📄 সাজদায় কুরআন পড়া নিষেধ
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রুকু' এবং সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করতেন, তবে এই রুকন্টিতে তিনি বেশী করে দু'আ করার নির্দেশ দিতেন, যেমন রুকু' অধ্যায়ে উল্লেখ হয়েছে।
তিনি বলতেন:
আক্বরাবু মা- ইয়াকূনুল 'আব্দু মীর রাব্বিহী অ হুয়া সা-জিদুন ফাকছিরুদ্ দু'আ-আ ফীহি )
বান্দাহ আল্লাহর সর্বাধিক নিকটতম অবস্থায় থাকে তখনই যখন সে সাজদা করে, তাই এমতাবস্থায় তোমরা বেশী করে দু'আ কর। (২)
টিকাঃ
(২) মুসলিম, আবূ উওয়ানাহ্, বাইহাকী, এটি 'আল-ইরওয়া' গ্রন্থে উদ্ধত হয়েছে- (৪৫৬)।
📄 সাজদাকে দীর্ঘায়িত করা
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় সাজদাহকে রুকুর কাছাকাছি দীর্ঘায়িত করতেন, আবার কখনোবা কোন কারণ বশতঃ তারও অধিক পরিমাণ দীর্ঘ করতেন, যেমন কিছু সংখ্যক ছাহাবী বলেন:
খরাজা 'আলাইনা- রাসূ-লুল্লাহি ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ফী ইহদা- সলা-তাইনিিল 'আশীয়্যি (আয যুহরি আও ইল 'আসরি) অ হুয়া হা-মিলুন হাসানা আও হুসাইনা, ফাতাক্বাদ্দামান্নাবীয়্যু ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ফাওয়াদা'আহু (ইনদা ক্বাদামিহিল ইউমনা-) সুম্মা কাব্বারা লিস সলা-তি ফাসল্লা- ফাসajাদা বাইনা যাহরা-নাই সলা-তিহী সাজদাতান আত্বা-লাহা-, ক্বালা- : ফারফা'তু রা'সী (মিম বাইনিন্নাসি) ফাইযাস সবীয়্যু 'আলা- যাহরি রাসূ-লিল্লা-হি ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা অ হুয়া সা-জিদুন, ফারাজা'তু ইলা- সুজূদী ফাল্লামা- ক্বাযা- রাসূ-লুল্লাহি ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামাছ সলা-তা, ক্ব-লান্নাসু : ইয়া- রাসূ-লুল্লা-হি ! ইন্নাকা সাজাদতা বাইনা যাহরা-নাই সলা-তিকা (হা-যিহী) সাজদাতান আত্বালতাহা-, হাত্তা- যযান্না- আন্নাহু ক্বাদ হাদাসা আমরুন, আও আন্নahু ইউওহায়া ইলাইকা ! ক্বালা- :
কুল্লু যা-লিকা লাম ইয়াকুন অলা-কিন ইবনী ইরতাহালানী ফাকারিহতু আন উ'আজ্বিলাহু হাত্তা- ইয়াক্বযী হা-জাতাহু )
রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুহরের বা আছরের মধ্যে যে কোন এক ছালাতে হাসান বা হুসাইনকে কোলে করে নিয়ে আসেন। তিনি (ইমামতের স্থলে) অগ্রসর হয়ে তাকে স্বীয় ডান পায়ের নিকটে রাখেন অতঃপর ছালাতের উদ্দেশ্যে তাকবীর বলেন এবং ছালাত আদায় করেন। তাঁর এই ছালাতে একটি সাজদাকে দীর্ঘায়িত করলে লোকজনের মধ্য হতে আমি স্বীয় মস্তক উত্তোলন করি। দেখতে পেলাম যে, বালকটি রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পিঠের উপরে রয়েছে আর তিনি সাজদারত অবস্থায় রয়েছেন, এ দেখে আমি আবার সাজদায় চলে যাই। রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছালাত শেষ করলে লোকজন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি ছালাতে একটি সাজদাকে এতই দীর্ঘায়িত করেছেন যে, আমাদের এই ধারণা হয়েছিল যে, সম্ভবত একটা কিছু ঘটেছে অথবা ওহী অবতীর্ণ হচ্ছে। তিনি বললেন: ও সবের কোনটাই নয় বরং আমার এই ছেলেটি আমার উপরে আরোহণ (১) করেছিল, ফলে তার চাহিদা পূর্ণ না হতেই তাকে জলদি নামিয়ে দেয়া অপছন্দ মনে করেছি। (১)
