📄 আল্লাহর বিধানবিরোধী বিচারকদের বিধান
দ্বিতীয় প্রকারের উদাহরণ হিসেবে মহান আল্লাহ্ ইরশাদ করেছেনঃ
وَمَا لَمْ يَحْكُمُ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَفِرُونَ
“আর আল্লাহ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিচার-ফায়সালা করে না, তারাই কাফির।”
অন্য আয়াতে তিনি ইরশাদ করেছেনঃ
وَمَا لَمْ يَحْكُمُ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ
“আর আল্লাহ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা বিচার-ফায়সালা করে না তারাই যালিম।”
তিনি আরো ইরশাদ করেছেনঃ
وَمَا لَمْ يَحْكُمُ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الْفُسِقُونَ
“আর আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুযায়ী যারা বিচার ফায়সালা করে না তারাই ফাসিক।”
আল্লাহর বিধানবিরোধী বিচারক কি একইসাথে কাফির, যালিম ও ফাসিকঃ এখন প্রশ্ন হলো, এই তিনটি বৈশিষ্ট্য কি একই ব্যক্তির ব্যাপারে বলা হয়েছে? অর্থাৎ প্রত্যেক যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ্ নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার-ফায়সালা করে না, সে কি একই সাথে কাফির, যালিম এবং ফাসিক? কেননা কুরআন মাজীদে আল্লাহ্ কাফিরদেরকে যালিম এবং ফাসিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন তিনি ইরশাদ করেছেনঃ
وَالْكَافِرُونَ هُمُ الظَّالِمُونَ
“আর বস্তুতঃ কাফিররাই হলো অত্যাচারী।”
অন্য আয়াতে তিনি বলেনঃ
إِنَّهُمْ كَفَرُوا بِاللهِ وَرَسُولِهِ وَمَاتُوا وَهُمْ فَسِقُونَ
"তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সঙ্গে কুফুরী করেছে আর বিদ্রোহী পাপাচারী অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।"
কাজেই প্রত্যেক কাফির হলো যালিম এবং ফাসিক। যে ব্যক্তি আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার-ফায়সালা করে না, সেই ব্যক্তি কি একই সাথে কাফির, যালিম ও ফাসিক বলে গণ্য হবে, নাকি আল্লাহ্র বিধান অনুযায়ী বিচার- ফায়সালা না করার বিভিন্ন কারণের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির উপর উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রযোজ্য হবে? আমার কাছে শেষোক্ত কথাটি অধিকতর সঠিক বলে মনে হয়। মহান আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।
এক্ষেত্রে আমরা বলবো, কেউ যদি আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধানকে অবজ্ঞা করে অথবা তুচ্ছজ্ঞান করে কিংবা এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান অধিকতর উপযোগী এবং জগতবাসীর জন্য তা অধিকতর উপযোগী অথবা তা জগতবাসীর জন্য আল্লাহ্ নাযিলকৃত বিধানের সমমান সম্পন্ন ও সমান কল্যাণকর, তাহলে সে ইসলাম বহির্ভূত কাফির বলে গণ্য হবে। আর ঐসকল লোক মানুষের জন্য ইসলামী শারীআত বিরোধী বিধান প্রবর্তন করে এবং এটাকে মানুষের চলার পথ হিসেবে নির্ধারণ করে দেয়। আর কেউ যখন ইসলামী শারীআত বিরোধী বিধান প্রবর্তন করে থাকে, তখন সে নিশ্চয়ই এ বিশ্বাস পোষণ করে যে, তার প্রবর্তিত বিধান জগতবাসীর জন্য অধিকতর কল্যাণকর এবং উপকারী। মানুষের স্বভাবজাত বিবেক-বুদ্ধিও একথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করে যে, কোন মানুষ কেবল তখনই এক পদ্ধতি ছেড়ে অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করে যখন সে এ বিশ্বাস পোষণ করে যে, যে পদ্ধতি সে বর্জন করেছে সেটা ত্রুটিপূর্ণ এবং বর্তমানে যে পদ্ধতি সে অবলম্বন করছে সেটা অধিকতর উত্তম।
আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার-ফায়সালা করে না, কিন্তু সে যদি আল্লাহ্র বিধানকে অবজ্ঞা না করে অথবা তুচ্ছজ্ঞান না করে কিংবা এই বিশ্বাস পোষণ না করে যে, আল্লাহ্ প্রদত্ত বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান তার জন্য অধিকতর উপযোগী অথবা অন্য কোন বিধান আল্লাহ্ প্রদত্ত বিধানের সমান কল্যাণকর, তাহলে সে কাফির নয় বরং যালিম বলে গণ্য হবে। তবে সে কোন পর্যায়ের যালিম তা নির্ধারিত হবে সে কিসের মাধ্যমে কী ধরনের বিচার-ফায়সালা করছে সেটার উপর।
আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার-ফায়সালা করে না, কিন্তু সে যদি আল্লাহ্র বিধানকে অবজ্ঞা না করে অথবা তুচ্ছজ্ঞান না করে কিংবা এই বিশ্বাস পোষণ না করে যে, আল্লাহ প্রদত্ত বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান অপেক্ষা অধিকতর সঠিক অথবা অন্য কোন বিধান আল্লাহ প্রদত্ত বিধানের সমান উপযোগী ও কল্যাণকর, বরং যে ব্যক্তির ব্যাপারে সে বিচারকার্য পরিচালনা করছে তার প্রতি ব্যক্তিগত ভালবাসার দরুন অথবা ঘুষ লাভের আশায় কিংবা জাগতিক অন্য কোন কারণে সে যদি আল্লাহ্র বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান দিয়ে বিচার-ফায়সালা করে থাকে, তাহলে সে কাফির নয় বরং ফাসিক বলে গণ্য হবে। তবে সে কোন পর্যায়ের ফাসিক, তা নির্ধারিত হবে সে কিসের মাধ্যমে কী ধরনের বিচার-ফায়সালা করছে সেটার উপর।
আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে রব্ব হিসেবে গ্রহণকারীদের প্রকারভেদ: শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়াহ বলেছেন: যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদের পন্ডিতবর্গ ও ধর্মজ্ঞানদেরকে রব্ব হিসেবে গ্রহণ করেছে, তারা দুই প্রকার:
ক. যারা এ কথা জানে যে, তাদের পন্ডিত ও ধর্মজ্ঞানরা আল্লাহ্র দ্বীনকে পরিবর্তন করেছে, তা সত্ত্বেও তারা এই পরিবর্তকে মেনে নিয়ে তাদেরকে অনুসরণ করেছে। তারা তাদের ঐসব পন্ডিত ও ধর্মজ্ঞান কর্তৃক আল্লাহ্র হারামকৃত বিষয়কে হালাল এবং হালালকৃত বিষয়কে হারাম করার বিষয়ে বিশ্বাস পোষণ করে তাদেরকে অনুসরণ করে, যদিও তারা জানে যে, এই কাজের মাধ্যমে তারা সকল নাবী-রাসূলের দ্বীনের বিপরীত পথে চলছে। এ ধরনের কাজ ও বিশ্বাস হলো কুফর। মহান আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) এ ধরনের কাজকে শির্ক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
খ. যারা আল্লাহ্র হারামকৃত বস্তুকে হালাল এবং হালালকৃত বস্তুকে হারাম বলে বিশ্বাস করে - এভাবেই তাঁর (ﷺ) থেকে বর্ণিত হয়েছে - এ বিষয়টি তাদের ব্যাপারে নিশ্চিত, কিন্তু তারা পন্ডিত ও ধর্মজ্ঞানদের অনুসরণ করেছে শুধু আল্লাহ্র নির্দেশ অমান্য করতে গিয়ে। যেমন: মুসলিমদের অনেকে পাপ কাজ করে থাকে কিন্তু তারা বিশ্বাস করে যে, তারা যা করেছে তা গুনাহের কাজ। এরূপ পাপী ব্যক্তিদের জন্য শারীআতের যে বিধান প্রযোজ্য (তারা কাফির হবে না), তাদের ক্ষেত্রে একই হুকুম প্রযোজ্য হবে।
