📘 সালাহউদ্দীন আইয়ুবী > 📄 শেষ কথা

📄 শেষ কথা


এই ছিলো অবিস্মরণীয় বীর সুলতান ইউসুফ সালাহউদ্দীন আল-আইয়ুবীর জীবনের এক সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। তাঁর দ্বীনদারি, সাহসিকতা, দয়া, দৃঢ়তা, দানশীলতা, জিহাদ ইত্যাদি আলোচিত হয়েছে। আরো দেখানো হয়েছে কীভাবে তিনি উত্তর ইরাক, কুর্দিস্তান, শাম, ইয়েমেন, মিশর ও বারকাহ সহ খণ্ড-বিখণ্ড মুসলিম ভূমি ও অন্তরগুলোকে ইসলামের পতাকার নিচে একত্র করেছেন। এই ইসলামী ঐক্যের খবরে বিশ্বের আনাচে কানাচের মুসলিমরা আনন্দিত হয়। অল্প সময় পরই তাঁর নেতৃত্বে হাত্তিনের মহাগুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে মুসলিমরা জয়লাভ করে জেরুজালেমের মুক্তি তরান্বিত করে। তিনি ফ্র্যাংক ও অন্যান্য পশ্চিমা কুফফার শক্তিগুলোকে পরাস্ত করেন। ক্রুসেডারদেরকে অ্যাকর ও ইয়াফফা অঞ্চলে সীমাবদ্ধ করে ফেলেন। তাঁর মৃত্যুর অনেক বছর পর ইসলামী বাহিনী ক্রুসেডারদেরকে মুসলিম ভূমিগুলো থেকে সম্পূর্ণরূপে বিতাড়িত করতে সমর্থ হয়।

ইতিহাস ফিরে ফিরে আসে। ইয়াহুদী ও উপনিবেশবাদী নব্য-ক্রুসেডারদের ষড়যন্ত্রে উসমানী খিলাফাহর পতনের মাধ্যমে মুসলিমরা আবার ছোট ছোট জাতিরাষ্ট্রে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মুসলিমরা যখন বিভক্ত হচ্ছে, ততক্ষণে ইয়াহুদীরা ইসলামের প্রথম কিবলার ভূমিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেছে আর দিনে দিনে শক্তি-সামর্থ্যে বেড়ে চলেছে। অতীতের অবস্থা আর বর্তমানের অবস্থা হুবহু একইরকম। কিন্তু কোন সে কারণ, যার জন্য আজকের মুসলিমরা অতীতের মতো জয়লাভ করতে পারছে না?

* অতীতে ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্য মুসলিমরা ইসলামের নামে যুদ্ধ করছে। আর আজকে যুদ্ধ করছে এমন সব জাতীয়তাবাদী মিথ্যা স্লোগানের নামে, যেসবের ব্যাপারে আল্লাহ কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি।
* অতীতে তারা জয়লাভ করেছে আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে বিচার-ফায়সালা করার কারণে। আর আজকে পূর্ব-পশ্চিম সবখান থেকে আমদানীকৃত মানবরচিত জগািখচুড়ি দিয়ে মুসলিম ভূমিগুলো শাসিত হচ্ছে।
* অতীতে জয়লাভ করেছে শক্তিশালী এক ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর। আর আজ পরাজিত হচ্ছে ছোট ছোট দুর্বল জাতিরাষ্ট্রে ভাগ হয়ে থাকার কারণে।
* অতীতে জয়লাভ করেছে আল্লাহর সাহায্যে ইয়াকীন করার কারণে। আজ তাদের ইয়াকীন হলো পুঁজিবাদ ও সমাজবাদের মতো যুলুমের হাতিয়ারগুলোর প্রতি।
* আজকে সাধারণভাবে মুসলিম ও বিশেষ করে আরব মুসলিম শাসকদেরকে ইতিহাস অধ্যয়ন করে জানতে হবে কীভাবে রাসূলুল্লাহ থেকে শুরু করে আমাদের পূর্ববর্তী সালাফগণ বদর, কাদিসিয়াহ, ইয়ারমুক, হাত্তিন, 'আইন জালুতের যুদ্ধগুলো জিতেছে। তাঁদের মতো ঈমান-আকিদা, দ্বীনদারি-ইবাদাত, ত্যাগ-তিতিক্ষা, সাহসিকতা-দৃঢ়তা অর্জন করতে হবে।

