📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 একটি চিঠি ও কয়েকটি উপদেশ

📄 একটি চিঠি ও কয়েকটি উপদেশ


আবু শুজা রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার আলি ইবনু আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট একটি পত্র প্রেরণ করেন। পত্রে তিনি সালমান ফারসিকে দুনিয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে বলেন-
‘হামদ ও সালাতের পর সমাচার এই যে, মনে রাখবেন! দুনিয়া সাপের মতো। তাকে স্পর্শ করলে খুবই নরম মনে হয়, কিন্তু এই সাপ অত্যন্ত বিষধর। তার দংশন বড়ই বিষাক্ত। তার দংশন মৃত্যু ডেকে আনে। সুতরাং আপনি এই দুনিয়ার আকর্ষণ থেকে দূরে থাকবেন-অনেক দূরে-যাতে দুনিয়া আপনার নাগাল না-পায়。
মনে রাখবেন, এই দুনিয়া থেকে একদিন বিদায় নিতে হবে। এ ব্যাপারে কারও কোনো সন্দেহ নেই। সুতরাং মাথা থেকে দুনিয়ার চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। মন থেকে দুনিয়ার মহব্বত মুছে ফেলুন। সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পরকালের জন্য তুলে রাখুন। সর্বোপরি দুনিয়ায় সুখ ও আনন্দের কিছু পেয়ে গেলে সতর্ক থাকুন। কারণ, মানুষ যখন দুনিয়ার প্রাপ্তিতে মাত্রাতিরিক্ত খুশি হয়, তখনই কোনো না কোনো বিপদ নেমে আসে। [৯৩]

টিকাঃ
[৯৩] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/১৩৫।

আবু শুজা রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার আলি ইবনু আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট একটি পত্র প্রেরণ করেন। পত্রে তিনি সালমান ফারসিকে দুনিয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে বলেন-
‘হামদ ও সালাতের পর সমাচার এই যে, মনে রাখবেন! দুনিয়া সাপের মতো। তাকে স্পর্শ করলে খুবই নরম মনে হয়, কিন্তু এই সাপ অত্যন্ত বিষধর। তার দংশন বড়ই বিষাক্ত। তার দংশন মৃত্যু ডেকে আনে। সুতরাং আপনি এই দুনিয়ার আকর্ষণ থেকে দূরে থাকবেন-অনেক দূরে-যাতে দুনিয়া আপনার নাগাল না-পায়。
মনে রাখবেন, এই দুনিয়া থেকে একদিন বিদায় নিতে হবে। এ ব্যাপারে কারও কোনো সন্দেহ নেই। সুতরাং মাথা থেকে দুনিয়ার চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। মন থেকে দুনিয়ার মহব্বত মুছে ফেলুন। সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পরকালের জন্য তুলে রাখুন। সর্বোপরি দুনিয়ায় সুখ ও আনন্দের কিছু পেয়ে গেলে সতর্ক থাকুন। কারণ, মানুষ যখন দুনিয়ার প্রাপ্তিতে মাত্রাতিরিক্ত খুশি হয়, তখনই কোনো না কোনো বিপদ নেমে আসে। [৯৩]

টিকাঃ
[৯৩] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/১৩৫।

আবু শুজা রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার আলি ইবনু আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট একটি পত্র প্রেরণ করেন। পত্রে তিনি সালমান ফারসিকে দুনিয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে বলেন-
‘হামদ ও সালাতের পর সমাচার এই যে, মনে রাখবেন! দুনিয়া সাপের মতো। তাকে স্পর্শ করলে খুবই নরম মনে হয়, কিন্তু এই সাপ অত্যন্ত বিষধর। তার দংশন বড়ই বিষাক্ত। তার দংশন মৃত্যু ডেকে আনে। সুতরাং আপনি এই দুনিয়ার আকর্ষণ থেকে দূরে থাকবেন-অনেক দূরে-যাতে দুনিয়া আপনার নাগাল না-পায়。
মনে রাখবেন, এই দুনিয়া থেকে একদিন বিদায় নিতে হবে। এ ব্যাপারে কারও কোনো সন্দেহ নেই। সুতরাং মাথা থেকে দুনিয়ার চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। মন থেকে দুনিয়ার মহব্বত মুছে ফেলুন। সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পরকালের জন্য তুলে রাখুন। সর্বোপরি দুনিয়ায় সুখ ও আনন্দের কিছু পেয়ে গেলে সতর্ক থাকুন। কারণ, মানুষ যখন দুনিয়ার প্রাপ্তিতে মাত্রাতিরিক্ত খুশি হয়, তখনই কোনো না কোনো বিপদ নেমে আসে। [৯৩]

টিকাঃ
[৯৩] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/১৩৫।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 যদি ইবাদতে মজা পেতে চাও

📄 যদি ইবাদতে মজা পেতে চাও


মালেক ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, আবদুল্লাহ রাযি রহিমাহুল্লাহু আমাকে বলেন, তুমি যদি আল্লাহর ইবাদাতে স্বাদ পেতে চাও এবং উত্তরোত্তর উন্নতি লাভের আশা করো, তাহলে তুমি নিজের ও পার্থিব চাহিদার মাঝে বাধার প্রাচীর নির্মাণ করো। তবেই কেবল ইবাদাতে প্রেমের স্বাদ পাবে এবং উত্তরোত্তর তোমার উন্নতি ঘটতে থাকবে। [৯৪]

