📘 সালাসাতুল উসুল > 📄 দ্বিতীয় বিষয়: মহান আল্লাহ্ তাঁর ইবাদাতে কাউকে শরীক করা পছন্দ করেন না

📄 দ্বিতীয় বিষয়: মহান আল্লাহ্ তাঁর ইবাদাতে কাউকে শরীক করা পছন্দ করেন না


দ্বিতীয়টি: আল্লাহ তাঁর ইবাদাতে কাউকে তাঁর সাথে শরীক করা আদৌ পছন্দ করেন না। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ কোন ফেরেশতা কিংবা তাঁর প্রেরিত কোন নাবীকেও না। আর দলীল আল্লাহর বাণী:
"মাসজিদসমূহ আল্লাহরই জন্য। কাজেই আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাউকে ডেকো না।"[১২০]
আমাদের জন্য যেসব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা অবশ্য কর্তব্য, তন্মধ্যে দ্বিতীয়টি হলো মহান আল্লাহ তাঁর ইবাদাতে অন্য কাউকে শরীক করা বা অংশীদার সাব্যস্ত করা মোটেও পছন্দ করেন না। কেননা তিনিই হলেন ইবাদাতের একমাত্র যোগ্য ও একক হকদার। গ্রন্থকার (রাহিমাহুল্লাহ) এক্ষেত্রে দালীল হিসেবে উল্লেখ করেছেন আল্লাহর এই বাণী:
وَأَنَّ الْمَسْجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدْعُوا مَعَ اللَّهِ أَحَدَاهُ
"মাসজিদসমূহ আল্লাহরই জন্য। কাজেই আল্লাহর সাথে তোমরা অন্য কাউকে ডেকো না।"[১২১]
এই আয়াতে মহান আল্লাহ তাঁর সাথে অন্য কাউকে ডাকতে আমাদেরকে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ যেসব বিষয় অপছন্দ করেন কেবল সেগুলো থেকেই আমাদেরকে তিনি নিষেধ করেন। যেমন মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন:
إِنْ تَكْفُرُوا فَأَنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنْكُمْ وَلَا يَرْضَى لِعِبَادِهِ الْكُفْرَ وَإِنْ تَشْكُرُوا يَرْضَهُ لَكُمْ
"যদি তোমরা কুফরী কর, তবে (জেনে রাখ) আল্লাহ্ তোমাদের মুখাপেক্ষী নন। আর তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য কুফরী পছন্দ করেন না। আর যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে তিনি তোমাদের জন্য তা পছন্দ করেন।"[১২২]
অন্য আয়াতে তিনি বলেন:
فَأَنْ تَرْضَوْا عَنْهُمْ فَأَنَّ اللَّهَ لَا يَرْضَى عَنِ الْقَوْمِ الْفَسِقِينَ
"আর যদি তোমরা তাদের (মুনাফিকদের) প্রতি রাযী হয়ে যাও, তবে আল্লাহ তো এমন ফাসিক (দুষ্কর্মকারী) লোকদের প্রতি রাযী হবেন না।"[১২৩]
অতএব বুঝা গেল, কুফর এবং শির্ক মহান আল্লাহ্ আদৌ পছন্দ করেন না। বরং তিনি কুফর এবং শির্কের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং এগুলোকে খতম করার জন্য নাবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন এবং কিতাব নাযিল করেছেন।
আল্লাহ্ ইরশাদ করেন:
وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّى لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ كُلُّهُ لِلَّهِ :
"আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা (শির্ক) দূর হয় এবং দ্বীন পরিপূর্ণরুপে আল্লাহর হয়ে যায়।"[১২৪]
যেহেতু আল্লাহ্ কুফর এবং শির্ক অপছন্দ করেন, তাই প্রত্যেক মু'মিন ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হচ্ছে এগুলোকে অপছন্দ ও ঘৃণা করা। কেননা মু'মিন ব্যক্তির সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি এবং পছন্দ-অপছন্দ হবে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি এবং পছন্দ-অপছন্দ অনুযায়ী। যাতে করে যে কাজে আল্লাহ্ রাগান্বিত হন, ঈমানদার ব্যক্তিও তাতে রাগান্বিত হয় এবং যে কাজে আল্লাহ্ সন্তুষ্ট থাকেন, ঈমানদার ব্যক্তিও তাতে সন্তুষ্ট থাকে। আর যেহেতু আল্লাহ্ কুফর এবং শির্কের প্রতি অসন্তুষ্ট এবং এগুলোকে তিনি প্রচন্ড ঘৃণা করেন, তাই কোন মু'মিন-মুমিনাহ্র জন্য এগুলোর প্রতি ন্যূনতম সন্তুষ্টি জ্ঞাপন কিংবা এগুলোকে বিন্দুমাত্র পছন্দ করা আদৌ উচিত নয়। শির্ক হচ্ছে অত্যন্ত ভয়াবহ ও মারাত্মক একটি বিষয়।
মহান আল্লাহ্ ইরশাদ করেন:
إِنَّ اللهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শরীক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া অন্য যে কোন অপরাধ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।”[১২৫]
অন্য আয়াতে তিনি ইরশাদ করেন:
إِنَّهُ مَن يشر يُشْرِكْ بِاللهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَلَهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّلِمِينَ مِنَ أَنْصَارِ
“কেউ আল্লাহর সাথে শরীক সাব্যস্ত করলে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত অবশ্যই হারাম করে দেন এবং তার আবাসস্থল হলো জাহান্নাম। আর যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই।”[১২৬]
এ বিষয়ে রাসূল (ﷺ) বলেছেন:
مَنْ لَقِيَ اللَّهَ لَا يُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ وَمَنْ لَقِيَهُ يُشْرِكُ بِهِ دَخَلَ النَّار
‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকেও শরীক না করা অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে এমন অবস্থায় যে, সে তাঁর সাথে শরীক স্থির করেছে, তাহলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে’।[১২৭]

