(১) বুখারী ও মুসলিম।
(২) আবূ দাউদ, হাকিম এবং তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, অতিরিক্ত অংশ বুখারী ও মুসলিমের।
(৩) দু'টি ছহীহ সনদে আবু উওয়ানাহ্ ও আবূ দাউদ, এই হস্ত উত্তোলন সম্পর্কে আহমাদ এবং মালিক ও শাফিঈ উভয়জন থেকে বর্ণিত এক বর্ণনায় সমর্থন করেছেন, দেখুন পৃষ্ঠা ১৫১ টীকা- ৩।
(৪) বুখারী ও মুসলিম।
(৫) আবু দাউদ, হাকিম, তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে ঐকমত্য পোষণ করেন।

নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই বৈঠকে বলতেন : আল্লাহুম্মাগফিরলী অরহামনী অজবুরনী অাহদিনী, অ'আ-ফিনী, অরযুক্বনী *
অপর বর্ণনায় রব্বি শব্দ এসেছে। অর্থঃ হে আল্লাহ তুমি আমাকে ক্ষমা কর, দয়া কর, ক্ষতি পূরণ কর, মর্যাদা বৃদ্ধি কর, হিদায়াত দাও, নিরাপত্তা ও জীবিকা দান কর। (২)
২। কখনও তিনি বলতেন : রব্বিগফিরলী ইগফিরলী *
অর্থ হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা কর, আমাকে ক্ষমা কর। (৩) উপরোক্ত দুটি দু'আ তিনি রাত্রিকালীন নফল ছালাতে পাঠ করতেন। (৪) অতঃপর তিনি তাকবীর বলে দ্বিতীয় সাজদা করতেন। (১) তিনি এ বিষয়ে ছালাতে ত্রুটিকারীকে পূর্বোক্ত বক্তব্যের ন্যায় ধীরস্থিরতার জন্য নির্দেশ দিয়ে বলেন:
সুম্মা তাক্বূলু : «আল্লাহু আকবারু সুম্মা তাসজুদু হাত্তা- তাত্বমা'ইন্না মাফা-সিলুকা, সুম্মা ইফ'আল যা-লিকা ফী সলা-তিকা কুল্লিহা- *
অতঃপর তুমি 'আল্লাহু আকবার' বলবে, অতঃপর এমনভাবে সাজদা করবে যাতে তোমার জোড়াগুলো স্থির হয়ে যায়। অতঃপর পুরো ছালাতে তুমি এমনটি করবে। (২)
কান্না ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ইয়ারফা'উ ইয়াদaihi মা'আ হা-যাত তাকবীলি আহ্ইয়া-নান *
তিনি কখনও এই তাকবীরের সময় হস্তদ্বয় উত্তোলন করতেন। (৩) তিনি এই সাজদাকে প্রথম সাজদার ন্যায় সম্পাদন করতেন, অতঃপর তাকবীর বলে স্বীয় মস্তক উত্তোলন করতেন। (৪) এ বিষয়ে তিনি ছালাতে ত্রুটিকারীকে দ্বিতীয় সাজদার নির্দেশ দান পূর্বক বলেন:
সুম্মা ইয়ারফা'উ রা'সাহু ফাইউকাব্বিরু, অক্ব-লা লাহু : সুম্মা ইসনা' যা-লিকা ফী কুল্লি রাক'আতিন অ সাজদাতিন ফাইযা- ফা'আলতা যা-লিকা ফাক্বাদ তামাক্কাত সলা-তুকা, অ ইন আনক্বাসতা মিনহু শাইয়্যান, আনক্বাসতা মিন সলা-তিকা )
অতঃপর স্বীয় মস্তক উত্তোলন পূর্বক 'আল্লাহ আকবার' বলতেন (৫) এবং তাকে এও বলেন- অতঃপর প্রত্যেক রাক'আত ও সাজদায় এমনটি করবে। আর তুমি যখন এসব করবে তখন তোমার ছালাত পূর্ণ হবে। যদি এতে ত্রুটি কর তবে যে পরিমাণ ত্রুটি করবে সেই পরিমাণেই ছালাত ত্রুটিপূর্ণ থেকে যাবে (১) তিনি এই ক্ষেত্রে কখনো কখনো হস্তদ্বয় উত্তোলন করতেন। (২)

