📘 সালাসাতুল উসুল > 📄 হজ্জ

📄 হজ্জ


আর হজ্জের প্রমাণ মহান আল্লাহর বাণী: “আল্লাহর জন্য উক্ত ঘরের হাজ্জ করা লোকেদের উপর আবশ্যক যার সে পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ্য আছে এবং যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে, (সে জেনে রাখুক) নিঃসন্দেহে আল্লাহ বিশ্ব জাহানের মুখাপেক্ষী নন।”

হাজ্জ
৩. হাজ্জ পালন ফরয। এর প্রমাণ মহান আল্লাহর বাণী:
وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنَ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا وَمَا كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ
"আল্লাহর উদ্দেশ্যে বায়তুল্লাহর হজ্জ করা মানুষের জন্য অবশ্য কর্তব্য, যার সে পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ্য আছে। আর যে কেউ কুফরী করে সে জেনে রাখুক, নিশ্চয়ই আল্লাহ সৃষ্টিজগতের মুখাপেক্ষী নন।"

এই আয়াতটি নবম হিজরীতে নাযিল হয় এবং এর দ্বারা হজ্জ ফরয করা হয়। যেহেতু এই আয়াতে হজ্জ সম্পর্কে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا (যার সে পর্যন্ত পৌঁছার সামর্থ্য আছে), অর্থাৎ যে ব্যক্তি হজ্জ পালনের সামর্থ্য রাখে, হজ্জ কেবল তার উপরই ফরয। কাজেই এ থেকে প্রমাণিত হয়, যাদের সামর্থ্য নেই তাদের জন্য হজ্জ পালন করা ফরয নয়।

৪. আলোচ্য আয়াতের শেষাংশে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন:
وَمَا كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ
"(আর যে কেউ কুফরী করে সে জেনে রাখুক, নিশ্চয়ই আল্লাহ সৃষ্টিজগতের মুখাপেক্ষী নন।"

এ থেকে প্রমাণিত হয়, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্জ পালন না করা হচ্ছে কুফরী কাজ। তবে অধিকাংশ উলামায়ে কিরামের মত হলো, তা এমন পর্যায়ের কুফর নয় যা ইসলাম ধর্ম থেকে কাউকে বের করে দেয় (অর্থাৎ তা হলো ছোট কুফর)।
এ সম্পর্কে আব্দুল্লাহ্ বিন শাকীক বলেন:
كَانَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم لَا يَرَوْنَ شَيْئًا مِنَ الْأَعْمَالِ تَرْكُهُ كُفْرٌ غَيْرَ الصَّلَاةِ
'মুহাম্মাদ () এর কোন সাহাবী কেবল সালাত ব্যতীত অন্য কোন আমল ছেড়ে দেওয়াকে কুফরী কাজ মনে করতেন না'।

টিকাঃ
278 সূরা আল ইমরান ৩: ৯৭
২৮১ সূরা আল ইমরান ৩: ৯৭
282 তিরমিযী হা/২৬২২; মিশকাত হা/৫৭৯; আলবানী সহীহ বলেছেন, হুকমু তারিকিস সালাত পৃ. ১৭; সহীহা হা/৮৭।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00