📄 যেটা ত্যাগে আছে সেটা পাবেই
আবু মিহরাজ রহিমাহুল্লাহ বলেন—
যার জন্য দুনিয়ার যতটুকু প্রাপ্তি লিখে রাখা হয়েছে, সে কেবল ততটুকুই পায়। এরপরও মানুষ দুনিয়া অর্জন করার জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছে। অপর দিকে আখিরাত অর্জিত হয় চেষ্টার মাধ্যমে। যে যতটুকু চেষ্টা করে; ঠিক ততটুকুই লাভ করে। কিন্তু এরপরও আখিরাত নিয়ে তাদের কোনো চিন্তাভাবনা নেই。
📄 দুনিয়া নিয়ে সালাফদের অনুভূতি
ইবরাহিম ইবনু মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন—
মাসরূক রহিমাহুল্লাহ প্রতি সপ্তাহে আমাকে তার খচ্চরে করে ‘হীরা’ নামক স্থানে নিয়ে যেতেন। এরপর তার খচ্চরটি সেখানকার নর্দমায় নামিয়ে দিয়ে বলতেন, ‘গোটা দুনিয়া এখন আমাদের পায়ের নিচে’।
সাইদ ইবনু মাসউদ রহিমাহুল্লাহ বলেন—
যখন তুমি কোনো ব্যক্তিকে দেখবে যে, দুনিয়ার প্রতি তার ভালোবাসা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, আখিরাতের চিন্তা অনবরত হ্রাস পাচ্ছে; কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো মাথা ব্যথা নেই—তখন বুঝবে, লোকটি নিজেই নিজের ক্ষতি করছে。
টিকাঃ
[১৬২] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/৯২।
[১৬৩] উলুমুদ্দিন: ৩/২৮৭।
📄 প্রকৃত সুখী
উহাইব রহিমাহুল্লাহু বলেন—
ইসা আলাইহিস সালাম বলেন, যে ব্যক্তির মাঝে নিম্নোক্ত গুণ চারটি পাওয়া যাবে, সেই সবচেয়ে সুখী—
১. নীরবতা
২. বিনয়
৩. দুনিয়াবিমুখতা
৪. অল্পেতুষ্টি。
টিকাঃ
[১৬৪] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৮/১৫৭১。
📄 দুনিয়া ময়লার স্তূপের মতো
হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার মদিনার একটি নর্দমার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সঙ্গীদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন—
‘তোমাদের কেউ যদি দুনিয়ার স্বরূপ দেখতে চায়, তাহলে সে যেন এই নর্দমাটি ভালো করে দেখে নেয়। তাবৎ দুনিয়া যদি মহান আল্লাহর কাছে একটি মাছি ডানার সমমূল্যেরও হতো, তাহলেও তিনি কোনো কাফিরকে দুনিয়ার সামান্য কিছু ভোগ করতে দিতেন না।’
টিকাঃ
[১৬৫] কানযুল উম্মাল: ৩/২১৫। হাদিস, মুরসাল। তবে এই হাদিসই মারফু হিসেবে বিভিন্ন সাহাবি থেকে বর্ণিত আছে।