তাদের আরো উচিত হবে আল্লাহর দেওয়া বিধানাবলি অধ্যয়ন করা, কুর'আন শিক্ষা করা। কারণ আল্লাহর হুকুমই সত্য, সুন্দর; এতেই প্রগতি, এতেই উন্নতি; ন্যায়, সমতা আর শান্তি এখানেই; এখানেই লুকিয়ে আছে শক্তি, বিজয় ও সভ্যতার রহস্য। আল্লাহ বলেন:
তারা কি জাহিলি যুগের আইন-বিধান চায়? দৃঢ় বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য আইন-বিধান প্রদানে আল্লাহ হতে কে বেশি শ্রেষ্ঠ? [৭৫]

সালাহউদ্দীনকে আল্লাহ রহম করুন। তিনি তাঁর দায়িত্ব পূর্ণ করেছেন, উম্মাহর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করেছেন, মুসলিমদেরকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করেছেন, ক্রুসেডারদের নাপাক থাবা থেকে জেরুজালেমকে মুক্ত করেছেন। পূর্ব-পশ্চিমের ইতিহাসে সালাহউদ্দীনের এমন অবিস্মরণীয় হয়ে থাকাটা তাই অস্বাভাবিক কিছু নয়। ইতিহাস তাঁর জীবন, নৈতিকতা, বিরল সাহসিকতা, মহান সৌজন্যবোধ ও সংগ্রামের কাহিনী চিরকাল মনে রাখবে।

আমরা ইবনু শাদ্দাদের ভাষায় তাঁর জন্য দু'আ করি, “হে আল্লাহ! আপনি জানেন যে আপনার দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য তিনি তাঁর যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। তিনি আপনার রহমত প্রত্যাশী ছিলেন। তাঁকে আপনি রহম করুন।”

আমরা আরো দু'আ করি আল্লাহ যেন আমাদেরকে সালাহউদ্দীনের মতো আরেকজন নেতা দেন যিনি জেরুজালেম ও ফিলিস্তিন সহ সকল মুসলিম ভূমিগুলোকে ইয়াহুদী ও নব্য-ক্রুসেডারদের হাত থেকে মুক্ত করবেন।

সেদিন মু'মিনরা আনন্দ করবে। (সে বিজয় অর্জিত হবে) আল্লাহর সাহায্যে। যাকে ইচ্ছে তিনি সাহায্য করেন। তিনি মহাপরাক্রমশালী, বড়ই দয়ালু। [৭৬]

আল্লাহর কাছে দু'আ করে কবি বলেন:
কত শত পথে ভাগ হয়ে গেছে হায় মোদের হৃদয়গুলো, রব্বের কাছে যে দু হাত তুলে আজ দু'আর সময় এলো!
হে আল্লাহ! দাও সে শাসক, ইসলামের তরে যে কুরবান, মুসলিমদের প্রতি সে আর তার প্রতি তুমি থাকবে মেহেরবান।

টিকাঃ
৭৫. সূরাহ আল-মা'ইদাহ ৫:৫০
৭৬. সূরাহ আর-রূম ৩০: ৪-৫

এই ছিলো অবিস্মরণীয় বীর সুলতান ইউসুফ সালাহউদ্দীন আল-আইয়ুবীর জীবনের এক সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। তাঁর দ্বীনদারি, সাহসিকতা, দয়া, দৃঢ়তা, দানশীলতা, জিহাদ ইত্যাদি আলোচিত হয়েছে। আরো দেখানো হয়েছে কীভাবে তিনি উত্তর ইরাক, কুর্দিস্তান, শাম, ইয়েমেন, মিশর ও বারকাহ সহ খণ্ড-বিখণ্ড মুসলিম ভূমি ও অন্তরগুলোকে ইসলামের পতাকার নিচে একত্র করেছেন। এই ইসলামী ঐক্যের খবরে বিশ্বের আনাচে কানাচের মুসলিমরা আনন্দিত হয়। অল্প সময় পরই তাঁর নেতৃত্বে হাত্তিনের মহাগুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধে মুসলিমরা জয়লাভ করে জেরুজালেমের মুক্তি তরান্বিত করে। তিনি ফ্র্যাংক ও অন্যান্য পশ্চিমা কুফফার শক্তিগুলোকে পরাস্ত করেন। ক্রুসেডারদেরকে অ্যাকর ও ইয়াফফা অঞ্চলে সীমাবদ্ধ করে ফেলেন। তাঁর মৃত্যুর অনেক বছর পর ইসলামী বাহিনী ক্রুসেডারদেরকে মুসলিম ভূমিগুলো থেকে সম্পূর্ণরূপে বিতাড়িত করতে সমর্থ হয়।