এখানে লক্ষণীয় একটি বিষয় হলো, আল্লাহ্র বিধান বাদ দিয়ে সাধারণভাবে কোন বিধান প্রবর্তন করা আর বিশেষ ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে কোন বিচারক কর্তৃক আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান ব্যতীত অন্য বিধান দিয়ে বিচার-ফায়সালা করা, এই দু'টি বিষয়ের মাঝে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। কেননা আল্লাহ্র বিধানকে বাদ দিয়ে সাধারণভাবে ইসলাম বিরোধী কোন বিধান প্রবর্তন করা সুস্পষ্ট কুফর ও শির্ক, পূর্বের মত যার আর কোন প্রকারভেদ নেই। কারণ যে ব্যক্তি ইসলাম বিরোধী কোন বিধান প্রবর্তন করে, নিশ্চয়ই সে এই বিশ্বাস পোষণ করে তা করে যে, তার প্রবর্তিত বিধান ইসলামী বিধানের চেয়ে অধিকতর সঠিক এবং মানুষের জন্য তা অধিক উপকারী ও কল্যাণকর।
এই মাসআলাহ অর্থাৎ আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান বাদ দিয়ে অন্য কোন বিধান দিয়ে বিচার-ফায়সালা করার বিষয়টি খুব বড় একটি বিষয়, যা বর্তমান যুগের শাসকবর্গের জন্য একটি পরীক্ষা। কোন মানুষের জন্য তাই উচিত হবে না এ বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা ও সত্য প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত শাসকবর্গের বিরুদ্ধে তাড়াহুড়া করে ভুল কোন সিদ্ধান্ত দিয়ে দেওয়া, যার যোগ্য তারা নয়। কারণ এটি অত্যন্ত মারাত্মক একটি বিষয়। আমরা মহান আল্লাহ্র কাছে দু'আ করছি, তিনি যেন মুসলিমদের জন্য তাদের শাসনকর্তা এবং তাদের নিকটস্থ ব্যক্তিবর্গ ও উপদেষ্টা মন্ডলীকে সংশোধন করে দেন। আল্লাহ্ যাকে সত্যিকারের জ্ঞান দান করেছেন, তার জন্য করণীয় হলো ঐসব শাসকবর্গের সামনে সত্যকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা, যাতে করে তাদের উপর প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সত্য তাদের নিকট পরিষ্কার হয়ে যায়। যে ব্যক্তি ধ্বংস হতে চায়, সে যাতে দালীল-প্রমাণ নিয়েই ধ্বংস হয়। আর যে ব্যক্তি বেঁচে থাকতে চায়, সে যাতে দালীল-প্রমাণ নিয়েই বেঁচে থাকে। আল্লাহ্ যাকে সত্যিকারের জ্ঞান দান করেছেন, সে যেন এ বিষয়ে কথা বলতে নিজেকে নগণ্য মনে না করে এবং সে যাতে কাউকে ভয় না করে। কারণ প্রকৃত ইজ্জত ও সম্মান হচ্ছে আল্লাহ্, তাঁর রাসূল (ﷺ) এবং মু'মিন ব্যক্তিদের জন্য।
আর দালীল' মহান আল্লাহ্র বাণী: "দীনের মধ্যে জবরদস্তির অবকাশ নেই, নিশ্চয় হিদায়াত গোমরাহী হতে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে। কাজেই যে ব্যক্তি মিথ্যে মা'বুদদেরকে (তাগুতকে) অমান্য করল এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনল, নিশ্চয়ই সে দৃঢ়তর রজ্জু ধারণ করল。
আর এটিই ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর মর্মার্থ।
১. এখানে দালীল বলতে আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে বিচার-ফায়সালা করা এবং তাগূতকে অস্বীকার করা যে ওয়াজিব, এই কথার প্রমাণকে বুঝানো হয়েছে।
২. দ্বীন গ্রহণের ব্যাপারে কারো উপর কোন জোর-জবরদস্তি নেই। কেননা দ্বীন ইসলামের যাবতীয় বিষয়ের প্রকাশ্য ও সুস্পষ্ট দালীল-প্রমাণ রয়েছে।
তাইতো মহান আল্লাহ্ এর পর পরই বলেছেন:
قَدْ تَبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ
‘সত্য পথ সুস্পষ্ট হয়ে গেছে ভ্রান্ত পথ থেকে।’
আর যেহেতু ভ্রান্ত পথ থেকে সঠিক পথ সুস্পষ্টভাবে পৃথক হয়ে গেছে, তাই প্রত্যেক অনুগত মানুষের উচিত ভ্রান্ত পথের পরিবর্তে হিদায়াত বা সঠিক পথ গ্রহণ করা।
৩. মহান আল্লাহ্ তাঁর উপর ঈমান আনার আগে প্রথমে তাগূতকে অস্বীকার করা দিয়ে শুরু করেছেন। কারণ কোন বিষয়কে পূর্ণতা দিতে হলে একে প্রতিষ্ঠা করার আগে তার অস্তিত্বের পথে যে বিষয়গুলো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, সেগুলো আগে দূর করতে হয়। এজন্য বলা হয়ে থাকে, কোন কিছু সাজানোর পূর্বে কাজ হলো খালি করা।
