📄 নবী (ﷺ) কর্তৃক এক রাক্‘আতে সমাবোধক ও অন্য সূরার সংযুক্তি করণ
নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমার্থবোধক (২) লম্বা (মুফাসসাল) সূরাগুলো একত্রিত করতেন যেমন তিনি এক রাক'আতে সূরা 'আর-রহমান' (৫৫ঃ৭৮) (৩) ও "আন্নাজম" (৫৩ঃ৬২) পড়তেন এবং ইকুতারাবাত (৫৪:৫৫) ও "আল্হা-ক্কাহ” (৬৯:৫২) অপর রাক্'আতে পড়তেন। সূরা "আত্-তুর" (৫২:৪৯) ও "আয-যারিয়াত” (৫১:৬০) এক রাক'আতে পড়তেন এবং সূরা "ইযা অক্বাআত” (৫৬:৯৬) ও "নূন” (৬৮:৫২) অপর রাক্'আতে পড়তেন। সূরা "সাআলা সায়িল" (৭০:৪৪) ও "আন্-নাযিআত” (৭৯:৪৬) এক রাক্'আতে পড়তেন এবং সূরা "ওয়াইলুল্লিল্লল্ মুতাফফিফীন” (৮৩ঃ৩৬) ও "আবাসা” (৮০:৪২) অপর রাক'আতে পড়তেন। সূরা "মুদ্দাস্সির” (৭৪ঃ৫৬) ও "আল-মুয্যাম্মিল” (৭৩ঃ২০) এক রাক'আতে পড়তেন এবং সূরা "হাল আতা” অর্থাৎ সূরা ইনসান (৭৬ঃ৩১) ও "লা-উকুসিমু বিইয়াউমিল কিয়ামাহ" (৭৫:৪০) অপর রাক্'আতে পড়তেন। আবার "আম্মা ইয়াতাসা-আলুন" (৭৮ঃ৪০) ও "আল মুরসালা-ত" (৭৭:৫০) এক রাক্'আতে পড়তেন এবং "আদ্দুখান” (৪৪:৫৯) ও "ইজাশ্ শামসু কুম্ভীরাত” (৮১ঃ২৯) অপর রাক্ আতে পড়তেন। (৪)
কখনো তিনি (السبع الطوال ) সাতটি লম্বা সূরা থেকে একাধিক সূরা একত্রিত করতেন। যেমন সূরা "বাক্বারা", "নিসা" ও "আলু-ইমরান"-কে রাত্রের নফল ছালাতের এক রাক'আতে পাঠ করতেন, যার বর্ণনা অচিরেই আসছে। তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন : আফজালুস সলা-তি তূলুল ক্বিয়া-মি অর্থঃ সর্বোত্তম ছালাত হচ্ছে দীর্ঘ কিয়াম বিশিষ্ট ছালাত। (১)
তিনি যখন লায়সা যা-লিকা বিক্বা-দিরিন 'আলা- আন ইউহ্ইয়াল মাওতা- মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম নন? এই আয়াত পড়তেন তখন বলতেন- সুবহানাকা ফাবালা অর্থঃ আমি তোমার পবিত্রতা জ্ঞান পূর্বক বলছি, হ্যাঁ। আর যখন পড়তেন- সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ'লা- অর্থঃ তুমি স্বীয় প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা জ্ঞাপন কর তখন বলতেন : সুবহানা রব্বিয়াল আ'লা- অর্থাৎ- হে আমার মহান প্রতিপালক! আমি তোমার পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি। (২)
টিকাঃ
(২) তথা অর্থগতভাবে এক অপরের সাদৃশ্যপূর্ণ। যেমন উপদেশ বিধান ও কাহিনী ইত্যাদি। আল মুফাস্সাল। দীর্ঘ সূরার শেষ সীমা সবার ঐকমত্যে কুরআনের শেষ পর্যন্ত এবং এর শুরু সর্বাধিক বিশুদ্ধ মতানুযায়ী সূরা "কাফ" থেকে।
(৩) প্রথম সংখ্যাটি সূরার ক্রমিক নং এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি হচ্ছে- আয়াতের সংখ্যা। প্রথম সংখ্যাটি আমাদের জন্য স্পষ্ট করছে যে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ সূরাগুলো একত্রে পাঠকালে কুরআনে এগুলোর যে ধারাবাহিকতা রয়েছে সেদিকে নযর দেননি। সুতরাং এর দ্বারা ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ণ করার বৈধতা প্রমাণিত হল। "রাত্রিকালীন (নফল) ছালাতে কির'আতের ব্যাপারও তাই যা অচিরেই আসছে। তবে ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করাই উত্তম।
(৪) বুখারী ও মুসলিম।
(১) মুসলিম ও ত্বাহাবী।