ইতিহাস ফিরে ফিরে আসে। ইয়াহুদী ও উপনিবেশবাদী নব্য-ক্রুসেডারদের ষড়যন্ত্রে উসমানী খিলাফাহর পতনের মাধ্যমে মুসলিমরা আবার ছোট ছোট জাতিরাষ্ট্রে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মুসলিমরা যখন বিভক্ত হচ্ছে, ততক্ষণে ইয়াহুদীরা ইসলামের প্রথম কিবলার ভূমিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেছে আর দিনে দিনে শক্তি-সামর্থ্যে বেড়ে চলেছে। অতীতের অবস্থা আর বর্তমানের অবস্থা হুবহু একইরকম। কিন্তু কোন সে কারণ, যার জন্য আজকের মুসলিমরা অতীতের মতো জয়লাভ করতে পারছে না?

* অতীতে ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্য মুসলিমরা ইসলামের নামে যুদ্ধ করছে। আর আজকে যুদ্ধ করছে এমন সব জাতীয়তাবাদী মিথ্যা স্লোগানের নামে, যেসবের ব্যাপারে আল্লাহ কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি।
* অতীতে তারা জয়লাভ করেছে আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান দিয়ে বিচার-ফায়সালা করার কারণে। আর আজকে পূর্ব-পশ্চিম সবখান থেকে আমদানীকৃত মানবরচিত জগািখচুড়ি দিয়ে মুসলিম ভূমিগুলো শাসিত হচ্ছে।
* অতীতে জয়লাভ করেছে শক্তিশালী এক ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর। আর আজ পরাজিত হচ্ছে ছোট ছোট দুর্বল জাতিরাষ্ট্রে ভাগ হয়ে থাকার কারণে।
* অতীতে জয়লাভ করেছে আল্লাহর সাহায্যে ইয়াকীন করার কারণে। আজ তাদের ইয়াকীন হলো পুঁজিবাদ ও সমাজবাদের মতো যুলুমের হাতিয়ারগুলোর প্রতি।
* আজকে সাধারণভাবে মুসলিম ও বিশেষ করে আরব মুসলিম শাসকদেরকে ইতিহাস অধ্যয়ন করে জানতে হবে কীভাবে রাসূলুল্লাহ থেকে শুরু করে আমাদের পূর্ববর্তী সালাফগণ বদর, কাদিসিয়াহ, ইয়ারমুক, হাত্তিন, 'আইন জালুতের যুদ্ধগুলো জিতেছে। তাঁদের মতো ঈমান-আকিদা, দ্বীনদারি-ইবাদাত, ত্যাগ-তিতিক্ষা, সাহসিকতা-দৃঢ়তা অর্জন করতে হবে।

তাদের আরো উচিত হবে আল্লাহর দেওয়া বিধানাবলি অধ্যয়ন করা, কুর'আন শিক্ষা করা। কারণ আল্লাহর হুকুমই সত্য, সুন্দর; এতেই প্রগতি, এতেই উন্নতি; ন্যায়, সমতা আর শান্তি এখানেই; এখানেই লুকিয়ে আছে শক্তি, বিজয় ও সভ্যতার রহস্য। আল্লাহ বলেন:
তারা কি জাহিলি যুগের আইন-বিধান চায়? দৃঢ় বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য আইন-বিধান প্রদানে আল্লাহ হতে কে বেশি শ্রেষ্ঠ? [৭৫]

সালাহউদ্দীনকে আল্লাহ রহম করুন। তিনি তাঁর দায়িত্ব পূর্ণ করেছেন, উম্মাহর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করেছেন, মুসলিমদেরকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করেছেন, ক্রুসেডারদের নাপাক থাবা থেকে জেরুজালেমকে মুক্ত করেছেন। পূর্ব-পশ্চিমের ইতিহাসে সালাহউদ্দীনের এমন অবিস্মরণীয় হয়ে থাকাটা তাই অস্বাভাবিক কিছু নয়। ইতিহাস তাঁর জীবন, নৈতিকতা, বিরল সাহসিকতা, মহান সৌজন্যবোধ ও সংগ্রামের কাহিনী চিরকাল মনে রাখবে।

