📄 আল্লাহ যেন আমাকে দুনিয়ার পেছনে বৃত্তিবদ্ধ না রাখেন
সাবিত আল বুনানি রহিমাহুল্লাহু বলেন—
একবার জনৈক ব্যক্তি ঈসা আলাইহিস সালামকে একটি গাধা ক্রয়ের পরামর্শ দিয়ে বলে, ‘আপনি একটি গাধা ক্রয় করলে খুবই ভালো হতো। দূর-দূরান্তে সফর করা সহজ হতো। আপনি অল্প সময়ে অনেক বেশি দাওয়াতি কাজ করতে পারতেন।’
তাঁর এই পরামর্শের প্রেক্ষিতে ঈসা আলাইহিস সালাম বলেন, ‘আল্লাহ যেন আমাকে দুনিয়া দিয়ে তার থেকে বিমুখ করে না-ফেলেন।’
টিকাঃ
[১৩৯] আল মুসনাদু আহমাদ ইবনু হাম্বল, যুহুদ: ৭৩।
📄 দুনিয়া ধার্মীর আর আখিরাত মানুষের সমতুল্য
ফারকাদ সুবকি রহিমাহুল্লাহু বলেন—
তুমি দুনিয়াকে ধাত্রীর মতো আর আখিরাতকে মায়ের মতো মনে করবে। তুমি কি কখনো দেখোনি! শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর প্রথমে ধাত্রীর কাছে থাকে। এর যখন শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয় তখন সে খুব সহসাই মায়ের বুকে ফিরে আসে। মায়ের কোলে ও আঁচলে নিজের জন্য জায়গা করে নেয়। মায়ের কোল ছাড়া অন্য কারও কোলে যেতে চায় না। মাও শিশুকে বুকে টেনে নেয়। ঠিক তেমনিভাবে আখিরাত অতি শীঘ্রই তোমাদেরকে তার বুকে টেনে নেবে। তাই তোমরা তোমাদের আখিরাত নামক মাকে চেনো।
টিকাঃ
[১৪০] সাফওয়াতুস সাফওয়াহ: ৩/২৭২।
📄 দুনিয়াকে দুনিয়া নামে নামকরণের কারণ
সুফিয়ান সাওরি রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া অর্থ হচ্ছে—তুচ্ছ, হীন। তাই আল্লাহ তাআলা এই দুনিয়াকে ‘দুনিয়া’ নামে নামকরণ করেছেন।
টিকাঃ
[১৪১] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/১০।
📄 ইবলিস এবং ঈসা আলাইহিস সালাম
ইসমাইল ইবনু আবি খালিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার ঈসা আলাইহিস সালাম একটি পাথরে হেলান দিয়ে বসে ছিলেন। তখন ইবলিস তাকে লক্ষ করে বলে, ‘বাহ! আপনিও দেখি দুনিয়ার মায়া ছাড়তে পারেননি! পাথরে হেলান দিয়ে আরাম করছেন! এ কথা শোনে ঈসা আলাইহিস সালাম পাথরটিকে তার দিকে ছুড়ে মেরে বলেন, ‘এই পাথরও আমার দরকার নেই। তুই এই পাথর নিয়ে যা।’