📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া নাও অর্জিত হতে পারে

📄 দুনিয়া নাও অর্জিত হতে পারে


আবু উমার আল আযদি রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'জনৈক ব্যক্তি তার দুনিয়াদার ভাইকে উপদেশ দিয়ে বলেন, ভাই আমার! আপনি যেমন দুনিয়াকে তালাশ করছেন; তেমনি মৃত্যুও আপনাকে তালাশ করছে। মনে রাখবেন, আপনি যাকে তালাশ করছেন, সে আপনার কাছে নাও ধরা দিতে পারে। কিন্তু আপনাকে যে তালাশ করছে, সে কিন্তু যথা সময়েই ঠিকই আপনার কাছে পৌঁছে যাবে!'

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 এই দুনিয়া সাপের মতো

📄 এই দুনিয়া সাপের মতো


আবু উমার আল আযদি রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'আরবের এক পিতা তার পুত্রকে উপদেশ দিয়ে বলেন, বৎস! মনে রাখবে, কেউ দুনিয়ার পেছনে ছুটলে, দুনিয়াও তার পেছনে ছুটে। কখনো কি সাপ দেখেছ? সাপের পিছু নিলে, সাপ সুযোগ পেলেই তাকে দংশন করে! দুনিয়াও ঠিক তেমনি; দুনিয়ার পিছু নিলে, সে সুযোগ পেলেই তোমাকে ধ্বংস করবে। তোমার বিপর্যয় ডেকে আনবে। তাই দুনিয়া নামক বিষধর সাপ থেকে সব সময় দূরে থাকবে.’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 আখিরাতের ব্যাপারে আমরা উদাসীন

📄 আখিরাতের ব্যাপারে আমরা উদাসীন


ইবনু সাম্মাক রহিমাহুল্লাহু একবার খলিফা হারুনুর রশিদের কাছে গেলে হারুনুর রশিদ তাকে সংক্ষিপ্তাকারে কিছু নসিহত করার আবেদন করেন। তখন ইবনু সাম্মাক রহিমাহুল্লাহু বলেন, 'মাননীয় খলিফা, পরিতাপের বিষয় এই যে, আমরা অনন্ত ও অনিবার্য আখিরাতকে উপেক্ষা করে মিছে ও নশ্বর দুনিয়ার পেছনে ছুটছি!'

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া খুবই স্বল্প

📄 দুনিয়া খুবই স্বল্প


ইবনু সাম্মাক রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'দুনিয়া এমনিতেই অতি সামান্য। উপরন্তু সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত তার অনেকটাই শেষ হয়ে গেছে। এখন যেটুকু বাকি আছে, সেটুকুও কয়েকশ কোটি মানুষের ভাগে ও ভোগে। এত মানুষের ভিড়ে তুমি যেটুকু পাবে, সেটুকু একেবারেই নগণ্য। এটুকু দিয়ে তুমি দুনিয়ার অস্থায়ী জীবন পার করতে পারলেও আখিরাতের স্থায়ী জীবন পার করতে পারবে না। কাজেই দুনিয়ার তুচ্ছ বস্তু গ্রহণ না-করে আখিরাতের পুঁজি সংগ্রহ করো। এতে মহান রবের নিকট সান্নিধ্য পাবে। পরকালে নির্বিঘ্ন জীবনযাপন করতে পারবে。
ইবনু সাম্মাক রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'দুনিয়ার প্রকৃতির মধ্যেই ক্ষতি ও স্বল্পতার উপাদান নিহিত আছে। সুতরাং তুমি নিজেকে এই সুপ্ত ক্ষতি থেকে দূরে রাখো। আখিরাতের দিকে ধাপিত হও.’

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00