📄 শাইখ সা’ইদ হাওয়ার অভিমত
সকল প্রশংসা আল্লাহ্। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদের উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর।
সালাহউদ্দীন আইয়ুবী সম্পর্কে লেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে লেখক যথাযথ কাজ করেছেন। কারণ,
প্রথমত, আজ মুসলিম উম্মাহর সালাহউদ্দীনের মতো একজন বীরের বড় বেশি প্রয়োজন। তাই তাঁর অনুরূপ ব্যক্তি খুঁজে পেতে হলে তাঁর জীবনচরিত অধ্যয়ন অপরিহার্য।
দ্বিতীয়ত, জেরুজালেম বর্তমানে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একে স্বাধীন করতে হলে আমাদের জানতে হবে যে, আমাদের পূর্বসূরিগণ কোন পথে হেঁটে জেরুজালেমের মুক্তি এনেছিলেন।
তৃতীয়ত, আমাদের মুসলিম উম্মাহ সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে সরে গেছে এবং আমাদের আদর্শ ব্যক্তিদের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তাই এই উম্মাহর উচিত সেই আদর্শধারী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা, যাদের মধ্যে সালাহউদ্দীন আইয়ুবী অন্যতম।
চতুর্থত, এই উম্মাহ জিহাদ পরিত্যাগ করেছে, যা ফিলিস্তিন দখলমুক্ত করার একমাত্র পথ। উল্টো মুসলিমরা আজ লোভ-লালসার পথ ও দ্বীনের বিধিবিধান সম্পর্কে কুতর্ক করার পথ ধরেছে। তাই সালাহউদ্দীনের বিস্তারিত জীবনী আলোচনার মাধ্যমে এসব কুতর্কের পথ রুদ্ধ করা জরুরি।
অতএব, লেখকের সিদ্ধান্ত সঠিক। আমরা আশা করি মুসলিমরা বিজয় অর্জনের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে জোর প্রচেষ্টা চালাবে।
এছাড়াও সালাহউদ্দীন আইয়ুবী ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তাঁর বিচক্ষণতার উৎস ও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসার কারণ ছিলো ইসলাম। তাঁর উপর মানুষের আস্থা এবং উম্মাহর ঈমান ছিলো জেরুজালেম মুক্তির কারণ। আজকের মুসলিম নেতাদের উচিৎ সালাহউদ্দীনের কাছ থেকে নেতৃত্বের সঠিক গুণাবলি শিখে নেওয়া।
আমাদের সামনে একমাত্র পথ হলো ফিলিস্তিন ইশ্যুকে মুসলিম উম্মাহর হাজার বছরের আবহমান আশা, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের আলোকে দেখতে শেখা। সালাহউদ্দীনের স্মৃতি আজও অম্লান, কারণ তিনি এই পথেই এগিয়েছিলেন।
যারা ভাবে নেতৃত্বের গুণাবলি হলো ফাঁকা বুলি ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, তারা ভুল করছে। তারা এই পথে চলতে থাকলে অনাগত প্রজন্ম তাদের অভিশাপ দেবে এবং ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।
যারাই বিশ্বাস করে যে মুসলিম উম্মাহর চিরন্তন ঐতিহ্য বাদ দিয়ে অন্য পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্ত করা যাবে, তারাই আল্লাহ্র গযব, প্রজন্মের বদদু'আ ও ইতিহাসের তিরস্কার ভোগ করবে।
