📄 দুনিয়া ও আখিরাত একই পাত্রে জমা হয় না
সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈসা আলাইহিস সালাম এই দুনিয়ার ব্যাপারে বলে গেছেন-
كَمَا لَا يَسْتَقِيمُ النَّارُ وَالْمَاءُ فِي إِنَاءٍ، كَذَلِكَ لَا يَسْتَقِيمُ حُبُّ الْآخِرَةِ وَالدُّنْيَا فِي قَلْبِ الْمُؤْمِنِ .
'আগুন ও পানি যেমন একসঙ্গে একই পাত্রে থাকতে পারে না; ঠিক তেমনি দুনিয়া ও আখিরাতের ভালোবাসাও মুমিনের অন্তরে একসাথে জায়গা করে নিতে পারে না।' [৯৫]
টিকাঃ
[৯৫] তারিখে দিমাশক: ২০/১২০।
সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈসা আলাইহিস সালাম এই দুনিয়ার ব্যাপারে বলে গেছেন-
كَمَا لَا يَسْتَقِيمُ النَّارُ وَالْمَاءُ فِي إِنَاءٍ، كَذَلِكَ لَا يَسْتَقِيمُ حُبُّ الْآخِرَةِ وَالدُّنْيَا فِي قَلْبِ الْمُؤْمِنِ .
'আগুন ও পানি যেমন একসঙ্গে একই পাত্রে থাকতে পারে না; ঠিক তেমনি দুনিয়া ও আখিরাতের ভালোবাসাও মুমিনের অন্তরে একসাথে জায়গা করে নিতে পারে না।' [৯৫]
টিকাঃ
[৯৫] তারিখে দিমাশক: ২০/১২০।
সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈসা আলাইহিস সালাম এই দুনিয়ার ব্যাপারে বলে গেছেন-
كَمَا لَا يَسْتَقِيمُ النَّارُ وَالْمَاءُ فِي إِنَاءٍ، كَذَلِكَ لَا يَسْتَقِيمُ حُبُّ الْآخِرَةِ وَالدُّنْيَا فِي قَلْبِ الْمُؤْمِنِ .
'আগুন ও পানি যেমন একসঙ্গে একই পাত্রে থাকতে পারে না; ঠিক তেমনি দুনিয়া ও আখিরাতের ভালোবাসাও মুমিনের অন্তরে একসাথে জায়গা করে নিতে পারে না।' [৯৫]
টিকাঃ
[৯৫] তারিখে দিমাশক: ২০/১২০।
📄 দুনিয়া ও আখিরাতকে এক সাথে ভালোবাসা যায় না
সাহল ইবনু আবিল আসাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'যে দুনিয়া ও আখিরাতকে সমান্তরালে রেখে চলতে চায়, তার দৃষ্টান্ত ওই ক্রীতদাসের মতো; যার মালিক দুজন এবং ঘটনাক্রমে দুইজনই বিপরীতমুখি স্বভাবের। কাজেই ক্রীতদাস বুঝে উঠতে পারে না যে, সে কাকে রেখে কাকে খুশি করবে। অনুরূপ যে-ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতকে একসাথে ভালোবাসে, সেও ঠাওরে উঠতে পারে না যে, দুনিয়াকে খুশি করবে নাকি আখিরাতকে?' [৯৬]
সাবেত রহিমাহুল্লাহ বলেন, সাইদ ইবনু আবি বুরদা রহিমাহুল্লাহ আমার কাছে একখানা পত্র লিখেন, তাতে লিখা ছিল— দুনিয়া এখন আর বেশিদিন বাকি নাই, শুধু দুটি জিনিস বাকি আছে। [১] অপেক্ষমান কিছু ফিতনা। [২] আর কিছু দুশ্চিন্তা এবং কষ্ট। [৯৭]
টিকাঃ
[৯৬] বাহজাতুল মাজালিস: ২/২৯১।
[৯৭] যুহুদ, ইবনুল মুবারক: ১/২৬০।