অপর হাদীছে এসেছে: কান্না ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা ইউছাল্লী ফাইযা- সাজada অছাবাল হাসানু অল হুসাইন 'আলা- যাহরিহী ফাইযা- মানা'ঊহুমা- আশা-রা ইলাইহিম আন দা'ঊহুমা- ফাল্লামা- ক্বাযাছ সলা-তা ওয়াযা'আহুমা- ফী হিজরিহী অক্ব-লা : (মান আহাব্বানী ফালইউহিব্বু হা-যাইনি *
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ছালাত আদায় কালে সাজদায় যেতেই হাসান ও হুসাইন তাঁর পিঠে লাফিয়ে চড়ে বসত, অন্যরা তাদেরকে নিষেধ করতে গেলেই তিনি ইঙ্গিতে বলতেন যে, তাদেরকে নিজ অবস্থায় ছেড়ে রাখ। অতঃপর ছালাত শেষ করে তাদেরকে কোলে বসিয়ে বললেন: যে ব্যক্তি আমাকে ভাল বাসে সে যেন এই দু'জনকেও ভালবাসে। (২)
টিকাঃ
(১) এখানে মুলে ইরতাহালানী। শব্দ রয়েছে যার অর্থ হচ্ছে- আমার পিঠে চড়ে আমাকে আরোহণের বাহনে পরিণত করল আর ফাকারিহতু আন উ'আজ্বিলাহু এখানে উ'আজ্বিলাহু শব্দটি তা'জ্বীল, অথবা ই'জ্বাল মাসদার থেকে উদাত।
(১) নাসাঈ, ইবনু আসাকির (৪/২৫৭/১-২) ও হাকিম এবং তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে একমত পোষণ করেছেন।
(২) ইবনু খুযাইমাহ স্বীয় 'গ্রন্থে' (৮৮৭) ইবনু মাসউদ থেকে হাসান সনদে, বাইহাকী মুরসাল সনদে (২/২৬৩) ইবনু খুযাইমাহ এর জন্য অধ্যায় রচনা করেন। "অর্থবহ ইঙ্গিত দ্বারা ছালাত বাত্বিল বা বিনষ্ট না হওয়ার প্রমাণুল্লেখের অধ্যায়।”
আমি বলতে চাই- এ বিষয়টি ঐ সকল তথ্যজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত যা রায় পন্থীরা হারাম করে বসেছে, অথচ এ বিষয়ে অনেক হাদীছ বুখারী মুসলিমসহ অন্যান্য কিতাবাদিতে রয়েছে।
📄 সাজদার ফযীলত
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন: মা- মিন উম্মাতী মিন আহাদিন ইল্লা- অ আনা আ'রিফুহু ইয়াওমাল ক্বিয়া-মাহ, ক্বা-লূ- অকাইফা তা'রিফুহুম ইয়া- রাসূ-লুল্লা-হি ! ফী কাছরাতিিল খালা-ইক্ব? ক্বালা- : আরাআইতা লাও দাখালতা সীরাতান ফীহা- খাইরুন দাহমুন বিহিম অফীha- ফারাসুন আগাররু মুহাজ্জালুন আমা- কুনতা তা'রিফুহু মিনহা- ? ক্বালা- : বালা- ক্বালা- : ফাইন্না উম্মাতী ইয়াওমা ইযিন গুররুম মিনাস সুজূদি মুহাজ্জালূনা মিনাল উযূই *
আমার যে কোন উম্মতকে কিয়ামতের দিন আমি চিনে নিতে পারব। ছাহাবাগণ বললেন: এতসব সৃষ্টিকুলের মধ্যে আপনি তাদেরকে কিভাবে চিনবেন হে আল্লাহর রাসূল? তিনি উত্তরে বললেন: তুমি যদি কোন আস্তাবলে (১) প্রবেশ কর যেখানে নিছক কাল ঘোড়ার মধ্যে এমন সব ঘোড়াও থাকে যেগুলোর হাত পা(২) ও মুখ ধবধবে সাদা তবে কি তুমি উভয়ের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে না? ছাহাবী বললেন: হ্যাঁ, পারব। তিনি বললেন: ঐ দিন সাজদার কারণে আমার উম্মতের চেহারা (৩) সাদা ধবধবে হবে, আর ওযুর কারণে হাত-পা উজ্জ্বল সাদা (৪) হবে। (৫) তিনি আরো বলতেন:
ইযা- আরা-দাল্লা-হু রাহ্মাতাম মান আরা-দা মিন আহলিন্না-রি, আমারাল্লা-হুল মালাইকা-তা আন ইউখরিজু- মান ইয়া'বুদুল্লাহা, ফাইুখরিজূনাাহুম অ ইয়া'রিফূnaহুম বিআ-ছা-রিস সুজূদি, অ হাররামাল্লা-হু 'আলান্না-রি আন তা'কুলা আছারাস সুজূদি, ফাইুখরিজূ-না মিনান্না-রি ফাকুল্লু ইবনি আ-দামা তা'কুলুহুন না-রু ইল্লা- আছারাস সুজূদি *