যুগ যুগ ধরে এই দ্বীনের কেন্দ্রীয় একটি বিষয় হয়ে রয়েছে এই ফিলিস্তিন ইশ্যু। আমাদের গৌরব ও বীরত্বের স্মারকও এটিই। ক্রুসেডার ষড়যন্ত্রের বিনাশ শুরু হয়েছে ইসলামের পতাকাতলে শাম (বর্তমান সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান ও ফিলিস্তিন) ও মিশরের একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে। আব্বাসি খিলাফাতের অধীনে থাকা মুসলিম বিশ্বের সমর্থনও প্রয়োজন ছিলো এই ঐক্যের জন্য। আজকেও ফিলিস্তিন সংকট সমাধান করতে হলে ইসলামী আদর্শ ও শিক্ষার ভিত্তিতে এমন ঐক্য গড়তে হবে। পুরো মুসলিম বিশ্বেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। এই বইটি সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে এক বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। আমাদের উচিৎ বইটি পাঠ করা, বিতরণ করা ও উপহার দেওয়া। আল্লাহ্ এই বইয়ের রচয়িতাকে রহম করুন।
-শাইখ সা'ঈদ হাওয়া
সকল প্রশংসা আল্লাহ্। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদের উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর।
সালাহউদ্দীন আইয়ুবী সম্পর্কে লেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে লেখক যথাযথ কাজ করেছেন। কারণ,
প্রথমত, আজ মুসলিম উম্মাহর সালাহউদ্দীনের মতো একজন বীরের বড় বেশি প্রয়োজন। তাই তাঁর অনুরূপ ব্যক্তি খুঁজে পেতে হলে তাঁর জীবনচরিত অধ্যয়ন অপরিহার্য।
দ্বিতীয়ত, জেরুজালেম বর্তমানে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একে স্বাধীন করতে হলে আমাদের জানতে হবে যে, আমাদের পূর্বসূরিগণ কোন পথে হেঁটে জেরুজালেমের মুক্তি এনেছিলেন।
তৃতীয়ত, আমাদের মুসলিম উম্মাহ সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে সরে গেছে এবং আমাদের আদর্শ ব্যক্তিদের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তাই এই উম্মাহর উচিত সেই আদর্শধারী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা, যাদের মধ্যে সালাহউদ্দীন আইয়ুবী অন্যতম।
চতুর্থত, এই উম্মাহ জিহাদ পরিত্যাগ করেছে, যা ফিলিস্তিন দখলমুক্ত করার একমাত্র পথ। উল্টো মুসলিমরা আজ লোভ-লালসার পথ ও দ্বীনের বিধিবিধান সম্পর্কে কুতর্ক করার পথ ধরেছে। তাই সালাহউদ্দীনের বিস্তারিত জীবনী আলোচনার মাধ্যমে এসব কুতর্কের পথ রুদ্ধ করা জরুরি।
অতএব, লেখকের সিদ্ধান্ত সঠিক। আমরা আশা করি মুসলিমরা বিজয় অর্জনের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে জোর প্রচেষ্টা চালাবে।
এছাড়াও সালাহউদ্দীন আইয়ুবী ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তাঁর বিচক্ষণতার উৎস ও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসার কারণ ছিলো ইসলাম। তাঁর উপর মানুষের আস্থা এবং উম্মাহর ঈমান ছিলো জেরুজালেম মুক্তির কারণ। আজকের মুসলিম নেতাদের উচিৎ সালাহউদ্দীনের কাছ থেকে নেতৃত্বের সঠিক গুণাবলি শিখে নেওয়া।