টিকাঃ
(২) আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, হাকিম এবং তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
(৩) হাসান সনদে ইবনু মাজাহ, ইমাম আহমাদ এই দু'আ গ্রহণ করেন। ইসহাক ইবনু রা-হাওয়াইহ্ বলেন: ইচ্ছা করলে এ দু'আ তিনবার বলবে অথবা ইচ্ছা করলে আল্লাহুম্মাগফিরলী বলবে, কেননা দুই সাজদার মধ্যখানে দুটি দু'আই নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে উল্লেখ হয়েছে, যেমন রয়েছে- 'মাসা-ইলুল ইমাম আহমদ ও ইসহাক বিন রা-হাওয়াইহ্' এর গ্রন্থে ইসহাক আল-মারওয়াযীর বর্ণনা মতে। (পৃষ্ঠা ১৯)
(৪) এটি ফরয ছালাতে পড়া রীতি বিরুদ্ধ নয়। যেহেতু ফরয এবং নফলের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, এ মতই পোষণ করেন ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক। তারা মনে করেন যে, এটা ফরয এবং নফল উভয় ছালাতেই বৈধ যেমন ইমাম তিরমিযী উদ্ধৃত করেন, ইমাম ত্বাহাবীও 'মুশকিলুল আ-ছা-র' গ্রন্থে এর বৈধতা স্বীকার করেন। বিশুদ্ধ চিন্তা-বিবেচনাও এ কথার সমর্থন করে কেননা ছালাতে এমন কোন স্থান নেই যেখানে যিকর পাঠ করা যায় না। অতএব এখানেও তাই হওয়া উচিত। ব্যাপারটি অতি স্পষ্ট।
(১) বুখারী ও মুসলিম।
(২) আবূ দাউদ, হাকিম এবং তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন, অতিরিক্ত অংশ বুখারী ও মুসলিমের।
(৩) দু'টি ছহীহ সনদে আবু উওয়ানাহ্ ও আবূ দাউদ, এই হস্ত উত্তোলন সম্পর্কে আহমাদ এবং মালিক ও শাফিঈ উভয়জন থেকে বর্ণিত এক বর্ণনায় সমর্থন করেছেন, দেখুন পৃষ্ঠা ১৫১ টীকা- ৩।
(৪) বুখারী ও মুসলিম।
(৫) আবু দাউদ, হাকিম, তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে ঐকমত্য পোষণ করেন।

📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 বিরাম নেয়ার বৈঠক

📄 বিরাম নেয়ার বৈঠক


নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় সাজদাহ থেকে সোজা হয়ে বাম পায়ের উপর বসতেন এবং প্রত্যেক হাড় স্ব স্ব স্থানে ফেরত আসা পর্যন্ত বিরাম নিতেন। (৩)

টিকাঃ
(৩) বুখারী, আবূ দাউদ, এই বৈঠক ফুকাহাদের নিকট জালসা ইস্তরাহাত বা বিরামের বৈঠক নামে পরিচিত, ইমাম শাফিঈ একে সমর্থন করেছেন। ইমাম আহমাদ থেকে এটি বর্ণিত হয়েছে যেমনটি আত্তাহক্বীক গ্রন্থে রয়েছে। (১১১/১) আর তার বেলায় এটাই প্রযোজ্য তিনি দ্বন্দ্বমুক্ত হাদীছের উপর আমল করতে আগ্রহী হিসাবেই পরিচিত। ইবনু হানী ইমাম আহমাদ হতে স্বীয় 'মাসায়িল' গ্রন্থে বর্ণনা করে বলেন (১/৫৭) আমি আবু আব্দিল্লাহ (ইমাম আহমাদ)-কে দেখেছি যে, তিনি শেষ রাক'আতে উঠার সময় কখনও হস্তদ্বয়ের উপর ভর করে উঠেছেন, আবার কখনও সোজা হয়ে বসেছেন অতঃপর দাঁড়িয়েছেন। এটি ইমাম ইসহাক বিন রা-হাওয়াইহ্ এর গৃহীত মত। তিনি 'মাসা-য়িলুল মারওয়াযী (১/১৪৭/২) তে বলেন: নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই মর্মে সুন্নত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, বৃদ্ধ যুবক সর্বাবস্থায় হস্তদ্বয়ের উপর ভর করে উঠবে। দেখুন 'আল-ইরওয়া' (২/৮২-৮৩)।

নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় সাজদাহ থেকে সোজা হয়ে বাম পায়ের উপর বসতেন এবং প্রত্যেক হাড় স্ব স্ব স্থানে ফেরত আসা পর্যন্ত বিরাম নিতেন। (৩)

টিকাঃ
(৩) বুখারী, আবূ দাউদ, এই বৈঠক ফুকাহাদের নিকট জালসা ইস্তরাহাত বা বিরামের বৈঠক নামে পরিচিত, ইমাম শাফিঈ একে সমর্থন করেছেন। ইমাম আহমাদ থেকে এটি বর্ণিত হয়েছে যেমনটি আত্তাহক্বীক গ্রন্থে রয়েছে। (১১১/১) আর তার বেলায় এটাই প্রযোজ্য তিনি দ্বন্দ্বমুক্ত হাদীছের উপর আমল করতে আগ্রহী হিসাবেই পরিচিত। ইবনু হানী ইমাম আহমাদ হতে স্বীয় 'মাসায়িল' গ্রন্থে বর্ণনা করে বলেন (১/৫৭) আমি আবু আব্দিল্লাহ (ইমাম আহমাদ)-কে দেখেছি যে, তিনি শেষ রাক'আতে উঠার সময় কখনও হস্তদ্বয়ের উপর ভর করে উঠেছেন, আবার কখনও সোজা হয়ে বসেছেন অতঃপর দাঁড়িয়েছেন। এটি ইমাম ইসহাক বিন রা-হাওয়াইহ্ এর গৃহীত মত। তিনি 'মাসা-য়িলুল মারওয়াযী (১/১৪৭/২) তে বলেন: নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই মর্মে সুন্নত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, বৃদ্ধ যুবক সর্বাবস্থায় হস্তদ্বয়ের উপর ভর করে উঠবে। দেখুন 'আল-ইরওয়া' (২/৮২-৮৩)।

📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 পরবর্তী রাক্‘আতের উদ্দেশ্যে উঠার জন্য দু’ই হাতের উপর ভর করা

📄 পরবর্তী রাক্‘আতের উদ্দেশ্যে উঠার জন্য দু’ই হাতের উপর ভর করা


কান্না ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ইয়ানহাযু মু'তামিদান 'আলাল আরযি ইলার রাক'আতিছ ছা-নিয়াহ, অ কা-না ইয়া'জিনু ফিস সলা-তি : ইয়া'তামিদু 'আলা- ইয়াদaihi ইযা- ক্বা-মা *
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় রাক'আতে উঠার সময় মাটিতে ভর করে উঠতেন (১) তিনি ছলাতের ভিতর (বসা থেকে) দাঁড়ানোর সময় আটা মন্থনের মত করে দু' হাতের উপর ভর দিতেন। (২)
কান্না ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ইযা- নাহাযা ফির রাক'আতিছ ছা-নিয়াহ, ইফতাতাহা «আলহামদু লিল্লা-হি , অ লাম ইয়াসকুত
তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় রাক'আতের জন্য উঠে প্রথমেই সূরা ফাতিহা পড়তেন চুপ থাকতেন না। (৩) তিনি দ্বিতীয় রাক'আতে তাই করতেন যা প্রথম রাক'আতে করতেন, তবে প্রথম রাক'আত অপেক্ষা দ্বিতীয় রাক'আতকে সংক্ষিপ্ত করতেন, যেমন ইতিপূর্বে উল্লেখ হয়েছে।

