📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া অপবিত্র বস্তুর মতো

📄 দুনিয়া অপবিত্র বস্তুর মতো


সালেম ইবনু আবিল জা'দ রহিমাহুল্লাহু বলেন, নবি ঈসা আলাইহিস সালাম বলেছেন-
اتَّقُوا فُضُولَ الدُّنْيَا، فَإِنَّهَا رِجْسٌ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ .
'তোমরা দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে দূরে থাকো। কেননা দুনিয়া আল্লাহর নিকটে নাপাক বস্তুর মতো।’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 ঈসা আলাইহিস সালামের আফসোস

📄 ঈসা আলাইহিস সালামের আফসোস


ফাদল ইবনু ইয়াজ রহিমাহুল্লাহু বলেন, হজরত ইসা আলাইহিস সালাম বলেছেন, দুনিয়া না ছাড়লে তোমরা আখিরাত পাবে না। দুঃখে, কষ্টে ধৈর্যধারণ না করলে আশা পূরণ করতে পারবে না। দুনিয়াদারদের দেখলে আমার খুব আফসোস লাগে। কারণ, তারা দুনিয়া জমা করে ঠিকই। কিন্তু কবরে যায় খালি হাতে। দুনিয়া মানুষকে ধোঁকা দেয়, তবুও মানুষ তাকেই আপন করে বুকে টেনে নেয়। তার ওপরই ভরসা করে। ধ্বংস তাদের জন্য, যারা সব সময় দুনিয়া নিয়ে ভাবে। দুনিয়ার জন্য পাপ-পঙ্কিলতায় ডুবে থাকে。
ইবনু উয়াইনাহ রহিমাহুল্লাহু বলেন, ইসা আলাইহিস সালাম বলেন—
'এই দুনিয়া আমার জন্মের আগেও ছিল; পরেও থাকবে। কিন্তু আমি আজ আছি; কাল থাকব না। কাজেই যে-কয়দিন আমি বেঁচে আছি, সে কয়দিনই আমার পুঁজি। আমি পুঁজি কাজে লাগাতে না-পারলে আমি একেবারেই হতভাগা।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 সালাফদের দরবারবিমুখতা

📄 সালাফদের দরবারবিমুখতা


রাওহা ইবনু হাতিম রহিমাহুল্লাহু বলেন—
আমি একবার বসরার এক আমিরের দরোজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন খালেদ ইবনু সাফওয়ান রহিমাহুল্লাহু আমাকে দেখে এগিয়ে আসেন। এরপর ঘোড়া থেকে নেমে বলেন, 'কী খবর ভাতিজা! আমি তো কোনো দিন কোনো আমিরের দরোজায় গিয়ে দাঁড়াইনি। তুমি কেন দাঁড়ালে! তুমি কি কেবল দুনিয়াবি স্বার্থেই এখানে এসেছ? তোমার সাথে যারা আছে, তারাও কি একই উদ্দেশ্যে এসেছে? আমি তাকে সঠিক উত্তরে দিতে ভয় পাচ্ছিলাম। তাই বললাম, 'চাচা, আপনার ধারণাই ঠিক।' তখন তিনি বললেন 'ভাতিজা, এই দুনিয়া একদিন তোমাদের ধ্বংস করে ছাড়বে। আজকাল আমরা তো দুনিয়াকে একটু বেশিই গুরুত্ব দিচ্ছি।' একথা বলে তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে চলে যান。

টিকাঃ
[২২৫] তারিখে দিমাশক: ৬/২৯৫।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 যুহদ নিয়ে আরও কিছু কথা

📄 যুহদ নিয়ে আরও কিছু কথা


আবি সুলাইমান রহিমাহুল্লাহু বলেন—
'যার হৃদয়ে আখিরাতের চিন্তা থাকে, সে দুনিয়াকে উপেক্ষা করে চলতে পারে।'
আবদুল্লাহ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
'যে ব্যক্তি দুনিয়ার প্রতি বিমুখ থাকে, সে দুনিয়ার মালিক হয়ে যায়। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ামুখী হয়, সে দুনিয়া থেকে বঞ্চিত হয়।'
দুআইদ ইবনু নাফে রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'হজরত ঈসা আলাইহিস সালাম বলেন, তোমরা জানো, দুনিয়া খুবই তুচ্ছ ও নগণ্য; অপর দিকে আখিরাত অত্যন্ত মহান ও অনন্ত। কিন্তু এরপরও তোমরা দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকো। আখিরাতকে উপেক্ষা করে চলো। মনে রাখবে, একসময় এই দুনিয়াই তোমাদেরকে মৃত্যুর ঘাঁটিতে পৌঁছে দেবে।'
ইউসুফ ইবনু আসবাত রহিমাহুল্লাহু বলেন-
যুর'আ রহিমাহুল্লাহু আমাকে বলেছেন, যে দুনিয়াকে যত বেশি অবজ্ঞা করতে পারবে, সে ততবেশি আখিরাতমুখী হতে পারবে। আমার অবাক লাগে যখন দেখি, তোমরা দুনিয়া ও আখিরাত এক সঙ্গে পেতে চাও। বিপরীতমুখী দুটি জিনস একত্রিত হওয়া কী করে সম্ভব?

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00