📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া খুবই স্বল্প

📄 দুনিয়া খুবই স্বল্প


ইবনু সাম্মাক রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'দুনিয়া এমনিতেই অতি সামান্য। উপরন্তু সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত তার অনেকটাই শেষ হয়ে গেছে। এখন যেটুকু বাকি আছে, সেটুকুও কয়েকশ কোটি মানুষের ভাগে ও ভোগে। এত মানুষের ভিড়ে তুমি যেটুকু পাবে, সেটুকু একেবারেই নগণ্য। এটুকু দিয়ে তুমি দুনিয়ার অস্থায়ী জীবন পার করতে পারলেও আখিরাতের স্থায়ী জীবন পার করতে পারবে না। কাজেই দুনিয়ার তুচ্ছ বস্তু গ্রহণ না-করে আখিরাতের পুঁজি সংগ্রহ করো। এতে মহান রবের নিকট সান্নিধ্য পাবে। পরকালে নির্বিঘ্ন জীবনযাপন করতে পারবে。
ইবনু সাম্মাক রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'দুনিয়ার প্রকৃতির মধ্যেই ক্ষতি ও স্বল্পতার উপাদান নিহিত আছে। সুতরাং তুমি নিজেকে এই সুপ্ত ক্ষতি থেকে দূরে রাখো। আখিরাতের দিকে ধাপিত হও.’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 যেভাবে দুনিয়াবিমুখ হবে

📄 যেভাবে দুনিয়াবিমুখ হবে


সুফিয়ান ইবনু উয়াইনাহ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'তুমি যদি আখিরাতকে প্রাধান্য দিয়ে দুনিয়া ত্যাগ করতে না-পারো, তাহলে এই ভেবে ত্যাগ করো যে, দুনিয়া একটি কারাগার। এখানে মানুষ যাচ্ছে তাই করতে পারে না.’
সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'যদি তুমি দুনিয়ার প্রতি তোমার ভালোবাসার পরিমাণ জানতে চাও, তাহলে দেখো, তোমার কাছে কী পরিমাণ সম্পদ জমা আছে?'
ফারকাদ আস সাবখি রহিমাহুল্লাহু বলেন, 'দুনিয়া তোমাদেরকে প্রতারণা ও বিলাসিতায় ডুবিয়ে রেখেছে। আল্লাহর শপথ করে বলছি, তোমরা যদি স্বেচ্ছায় এবং স্বজ্ঞানে দুনিয়া ত্যাগ না-করো, তবে বাধ্য ও অপদস্থ হয়ে তোমাদের দুনিয়া ত্যাগ করতে হবে। কাজেই এখনই সতর্ক হয়ে যাও। স্বেচ্ছায় ত্যাগ করে প্রশংসিত হও। বাধ্য হয়ে অপদস্থ হয়ো না.’
ইবরাহিম ইবনু আদহাম রহিমাহুল্লাহু বলেন, জ্ঞানীরা এই ভেবে দুনিয়া ত্যাগ করেন যে, দুনিয়া গ্রহণ করলে তারা অজ্ঞ ও মূর্খদের কাতারে নেমে যাবেন.’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়াত্যাগী হয়ে যাও

📄 দুনিয়াত্যাগী হয়ে যাও


আবু আবদুল্লাহ রহিমাহুল্লাহু বলেন, ইসা আলাইহিস সালাম তাঁর সহচরদেরকে বলেছেন-
يَا مَعْشَرَ الْحَوَارِيِّينَ، اِزْهَدُوا فِي الدُّنْيَا تَمْشُوا فِيهَا بِلَا هَم .
'প্রিয় সহচরবৃন্দ, তোমরা দুনিয়া ত্যাগ করো; পৃথিবীতে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াতে পারবে.’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া শূকরের মতো

📄 দুনিয়া শূকরের মতো


ইয়াযিদ ইবনু মাইসারা রহিমাহুল্লাহু বলেন-
আমার শাইখগণ দুনিয়াকে 'শূকর' নামে আখ্যায়িত করেছেন। তারা শূকরের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো নাম পেলে, সে নামেই দুনিয়ার নামকরণ করতেন। উপরন্তু দুনিয়া তাদের পদতলে এসে পড়লে, তারা এই বলে ত্যাগ করতেন যে, 'ইতর শূকরের কাছে অভিজাত মানুষের কোনো প্রয়োজন থাকতে পারে না.’

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00