📄 দুনিয়া সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো
সাঈদ ইবনু আবদুল আজিজ রহিমাহুল্লাহু বলেন, ঈসা আলাইহিস সালাম বলেছেন-
مَنْ ذَا الَّذِي يَبْنِي عَلَى مَوْجِ الْبَحْرِ دَارًا، تِلْكُمُ الدُّنْيَا فَلَا تَتَّخِذُوهَا قرارًا .
'সমুদ্রের বিক্ষুব্ধ তরঙ্গমালার ওপর যেমন গৃহ নির্মাণ সম্ভব নয়; তেমনি দুনিয়ায় চিরকাল বেঁচে থাকাও সম্ভব নয়। কাজেই দুনিয়াকে সর্বোচ্চ জ্ঞান করা কিংবা দুনিয়ার জন্য জীবন-যৌবন উৎসর্গ করা বিজ্ঞোচিত নয়。
সমাপ্ত
টিকাঃ
[২৪৬] যুহুদ: ইমাম আহমাদ রহিমাহুল্লাহু: ১১৮।
📄 দুনিয়া বেশি দিন টিকবে না
মুআবিয়া আনাস নাখঈ রহিমাহুল্লাহু বলেন- দুনিয়া এমনিতেই সামান্য। ওপরন্তু সৃষ্টির পর থেকে এ পর্যন্ত ওই সামান্য পরিমাণ থেকেও বিরাট একটি অংশ কমে গেছে। এখন যৎসামান্যই বাকি আছে।
📄 প্রয়োজন ফুরালে দুনিয়া মানুষকে ছুঁড়ে ফেলে
হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, উতবা ইবনু গাযওয়ান রহিমাহুল্লাহু একবার বসরায় দেওয়া একটি খুতবায় বলেন- হামদ ও সালাতের পর, হে লোক সকল! দুনিয়া তার রূপ-লাবণ্য ও মায়া-মোহ দিয়ে মানুষকে আকৃষ্ট করে। আবার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে সহসাই ছুড়ে ফেলে। দুনিয়ায় অনেক মানুষ এসেছে, আবার দুনিয়া ছেড়ে চলেও গেছে। এতে দুনিয়ার কিছুই যায় আসেনা। দুনিয়া তো এক ফোঁটা জলের মতো। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার ব্যাপারে সতর্ক হও। পরকালের পাথেয় জোগাড় করো।
📄 তোমরা দুনিয়াকে যে চোখে দেখো
আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন মিম্বরে দাঁড়িয়ে বলেন- নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে-সকল বস্তুর প্রতি যতটা অনীহা প্রকাশ করতেন, তোমরা সে-সকল বস্তুর প্রতি ততটাই আগ্রহ পোষণ করো! তোমরা দুনিয়ার প্রতি গভীর আকর্ষণ ও ভালোবাসা পোষণ করো। অথচ নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার প্রতি অনীহা পোষণ করতেন। মহান আল্লাহর শপথ করে বলছি, নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো একাধারে এমন তিন দিন অতিবাহিত করতে পারেননি, যখন তার আয়ের চেয়ে ব্যয় ও ঋণের পরিমাণ বেশি ছিল না。
টিকাঃ
[১৭২] মুস্তাদরাকে হাকেম: ৪/৩১৫।