৪. অর্থাৎ পরিপূর্ণভাবে আঁকড়ে ধরে থাকা। আর মজবুত হাতল বলতে এখানে ইসলামকে বুঝানো হয়েছে।
এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, মহান আল্লাহ্ এই আয়াতে (فَقَدِ اسْتَمْسَكَ) ‘সে দৃঢ়ভাবে ধারণ করলো’ বলেছেন, (تَمْسَكَ) ‘সে ধারণ করলো’ বলেন নি। কারণ দৃঢ়ভাবে ধারণ করা অর্থটি ধারণ করা অর্থ থেকে অধিকতর শক্তিশালী। যে স্বাভাবিকভাবে কোন কিছু ধারণ করতে পারে সে সুদৃঢ়ভাবে তা নাও ধরতে করতে পারে।
হাদীসনেও ইরশাদ করা হয়েছে: 'সকল কাজের মূল হলো ইসলাম', স্তম্ভ হলো সলাত' এবং সর্বোচ্চ শিখর হলো আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করা।
মহান আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ (ﷺ), তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সাহাবীগণের উপর'।
১. প্রত্যেক বস্তুরই যে একটি প্রধান অংশ থাকে, এর দালীল হিসেবে গ্রন্থকার (রহঃ) এই হাদীসটি পেশ করতে চেয়েছেন। মুহাম্মাদ (ﷺ) যে সব বিষয় নিয়ে এসেছেন, তন্মধ্যে প্রধান বিষয় হলো ইসলাম।
২. কেননা সলাত ব্যতীত ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। এজন্য সলাত পরিত্যাগকারী সম্পর্কে প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত হচ্ছে, সে কাফির এবং তার আর ইসলাম থাকে না।
৩. অর্থাৎ ইসলামের সর্বোচ্চ ও পূর্ণাঙ্গ স্তর হচ্ছে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করা। কারণ একজন মানুষ যখন নিজেকে সংশোধন করে নিবে, তখন সে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করে অন্যকে সংশোধনের প্রয়াস চালাতে পারবে, যাতে করে ইসলাম সুপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং আল্লাহ্র বাণী সমুন্নত হয়। আল্লাহ্র বাণী সমুন্নত হোক এই উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি লড়াই করবে, তার এই লড়াই হবে আল্লাহ্র রাস্তায় লড়াই করা। আর যেহেতু এর মাধ্যমে অন্য সকল কিছুর উপর ইসলাম বিজয়ী হয়, তাই আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ হলো ইসলামের সর্বোচ্চ শিখর।
৪. শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ বিন আব্দিল ওয়াহ্হাব (রহঃ) মহান আল্লাহকেই জ্ঞানের প্রকৃত উৎস হিসেবে স্বীকার করে এবং নাবী মুহাম্মাদ (ﷺ), তাঁর পরিবারবর্গ এবং সাহাবীদের উপর দরুদ ও সালাম পাঠানোর মাধ্যমে তিনটি মূলনীতি ও তার সাথে প্রাসঙ্গিক বিষয়সমূহ পরিসমাপ্ত করেছেন।
সমাপ্তি কথা
আমরা মহান আল্লাহর নিকট দুআ করছি, তিনি যেন এ পুস্তিকার লেখককে উত্তম প্রতিদান দেন এবং আমাদেরকেও এর প্রতিদান এবং সওয়াবে অংশীদার করেন। আর তাঁকে এবং আমাদেরকে যেন তিনি তাঁর সম্মানিত গৃহ জান্নাতে একত্রিত করেন। নিশ্চয়ই তিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।
যাবতীয় প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, সলাত (দরুদ) ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) এর প্রতি।
টিকাঃ
515 সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ৪৪
516 সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ৪৫
517 সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ৪৭
518 সূরা আল-বাকারাহ ২: ২৫৪
519 সূরা আত-তাওবাহ ৯: ৮৪
520 সূরা আল-বাকারাহ ২: ২৫৬
521 সূরা আল-বাকারাহ ২: ২৫৬
522 তিরমিযী হা/২৬১৬; ইবনু মাজাহ হা/৩৯৭৩; আহমাদ হা/২২০১৬; মিশকাত হা/২৯; আলবানী সহীহ বলেছেন, ইরওয়াউল গলীল হা/৪১৩。