আমাদের সামনে একমাত্র পথ হলো ফিলিস্তিন ইশ্যুকে মুসলিম উম্মাহর হাজার বছরের আবহমান আশা, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের আলোকে দেখতে শেখা। সালাহউদ্দীনের স্মৃতি আজও অম্লান, কারণ তিনি এই পথেই এগিয়েছিলেন।
যারা ভাবে নেতৃত্বের গুণাবলি হলো ফাঁকা বুলি ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, তারা ভুল করছে। তারা এই পথে চলতে থাকলে অনাগত প্রজন্ম তাদের অভিশাপ দেবে এবং ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।
যারাই বিশ্বাস করে যে মুসলিম উম্মাহর চিরন্তন ঐতিহ্য বাদ দিয়ে অন্য পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্ত করা যাবে, তারাই আল্লাহ্র গযব, প্রজন্মের বদদু'আ ও ইতিহাসের তিরস্কার ভোগ করবে।
যুগ যুগ ধরে এই দ্বীনের কেন্দ্রীয় একটি বিষয় হয়ে রয়েছে এই ফিলিস্তিন ইশ্যু। আমাদের গৌরব ও বীরত্বের স্মারকও এটিই। ক্রুসেডার ষড়যন্ত্রের বিনাশ শুরু হয়েছে ইসলামের পতাকাতলে শাম (বর্তমান সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান ও ফিলিস্তিন) ও মিশরের একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে। আব্বাসি খিলাফাতের অধীনে থাকা মুসলিম বিশ্বের সমর্থনও প্রয়োজন ছিলো এই ঐক্যের জন্য। আজকেও ফিলিস্তিন সংকট সমাধান করতে হলে ইসলামী আদর্শ ও শিক্ষার ভিত্তিতে এমন ঐক্য গড়তে হবে। পুরো মুসলিম বিশ্বেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। এই বইটি সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে এক বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। আমাদের উচিৎ বইটি পাঠ করা, বিতরণ করা ও উপহার দেওয়া। আল্লাহ্ এই বইয়ের রচয়িতাকে রহম করুন।
-শাইখ সা'ঈদ হাওয়া
📄 প্রখ্যাত কবি ও অধ্যাপক আব্দুল জববার আর-রাহবির অভিমত
অসাধারণ বিশেষজ্ঞ ও দ্বীনদার অধ্যাপক আব্দুল্লাহ নাসিহ উলওয়ানের প্রতি।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাহাতুহু। কেমন আছেন, অধ্যাপক উলওয়ান? আমাদের বন্ধুবর, জ্ঞানী-গুণী, মহান ভাই অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আত-তানতাওয়ির উপস্থিতিতে আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আল্লাহ্র দ্বীনের মুজাহিদ, মুশরিক ও উপনিবেশবাদী শত্রুদের হাত থেকে মুসলিম ভূমিগুলোকে পবিত্রকারী, ন্যায়পরায়ণ মুসলিম সম্রাট সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর জীবনী নিয়ে আপনার বইটি আপনার কাছ থেকেই উপহার পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।
আমি বইটি পড়েছি, ইতিহাসের মূল্যবান শিক্ষা আহরণ করেছি; যে ইতিহাস বীরত্ব, জিহাদ, সততা ও তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। তাই আমি এই উপহারের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ একটি কাব্য রচনা করতে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আপনার খেদমতে তা এখানে পেশ করলাম।