(২) ছহীহ সনদে আবু দাউদ ও বাইহাক্বী। এ নিয়মটি উন্মুক্ত তাই ছালাতের ভিতর ও বাহির উভয় অবস্থা এবং ফরয ও নফল উভয় ছালাত এর অন্তর্ভুক্ত হবে। ইবনু আবী শাইবাহ (২/১৩২/২) আবু মূসা আশ'য়ারী ও মুগীরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তারা উভয়ে এগুলো ফরয ছালাতে বলতেন। পক্ষান্তরে উমার ও আলী (রাঃ) থেকে উন্মুক্তরূপে তা উদ্ধৃত হয়েছে।
📄 শুধু সূরা ফাতিহা পড়ার উপর ক্ষান্ত হওয়া বৈধ
মুয়ায (রাযিয়াল্লাহু আনহু) রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে এশার ছালাত পড়তেন অতঃপর ফিরে গিয়ে স্বীয় সাথীদেরকে নিয়ে ছালাত আদায় করতেন। তিনি এক রাত্রে ফিরে গিয়ে তাদেরকে নিয়ে ছালাত পড়ছিলেন। তাঁর গোত্র বনু সালামার "সুলাইম" নামক একটি যুবকও (তার পিছনে) ছালাত পড়ছিল। যখন তার পক্ষে ছালাত দীর্ঘ বিবেচিত হল তখন সে জামা'আত ত্যাগ করে একাকী মসজিদের এক কিনারে ছালাত পড়ে বেরিয়ে গিয়ে স্বীয় উটের লাগাম ধরে চলে যায়। ছালাত শেষে মুয়ায (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে এ সংবাদ দেয়া হল। তিনি বলে ফেললেন: এর মধ্যে মুনাফিক্বী রয়েছে। অবশ্যই আমি এই আচরণ সম্পর্কে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অবহিত করব। যুবকটি বলল: আমিও মুয়াযের কৃতকর্মের কথা রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে জানাব। পরদিন সকাল বেলা দুজনই রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলেন। মুয়ায (রাযিয়াল্লাহু আনহু) যুবকটির ঘটনা তাঁকে জানালেন। যুবক বলল: হে আল্লাহর রাসূল, মুয়ায আপনার নিকট অনেকক্ষণ অবস্থান করে অতঃপর আমাদের নিকট প্রত্যাবর্তন করে আবার আমাদের প্রতি (ছালাত) দীর্ঘ করে। রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে মুয়ায তুমি কি ফিৎনাবাজ? এই বলে তিনি যুবকটিকে জিজ্ঞেস করলেন: হে ভাতিজা! তুমি কিভাবে ছালাত আদায় কর? সে বলল: আমি সূরা ফাতিহা পড়ি এবং আল্লাহর নিকট জান্নাত কামনা করি ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই। তবে আমি আপনার ও মুয়াযের মৃদু শব্দের কথা (দু'আ কালাম) পরিষ্কারভাবে বুঝি না(১) রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: আমি ও মুয়াযও এই দুই এর (জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার দু'আর) আশে পাশেই আছি অথবা এ ধরনের অন্য কোন কথা বললেন। বর্ণনাকারী বলেন: যুবকটি বলল: তবে শীঘ্রই মুয়ায তখন বুঝবে যখন শত্রু সম্প্রদায় আসবে। আর ইতিমধ্যে তাদেরকে শত্রু আগমনের সংবাদ জানানো হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন- অতঃপর তাঁরা এসে পড়ল এবং যুবকটি (যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে) শহীদ হয়ে গেল।
পরবর্তীতে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুয়ায (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে জিজ্ঞেস করলেন: "আমার ও তোমার প্রতিপক্ষটির (যুবকটির) কী খবর?” তিনি বললেন- হে আল্লাহর রাসূল! সে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকারকে সত্য প্রতিপন্ন করেছে, আমিই বরং মিথ্যা সেজেছি, সে শাহাদৎ বরণ করেছে। (২)