আমরা ইবনু শাদ্দাদের ভাষায় তাঁর জন্য দু'আ করি, “হে আল্লাহ! আপনি জানেন যে আপনার দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য তিনি তাঁর যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। তিনি আপনার রহমত প্রত্যাশী ছিলেন। তাঁকে আপনি রহম করুন।”

আমরা আরো দু'আ করি আল্লাহ যেন আমাদেরকে সালাহউদ্দীনের মতো আরেকজন নেতা দেন যিনি জেরুজালেম ও ফিলিস্তিন সহ সকল মুসলিম ভূমিগুলোকে ইয়াহুদী ও নব্য-ক্রুসেডারদের হাত থেকে মুক্ত করবেন।

সেদিন মু'মিনরা আনন্দ করবে। (সে বিজয় অর্জিত হবে) আল্লাহর সাহায্যে। যাকে ইচ্ছে তিনি সাহায্য করেন। তিনি মহাপরাক্রমশালী, বড়ই দয়ালু। [৭৬]

আল্লাহর কাছে দু'আ করে কবি বলেন:
কত শত পথে ভাগ হয়ে গেছে হায় মোদের হৃদয়গুলো, রব্বের কাছে যে দু হাত তুলে আজ দু'আর সময় এলো!
হে আল্লাহ! দাও সে শাসক, ইসলামের তরে যে কুরবান, মুসলিমদের প্রতি সে আর তার প্রতি তুমি থাকবে মেহেরবান।

টিকাঃ
৭৫. সূরাহ আল-মা'ইদাহ ৫:৫০
৭৬. সূরাহ আর-রূম ৩০: ৪-৫

📘 সালাহউদ্দীন আইয়ুবী > 📄 শাইখ সা’ইদ হাওয়ার অভিমত

📄 শাইখ সা’ইদ হাওয়ার অভিমত


সকল প্রশংসা আল্লাহ্। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদের উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর।

সালাহউদ্দীন আইয়ুবী সম্পর্কে লেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে লেখক যথাযথ কাজ করেছেন। কারণ,

প্রথমত, আজ মুসলিম উম্মাহর সালাহউদ্দীনের মতো একজন বীরের বড় বেশি প্রয়োজন। তাই তাঁর অনুরূপ ব্যক্তি খুঁজে পেতে হলে তাঁর জীবনচরিত অধ্যয়ন অপরিহার্য।

দ্বিতীয়ত, জেরুজালেম বর্তমানে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একে স্বাধীন করতে হলে আমাদের জানতে হবে যে, আমাদের পূর্বসূরিগণ কোন পথে হেঁটে জেরুজালেমের মুক্তি এনেছিলেন।

তৃতীয়ত, আমাদের মুসলিম উম্মাহ সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে সরে গেছে এবং আমাদের আদর্শ ব্যক্তিদের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তাই এই উম্মাহর উচিত সেই আদর্শধারী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা, যাদের মধ্যে সালাহউদ্দীন আইয়ুবী অন্যতম।

চতুর্থত, এই উম্মাহ জিহাদ পরিত্যাগ করেছে, যা ফিলিস্তিন দখলমুক্ত করার একমাত্র পথ। উল্টো মুসলিমরা আজ লোভ-লালসার পথ ও দ্বীনের বিধিবিধান সম্পর্কে কুতর্ক করার পথ ধরেছে। তাই সালাহউদ্দীনের বিস্তারিত জীবনী আলোচনার মাধ্যমে এসব কুতর্কের পথ রুদ্ধ করা জরুরি।

অতএব, লেখকের সিদ্ধান্ত সঠিক। আমরা আশা করি মুসলিমরা বিজয় অর্জনের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে জোর প্রচেষ্টা চালাবে।

এছাড়াও সালাহউদ্দীন আইয়ুবী ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তাঁর বিচক্ষণতার উৎস ও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসার কারণ ছিলো ইসলাম। তাঁর উপর মানুষের আস্থা এবং উম্মাহর ঈমান ছিলো জেরুজালেম মুক্তির কারণ। আজকের মুসলিম নেতাদের উচিৎ সালাহউদ্দীনের কাছ থেকে নেতৃত্বের সঠিক গুণাবলি শিখে নেওয়া।

