📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 সাহাবিরা যেমন ছিলেন

📄 সাহাবিরা যেমন ছিলেন


হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন-
সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম অত্যন্ত জ্ঞানী ও বিচক্ষণ ছিলেন। তাঁরা বেশি বেশি নেক আমল করতেন। হালাল পন্থায় জীবিকা উপার্জন করতেন। হারাম থেকে দূরে থাকতেন। নিজের ভালো সম্পদগুলো আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন। দুনিয়ার প্রতি তাঁদের মোটেও আগ্রহ ছিল না। পার্থিব যশ-খ্যাতির মোহও তাঁদের ছিল না। তাঁরা সবকিছুরই ভালো দিক গ্রহণ করতেন; মন্দ দিক বর্জন করতেন। তাঁরা নেক আমল করে অহংকার করতেন না। তাঁরা দুনিয়াকে তাচ্ছিল্যের চোখে দেখতেন。
ইবরাহিম আত তাইমি রহিমাহুল্লাহু বলেন-
তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের নিকট দুনিয়া দৌড়ে আসত; কিন্তু তারা ফিতনার ভয়ে দুনিয়া থেকে পলায়ন করতেন। এতে কি তাদের কোনো ক্ষতি হয়েছে? তাদের মর্যাদা কমে গেছে?
অপর দিকে তোমরা দুনিয়ার পেছনে ছুটে বেড়াও। কিন্তু দুনিয়া তোমাদের থেকে পালিয়ে বেড়ায়। তোমাদের হাতে ধরা দেয় না। এতে কি তোমাদের বিশেষ কোনো লাভ হয়েছে? কিংবা একটু আধটু সম্মান বেড়েছে? তোমরা বরং এই তুচ্ছ দুনিয়ার কারণে, অসংখ্য ফিতনায় জড়িয়ে পড়েছ! এবার তোমরাই নিজেদেরকে পূর্ববর্তীদের সঙ্গে তুলনা করে দেখো-কারা ভালো; আর কারা মন্দ?

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 সালাফরা আখিরাতমুখী ছিলেন

📄 সালাফরা আখিরাতমুখী ছিলেন


আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
সাহাবায়ে কেরام রাদিয়াল্লাহু আনহুম-এর চেয়ে তোমাদের সালাত বেশি, জিকিরআজকারও বেশি। এতৎসত্ত্বেও তারা তোমাদের চেয়ে অনেক উত্তম। কারণ, তাঁরা দুনিয়াবিমুখ ও আখিরাতমুখী ছিলেন。

টিকাঃ
[১৬৭] ইবনু মুবারক রহিমাহুল্লাহু, যুহুদ-৫০১।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 বলা সহজ কিন্তু করা কঠিন

📄 বলা সহজ কিন্তু করা কঠিন


হজরত কাজি শুরাইহ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
দুনিয়াকে মন্দ বলে আখ্যায়িত করা খুব সহজ। কিন্তু মন্দ বলে ত্যাগ করা খুবই কঠিন। বরং যারা দুনিয়াকে কথায় কথায় মন্দ বলে, তারাই দুনিয়ার প্রতি বেশি আগ্রহ দেখায়।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 হারিয়ে যাওয়া মুক্তো

📄 হারিয়ে যাওয়া মুক্তো


শু'আইব ইবনু সুলাইমান রহিমাহুল্লাহু বলেন-
একবার বাদশাহ যুল-কারনাইনের সাথে ফেরেশতাদের সাক্ষাৎ হয়। বাদশাহ তখন তাদেরকে বলেন, 'আমাকে এমন কিছু নসিহত করুন, যার মাধ্যমে আমার ইমান ও ইয়াকিন বৃদ্ধি পাবে।' ফেরেশতারা তাকে বলেন, 'আপনি তা করতে পারবেন না।' যুল- কারনাইন বলেন, 'আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব এবং আল্লাহর কাছে তাওফিক কামনা করব।' ফেরেশতারা তখন তাকে বলেন-
১. ভবিষ্যতের কোনো বিষয়ে পেরেশান হবেন না।
২. আল্লাহ তাআলা আপনাকে রাজত্ব দিলে তা পেয়ে বেশি খুশি হবেন না।
৩. রাজত্ব চলে গেলে দুঃখিত কিংবা পেরেশান হবেন না।
৪. আল্লাহ তাআলার ব্যাপারে ভালো ধারণা রাখবেন।
৫. নিজের জন্য যা ভালো মনে করেন, অন্যের জন্যও তাই ভালো মনে করবেন।
৬. রাগ করবেন না।
৭. তাড়াহুড়ো করবেন না। কারণ তাড়াহুড়ো করলে ভুল বেশি হয়।
৮. আপন-পর, শত্রু-মিত্র- সবার সাথে কোমল আচরণ করবেন। কারও সাথে রূঢ় মেজাজ দেখাবেন না।
৯. অহংকার প্রদর্শন করবেন না。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00