টিকাঃ
[১২০] সূরা আল-জিন্ন ৭২: ১৮
[১২১] সূরা আল-জিন্ন ৭২: ১৮
[১২২] সূরা আয-যুমার ৩৯: ৭
[১২৩] সূরা আত-তাওবাহ ৯: ৯৬
[১২৪] সূরা আল-আনফাল ৮: ৩৯
[১২৫] সূরা আন্-নিসা' ৪ : ৪৮
[১২৬] সূরা আল-মায়িদাহ ৫ : ৭২
[১২৭] সহীহ মুসলিম: হা/১৭১

📘 সালাসাতুল উসুল > 📄 তৃতীয় বিষয়: তাওহীদ ও রাসূলের অনুসারীদের জন্য মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব বৈধ নয়

📄 তৃতীয় বিষয়: তাওহীদ ও রাসূলের অনুসারীদের জন্য মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব বৈধ নয়


তৃতীয়টি:', যে রাসূল () এর আনুগত্য করে এবং আল্লাহকে একক ও অদ্বিতীয় বলে স্বীকার করে, তার জন্য জায়েয নয় আল্লাহ্ ও রাসূল () এর বিরোধিতাকারীদের কারো সাথে বন্ধুত্ব পোষণ করা। যদিও সে তার নিকটাত্মীয় হয়।
আর দলীল আল্লাহ্র বাণী: “আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী এমন কোন সম্প্রদায় তুমি পাবে না যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধিতাকারীদেরকে ভালবাসে- হোক না এই বিরোধীরা তাদের পিতা অথবা পুত্র অথবা তাদের ভাই অথবা তাদের জ্ঞাতি গোষ্ঠী। আল্লাহ এদের অন্তরে ঈমান বদ্ধমূল করে দিয়েছেন, আর নিজের পক্ষ থেকে রুহ দিয়ে তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন। তাদেরকে তিনি দাখিল করবেন জান্নাতে যার তলদেশ দিয়ে বয়ে চলেছে নদী-নালা, তাতে তারা চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট আর তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট। এরাই আল্লাহর দল; জেনে রেখ, আল্লাহর দলই সাফল্যমন্ডিত।”[১২৮]
তৃতীয় যে বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা এবং তদানুযায়ী আমল করা ওয়াজিব: তৃতীয় যে বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা এবং সে অনুযায়ী আমল করা আমাদের প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য আবশ্যক তা হচ্ছে ‘আল-ওয়ালা ওয়াল বারা’ তথা ‘মিত্রতা ও শত্রুতার মূলনীতি’। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মৌলিক বিষয়। এ সম্পর্কে কুরআন-হাদীসে অনেক দালীল রয়েছে।
মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًا
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের ছাড়া অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের অনিষ্ট করতে ত্রুটি করবে না।”[১২৯]
অন্য আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصْرَى أَوْلِيَاءَ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ وَمَا يَتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّلِمِينَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী ও নাসারাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে কেউ তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে নিশ্চয়ই সে তাদেরই একজন। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত দান করেন না।”[১৩০]
মহান আল্লাহ আরো ইরশাদ করেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبَا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَبَ مِنَ قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاء وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنْ كُنتُمْ مُؤْمِنِينَ
"হে ঈমানদারগণা তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে যারা তোমাদের দ্বীনকে হাসি-তামাশা ও খেলার বস্তুরুপে গ্রহণ করে, তাদেরকে এবং কাফিরদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যদি তোমরা মু'মিন হয়ে থাক।"[১৩১]