আমাদের সামনে একমাত্র পথ হলো ফিলিস্তিন ইশ্যুকে মুসলিম উম্মাহর হাজার বছরের আবহমান আশা, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের আলোকে দেখতে শেখা। সালাহউদ্দীনের স্মৃতি আজও অম্লান, কারণ তিনি এই পথেই এগিয়েছিলেন।

যারা ভাবে নেতৃত্বের গুণাবলি হলো ফাঁকা বুলি ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, তারা ভুল করছে। তারা এই পথে চলতে থাকলে অনাগত প্রজন্ম তাদের অভিশাপ দেবে এবং ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।

যারাই বিশ্বাস করে যে মুসলিম উম্মাহর চিরন্তন ঐতিহ্য বাদ দিয়ে অন্য পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্ত করা যাবে, তারাই আল্লাহ্র গযব, প্রজন্মের বদদু'আ ও ইতিহাসের তিরস্কার ভোগ করবে।

যুগ যুগ ধরে এই দ্বীনের কেন্দ্রীয় একটি বিষয় হয়ে রয়েছে এই ফিলিস্তিন ইশ্যু। আমাদের গৌরব ও বীরত্বের স্মারকও এটিই। ক্রুসেডার ষড়যন্ত্রের বিনাশ শুরু হয়েছে ইসলামের পতাকাতলে শাম (বর্তমান সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান ও ফিলিস্তিন) ও মিশরের একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে। আব্বাসি খিলাফাতের অধীনে থাকা মুসলিম বিশ্বের সমর্থনও প্রয়োজন ছিলো এই ঐক্যের জন্য। আজকেও ফিলিস্তিন সংকট সমাধান করতে হলে ইসলামী আদর্শ ও শিক্ষার ভিত্তিতে এমন ঐক্য গড়তে হবে। পুরো মুসলিম বিশ্বেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। এই বইটি সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে এক বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। আমাদের উচিৎ বইটি পাঠ করা, বিতরণ করা ও উপহার দেওয়া। আল্লাহ্ এই বইয়ের রচয়িতাকে রহম করুন।

-শাইখ সা'ঈদ হাওয়া

সকল প্রশংসা আল্লাহ্। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদের উপর এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর।

সালাহউদ্দীন আইয়ুবী সম্পর্কে লেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে লেখক যথাযথ কাজ করেছেন। কারণ,

প্রথমত, আজ মুসলিম উম্মাহর সালাহউদ্দীনের মতো একজন বীরের বড় বেশি প্রয়োজন। তাই তাঁর অনুরূপ ব্যক্তি খুঁজে পেতে হলে তাঁর জীবনচরিত অধ্যয়ন অপরিহার্য।

দ্বিতীয়ত, জেরুজালেম বর্তমানে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একে স্বাধীন করতে হলে আমাদের জানতে হবে যে, আমাদের পূর্বসূরিগণ কোন পথে হেঁটে জেরুজালেমের মুক্তি এনেছিলেন।

তৃতীয়ত, আমাদের মুসলিম উম্মাহ সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে সরে গেছে এবং আমাদের আদর্শ ব্যক্তিদের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তাই এই উম্মাহর উচিত সেই আদর্শধারী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা, যাদের মধ্যে সালাহউদ্দীন আইয়ুবী অন্যতম।

চতুর্থত, এই উম্মাহ জিহাদ পরিত্যাগ করেছে, যা ফিলিস্তিন দখলমুক্ত করার একমাত্র পথ। উল্টো মুসলিমরা আজ লোভ-লালসার পথ ও দ্বীনের বিধিবিধান সম্পর্কে কুতর্ক করার পথ ধরেছে। তাই সালাহউদ্দীনের বিস্তারিত জীবনী আলোচনার মাধ্যমে এসব কুতর্কের পথ রুদ্ধ করা জরুরি।

অতএব, লেখকের সিদ্ধান্ত সঠিক। আমরা আশা করি মুসলিমরা বিজয় অর্জনের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে জোর প্রচেষ্টা চালাবে।

এছাড়াও সালাহউদ্দীন আইয়ুবী ছিলেন অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তাঁর বিচক্ষণতার উৎস ও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসার কারণ ছিলো ইসলাম। তাঁর উপর মানুষের আস্থা এবং উম্মাহর ঈমান ছিলো জেরুজালেম মুক্তির কারণ। আজকের মুসলিম নেতাদের উচিৎ সালাহউদ্দীনের কাছ থেকে নেতৃত্বের সঠিক গুণাবলি শিখে নেওয়া।

