📄 দুনিয়ার মাধ্যমে যদি পরীক্ষা না নেওয়া হতো!
আবদুল্লাহ ইনতাকি রহিমাহুল্লাহু বলেন-
আহ, কতই না ভালো হতো—যদি মহান আল্লাহ দুনিয়া দিয়ে আমাদের পরীক্ষা না নিতেন।
📄 দুনিয়া থাকার জায়গা নয়
আবু মারওয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন—
মহান আল্লাহ হজরত মুসা আলাইহিস সালামের নিকট এই মর্মে অহি প্রেরণ করেন যে, দুনিয়া জালিমদের অভয়ারণ্য। দুনিয়ার সাথে আপনার কোনো ধরনের সম্পর্ক থাকা উচিত নয়? দুনিয়া আপনার থাকার জায়গা নয়। কাজেই দুনিয়া নিয়ে কখনো চিন্তা করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে জায়গা দেবেন না। দুনিয়া খুবই তুচ্ছ ও কদর্য। অবশ্য যারা দুনিয়ায় থেকেও নেক আমল করে, তাদের জন্য দুনিয়া বেশ ভালো স্থান। হে মুসা, আমি জালিমদের অপেক্ষায় আছি। তাদেরে থেকে মজলুমদের প্রতিশোধ গ্রহণ করা পর্যন্ত আমার স্বস্তি নেই。
টিকাঃ
[১৬১] আল ইতহাফ: ৮/৮৭।
📄 যেটা ত্যাগে আছে সেটা পাবেই
আবু মিহরাজ রহিমাহুল্লাহ বলেন—
যার জন্য দুনিয়ার যতটুকু প্রাপ্তি লিখে রাখা হয়েছে, সে কেবল ততটুকুই পায়। এরপরও মানুষ দুনিয়া অর্জন করার জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছে। অপর দিকে আখিরাত অর্জিত হয় চেষ্টার মাধ্যমে। যে যতটুকু চেষ্টা করে; ঠিক ততটুকুই লাভ করে। কিন্তু এরপরও আখিরাত নিয়ে তাদের কোনো চিন্তাভাবনা নেই。
📄 দুনিয়া নিয়ে সালাফদের অনুভূতি
ইবরাহিম ইবনু মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন—
মাসরূক রহিমাহুল্লাহ প্রতি সপ্তাহে আমাকে তার খচ্চরে করে ‘হীরা’ নামক স্থানে নিয়ে যেতেন। এরপর তার খচ্চরটি সেখানকার নর্দমায় নামিয়ে দিয়ে বলতেন, ‘গোটা দুনিয়া এখন আমাদের পায়ের নিচে’।
সাইদ ইবনু মাসউদ রহিমাহুল্লাহ বলেন—
যখন তুমি কোনো ব্যক্তিকে দেখবে যে, দুনিয়ার প্রতি তার ভালোবাসা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, আখিরাতের চিন্তা অনবরত হ্রাস পাচ্ছে; কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো মাথা ব্যথা নেই—তখন বুঝবে, লোকটি নিজেই নিজের ক্ষতি করছে。
টিকাঃ
[১৬২] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/৯২।
[১৬৩] উলুমুদ্দিন: ৩/২৮৭।