📄 যুহদের মূলনীতি
উমারা রহিমাহুল্লাহু বলেন, জনৈক ব্যক্তি একবার রাবিয়া রহিমাহুল্লাহুকে জিজ্ঞাসা করেন, শাইখ! যুহুদের মূলনীতি কী? উত্তরে তিনি বলেন, বৈধ উপায়ে সম্পদ উপার্জন করা, বৈধ খাতে ব্যয় করা এবং দুনিয়ার ব্যাপারে সর্বদা নির্মোহ।
📄 আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া সামান্য
সুফিয়ান ইবনু উয়াইনাহ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্য হয়ে দুনিয়ার অর্থ-সম্পদ ও ভোগসামগ্রী গ্রহণ করবে, তাদের আখিরাত বরবাদ হয়ে যাবে।’
📄 প্রবঞ্চনা
আতা ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, সাইদ ইবনু জুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
'সদা সর্বক্ষণ মহান রবের অবাধ্যতায় লিপ্ত থেকে তাঁর ক্ষমার আশা করা এক ধরনের মানবিক বিকার ও আত্মপ্রবঞ্চনা। অনুরূপ আখিরাতকে উপেক্ষা করে দুনিয়া নিয়ে মেতে থাকা এবং নিজেকে যাহিদ বলে দাবি করা এক ধরনের প্রগলভতা ও যুহুদের অপব্যাখ্যা। যারা এমন করে, তারা হাশরের মাঠে আক্ষেপ করে বলবে—'হায়! যদি এই অনন্ত জীবনের জন্য কিছু করে আসতাম।’
📄 দুনিয়া আখিরাতের পাথেয় জোগাড় করার স্থান
সাইদ ইবনু জুবাইর রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'দুনিয়া মূলত আখিরাতের পাথেয় জোগাড় করার স্থান। এখান থেকেই আখিরাতের পাথেয় জোগাড় করতে হবে। অন্যথায় বাঁচার কোনো উপায় থাকবে না।’
মুহাম্মাদ ইবনু কুদামা রহিমাহুল্লাহু বলেন, একদিন খলিফা মালেক ইবনু মারওয়ান মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর কবরের পাশে এসে বলেন-
'আল্লাহর এই দুনিয়াবিমুখ বান্দা চল্লিশ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবন পেয়েছিলেন। বিশ বছর খলিফা এবং বিশ বছর আমির ছিলেন। এখন তিনি এই কবরে ঘুমিয়ে আছেন। এটাই পৃথিবীর স্বাভাবিক নিয়ম। আজ এখানে আছি, কাল হয়তো থাকব না। সময়ের বিবর্তন আমাকেও পোকা-মাকড়ের খাবার বানাবে।’