টিকাঃ
(১) এখানে দানদানাহ শব্দের অর্থঃ কোন ব্যক্তির এমনভাবে কথা বলা যে, তার গুণগুণ শব্দ শুনা যায় কিন্তু কথা বুঝা যায় না ইহা হাইমানাহ শব্দ অপেক্ষা একটু উঁচু স্বর বুঝায়। (নিহায়াহ)
(২) ইবনু খুযাইমাহ স্বীয় ছহীহ গ্রন্থে (১৬৩৪) এবং বাইহাকী, উত্তম সনদে, প্রমাণযোগ্য অংশটুকু আবু দাউদে (৭৫৮ ছহীহ আবু দাউদ)। ঘটনার মূল অংশটুকু বুখারী ও মুসলিমে রয়েছে। প্রথম বর্ধিত অংশটুকু মুসলিম শরীফের এক বর্ণনায় রয়েছে, দ্বিতীয় বর্ধিত অংশটুকু মুসনাদে আহমাদে (৫/৭৪) তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ধিত অংশটুকু বুখারীতে রয়েছে। এই অধ্যায়ে ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু'রাক'আত ছালাত আদায় করলেন তাতে সূরা ফাতিহা ছাড়া অন্যকিছু পাঠ করেননি। আহমাদ (১/২৮২), হারিছ বিন আবী উসামা স্বীয় মুসনাদে (পৃষ্ঠা ৩৮ যাওয়াইদ) ও বাইহাকী (২/৬২) বর্ণনা করেছেন দুর্বল সনদে। আমি পূর্ববর্তী মুদ্রণগুলোতে এ হাদীছটিকে হাসান বলেছিলাম। অতঃপর আমার নিকট পরিস্ফুটিত হয়েছে যে, আমি ধারণা প্রসূতভাবে তা করেছি, কেননা এর ভিত্তি হচ্ছে হানযালা আদদাউসীর উপর, আর সে হচ্ছে দুর্বল। আমি বুঝতে পারছিনা, কিভাবে এ ব্যাপারটি আমার নিকট গোপন থেকে গেল! সম্ভবতঃ আমি তাকে অন্য লোক মনে করেছিলাম। মোট কথা আল্লাহর জন্য সব প্রশংসা যে, তিনি আমাকে নিজের ভুল ধরতে পারার পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। এজন্যই আমি তাড়াতাড়ি করে কিতাব থেকে এটি বাদ দিয়েছি। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা আমাকে উত্তম বিকল্প বের করে দেন যা হলো মুয়ায (রাযিয়াল্লাহু =আনহু)-এর এই হাদীছ। এটি ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর হাদীছের সমার্থবোধক। সুতরাং সেই আল্লাহর প্রশংসা করছি যার নিয়ামতে পুণ্য কার্যাদি সম্পন্ন হয়।
📄 ফরয ও নফল ছালাতে সরবে ও নীরবে ক্বিরা‘আত পাঠ প্রসঙ্গ
নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের ছালাত এবং মাগরিব ও ইশার ছালাতের প্রথম দুই রাক'আতে সরবে ক্বিরা'আত পড়তেন এবং যুহর, আছর, মাগরিবের তৃতীয় রাক্'আতে ও ইশা'র শেষ দু'রাক্'আতে নীরবে কিরা'আত পড়তেন। (১)
ছাহাবাগণ নীরব ক্বিরা'আত বিশিষ্ট ছালাতে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দাড়ির নড়াচড়া (২) দেখে আবার কখনো তাঁর দ্বারা তাদেরকে আয়াত বিশেষ শুনানোর মাধ্যমে তাঁর কুরআন পাঠের প্রমাণ পেতেন। (৩) নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমু'আ, দুই ঈদ (৪) ইসতিসক্কা (পানি চাওয়া) (৫) ও সূর্য গ্রহণের (৬) ছালাতেও সরবে ক্বিরা'আত পাঠ করতেন।
টিকাঃ
(১) এ বিষয়ে অনেক বিশুদ্ধ হাদীছ থাকার সাথে সাথে এর উপর মুসলিম সম্প্রদায়ের ইজমাও হয়েছে যা পূর্ববর্তীদের থেকে পরবর্তীদের দ্বারা সংকলিত হয়েছে। যেমনটি বলেছেন ইমাম নববী। অচিরেই এর কিছু পরবর্তীতে আসছে। আরো দেখুন- الإرواء )৩৪৫)
(২) বুখারী ও আবূ দাউদ।
(৩) বুখারী ও মুসলিম।
(৪) দেখুন নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কিরা'আত (صلاة 3 صلاة الجمعة العيدين) অধ্যায়ে।
(৫) বুখারী ও আবু দাউদ।
