📄 দুনিয়া ধার্মীর আর আখিরাত মানুষের সমতুল্য
ফারকাদ সুবকি রহিমাহুল্লাহু বলেন—
তুমি দুনিয়াকে ধাত্রীর মতো আর আখিরাতকে মায়ের মতো মনে করবে। তুমি কি কখনো দেখোনি! শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর প্রথমে ধাত্রীর কাছে থাকে। এর যখন শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয় তখন সে খুব সহসাই মায়ের বুকে ফিরে আসে। মায়ের কোলে ও আঁচলে নিজের জন্য জায়গা করে নেয়। মায়ের কোল ছাড়া অন্য কারও কোলে যেতে চায় না। মাও শিশুকে বুকে টেনে নেয়। ঠিক তেমনিভাবে আখিরাত অতি শীঘ্রই তোমাদেরকে তার বুকে টেনে নেবে। তাই তোমরা তোমাদের আখিরাত নামক মাকে চেনো।
টিকাঃ
[১৪০] সাফওয়াতুস সাফওয়াহ: ৩/২৭২।
📄 দুনিয়াকে দুনিয়া নামে নামকরণের কারণ
সুফিয়ান সাওরি রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া অর্থ হচ্ছে—তুচ্ছ, হীন। তাই আল্লাহ তাআলা এই দুনিয়াকে ‘দুনিয়া’ নামে নামকরণ করেছেন।
টিকাঃ
[১৪১] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/১০।
📄 ইবলিস এবং ঈসা আলাইহিস সালাম
ইসমাইল ইবনু আবি খালিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার ঈসা আলাইহিস সালাম একটি পাথরে হেলান দিয়ে বসে ছিলেন। তখন ইবলিস তাকে লক্ষ করে বলে, ‘বাহ! আপনিও দেখি দুনিয়ার মায়া ছাড়তে পারেননি! পাথরে হেলান দিয়ে আরাম করছেন! এ কথা শোনে ঈসা আলাইহিস সালাম পাথরটিকে তার দিকে ছুড়ে মেরে বলেন, ‘এই পাথরও আমার দরকার নেই। তুই এই পাথর নিয়ে যা।’
📄 দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِنَّمَا مَثَلِي وَمَثَلُ الدُّنْيَا كَمَثَلِ رَاكِبٍ قَالَ فِي ظِلَّ شَجَرَةٍ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ، ثُمَّ رَاحَ وَتَرَكَهَا.
টিকাঃ
[১৪২] ওয়াকি রহিমাহুল্লাহু, যুহুদ: ১৮।