📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 কে উত্তম?

📄 কে উত্তম?


ফাদল ইবনু সাওর ইবনু শাকিক রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহুকে জিজ্ঞাসা করা হলো, হজরত! মনে করুন, এক ব্যক্তি বৈধ পন্থায় সম্পদ উপার্জন করে এবং উপার্জিত সম্পদ আখিরাতের কাজে ব্যয় করে। আরেক জন থেকে অনেক দূরে থাকে এবং দুনিয়াকে উপেক্ষা করে চলে—এই দুই ব্যক্তির কে উত্তম? উত্তরে তিনি বলেন, আমার দৃষ্টিতে ওই ব্যক্তি সবচেয়ে উত্তম যে দুনিয়া থেকে অনেক দূরে থাকে এবং দুনিয়াকে উপেক্ষা করে চলে。
লোকেরা তাঁকে পুনরায় একই প্রশ্ন করলে, তিনিও একই উত্তর দেন।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 আত্মসমালোচনা

📄 আত্মসমালোচনা


আওন ইবনু আবদুল্লাহ রহিমাহুল্লাহু মাঝেমধ্যেই নিজেকে সম্বোধন করে বলতেন—
‘আমার ধ্বংস অনিবার্য। দিনকে দিন আমার দুনিয়াবি ব্যস্ততা বেড়েই চলেছে। আমি এখন প্রচুর সম্পদ সঞ্চয় করছি। অথচ আমি জানি, দুনিয়া আমার আসল ঠিকানা নয়।
এটা আমার সাময়িক প্রবাস মাত্র। মুসাফিরের মতো এখানে এসেছি। আবার মুসাফিরের মতোই ফিরে যাব। কারণ, আমার আসল ঠিকানা পরকাল। দুনিয়ায় আমি যত সুখে-শান্তিতেই থাকি না কেন, একদিন আমাকে এই সুখশান্তি ছেড়ে ওপারে পাড়ি জমাতে হবে。

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 জীবন জাগানিয়া বাণী

📄 জীবন জাগানিয়া বাণী


ইবরাহিম ইবনু আদহাম রহিমাহুল্লাহু বলতেন-
আছে কি কোনো বীর বাহাদুর-যে দুনিয়াকে উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যাবে!
আবদুল্লাহ রহিমাহুল্লাহু বলেন, মাহমুদ আল ওয়াররাক রহিমাহুল্লাহু একদিন আমাকে একটি কবিতা শোনান। কবিতাটির মর্মার্থ হলো- 'মানুষ অবর্ণনীয় কষ্ট-ক্লেশ সহ্য করে সম্পদ জমা করে। তারা ভাবে, সম্পদ উপার্জন করতে পারলেই হয়তো জীবনটা সুখে কাটবে। কিন্তু বাস্তবতা আসলে তেমন নয়। সময় একদিন তাদেরকে মৃত্যুর ঘাঁটে পৌঁছিয়ে দেয়। একদিন তারা এই ধনসম্পদ ছেড়ে চলে যায়। তখন এই সম্পদ তাদের কোনো কাজে আসে না। মানুষ এটা জানে, তারপরও দুনিয়ার প্রতি আগ্রহের শেষ নেই।’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 যে যুহদ অবলম্বন করবে

📄 যে যুহদ অবলম্বন করবে


আলি ইবনু আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-যে ব্যক্তি যুহুদ অবলম্বন করবে সে বিপদআপদে স্বাভাবিক থাকবে। কখনো পেরেশান হবে না। আর যে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকবে, সে নেক কাজে অত্যন্ত তৎপর হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00