সালাহ আদ-দ্বীন আল্লাহ্ তোমায় প্রতিদান দিন, হে আল্লাহর দাস!
কলমে যে লিখেছো তুমি সালাহুদ্দীনের ইতিহাস।
লিবদ্ধ হয়েছে এতে এক মহানেতার কাহিনী
আরও যত বীর ইসলামের তরে হাঁকিয়েছে বাহিনী।
মুসলিম জাতি তাঁদেরই অধীনে মেনেছে ইসলামী শাস্ত্র,
তাদের হাতে গড়ে উঠেছে ন্যায়ানুগ ইসলামী রাষ্ট্র।
তাঁরা যে করেছেন আল্লাহর পথে বারেবারে এ জিহাদ
তাই ইতিহাস জানায় তাঁদের অবিরত সাধুবাদ।
ভূমিগুলো সব মুক্ত করে তাঁরা তাড়ালেন হানাদার,
দামিয়েটা, গাযা, হাত্তিন যেন ফিরে আসে বারেবার।
গোলানে ইউরো রাজারা লুটায় ইমাদুদ্দীনের পায়ে,
ইয়াফফা-অ্যাকরে নুরুদ্দীন যেন বজ্রের ন্যায় বয়ে যায়।
ভুলবে না কেউ সালাহউদ্দীনের বিজয়, ন্যায় আর দয়া,
যুগ যুগ ধরে তাঁর ইতিহাস একেবারে থাকে নয়া।
উলওয়ান ভাই, তোমার জন্য শুভকামনাই শুধু,
সুবাসিত তা ফুলেরই মতো আর রূপে যেন নয়াবধূ।
সবশেষে আমার সবিশেষ অভিবাদন জানাচ্ছি।
ইতি আব্দুল জব্বার আর-রাহবি
৬ই মার্চ, ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ
অসাধারণ বিশেষজ্ঞ ও দ্বীনদার অধ্যাপক আব্দুল্লাহ নাসিহ উলওয়ানের প্রতি।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাহাতুহু। কেমন আছেন, অধ্যাপক উলওয়ান? আমাদের বন্ধুবর, জ্ঞানী-গুণী, মহান ভাই অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আত-তানতাওয়ির উপস্থিতিতে আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আল্লাহ্র দ্বীনের মুজাহিদ, মুশরিক ও উপনিবেশবাদী শত্রুদের হাত থেকে মুসলিম ভূমিগুলোকে পবিত্রকারী, ন্যায়পরায়ণ মুসলিম সম্রাট সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর জীবনী নিয়ে আপনার বইটি আপনার কাছ থেকেই উপহার পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।
আমি বইটি পড়েছি, ইতিহাসের মূল্যবান শিক্ষা আহরণ করেছি; যে ইতিহাস বীরত্ব, জিহাদ, সততা ও তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। তাই আমি এই উপহারের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ একটি কাব্য রচনা করতে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আপনার খেদমতে তা এখানে পেশ করলাম।
সালাহ আদ-দ্বীন আল্লাহ্ তোমায় প্রতিদান দিন, হে আল্লাহর দাস!
কলমে যে লিখেছো তুমি সালাহুদ্দীনের ইতিহাস।
লিবদ্ধ হয়েছে এতে এক মহানেতার কাহিনী
আরও যত বীর ইসলামের তরে হাঁকিয়েছে বাহিনী।
মুসলিম জাতি তাঁদেরই অধীনে মেনেছে ইসলামী শাস্ত্র,
তাদের হাতে গড়ে উঠেছে ন্যায়ানুগ ইসলামী রাষ্ট্র।
তাঁরা যে করেছেন আল্লাহর পথে বারেবারে এ জিহাদ
তাই ইতিহাস জানায় তাঁদের অবিরত সাধুবাদ।
ভূমিগুলো সব মুক্ত করে তাঁরা তাড়ালেন হানাদার,
দামিয়েটা, গাযা, হাত্তিন যেন ফিরে আসে বারেবার।
গোলানে ইউরো রাজারা লুটায় ইমাদুদ্দীনের পায়ে,
ইয়াফফা-অ্যাকরে নুরুদ্দীন যেন বজ্রের ন্যায় বয়ে যায়।