(৬) বুখারী ও মুসলিম।
📄 রাতের নফল ছালাতে সরবে ও নীরবে ক্বিরা‘আত পাঠ
তিনি রাতের ছালাতে কখনো নীরবে এবং কখনো সরবে (৮) কিরা'আত পড়তেন। তিনি ঘরে ছালাত আদায় কালে হুজরায় অবস্থিত লোক তাঁর কিরা'আত শুনতে পেত (৯)। আর কখনো স্বীয় শব্দকে আরো উঁচু করতেন ফলে হুজরার বাহিরে অবস্থানরত লোকও তা শুনতে পেত। (১০)
তিনি আবু বকর ও উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-কে এরই (এভাবে পড়ারই) আদেশ প্রদান করেছেন। আর তা ঐ সময় আদেশ দিয়েছিলেন যখন তিনি এক রাত্রে বাহির হয়ে শুনতে পেলেন, আবু বকর নিচুস্বরে ছালাত পড়ছেন, আবার উমরের কাছ দিয়ে অতিক্রম করে শুনতে পেলেন, তিনি উচ্চৈঃস্বরে ছালাত পড়ছেন। অতঃপর তারা উভয়ে যখন নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট একত্রিত হলেন তখন নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে আবু বকর! আমি তোমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করলাম তখন তুমি নিম্নস্বরে ছালাত পড়ছিলে? তিনি জবাব দিলেন- হে আল্লাহর রাসূল, আমি যার সাথে কানা-কানি করেছি তাঁকে শুনিয়েছি। 'উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বললেন: আমি (আজ রাত্রে) তোমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করি তখন তুমি উচ্চৈঃস্বরে ছালাত পড়ছিলে? তিনি বললেন- হে আল্লাহর রাসূল, আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন লোকদের জাগাই এবং শয়তানকে তাড়াই। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন : হে আবু বকর! তোমার স্বর একটু উঁচু করবে, আর উমরকে বললেন: হে উমার! তোমার স্বর একটু নিচু কর। (১) তিনি বলতেন- প্রকাশ্যে কুরআন পাঠকারী প্রকাশ্যে ছাদকা দাতার সমতুল্য, আর নীরবে কুরআন পাঠকারী গোপনে ছাদকাদাতার সমতুল্য। (২)
টিকাঃ
(৭) আব্দুল হক التهجد কিতাবে (৯০/১) বলেন: দিনের বেলার নফল ছালাতের ক্ষেত্রে নীরবে বা সরবে পড়ার কোন বিশুদ্ধ হাদীছ নেই তবে স্পষ্টত এটাই বুঝা যাচ্ছে যে, তিনি নীরবেই পড়তেন। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন হুযাইফার নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিলেন এমতাবস্থায় তিনি সরব কির'আত দ্বারা ছালাত পড়ছিলেন। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন- হে আব্দুল্লাহ! তুমি আল্লাহকে শুনাও, আমাদেরকে না। কিন্তু এ হাদীছটি শক্তিশালী নয়।
(৮) বুখারী أفعال العباد কিতাবে ও মুসলিম।
(৯) আবূ দাউদ, তিরমিযী, হাসান সনদে الشمائل গ্রন্থে। আল হুজরাহ বলতে এখানে বাড়ীর দ্বার প্রান্তে তার সংশ্লিষ্ট ঘরসমূহের একটি ঘর বুঝানো হয়েছে। হাদীছের মর্ম হচ্ছে এই যে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উচ্চস্বর এবং গোপন স্বরের মাঝামাঝি পন্থা অবলম্বন করতেন।
(১০) নাসাঈ, তিরমিযী الشمائل গ্রন্থে এবং বাইহাকী দালা-ইল গ্রন্থে হাসান সনদে।
(১) আবূ দাউদ, হাকিম, তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে একমত পোষণ করেছেন।
(২) তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু হিব্বান ও হাকিম, তিনি একে ছহীহ বলেছেন ও যাহাবী তাতে একমত পোষণ করেছেন।