আমাদের সামনে একমাত্র পথ হলো ফিলিস্তিন ইশ্যুকে মুসলিম উম্মাহর হাজার বছরের আবহমান আশা, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের আলোকে দেখতে শেখা। সালাহউদ্দীনের স্মৃতি আজও অম্লান, কারণ তিনি এই পথেই এগিয়েছিলেন।

যারা ভাবে নেতৃত্বের গুণাবলি হলো ফাঁকা বুলি ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, তারা ভুল করছে। তারা এই পথে চলতে থাকলে অনাগত প্রজন্ম তাদের অভিশাপ দেবে এবং ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।

যারাই বিশ্বাস করে যে মুসলিম উম্মাহর চিরন্তন ঐতিহ্য বাদ দিয়ে অন্য পথ ধরে ফিলিস্তিন মুক্ত করা যাবে, তারাই আল্লাহ্র গযব, প্রজন্মের বদদু'আ ও ইতিহাসের তিরস্কার ভোগ করবে।

যুগ যুগ ধরে এই দ্বীনের কেন্দ্রীয় একটি বিষয় হয়ে রয়েছে এই ফিলিস্তিন ইশ্যু। আমাদের গৌরব ও বীরত্বের স্মারকও এটিই। ক্রুসেডার ষড়যন্ত্রের বিনাশ শুরু হয়েছে ইসলামের পতাকাতলে শাম (বর্তমান সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান ও ফিলিস্তিন) ও মিশরের একীভূত হওয়ার মধ্য দিয়ে। আব্বাসি খিলাফাতের অধীনে থাকা মুসলিম বিশ্বের সমর্থনও প্রয়োজন ছিলো এই ঐক্যের জন্য। আজকেও ফিলিস্তিন সংকট সমাধান করতে হলে ইসলামী আদর্শ ও শিক্ষার ভিত্তিতে এমন ঐক্য গড়তে হবে। পুরো মুসলিম বিশ্বেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। এই বইটি সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে এক বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। আমাদের উচিৎ বইটি পাঠ করা, বিতরণ করা ও উপহার দেওয়া। আল্লাহ্ এই বইয়ের রচয়িতাকে রহম করুন।

-শাইখ সা'ঈদ হাওয়া

📘 সালাহউদ্দীন আইয়ুবী > 📄 প্রখ্যাত কবি ও অধ্যাপক আব্দুল জববার আর-রাহবির অভিমত

📄 প্রখ্যাত কবি ও অধ্যাপক আব্দুল জববার আর-রাহবির অভিমত


অসাধারণ বিশেষজ্ঞ ও দ্বীনদার অধ্যাপক আব্দুল্লাহ নাসিহ উলওয়ানের প্রতি।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাহাতুহু। কেমন আছেন, অধ্যাপক উলওয়ান? আমাদের বন্ধুবর, জ্ঞানী-গুণী, মহান ভাই অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আত-তানতাওয়ির উপস্থিতিতে আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আল্লাহ্র দ্বীনের মুজাহিদ, মুশরিক ও উপনিবেশবাদী শত্রুদের হাত থেকে মুসলিম ভূমিগুলোকে পবিত্রকারী, ন্যায়পরায়ণ মুসলিম সম্রাট সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর জীবনী নিয়ে আপনার বইটি আপনার কাছ থেকেই উপহার পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।

আমি বইটি পড়েছি, ইতিহাসের মূল্যবান শিক্ষা আহরণ করেছি; যে ইতিহাস বীরত্ব, জিহাদ, সততা ও তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। তাই আমি এই উপহারের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ একটি কাব্য রচনা করতে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আপনার খেদমতে তা এখানে পেশ করলাম।

সালাহ আদ-দ্বীন আল্লাহ্ তোমায় প্রতিদান দিন, হে আল্লাহর দাস!
কলমে যে লিখেছো তুমি সালাহুদ্দীনের ইতিহাস।
লিবদ্ধ হয়েছে এতে এক মহানেতার কাহিনী
আরও যত বীর ইসলামের তরে হাঁকিয়েছে বাহিনী।
মুসলিম জাতি তাঁদেরই অধীনে মেনেছে ইসলামী শাস্ত্র,
তাদের হাতে গড়ে উঠেছে ন্যায়ানুগ ইসলামী রাষ্ট্র।
তাঁরা যে করেছেন আল্লাহর পথে বারেবারে এ জিহাদ
তাই ইতিহাস জানায় তাঁদের অবিরত সাধুবাদ।

