📄 মানুষের অবস্থা
ইবরাহিম রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'মানুষ মনে করে, যৌবন হলো দুনিয়া অর্জনের সময় আর বার্ধক্য হলো আখিরাত অর্জনের সময়। তাদের মানসিকতা দেখে মনে হয়, তারা যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে বৃদ্ধ হওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে এসেছে!'
📄 ওপারের সুখ চিরদিনের
আলি ইবনু হাসান রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমি আবদুল্লাহ রহিমাহুল্লাহুকে বললাম, আপনি আমাকে কিছু অসিয়ত করুন। তখন তিনি বললেন-
'দুনিয়াবিমুখ হও। দুনিয়ার রূপ-সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ো না। কারণ, দুনিয়ার সবকিছুই সাময়িক। দুনিয়ার জীবন শেষে তোমাকে আখিরাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানকার সবকিছু চিরস্থায়ী। অনন্ত কালের। সুতরাং সেই জীবনে সুখী হওয়ার জন্য পাথেয় জোগাও।'
📄 এখানকার প্রাচুর্য ক্ষণিকের
হুসাইন ইবনু আবদুর রহমান রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'দুনিয়া ধোঁকায় পূর্ণ। তাই দুনিয়ার সুখ ও প্রাচুর্য দেখে আপ্লুত হওয়ার কিছু নেই।'
📄 দুনিয়া অর্জনে যে খুশি হবে
ওয়াহব ইবনু মুনাব্বিহ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
'দুনিয়ার সামান্য অর্জনে যে খুশি হবে, সে জ্ঞান ও প্রজ্ঞা লাভে ব্যর্থ হবে। আর যে দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ থেকে প্রবৃত্তির বিরুদ্ধাচরণ করবে, শয়তান তার ছায়া মাড়াতেও ভয় পাবে। আর যে প্রবৃত্তির সেবাদাসে পরিণত হবে, শয়তান তার ওপর রাজত্ব করবে。