অন্য আয়াতে তিনি বলেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا أَبَاءَكُمْ وَإِخْوَانَكُمُ أَوْلِيَاءَ إِنِ اسْتَحَبُّوا الْكُفْرَ عَلَى الْإِيمَانِ وَمَا يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَأُولَئِكَ هُمُ الظَّلِمُونَ قُلْ إِنْ كَانَ أَبَاؤُكُمْ وَأَبْنَاؤُكُمْ وَإِخْوَانُكُمْ وَأَزْوَاجُكُمْ وَعَشِيرَتُكُمْ وَأَمْوَالُ بِاقْتَرَفْتُمُوهَا وَتِجَارَةٌ تَخْشُونَ كَسَادَهَا وَمَسْكِنُ تَرْضَوْنَهَا أَحَبَّ إِلَيْكُم مِّنَ اللهِ وَرَسُولِهِ وَجِهَادِ فِي سَبِيلِهِ فَتَرَبَّصُوا حَتَّى يَأْتِيَ اللَّهُ بِأَمْرِهِ وَاللهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَسِقِينَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পিতৃবর্গ ও ভাতৃবৃন্দ যদি ঈমান অপেক্ষা কুফরীকে পছন্দ করে, তবে তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমাদের মধ্যে যারা তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তারাই যালিম। হে নাবী! আপনি বলুন, তোমাদের নিকট আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করার চেয়ে যদি বেশী প্রিয় হয় তোমাদের পিতৃবর্গ, তোমাদের সন্তানেরা, তোমাদের ভ্রাতাগণ, তোমাদের স্ত্রীগণ, তোমাদের আপনগোষ্ঠী, তোমাদের অর্জিত সম্পদ ও তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য যার মন্দা পড়ার আশঙ্কা তোমরা কর এবং তোমাদের বাসস্থান যা তোমরা ভালবাস, তবে অপেক্ষা কর যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁর নির্দেশ তোমাদের কাছে নিয়ে আসেন। আর আল্লাহ্‌র ফাসিক সম্প্রদায়কে হিদায়াত দেন না।[১৩২]
মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
قَدْ كَানَتْ لَكُمْ أَسْوَةٌ حَسَنَةٌ فِي إِبْرَاهِيمَ وَالَّذِينَ مَعَهُ ، إِذْ قَالُوا لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَءُوا مِنْكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةُ وَالْبَغْضَاءُ أَبَدًا حَتَّى تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَحْدَةً
“অবশ্যই তোমাদের জন্য ইব্রাহীম ও তার সাথে যারা ছিল তাদের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। যখন তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিল, তোমাদের সঙ্গে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার ইবাদাত কর তা হতে আমরা সম্পর্কমুক্ত। আমরা তোমাদেরকে অস্বীকার করি। তোমাদের ও আমাদের মধ্যে সৃষ্টি হলো শত্রুতা ও বিদ্বেষ চিরকালের জন্য, যতক্ষণ না তোমরা এক আল্লাহতে ঈমান আন।”[১৩৩]
কেননা যে ব্যক্তি আল্লাহর বিরোধিতা করে তার সাথে বন্ধুত্ব ও ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখা এটাই প্রমাণ করে যে, তার অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি যে ঈমান রয়েছে তা অত্যন্ত দুর্বল প্রকৃতির। তা না হলে এটা কোন যুক্তিসঙ্গত কথা হতে পারে না যে, কোন ব্যক্তি এমন কাউকে বা কোন কিছুকে ভালবাসবে যা তার প্রিয়তমের ঘোরতর শত্রু। কাফিরদের সাথে মিত্রতার অর্থ হচ্ছে, কুফর ও গোমরাহী নিয়ে তারা যা অবস্থায় আছে সে অবস্থায় তাদেরকে সাহায্য- সহযোগিতা করা। আর তাদেরকে ভালবাসার অর্থ হচ্ছে, যেসব কাজ করলে তাদের ভালবাসা লাভ করা যায়, সে সব কাজের মাধ্যমে তাদের ভালবাসা অর্জন করা, হোক তা যে কোন উপায়ে। নিঃসন্দেহে এটি ঈমানকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলে নতুবা কমপক্ষে একে অসম্পূর্ণ করে ফেলে। অতএব প্রত্যেক মু’মিন-মুমিনার জন্য অবশ্য কর্তব্য হলো, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল(ﷺ) এর বিরোধিতা যারা করে, তাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করা, যদিও তারা তার কোন নিকটতম আত্মীয় হোক না কেন। তবে এ কথার অর্থ এটা নয় যে, তাদেরকে সদুপদেশ দেওয়া এবং সত্যের পথে আহ্বান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

টিকাঃ
[১২৮] সূরা আল-মুজাদালাহ ৫৮ : ২২
[১২৯] সূরা আল ইমরান ৩: ১১৮
[১৩০] সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ৫১
[১৩১] সূরা আল-মায়িদাহ ৫: ৫৭
[১৩২] সূরা আত-তাওবাহ ৯: ২৩-২৪
[১৩৩] সূরা আল-মুমতাহিনা ৬০: ৪

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00