ভূমিগুলো সব মুক্ত করে তাঁরা তাড়ালেন হানাদার,
দামিয়েটা, গাযা, হাত্তিন যেন ফিরে আসে বারেবার।
গোলানে ইউরো রাজারা লুটায় ইমাদুদ্দীনের পায়ে,
ইয়াফফা-অ্যাকরে নুরুদ্দীন যেন বজ্রের ন্যায় বয়ে যায়।
ভুলবে না কেউ সালাহউদ্দীনের বিজয়, ন্যায় আর দয়া,
যুগ যুগ ধরে তাঁর ইতিহাস একেবারে থাকে নয়া।
উলওয়ান ভাই, তোমার জন্য শুভকামনাই শুধু,
সুবাসিত তা ফুলেরই মতো আর রূপে যেন নয়াবধূ।

সবশেষে আমার সবিশেষ অভিবাদন জানাচ্ছি।

ইতি আব্দুল জব্বার আর-রাহবি
৬ই মার্চ, ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ

অসাধারণ বিশেষজ্ঞ ও দ্বীনদার অধ্যাপক আব্দুল্লাহ নাসিহ উলওয়ানের প্রতি।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাহাতুহু। কেমন আছেন, অধ্যাপক উলওয়ান? আমাদের বন্ধুবর, জ্ঞানী-গুণী, মহান ভাই অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আত-তানতাওয়ির উপস্থিতিতে আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আল্লাহ্র দ্বীনের মুজাহিদ, মুশরিক ও উপনিবেশবাদী শত্রুদের হাত থেকে মুসলিম ভূমিগুলোকে পবিত্রকারী, ন্যায়পরায়ণ মুসলিম সম্রাট সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর জীবনী নিয়ে আপনার বইটি আপনার কাছ থেকেই উপহার পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।

আমি বইটি পড়েছি, ইতিহাসের মূল্যবান শিক্ষা আহরণ করেছি; যে ইতিহাস বীরত্ব, জিহাদ, সততা ও তাকওয়ায় পরিপূর্ণ। তাই আমি এই উপহারের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ একটি কাব্য রচনা করতে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। আপনার খেদমতে তা এখানে পেশ করলাম।

সালাহ আদ-দ্বীন আল্লাহ্ তোমায় প্রতিদান দিন, হে আল্লাহর দাস!
কলমে যে লিখেছো তুমি সালাহুদ্দীনের ইতিহাস।
লিবদ্ধ হয়েছে এতে এক মহানেতার কাহিনী
আরও যত বীর ইসলামের তরে হাঁকিয়েছে বাহিনী।
মুসলিম জাতি তাঁদেরই অধীনে মেনেছে ইসলামী শাস্ত্র,
তাদের হাতে গড়ে উঠেছে ন্যায়ানুগ ইসলামী রাষ্ট্র।
তাঁরা যে করেছেন আল্লাহর পথে বারেবারে এ জিহাদ
তাই ইতিহাস জানায় তাঁদের অবিরত সাধুবাদ।

ভূমিগুলো সব মুক্ত করে তাঁরা তাড়ালেন হানাদার,
দামিয়েটা, গাযা, হাত্তিন যেন ফিরে আসে বারেবার।
গোলানে ইউরো রাজারা লুটায় ইমাদুদ্দীনের পায়ে,
ইয়াফফা-অ্যাকরে নুরুদ্দীন যেন বজ্রের ন্যায় বয়ে যায়।
ভুলবে না কেউ সালাহউদ্দীনের বিজয়, ন্যায় আর দয়া,
যুগ যুগ ধরে তাঁর ইতিহাস একেবারে থাকে নয়া।
উলওয়ান ভাই, তোমার জন্য শুভকামনাই শুধু,
সুবাসিত তা ফুলেরই মতো আর রূপে যেন নয়াবধূ।

সবশেষে আমার সবিশেষ অভিবাদন জানাচ্ছি।

ইতি আব্দুল জব্বার আর-রাহবি
৬ই মার্চ, ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ

