📄 (থেমে থেমে) প্রতি আয়াতকে পাঠ করা
অতঃপর সূরা ফাতিহা পড়তেন প্রতি আয়াতে থেমে থেমে। যেমন بسم الله الرحمن الرحيم বলে থামতেন। অতঃপর الْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ বলে থামতেন। অতঃপর الرحمن الرحيم বলে থামতেন। অতঃপর বলতেন مَالِكِ يَوْمِ الدّين এমনিভাবে সূরার শেষ পর্যন্ত পড়তেন এবং তার সব ক্বিরাআত এরূপই ছিল। আয়াতসমূহের শেষে ওয়াকফ্ করতেন, পরবর্তী আয়াতের সাথে সংযুক্ত করতেন না। (১) কখনো কখনো ملك يوم الدين পাঠ করতেন। (২)
টিকাঃ
(১) আবু দাউদ, সাহমী (৬৪-৬৫) হাকিম এটিকে ছহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তার সমর্থন করেছেন, আর এটি ইরওয়াতে উদ্ধৃত হয়েছে (৩৪৩)। আবূ আমরুদ্দানী এটিকে "আল-মুকতাফা"তে বর্ণনা করেছেন (২/৫) এবং বলেছেন: এ হাদীছের অনেকগুলো সূত্র রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এটিই মূল। অতঃপর বলেন, পূর্বসুরী এক গোষ্ঠী ইমাম ও অতীতের একদল ক্বারী আয়াতগুলোকে কেটে কেটে পাঠ করা পছন্দ করতেন- যদি একটির অপরটির সাথে সংযোগ বিদ্যমান থাকতো। আমি বলতে চাই: এটি এমন একটি সুন্নাত যা থেকে এই যুগের বেশীরভাগ ক্বারীগণ বিমুখ হয়ে আছেন অন্যদের কথা বলাই বাহুল্য।
(২) তাম্মাম আর রাযী الفوائد গ্রন্থে, ইবনু আবী দাউদ المصاحف গ্রন্থে ২/৭) আবু নু'য়াইম أخبار أصبهان গ্রন্থ (১/১০৪), হাকিম, একে ছহীহ বলেছেন এবং ইমাম যাহাবী এতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। এই ক্বিরাআতটি অপর ক্বিরাআত এর ন্যায় মুতাওয়াতির সনদ দ্বারা সাব্যস্ত।
📄 সূরা ফাতিহার রুকন হওয়া ও তার ফযীলতসমূহ
তিনি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সূরাটির মর্যাদা খুব বড় করে দেখাতেন। তিনি বলতেন: লা- সলা-তা লিমান লা- ইয়াক্বরাউ ফীহা- বিফা-তিহাতিল কিতা-বি ফাসা-'ইদান
অর্থঃ যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা ও তদুর্ধ্ব কিছু পড়বে না, তার ছলাত হবে না। (৩) অন্য শব্দে আছেঃ লা- তুজযিউ সলা-তুন লা- ইয়াক্বরাউর রাজুলু ফীহা- বিফা-তিহাতিল কিতা-ব )
অর্থঃ ঐ ছলাত যথেষ্ট নয় যাতে মুছল্লী ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করে না। (৪) কখনও বলতেনঃ মান সল্লা- সলা-তাল লাম ইয়াক্বরা ফীহা- বিফা-তিহাতিল কিতা-বি ফাহিয়া খিদা-জুন ফাহিয়া খিদা-জুন ফাহিয়া খিদা-জুন গাইরু তামা-ম )
অর্থঃ যে ব্যক্তি এমন ছলাত পড়ল যাতে সূরা ফাতিহা পড়ে নাই সে ছলাত ত্রুটিপূর্ণ (৫) ত্রুটিপূর্ণ তথা অসম্পূর্ণ। (৬) তিনি (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলেন:
ক্বালাল্লাহু তাবা-রাকা অতা'আ-লা- : ক্বাসামতুছ সলা-তা বাইনী অ বাইনা 'আবদী নিছফাইন: ফানিছফুহা- লী অ নিছফুহা- লি'আবদী, অ লি'আবদী মা- সাআলা )
আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেছেন: আমি ছলাতকে (১) আমার মধ্যে ও আমার বান্দার মধ্যে দু'ভাগে ভাগ করেছি তাই এর অর্ধেক আমার এবং অপর অর্ধেক আমার বান্দার। আর আমার বান্দাহ যা চাইবে তাই তাকে দান করা হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন: তোমরা এটি পড় (কারণ) বান্দাহ আলহামদু লিল্লা-হি রাব্বিল আলামীন বললে আল্লাহ পাক বলেন: আমার বান্দাহ আমার প্রশংসা করল। বান্দাহ আররহমা-নির রহীম বললে আল্লাহ পাক বলেন: আমার বান্দাহ আমার গুণকীর্তন করল। বান্দাহ মালিকি ইয়াওমিদ্দীন বললে আল্লাহ তা'আলা বলেন: আমার বান্দাহ আমার মাহাত্ম্য বর্ণনা করল। বান্দাহ ইয়্যাকা না'বুদু অ ইয়্যাকা নাসতা'ঈন বললে আল্লাহ বলেন: এটা আমার ও আমার বান্দার মাঝে এবং আমার বান্দাহ যা চাইবে তাই পাবে। বান্দাহ ইহদিনাছ সিরা-ত্বাল মুস্তাক্বীম সিরা-ত্বাল্লাযীনা আন'আমতা আলাইহিম গাইরil মাগযূবি আলাইহিম অলায যা-ল্লীন বললে আল্লাহ পাক বলেন: আমার বান্দার জন্য এগুলো সবই আর সে যাই চাবে তাই পাবে। (২)
নাবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন: মহামহিম আল্লাহ তাওরাত ও ইঞ্জিলে কুরআনের মূল (ফাতিহা) সমতুল্য কোন সূরা অবতীর্ণ করেন নাই, এটাই (কুরআনের উল্লেখিত) সাবউল মাছানী বা পুনঃ পুনঃ পঠিতব্য সাত আয়াত (৩) বিশিষ্ট সূরা ও সুমহান কুরআন যা আমাকে দান করা হয়েছে। (৪)
টিকাঃ
(৩) বুখারী, মুসলিম, আবু আওয়ানাহ, বাইহাকী। আর এটি "الإرواء" (৩০২)-তে উদ্ধৃত হয়েছে।
(৪) দারাকুতনী একে ছহীহ বলেছেন, ইবনু হিব্বানও স্বীয় "ছহীহ” গ্রন্থে। এটি পূর্বোক্ত গ্রন্থে অর্থাৎ الإرواء (৩০২)-তে রয়েছে।
(৫) খিদাজ শব্দের ব্যাখ্যা হাদীছের শেষাংশেই রয়েছে যা নাবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গাইরু তামা-ম শব্দ দ্বারা করেছেন অর্থাৎ অসম্পূর্ণ।
(৬) মুসলিম ও আবূ আওয়ানাহ।
(১) এখানে ছলাত দ্বারা সূরা ফাতিহাকে বুঝানো হয়েছে এটা সম্মানার্থে পূর্ণাঙ্গ বলে একাংশ উদ্দেশ্য নেয়ার পর্যায়ভুক্ত।
(২) মুসলিম, আবূ আওয়ানাহ্ ও মালিক সাহমীর লিখিত তারীখ জুরজান (১৪৪) এ জারীর রাযিআল্লাহু আনহুর বর্ণিত হাদীছ থেকে এর সহযোগী বর্ণনা রয়েছে।
(৩) বাজী বলেন: একথা দ্বারা নাবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর এই বাণীটি উদ্দেশ্য করেছেন: ওলাক্বাদ আ-তাইনা-কা সাব'আম মিনাল মাছানী অল কুরআ-নাল 'আযীম অর্থ: অবশ্যই আমি তোমাকে (হে নবী!) পুনঃ পুনঃ পঠিতব্য সাত আয়াত এবং সুমহান কুরআন দান করেছি। সাত এজন্য বলা হল যে, এতে সাতটি আয়াত রয়েছে, আর পুনঃ পঠিতব্য এজন্য বলা হল যে, একে প্রত্যেক রাক'আতে পুনঃ পুনঃ পাঠ করা হয়। আর তাকে মহান কুরআন এজন্য বলা হয় যে, এই নামে তার বিশেষত্ব প্রকাশ করা উদ্দেশ্য বস্তুত কুরআনের সবটুকুই মহান কুরআন। এর দৃষ্টান্ত যেমন কা'বা শরীফকে আল্লাহর ঘর নামে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে অথচ সব ঘরই আল্লাহর। কিন্তু শুধু তার বিশেষত্ব ও মর্যাদা বুঝানোর জন্যেই (বাইতুল্লাহ) বলা হয়।
(৪) নাসাঈ, হাকিম এবং তিনি একে ছহীহ বলেছেন আর যাহাবী তাতে একমত পোষণ করেছেন।
📄 সর্ব ক্বিরা‘আত সম্পন্ন ছালাতে ইমামের পিছনে
নাবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছালাতে ত্রুটিকারীকে ছালাতে এই সূরা পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। (১) তবে যে ব্যক্তি এটা মুখস্থ করতে অপারগ তাকে বলেছেন: তুমি এই দু'আ পড়বে। (২) ، সুবহানাল্লা-হি অলহামদুলিল্লাহি অ লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু অল্লাহু আকবারু অলা- হাওla অলা- ক্বুওয়াতা ইল্লা- বিল্লাহি তিনি ছালাতে ত্রুটিকারীকে বলেছিলেন কুরআন পড়া জানলে তা পাঠ করবে নচেৎ পড়বেন। (৩) লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার আলহামদু লিল্লা-হি
