📄 সালাফদের ঘরোয়া আলাপ
আবু মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহু বলেন, ইয়াকুব ইবনু ইবরাহিম রহিমাহুল্লাহু একবার দাউদ আত তাই রহিমাহুল্লাহুকে বলেন, 'দুনিয়া পেয়ে কাউকে তোমার মতো এত বেশি খুশি হতে দেখিনি।' একথা শুনে দাউদ আত তাই রহিমাহুল্লাহু বলেন, 'কি যে বলেন! কেউ যদি আখিরাতের সামান্য সুখের বিনিময়ে পুরো দুনিয়াও পেয়ে যায়, তবুও সে কিছু-ই পায়নি। আর আমি এই সামান্য দুনিয়া পেয়ে খুশি হব!'
নোট: সালাফগণ পারস্পরিক আত্মশুদ্ধির জন্য এ ধরনের আলাপ-আলোচনা করতেন। এর দ্বারা তার একে অন্যকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করতেন না।
📄 প্রকৃত যাহিদ যে হবে
আবদুল্লাহ আল বারাই রহিমাহুল্লাহু বলেন, প্রকৃত যাহিদ সব সময়ই মিতব্যয়ী হয়। বিলাসিতার জন্য অতিরিক্ত অর্থকড়ি খরচ করে না। সর্বোপরি সব সময় আখিরাতের ভাবনায় বিভোর থাকে।
📄 দুনিয়া এক অকূল দরিয়া
সুফিয়ান সাওরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, হজরত লুকমান আলাইহিস সালাম তাঁর পুত্রকে দুনিয়ার ব্যাপারে এই বলে নসিহত করেন-
'প্রিয় বৎস আমার, দুনিয়া একটি গভীর সাগর। কূলকিনারাহীন। এই দুনিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকেই ডুবে মরেছে। সাগরের উচ্ছ্বাসিত ঢেউ তাদেরকে গ্রাস করে ফেলেছে। সুতরাং তুমি এই তরঙ্গ বিক্ষুব্ধ সাগর পাড়ি দেওয়ার জন্য আল্লাহর ভয়কে নৌকা বানাও। তার প্রতি পরিপূর্ণ ইমানকে বৈঠা বানাও এবং তার প্রতি নির্ভরতাকে পাল বানাও। তবেই কেবল আশা করা যায়, তুমি নিরাপদে এই অকূল দরিয়া পার হতে পারবে। আর আমার মনে হয় না—নৌকা, বৈঠা ও পাল ছাড়া তুমি এই অকূল দরিয়া পাড়ি দিয়ে ওপারে পৌঁছতে পারবে। তাই অকূল দরিয়া পাড়ি দেওয়ার আগে খুবই সতর্ক থেকো। নৌকা, বৈঠা ও পাল ঠিক করে রেখো।’
টিকাঃ
[১৬০] বাইহাকি - যুহুদ: ১৩৯।
📄 দুনিয়ার মাধ্যমে যদি পরীক্ষা না নেওয়া হতো!
আবদুল্লাহ ইনতাকি রহিমাহুল্লাহু বলেন-
আহ, কতই না ভালো হতো—যদি মহান আল্লাহ দুনিয়া দিয়ে আমাদের পরীক্ষা না নিতেন।