📘 সালাহউদ্দীন আইয়ুবী > 📄 গ্রন্থপঞ্জি

📄 গ্রন্থপঞ্জি


ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত্তারিখ
ইবনু খালিকান, ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান
ইবনু জুবাইর, রিহলাত ইবনু জুবাইর
আবু শামাহ, কিতাবুর রাওদাতাইন ফী আখবারুদ দাওলাতাইন
ইবনু শাদ্দাদ, আন-নাওয়াদিরুস সুলতানিয়্যাহ
আল-মাহাসিন আল-ইউসুফিয়্যাহ
আবুল মাহাসিন, আন-নুজুমুয যাহিরাহ ফি মুলুক মিস্র ওয়াল কাহিরাহ
ইয়াকুত আল-হামাওয়ি, মু'জামুল বুলদান
জামালুদ্দীন আর-রামাদি, সালাহউদ্দীন আল-আইয়ুবী
আহমাদ বায়িলি, হায়াতু সালাহউদ্দীন
আহমাদ আহমাদ বাদাওয়ি, সালাহউদ্দীন বাইনা শু'রা' 'আসরিহি ওয়া খুত্তাবিহ
সা'ইদ আব্দুল ফাত্তাহ 'আশুর, আন-নাসির সালাহউদ্দীন
'আব্দুল 'আযীয সাইয়্যিদুল আহল, আইয়্যাম সালাহউদ্দীন
মুহাম্মাদ আল-'আরুসি, আল-হুরুবুস সলিবিয়্যাহ ফিল মাশরিক ওয়াল মাঘরিব
হাসসান ইবরাহীম হাসসান, তারিখুল ইসলাম আস-সিয়াসি
মুহাম্মাদ 'আব্দুল্লাহ 'আনান, মাওয়াকিফ হাসিমাহ ফী তারিখুল ইসলাম
মুহাম্মাদ আল-গাযালি, আত-তা'আসুব ওয়াত্তাসামুহ বাইনাল মাসিহিয়্যাহ ওয়াল ইসলাম
মুহাম্মাদ নিমরুল খাতিব, আল-ঈমান তারিকুনা ইলান-নাসর
ইউসুফ আল-কারাযাবী, দারসুন নাকবাহ আস-সানিয়াহ
টি ডাব্লিও আর্নল্ড, দা'ওয়াহ ইলাল ইসলাম

ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত্তারিখ
ইবনু খালিকান, ওয়াফায়াতুল আ'ইয়ান
ইবনু জুবাইর, রিহলাত ইবনু জুবাইর
আবু শামাহ, কিতাবুর রাওদাতাইন ফী আখবারুদ দাওলাতাইন
ইবনু শাদ্দাদ, আন-নাওয়াদিরুস সুলতানিয়্যাহ
আল-মাহাসিন আল-ইউসুফিয়্যাহ
আবুল মাহাসিন, আন-নুজুমুয যাহিরাহ ফি মুলুক মিস্র ওয়াল কাহিরাহ
ইয়াকুত আল-হামাওয়ি, মু'জামুল বুলদান
জামালুদ্দীন আর-রামাদি, সালাহউদ্দীন আল-আইয়ুবী
আহমাদ বায়িলি, হায়াতু সালাহউদ্দীন
আহমাদ আহমাদ বাদাওয়ি, সালাহউদ্দীন বাইনা শু'রা' 'আসরিহি ওয়া খুত্তাবিহ
সা'ইদ আব্দুল ফাত্তাহ 'আশুর, আন-নাসির সালাহউদ্দীন
'আব্দুল 'আযীয সাইয়্যিদুল আহল, আইয়্যাম সালাহউদ্দীন
মুহাম্মাদ আল-'আরুসি, আল-হুরুবুস সলিবিয়্যাহ ফিল মাশরিক ওয়াল মাঘরিব
হাসসান ইবরাহীম হাসসান, তারিখুল ইসলাম আস-সিয়াসি
মুহাম্মাদ 'আব্দুল্লাহ 'আনান, মাওয়াকিফ হাসিমাহ ফী তারিখুল ইসলাম
মুহাম্মাদ আল-গাযালি, আত-তা'আসুব ওয়াত্তাসামুহ বাইনাল মাসিহিয়্যাহ ওয়াল ইসলাম
মুহাম্মাদ নিমরুল খাতিব, আল-ঈমান তারিকুনা ইলান-নাসর
ইউসুফ আল-কারাযাবী, দারসুন নাকবাহ আস-সানিয়াহ
টি ডাব্লিও আর্নল্ড, দা'ওয়াহ ইলাল ইসলাম

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00