টিকাঃ
(১) বুখারী, ছহীহ সনদে ক্বিরা'আতু খালফাল ইমা-ম গ্রন্থ।
(২) আবু দাউদ, ইবনু খুযাইমা (১/৮০/২), হাকিম, ত্বাবারানী, ইবনু হিব্বান- তিনি ও হাকিম একে ছহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। এটি ইরওয়া الإرواء গ্রন্থে ৩০৩ রয়েছে।
(৩) আবু দাউদ, তিরমিযী এবং তিনি একে হাসান বলেছেন, এর সনদ ছহীহ صحيح أبي داؤد (২৫৯)।
📄 ক্বিরা‘আত পড়ার বিধান রহিত
নাবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুক্তাদীদেরকে সরব ক্বিরাআত সম্পন্ন ছালাতে ইমামের পিছনে ক্বিরাআত পড়ার অনুমতি দিয়েছিলেন যেমন একদা ফজরের ছালাতে ক্বিরাআত পড়াকালে পড়া ভারী লাগলে ছালাত শেষে তিনি বললেন- সম্ভবতঃ তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে ক্বিরাআত পড়ছিলে। আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল হ্যাঁ, আমরা তাড়াহুড়া করে (৫) তা করি। তিনি বললেন: এমনটি কর না, তবে তোমাদের সূরা ফাতিহা পড়াটা স্বতন্ত্র, কেননা এটি যে পড়ে না তার ছালাত হয় না। (৬) পরবর্তীতে প্রকাশ্য শব্দ বিশিষ্ট ছালাতে সব ধরনের ক্বিরাআত পড়তে নিষেধ করে দেন আর তা এভাবে যে তিনি একদিন সরব ক্বিরাআত সম্পন্ন ছালাত শেষে, অপর এক বর্ণনানুযায়ী ফজরের ছালাত শেষে বললেন: তোমাদের কেউ কি এই মুহূর্তে আমার সাথে ক্বিরাআত পড়েছে? এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ আমি পড়েছি- হে আল্লাহর রাসূল! (৭) তিনি বললেন: (তাইতো) আমি বলছি কুরআন পাঠে আমার সাথে দ্বন্দ্ব হচ্ছে কেন? (১) আবু হুরাইরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: এতদশ্রবণে লোকজন রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পিছনে সরব ক্বিরাআত বিশিষ্ট ছালাতে ক্বিরাআত পড়া থেকে বিরত হয়ে যায়, এবং ইমাম যে সব ছালাতে সরব ক্বিরাআত পড়তেন না সে সব ছালাতে তারা মনে মনে চুপিসারে ক্বিরাআত পড়তে থাকে। (২)
তিনি (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইমামের ক্বিরাআত শ্রবণার্থে চুপ থাকাকে ইমামের পূর্ণ অনুসরণ গণ্য করে বলেন: إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ، فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا، وَإِذَا قَرَأَ فَأَنْصِتُوا )
অর্থ: ইমামকে কেবল তার অনুসরণের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে অতএব তিনি যখন আল্লাহ আকবার বলেন তখন তোমরা আল্লাহ আকবার বল এবং তিনি যখন ক্বিরাত পড়েন তখন তোমরা চুপ থাকবে। (৩) এমনিভাবে তিনি ইমামের ক্বিরাত শ্রবণকে তাঁর পিছনে ক্বিরাত পাঠ থেকে প্রয়োজন মুক্তকারী ধরেছেন। তিনি বলেন: মান কা-না লাহু ইমা-মুন ফাক্বিরা-আতুল ইমা-মি লাহু ক্বিরা-আহ অর্থঃ যে ব্যক্তির ইমাম থাকবে তার ইমামের ক্বিরাতই তার ক্বিরাতের জন্য যথেষ্ট। (১)
এ হাদীছ সরব ক্বিরাত বিশিষ্ট ছালাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
টিকাঃ
(৪) পরের পৃষ্ঠার ১ নং টীকা দেখুন।