আল্লাহ যখন জাহান্নামীদের কাউকে দয়া করতে চাইবেন তখন ফেরেশতাদেরকে নির্দেশ দিবেন ঐ লোকদের বের করার জন্য যারা আল্লাহর ইবাদত করতো। অনন্তর তারা তাদেরকে বের করবেন। তারা তাদেরকে সাজদার চিহ্নসমূহ দেখে চিনে নিবেন। আল্লাহ আগুনের উপর সাজদার চিহ্ন ভক্ষণ হারাম করে দিয়েছেন। এভাবে তারা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করবেন। বস্তুতঃ আদম সন্তানের সর্বাঙ্গ আগুন ভক্ষণ করবে শুধু সাজদার স্থান ব্যতীত। (১)
টিকাঃ
(১) এখানে মূলেঃ «সীরাহ» শব্দের অর্থ: আস্তাবল- যা পশুর জন্যে পাথর অথবা বৃক্ষের ডাল-পালা দ্বারা বানানো হয়। এর বহু বচন হচ্ছে- «সিয়ার» 'আননিহায়াহ'। পূর্বের মুদ্রণগুলোতে ছুবরাহ শব্দ বসানো ছিল যার অর্থ (পেশ দ্বারা) স্তূপীকৃত বস্তু বুঝায়। এটি ভুল ছিল যা সম্মানিত শাইখ বকর বিন আব্দুল্লাহ আবু যাইদ ২০-২-১৪০৯ হিজরী পত্র মারফত আমাকে অবহিত করেছেন। আল্লাহ তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
(২) এখানে মূলে যে মু'হাজ্জাল শব্দ রয়েছে তার অর্থ হচ্ছে এমন ব্যক্তি যার হাত ও পা-র বেড়ি বন্ধনের স্থান পর্যন্ত উচ্চে শুভ্রতা ছড়ায় যা কজি অতিক্রম করে কিন্তু হাঁটু অতিক্রম করে না। কেননা এ দু'টি হাজল তথা নুপুর ও বেড়ি বন্ধনের স্থান। শুধু এক হাতের বা দুই হাতের শুভ্রতা দ্বারা »মু'হাজ্জাল হবেনা যতক্ষণ না এক বা উভয় পায়েও তা বিদ্যমান থাকবে।
(৩) মূলে আল গুররাহ শব্দটির অর্থঃ মুখমণ্ডলের শুভ্রতা। এখানে উযূর মাধ্যমে মুখ মণ্ডলের শুভ্রতা উদ্দেশ্য।
(৪) এখানে :মু'হাজ্জালূন শব্দের অর্থ হচ্ছে- উযূর মাধ্যমে হাত, পা ও মুখমণ্ডলের সাদা=স্থানসমূহ। মানুষের দু'হাত, পা ও চেহারায় ফুটে উঠা চিহ্নকে ঘোড়ার হাত, পা ও চেহারার শুভ্রতার সাথে রূপকার্থে সদৃশতা দেয়া হয়েছে।
(৫) ছহীহ সনদে আহমাদ, তিরমিযী এর কিয়দাংশ বর্ণনা করে ছহীহ বলেছেন। হাদীছটিকে 'আছ ছাহীহা' গ্রন্থে উদ্ধৃত করা হয়েছে।
(১) বুখারী ও মুসলিম। এ হাদীছে পাওয়া যাচ্ছে যে, পাপী মুছাল্লীগণ জাহান্নামে চীরস্থায়ী হবে না, এমনিভাবে অলসতাবশত ছালাত তরককারী তাওহীদবাদী ব্যক্তিও চীরস্থায়ী জাহান্নামী হবে না। এ বিষয়টি বিশুদ্ধভাবে সাব্যস্ত হয়েছে দেখুন 'আছ ছাহীহা' (২০৫৪)। (উল্লেখ্য যে, শেষোক্ত কথাটি লেখকের মত যা সংশ্লিষ্ট হাদীছের মর্ম বিরোধী -সম্পাদক)
📄 মাটি ও চাটাই এর উপর সাজদাহ করা
অকা-না ইয়াসজুদু 'আলাল আরযি কাছীরান *
তিনি মাটির উপরেই বেশীর ভাগ সাজদা করতেন। (২)
কান্না আসহা-বুহু ইউছাল্লূনা মা'আহু ফী শিদ্দাতিিল হাররি, ফাইযা- লাম ইয়াসতাত্বি' আহাদুহুম আন ইউমকিনা জাবহাতাহু মিনাল আরযি, বাসাত্বা ছাওবাহু ফাসাজাদা 'আলাইহি *
ছাহাবাগণ কঠিন গরমের ভিতর তাঁর সাথে ছালাত আদায় করা কালে যিনি স্বীয় কপাল মাটিতে ঠেকাতে পারতেন না তিনি তার কাপড় বিছিয়ে দিয়ে তার উপর সাজদা করতেন। (৩)
