📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 সালাফদের দৃষ্টিতে দুনিয়াদার

📄 সালাফদের দৃষ্টিতে দুনিয়াদার


আবিল হাসান আল কুরাশি রহিমাহুল্লাহু বলেন, একজন আনসারি সাহাবি বলেছেন—
'দুনিয়া মানুষকে কৃপণতা শেখায়।'

আবিল হাসান আল কুরাশি রহিমাহুল্লাহু বলেন, একজন আনসারি সাহাবি বলেছেন—
'দুনিয়া মানুষকে কৃপণতা শেখায়।'

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়ার দুঃখ-সুখ চিরস্থায়ী না

📄 দুনিয়ার দুঃখ-সুখ চিরস্থায়ী না


আবু হাযিম রহিমাহুল্লাহু বলেন—
যে ব্যক্তি এই দুনিয়ার ব্যাপারে জানে, সে কখনো দুনিয়ার সুখ পেয়ে আনন্দিত হয় না। আবার সামান্য দুঃখে মুষড়ে পড়ে না।

আবু হাযিম রহিমাহুল্লাহু বলেন—
যে ব্যক্তি এই দুনিয়ার ব্যাপারে জানে, সে কখনো দুনিয়ার সুখ পেয়ে আনন্দিত হয় না। আবার সামান্য দুঃখে মুষড়ে পড়ে না।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দিন-রাত গনিমতের মতো

📄 দিন-রাত গনিমতের মতো


উমর ইবনু যার রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবাইর রহিমাহুল্লাহুর পত্রে পড়েছি—
'মুমিনের জন্য প্রতিটি দিন ও রাত গনিমত স্বরূপ।

টিকাঃ
[১৪৮] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৫/১১০।

উমর ইবনু যার রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবাইর রহিমাহুল্লাহুর পত্রে পড়েছি—
'মুমিনের জন্য প্রতিটি দিন ও রাত গনিমত স্বরূপ। [১৪৮]'

টিকাঃ
[১৪৮] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৫/১১০।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 একজন সালাফের অবস্থা

📄 একজন সালাফের অবস্থা


মুতাইর ইবনু রাবি রহিমাহুল্লাহু বরেন, গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ত এবং চারিদিকে অখণ্ড নীরবতা নেমে আসত তখন মুফাদ্দাল ইবনু ইউনুস রহিমাহুল্লাহু বলতেন—
আহ! আজও আমার জীবন থেকে একটি দিন চলে গেল। এই দিনটি আর ফিরে আসবে না। হারিয়ে গেল নিষুপ্তির কোলে। রাত পেরিয়ে যখন ভোর উদিত হতো, তখন তিনি বলতেন, আহ! আমার জীবনের একটি রাত চলে গেল। এই রাতটি আর ফিরে আসবে না। দিন-রাতের এই গমনাগমনই হয়তো আমাকে মৃত্যুর ঘাঁটিতে পৌঁছে দেবে।
মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলে তিনি বলেন, হে রাত-দিন! আমি জানতাম, তোমাদের ঘূর্ণাবর্তই একদিন আমার জীবনযাত্রা থামিয়ে দেবে। সেদিন আমার জীবনের ওপর দিয়ে তুমুল ঝড় বয়ে যাবে। জীবন নদীতে বিরহ-বেদনার প্লাবন উঠবে। মৃত্যুর হামলা আসবে। সঙ্গোপনে মৃত্যু আমাকে তার বুকে টেনে নেবে। সমস্যা নেই। সেদিন মহান রব থাকবেন। তিনিই আমার ভরসা। জীবন-মৃত্যু দুটোই তার সৃষ্টি। দুটোই তার পরীক্ষা। অতঃপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করেন—
الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُم .
'যিনি সৃষ্টি করেছেন জীবন এবং মরণকে—যাতে পরখ করতে পারেন, তোমাদের মধ্যে কর্মে কে শ্রেষ্ঠ?' [সুরা মূলক: ২]
এই আয়াত তিলাওয়াতের পরে তিনি জীবনের শেষ শ্বাস নেন। এরপরে মহান রবের ইশারায় তিনি এই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে চলে যান।

মুতাইর ইবনু রাবি রহিমাহুল্লাহু বরেন, গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ত এবং চারিদিকে অখণ্ড নীরবতা নেমে আসত তখন মুফাদ্দাল ইবনু ইউনুস রহিমাহুল্লাহু বলতেন—
আহ! আজও আমার জীবন থেকে একটি দিন চলে গেল। এই দিনটি আর ফিরে আসবে না। হারিয়ে গেল নিষুপ্তির কোলে। রাত পেরিয়ে যখন ভোর উদিত হতো, তখন তিনি বলতেন, আহ! আমার জীবনের একটি রাত চলে গেল। এই রাতটি আর ফিরে আসবে না। দিন-রাতের এই গমনাগমনই হয়তো আমাকে মৃত্যুর ঘাঁটিতে পৌঁছে দেবে।
মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলে তিনি বলেন, হে রাত-দিন! আমি জানতাম, তোমাদের ঘূর্ণাবর্তই একদিন আমার জীবনযাত্রা থামিয়ে দেবে। সেদিন আমার জীবনের ওপর দিয়ে তুমুল ঝড় বয়ে যাবে। জীবন নদীতে বিরহ-বেদনার প্লাবন উঠবে। মৃত্যুর হামলা আসবে। সঙ্গোপনে মৃত্যু আমাকে তার বুকে টেনে নেবে। সমস্যা নেই। সেদিন মহান রব থাকবেন। তিনিই আমার ভরসা। জীবন-মৃত্যু দুটোই তার সৃষ্টি। দুটোই তার পরীক্ষা। অতঃপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করেন—
الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُم .
'যিনি সৃষ্টি করেছেন জীবন এবং মরণকে—যাতে পরখ করতে পারেন, তোমাদের মধ্যে কর্মে কে শ্রেষ্ঠ?' [সুরা মূলক: ২]
এই আয়াত তিলাওয়াতের পরে তিনি জীবনের শেষ শ্বাস নেন। এরপরে মহান রবের ইশারায় তিনি এই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে চলে যান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00