টিকাঃ
(১) শাফি'ঈ ও বুখারী।
(২) ছালিহ বা উপযুক্ত সনদে আবু ইসহাক আল-হারবী, বাইহাকীতে ছহীহ সনদে এর সমার্থবোধক শব্দ এসেছে। বস্তুতঃ যে হাদীছে এসেছে - কান্না ইয়াক্বূমু কা ইন্নাহুছ ছাহমু লা- ইয়া'তামিদু 'আলা- ইয়াদaihi অর্থ: তিনি তীরের ন্যায় উঠতেন, হাতের উপর ভর করতেন না, এটি জাল হাদীছ, এই অর্থে আরো যত হাদীছ পাওয়া যায় সবই অশুদ্ধ। আমি 'আয্যাইফা'তে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছি। (৫৬২, ৯২৯ ও ৯৬৮)। কোন এক সম্মানিত ব্যক্তির নিকট আমার কর্তৃক হারাবীর হাদীছের সনদ শক্তিশালী বলে আখ্যা দেয়াটা আপত্তিকর মনে হয়েছে। আমি এর পরিষ্কার বর্ণনা দিয়েছি 'ফিকুহু সুন্নাহ' এর টীকা গ্রন্থ 'তামা-মুল মিন্নাহ' গ্রন্থে। দেখে নিন, কেননা তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
(৩) মুসলিম, আবূ আওয়ানা, হাদীছে যে চুপ থাকাকে অস্বীকার করা হয়েছে তা প্রারম্ভিক দু'আর (ছানার) জন্য চুপ থাকা হতে পারে, এমতাবস্থায় 'আউজুবিল্লাহ........' পড়ার উদ্দেশে চুপ থাকা সংশ্লিষ্ট হবে না। আবার ব্যাপকও হতে পারে, তবে আমার নিকট প্রথমটিই অর্থাৎ প্রত্যেক রাক'আতে পাঠ করার বৈধতাই প্রাধান্য যোগ্য। উল্লিখিত বিষয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যা মূল গ্রন্থে উল্লেখ হয়েছে।

কান্না ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ইয়ানহাযু মু'তামিদান 'আলাল আরযি ইলার রাক'আতিছ ছা-নিয়াহ, অ কা-না ইয়া'জিনু ফিস সলা-তি : ইয়া'তামিদু 'আলা- ইয়াদaihi ইযা- ক্বা-মা *
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় রাক'আতে উঠার সময় মাটিতে ভর করে উঠতেন (১) তিনি ছলাতের ভিতর (বসা থেকে) দাঁড়ানোর সময় আটা মন্থনের মত করে দু' হাতের উপর ভর দিতেন। (২)
কান্না ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ইযা- নাহাযা ফির রাক'আতিছ ছা-নিয়াহ, ইফতাতাহা «আলহামদু লিল্লা-হি , অ লাম ইয়াসকুত
তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় রাক'আতের জন্য উঠে প্রথমেই সূরা ফাতিহা পড়তেন চুপ থাকতেন না। (৩) তিনি দ্বিতীয় রাক'আতে তাই করতেন যা প্রথম রাক'আতে করতেন, তবে প্রথম রাক'আত অপেক্ষা দ্বিতীয় রাক'আতকে সংক্ষিপ্ত করতেন, যেমন ইতিপূর্বে উল্লেখ হয়েছে।

টিকাঃ
(১) শাফি'ঈ ও বুখারী।
(২) ছালিহ বা উপযুক্ত সনদে আবু ইসহাক আল-হারবী, বাইহাকীতে ছহীহ সনদে এর সমার্থবোধক শব্দ এসেছে। বস্তুতঃ যে হাদীছে এসেছে - কান্না ইয়াক্বূমু কা ইন্নাহুছ ছাহমু লা- ইয়া'তামিদু 'আলা- ইয়াদaihi অর্থ: তিনি তীরের ন্যায় উঠতেন, হাতের উপর ভর করতেন না, এটি জাল হাদীছ, এই অর্থে আরো যত হাদীছ পাওয়া যায় সবই অশুদ্ধ। আমি 'আয্যাইফা'তে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছি। (৫৬২, ৯২৯ ও ৯৬৮)। কোন এক সম্মানিত ব্যক্তির নিকট আমার কর্তৃক হারাবীর হাদীছের সনদ শক্তিশালী বলে আখ্যা দেয়াটা আপত্তিকর মনে হয়েছে। আমি এর পরিষ্কার বর্ণনা দিয়েছি 'ফিকুহু সুন্নাহ' এর টীকা গ্রন্থ 'তামা-মুল মিন্নাহ' গ্রন্থে। দেখে নিন, কেননা তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
(৩) মুসলিম, আবূ আওয়ানা, হাদীছে যে চুপ থাকাকে অস্বীকার করা হয়েছে তা প্রারম্ভিক দু'আর (ছানার) জন্য চুপ থাকা হতে পারে, এমতাবস্থায় 'আউজুবিল্লাহ........' পড়ার উদ্দেশে চুপ থাকা সংশ্লিষ্ট হবে না। আবার ব্যাপকও হতে পারে, তবে আমার নিকট প্রথমটিই অর্থাৎ প্রত্যেক রাক'আতে পাঠ করার বৈধতাই প্রাধান্য যোগ্য। উল্লিখিত বিষয়ের বিস্তারিত ব্যাখ্যা মূল গ্রন্থে উল্লেখ হয়েছে।