(৫) এখানে আল হাইযদ শব্দ এসেছে যার অর্থ তাড়াতাড়ি করে ক্বিরাত পড়া ও তাড়াহুড়া করে ক্বিরাত ধরা।
(৬) বুখারী স্বীয় জুয গ্রন্থে, আবু দাউদ ও আহমাদ এবং তিরমিযী, দারাকুত্বনী একে হাসান বলেছেন।
(৭) মূলতঃ এ হাদীছটি বা তার বক্তব্য পূর্বের হাদীছের নাছি বা রহিতকারী নয় যেমনটি বুঝেছেন আল্লামা আলবানী (রহঃ)। বরং এটিতে পূর্বের ঘটনার পূনরাবৃত্তি ঘটেছে=এই মাত্র। পূর্বের হাদীছে অনেক মুছল্লী কর্তৃক ক্বিরা'আত পাঠের মাধ্যমে নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কিরা'আতে বিভ্রাট ঘটেছিল। যার জন্য সবাই ঐ ভাবেই কিরা'আত পাঠ করতে থাকে, পরবর্তীতে এক ফজরের ছলাতে মাত্র এক ব্যক্তি বিভ্রাটমূলক কিরাত পাঠের মাধ্যমে উক্ত ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটায়, সম্ভবতঃ এ ব্যক্তি পূর্বোক্ত ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন না। ছলাত শেষান্তে এ ব্যক্তিকেও বিভ্রাট মূলক কিরা'আত করা থেকে নিষেধ করে দেন। এবার সবাই বিভ্রাট মূলক কিরা'আত থেকে বিরত হয়ে গেল। আমাদের এ ব্যাখ্যার স্বপক্ষে একই রাবীর অর্থাৎ আবূ হুরাইরার বর্ণিত হাদীছ রয়েছে যা মুসলিম ও অন্যান্য হাদীছ গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে। "আবু হুরাইরাকে তার কোন শিষ্য জিজ্ঞেস করেছিল ইমামের কিরাআতকালে আমি কিভাবে সূরাহ্ ফাতিহা পাঠ করব। তিনি বললেন, اقْرَأْ بِهَا فِي نَفْسِكَ মনে মনে সূরাহ ফাতিহা পাঠ করবে। অতঃপর গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে যে, ইমামের সরবে কিরা'আতকালে মুক্তাদীর পাঠ না করে চুপ থেকে শুনার নির্দেশ ও সূরা ফাতিহা পাঠ ছাড়া ছলাত হয় না এর মাঝে কোন দ্বন্দ্ব নেই। বরং দু'হাদীছের মর্ম একই। কারণ একাগ্রতার সাথে চুপ থেকে শুনলেই- মনে মনে পড়া হয়ে যায়। (সম্পাদক)
(১) খত্বাবী বলেন: এখানে ইয়াযদাদা শব্দের অর্থ: এক ক্বিরাআতে অপরটির অনুপ্রবেশ ঘটানো ও একটির অপরটির উপর প্রাধান্য লাভ। এই শব্দের আরেকটি অর্থ হল, পরস্পর অংশগ্রহণ ও পালাক্রমে কোন কাজ করা...... এখানে দ্বিতীয় অর্থই চূড়ান্ত যেহেতু ছাহাবাগণ সম্পূর্ণভাবে ক্বিরা'আত পড়া থেকে বিরত হয়ে যান। যদি এখানে প্রথম অর্থ উদ্দেশ্য হয়ে থাকত তাহলে তারা ক্বিরা'আত থেকে বিরত হতেন না বরং শুধু দ্বন্দ্ব লাগানো থেকে বিরত হলেই চলত, এই বক্তব্যটি সুস্পষ্ট।
(২) মালিক, হুমাইদী, বুখারী স্বীয় জুয, আবু দাউদ, আহমাদ, আল মুহামিলী (১/১৩৯/৬) তিরমিযী একে হাসান বলেছেন, আবু হাতিম রাযী, ইবনু হিব্বাবন ও ইবনুল কাইয়িম একে ছহীহ বলেছেন।
(৩) ইবনু আবী শাইবাহ্ (১/৯৭/১), আবু দাউদ, মুসলিম, আবূ আওয়ানাহ্, আররুইয়ানী স্বীয় মুসনাদ গ্রন্থে (১/১১৯/২৪), এটি "আল-ইরওয়া" তে রয়েছে (৩৩২ ও ৩৯৪)
(১) ইবনু আবী শাইবাহ (১/৯৭/১) দারাকুত্বনী, ইবনু মাজাহ, ত্বাহাবী ও আহমাদ একে মুসনাদ ও মুরসালভাবে অনেক সূত্রে বর্ণনা করেছেন। শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়াহ একে শক্তিশালী বলেছেন। যেমনটি রয়েছে ইবনু আবদিল হাদীর الفروع (২/৪৮ ক) গ্রন্থে। বুছিরী; এর কোন কোন সূত্রকে ছহীহ বলেছেন। আমি মূল কিতাবে এর সূত্রগুলো জড় করেছি এবং বিস্তারিত আলোচনা করেছি। অতঃপর إرواء الغليل এও তাই করেছি (৫০০)।