সাহল ইবনু আবিল আসাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'যে দুনিয়া ও আখিরাতকে সমান্তরালে রেখে চলতে চায়, তার দৃষ্টান্ত ওই ক্রীতদাসের মতো; যার মালিক দুজন এবং ঘটনাক্রমে দুইজনই বিপরীতমুখি স্বভাবের। কাজেই ক্রীতদাস বুঝে উঠতে পারে না যে, সে কাকে রেখে কাকে খুশি করবে। অনুরূপ যে-ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতকে একসাথে ভালোবাসে, সেও ঠাওরে উঠতে পারে না যে, দুনিয়াকে খুশি করবে নাকি আখিরাতকে?' [৯৬]
সাবেত রহিমাহুল্লাহ বলেন, সাইদ ইবনু আবি বুরদা রহিমাহুল্লাহ আমার কাছে একখানা পত্র লিখেন, তাতে লিখা ছিল— দুনিয়া এখন আর বেশিদিন বাকি নাই, শুধু দুটি জিনিস বাকি আছে। [১] অপেক্ষমান কিছু ফিতনা। [২] আর কিছু দুশ্চিন্তা এবং কষ্ট। [৯৭]
টিকাঃ
[৯৬] বাহজাতুল মাজালিস: ২/২৯১।
[৯৭] যুহুদ, ইবনুল মুবারক: ১/২৬০।
সাহল ইবনু আবিল আসাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'যে দুনিয়া ও আখিরাতকে সমান্তরালে রেখে চলতে চায়, তার দৃষ্টান্ত ওই ক্রীতদাসের মতো; যার মালিক দুজন এবং ঘটনাক্রমে দুইজনই বিপরীতমুখি স্বভাবের। কাজেই ক্রীতদাস বুঝে উঠতে পারে না যে, সে কাকে রেখে কাকে খুশি করবে। অনুরূপ যে-ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতকে একসাথে ভালোবাসে, সেও ঠাওরে উঠতে পারে না যে, দুনিয়াকে খুশি করবে নাকি আখিরাতকে?' [৯৬]
সাবেত রহিমাহুল্লাহ বলেন, সাইদ ইবনু আবি বুরদা রহিমাহুল্লাহ আমার কাছে একখানা পত্র লিখেন, তাতে লিখা ছিল— দুনিয়া এখন আর বেশিদিন বাকি নাই, শুধু দুটি জিনিস বাকি আছে। [১] অপেক্ষমান কিছু ফিতনা। [২] আর কিছু দুশ্চিন্তা এবং কষ্ট। [৯৭]
টিকাঃ
[৯৬] বাহজাতুল মাজালিস: ২/২৯১।
[৯৭] যুহুদ, ইবনুল মুবারক: ১/২৬০।
📄 গভীর রাতে ঘুমে বিভোর হয়ে থেকো না
আবু বকর আস-সুফি রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমি আবু মুআবিয়া আসওয়াদ রহিমাহুল্লাহুকে দেখেছি, তিনি নিজেকে সম্বোধন করে বলছেন- 'হে আবু মুআবিয়া, তুমি যদি নিজের উন্নতি দেখতে চাও, তাহলে গভীর রাতে ঘুমে বিভোর হয়ে যেয়ো না। অলসতা ছেড়ে দাও। নেক আমলকে পুঁজি বানাও। অদূর ভবিষ্যতের জন্য পাথেয় সঞ্চয় করো। দুনিয়ার মায়ায় পড়ে আখিরাত ভুলে যেয়ো না। বিদায়ের মুহূর্ত ঘনিয়ে আসার আগেই বিদায়ের প্রস্তুতি নাও। তোমার উত্তরপুরুষদের রুজি-রোজগার নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করো না। কারণ, তাদের রোজগারের ব্যাপারে চিন্তার দায়িত্ব তোমার না।[১০২] কবির ভাষায়-
'চলবে কিসে ভাবছ মিছে- তুমি ভাবার কে? যা ভাবার ভাবছেন তিনি তুমি ভাব তাঁকে।[১০৩]
টিকাঃ
[১০২] সাফওয়াতুস সাফওয়াহ: ৪/২৭১。
[১০৩] চরণটি অনুবাদক কর্তৃক সংযোজিত।
📄 আখিরাতের কাজ দ্রুত করা ভালো
উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন- দুনিয়ার সব কাজই ধীর-স্থীরভাবে সম্পাদন করা ভালো। কিন্তু আখিরাতের কাজ ধীরে ধীরে করা ভালো না। যথা সম্ভব দ্রুত করা উচিত।[১০৪]
টিকাঃ
[১০৪] জামিউস সাগির: ৩০০৯।