ভুলবে না কেউ সালাহউদ্দীনের বিজয়, ন্যায় আর দয়া,
যুগ যুগ ধরে তাঁর ইতিহাস একেবারে থাকে নয়া।
উলওয়ান ভাই, তোমার জন্য শুভকামনাই শুধু,
সুবাসিত তা ফুলেরই মতো আর রূপে যেন নয়াবধূ।
সবশেষে আমার সবিশেষ অভিবাদন জানাচ্ছি।
ইতি আব্দুল জব্বার আর-রাহবি
৬ই মার্চ, ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ
📄 গ্রন্থপঞ্জি
ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত্তারিখ
ইবনু খালিকান, ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান
ইবনু জুবাইর, রিহলাত ইবনু জুবাইর
আবু শামাহ, কিতাবুর রাওদাতাইন ফী আখবারুদ দাওলাতাইন
ইবনু শাদ্দাদ, আন-নাওয়াদিরুস সুলতানিয়্যাহ
আল-মাহাসিন আল-ইউসুফিয়্যাহ
আবুল মাহাসিন, আন-নুজুমুয যাহিরাহ ফি মুলুক মিস্র ওয়াল কাহিরাহ
ইয়াকুত আল-হামাওয়ি, মু'জামুল বুলদান
জামালুদ্দীন আর-রামাদি, সালাহউদ্দীন আল-আইয়ুবী
আহমাদ বায়িলি, হায়াতু সালাহউদ্দীন
আহমাদ আহমাদ বাদাওয়ি, সালাহউদ্দীন বাইনা শু'রা' 'আসরিহি ওয়া খুত্তাবিহ
সা'ইদ আব্দুল ফাত্তাহ 'আশুর, আন-নাসির সালাহউদ্দীন
'আব্দুল 'আযীয সাইয়্যিদুল আহল, আইয়্যাম সালাহউদ্দীন
মুহাম্মাদ আল-'আরুসি, আল-হুরুবুস সলিবিয়্যাহ ফিল মাশরিক ওয়াল মাঘরিব
হাসসান ইবরাহীম হাসসান, তারিখুল ইসলাম আস-সিয়াসি
মুহাম্মাদ 'আব্দুল্লাহ 'আনান, মাওয়াকিফ হাসিমাহ ফী তারিখুল ইসলাম
মুহাম্মাদ আল-গাযালি, আত-তা'আসুব ওয়াত্তাসামুহ বাইনাল মাসিহিয়্যাহ ওয়াল ইসলাম
মুহাম্মাদ নিমরুল খাতিব, আল-ঈমান তারিকুনা ইলান-নাসর
ইউসুফ আল-কারাযাবী, দারসুন নাকবাহ আস-সানিয়াহ
টি ডাব্লিও আর্নল্ড, দা'ওয়াহ ইলাল ইসলাম
ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত্তারিখ
ইবনু খালিকান, ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান
ইবনু জুবাইর, রিহলাত ইবনু জুবাইর
আবু শামাহ, কিতাবুর রাওদাতাইন ফী আখবারুদ দাওলাতাইন
ইবনু শাদ্দাদ, আন-নাওয়াদিরুস সুলতানিয়্যাহ
আল-মাহাসিন আল-ইউসুফিয়্যাহ
আবুল মাহাসিন, আন-নুজুমুয যাহিরাহ ফি মুলুক মিস্র ওয়াল কাহিরাহ
ইয়াকুত আল-হামাওয়ি, মু'জামুল বুলদান
জামালুদ্দীন আর-রামাদি, সালাহউদ্দীন আল-আইয়ুবী
আহমাদ বায়িলি, হায়াতু সালাহউদ্দীন
আহমাদ আহমাদ বাদাওয়ি, সালাহউদ্দীন বাইনা শু'রা' 'আসরিহি ওয়া খুত্তাবিহ
সা'ইদ আব্দুল ফাত্তাহ 'আশুর, আন-নাসির সালাহউদ্দীন
'আব্দুল 'আযীয সাইয়্যিদুল আহল, আইয়্যাম সালাহউদ্দীন
মুহাম্মাদ আল-'আরুসি, আল-হুরুবুস সলিবিয়্যাহ ফিল মাশরিক ওয়াল মাঘরিব
হাসসান ইবরাহীম হাসসান, তারিখুল ইসলাম আস-সিয়াসি
মুহাম্মাদ 'আব্দুল্লাহ 'আনান, মাওয়াকিফ হাসিমাহ ফী তারিখুল ইসলাম
মুহাম্মাদ আল-গাযালি, আত-তা'আসুব ওয়াত্তাসামুহ বাইনাল মাসিহিয়্যাহ ওয়াল ইসলাম
মুহাম্মাদ নিমরুল খাতিব, আল-ঈমান তারিকুনা ইলান-নাসর
ইউসুফ আল-কারাযাবী, দারসুন নাকবাহ আস-সানিয়াহ
টি ডাব্লিও আর্নল্ড, দা'ওয়াহ ইলাল ইসলাম