📘 সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি > 📄 প্রত্যেক রাক্‘আতে সূরা ফাতিহা পাঠ ফরয

📄 প্রত্যেক রাক্‘আতে সূরা ফাতিহা পাঠ ফরয


নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছলাতে ত্রুটিকারীকে প্রত্যেক রাক'আতে সূরা ফাতিহা পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন। কেননা তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথম রাক'আতে সূরা ফাতিহা পাঠের নির্দেশ দান পূর্বক (৪) বলেন:
ثم افعل ذلك في صلاتك كلها ، وفي رواية : في كل ركعة ﴾ ﴿ وقال : « في كل ركعة قراءة ﴾
তুমি তোমার প্রত্যেক ছালাতেই এমনটি করবে। (১) অপর বর্ণনায় এসেছে-প্রত্যেক রাক'আতেই এমনটি করবে। (২) তিনি আরো বলেন: প্রত্যেক রাক'আতেই কিরা'আত রয়েছে। (৩)

টিকাঃ
(৪) শক্তিশালী সনদে আবূ দাউদ ও আহমাদ।
(১) বুখারী ও মুসলিম।
(২) উত্তম সনদে আহমাদ।
(৩) ইবনু মাজাহ, ইবনু হিব্বান স্বীয় 'ছহীহ'তে ও আহমাদ 'মাসাইলু ইনি হা-নী' তে (১/৫২), জাবির (রাযিঃ) বলেন: যে সূরা ফাতিহা ব্যতীত কোন রাক'আত পড়ল সে যেন ছালাতই পড়েনি। তবে ইমামের পিছনে হলে সে কথা স্বতন্ত্র। 'মালিক আল-মুয়াত্তা' গ্রন্থে।

নাবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছলাতে ত্রুটিকারীকে প্রত্যেক রাক'আতে সূরা ফাতিহা পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন। কেননা তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথম রাক'আতে সূরা ফাতিহা পাঠের নির্দেশ দান পূর্বক (৪) বলেন:
ثم افعل ذلك في صلاتك كلها ، وفي رواية : في كل ركعة ﴾ ﴿ وقال : « في كل ركعة قراءة ﴾
তুমি তোমার প্রত্যেক ছালাতেই এমনটি করবে। (১) অপর বর্ণনায় এসেছে-প্রত্যেক রাক'আতেই এমনটি করবে। (২) তিনি আরো বলেন: প্রত্যেক রাক'আতেই কিরা'আত রয়েছে। (৩)

টিকাঃ
(৪) শক্তিশালী সনদে আবূ দাউদ ও আহমাদ।
(১) বুখারী ও মুসলিম।
(২) উত্তম সনদে আহমাদ।
(৩) ইবনু মাজাহ, ইবনু হিব্বান স্বীয় 'ছহীহ'তে ও আহমাদ 'মাসাইলু ইনি হা-নী' তে (১/৫২), জাবির (রাযিঃ) বলেন: যে সূরা ফাতিহা ব্যতীত কোন রাক'আত পড়ল সে যেন ছালাতই পড়েনি। তবে ইমামের পিছনে হলে সে কথা স্বতন্ত্র। 'মালিক আল-মুয়াত্তা' গ্রন্থে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00