আর তিনি এ কথা বলতেন : .... অ জু'ইলাতিল আরযু কুল্লাহু লী অ লিউম্মাতী মাসজিদান অ তূহূরা-, ফাআইনামা- আদ্রাকাত রাজুলান মিন উম্মাতীস সলা-তা, ফা'ইনদahু মাসজিদুহু, অ 'ইনদাহু তূহূরুহু, অ কা-না মিন ক্বাবলী ইউ'আযযিমূনা যা-লিকা, ইন্নama- কা-নূ ইউছাল্লূনা ফী কানা-ইসিহিম অ বিয়া'ইহিম *
আমার ও আমার উম্মতের জন্য গোটা পৃথিবীকে মসজিদ ও পবিত্রতা অর্জনের উপযোগী করে দেয়া হয়েছে। অতএব যেখানেই কোন লোকের ছালাত উপস্থিত হবে সেখানেই তার জন্য মসজিদ তথা ছালাতের স্থান এবং পবিত্রতা অর্জনের উপাদান রয়েছে। আমার পূর্বেকার লোকেদেরকে এ ব্যাপারে বিরাট অসুবিধা পোহাতে হত, তারা কেবল গীর্জা ও উপাসনালয়গুলোতেই ছালাত আদায় করতে পারত। (১)
কখনো তিনি ভিজা মাটি ও পানির উপর সাজদাহ করতেন, এ ঘটনাই ঘটেছিল একুশ রমাযানের রাত্রের ফজরে। সে রাত্রে আসমান থেকে বৃষ্টিপাত হওয়ায় মসজিদের ছাদ (চাল) বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়েছিল, আর তা ছিল খেজুরের ডাল দ্বারা নির্মিত। এ কারণেই তিনি (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পানি ও ভিজা মাটির (কাদার) উপর সাজদাহ করেন। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন: ফাআবসারাত 'আইনা-ইয়া রাসূ-লুল্লাহি ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি অসাল্লামা অ'আলা- জাবহাতিহী অ আনফিহী আছারুল মা-ই অত্বত্বীন *
আমার চক্ষুদ্বয় রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এবং তাঁর কপাল ও নাককে পানি ও মাটির চিহ্ন যুক্ত অবস্থায় দেখেছে। (২)
অকা-না ইউছাল্লী 'আলাল খুমরাতি আহ্ইয়া-নান, অ 'আলাল হাসীরি আহ্ইয়া-নান, অ ছল্লা- 'আলাইhi মাররাতান অক্বাদ আসওয়াদদা মিন তূলি মা- লুবিসা *
তিনি কখনো কাপড়ের টুকরোর (৩) উপর আবার কখনো, চাটাই (৪) এর উপর ছালাত আদায় করতেন। কখনো তিনি এমন চাটাই এর উপরেও ছালাত পড়েছেন যা দীর্ঘকাল ব্যবহারের কারণে কাল রূপ ধারণ করেছে। (১)
টিকাঃ
(২) কেননা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর মসজিদ চাটাই বা অন্য কিছু দ্বারা কার্পেটিং করা ছিল না। এ বিষয়ে প্রমাণ বহনকারী অনেক হাদীছ রয়েছে তন্মধ্যে পরবর্তী হাদীছ এবং আবু সাঈদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর আসন্ন হাদীছ প্রণিধান যোগ্য।
(৩) মুসলিম ও আবূ উওয়ানাহ্।
(১) আহমাদ, সাররাজ ও বাইহাকী, ছহীহ সনদে।
(২) বুখারী ও মুসলিম। হাদীছে আল খুমরাহ শব্দের অর্থ হচ্ছে তাল জাতীয় বৃক্ষের পাতা দ্বারা তৈরী ছোট চাটাই যার উপর সাজদাকালে কপাল রাখা যায়। খুমরাহ এই পরিমাণ ব্যতীত অন্য কিছুর উপর প্রয়োগ হয়না। 'আন নিহায়াহ'।
(৪) মুসলিম ও আবু উওয়ানা।
(১) বুখারী ও মুসলিম। অত্র হাদীছে একথার প্রমাণ বিদ্যমান রয়েছে যে, কোন বস্তুর উপর বসাকে এক পর্যায়ের পরিধানও বলা যায়। অতএব রেশমী কাপড়ের উপর বসা হারাম প্রমাণিত হল যেহেতু বুখারী মুসলিমসহ অন্যান্য কিতাবে এটা পরিধান করা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। বরং বুখারী-মুসলিমে স্পষ্ট ভাষায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, তাই বড় আলিমদের ভিতর থেকে যিনি একে বৈধ বলেছেন তাঁর কথায় ধোঁকা খাবেন না।