টিকাঃ
[৯৪] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/৩৬৫।

মালেক ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, আবদুল্লাহ রাযি রহিমাহুল্লাহু আমাকে বলেন, তুমি যদি আল্লাহর ইবাদাতে স্বাদ পেতে চাও এবং উত্তরোত্তর উন্নতি লাভের আশা করো, তাহলে তুমি নিজের ও পার্থিব চাহিদার মাঝে বাধার প্রাচীর নির্মাণ করো। তবেই কেবল ইবাদাতে প্রেমের স্বাদ পাবে এবং উত্তরোত্তর তোমার উন্নতি ঘটতে থাকবে। [৯৪]

টিকাঃ
[৯৪] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/৩৬৫।

মালেক ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, আবদুল্লাহ রাযি রহিমাহুল্লাহু আমাকে বলেন, তুমি যদি আল্লাহর ইবাদাতে স্বাদ পেতে চাও এবং উত্তরোত্তর উন্নতি লাভের আশা করো, তাহলে তুমি নিজের ও পার্থিব চাহিদার মাঝে বাধার প্রাচীর নির্মাণ করো। তবেই কেবল ইবাদাতে প্রেমের স্বাদ পাবে এবং উত্তরোত্তর তোমার উন্নতি ঘটতে থাকবে। [৯৪]

টিকাঃ
[৯৪] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ২/৩৬৫।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া ও আখিরাত একই পাত্রে জমা হয় না

📄 দুনিয়া ও আখিরাত একই পাত্রে জমা হয় না


সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈসা আলাইহিস সালাম এই দুনিয়ার ব্যাপারে বলে গেছেন-
كَمَا لَا يَسْتَقِيمُ النَّارُ وَالْمَاءُ فِي إِنَاءٍ، كَذَلِكَ لَا يَسْتَقِيمُ حُبُّ الْآخِرَةِ وَالدُّنْيَا فِي قَلْبِ الْمُؤْمِنِ .
'আগুন ও পানি যেমন একসঙ্গে একই পাত্রে থাকতে পারে না; ঠিক তেমনি দুনিয়া ও আখিরাতের ভালোবাসাও মুমিনের অন্তরে একসাথে জায়গা করে নিতে পারে না।' [৯৫]

টিকাঃ
[৯৫] তারিখে দিমাশক: ২০/১২০।

সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈসা আলাইহিস সালাম এই দুনিয়ার ব্যাপারে বলে গেছেন-
كَمَا لَا يَسْتَقِيمُ النَّارُ وَالْمَاءُ فِي إِنَاءٍ، كَذَلِكَ لَا يَسْتَقِيمُ حُبُّ الْآخِرَةِ وَالدُّنْيَا فِي قَلْبِ الْمُؤْمِنِ .
'আগুন ও পানি যেমন একসঙ্গে একই পাত্রে থাকতে পারে না; ঠিক তেমনি দুনিয়া ও আখিরাতের ভালোবাসাও মুমিনের অন্তরে একসাথে জায়গা করে নিতে পারে না।' [৯৫]

টিকাঃ
[৯৫] তারিখে দিমাশক: ২০/১২০।

সুফিয়ান রহিমাহুল্লাহ বলেন, ঈসা আলাইহিস সালাম এই দুনিয়ার ব্যাপারে বলে গেছেন-
كَمَا لَا يَسْتَقِيمُ النَّارُ وَالْمَاءُ فِي إِنَاءٍ، كَذَلِكَ لَا يَسْتَقِيمُ حُبُّ الْآخِرَةِ وَالدُّنْيَا فِي قَلْبِ الْمُؤْمِنِ .
'আগুন ও পানি যেমন একসঙ্গে একই পাত্রে থাকতে পারে না; ঠিক তেমনি দুনিয়া ও আখিরাতের ভালোবাসাও মুমিনের অন্তরে একসাথে জায়গা করে নিতে পারে না।' [৯৫]

টিকাঃ
[৯৫] তারিখে দিমাশক: ২০/১২০।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া ও আখিরাতকে এক সাথে ভালোবাসা যায় না

📄 দুনিয়া ও আখিরাতকে এক সাথে ভালোবাসা যায় না


সাহল ইবনু আবিল আসাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'যে দুনিয়া ও আখিরাতকে সমান্তরালে রেখে চলতে চায়, তার দৃষ্টান্ত ওই ক্রীতদাসের মতো; যার মালিক দুজন এবং ঘটনাক্রমে দুইজনই বিপরীতমুখি স্বভাবের। কাজেই ক্রীতদাস বুঝে উঠতে পারে না যে, সে কাকে রেখে কাকে খুশি করবে। অনুরূপ যে-ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতকে একসাথে ভালোবাসে, সেও ঠাওরে উঠতে পারে না যে, দুনিয়াকে খুশি করবে নাকি আখিরাতকে?' [৯৬]
সাবেত রহিমাহুল্লাহ বলেন, সাইদ ইবনু আবি বুরদা রহিমাহুল্লাহ আমার কাছে একখানা পত্র লিখেন, তাতে লিখা ছিল— দুনিয়া এখন আর বেশিদিন বাকি নাই, শুধু দুটি জিনিস বাকি আছে। [১] অপেক্ষমান কিছু ফিতনা। [২] আর কিছু দুশ্চিন্তা এবং কষ্ট। [৯৭]

টিকাঃ
[৯৬] বাহজাতুল মাজালিস: ২/২৯১।
[৯৭] যুহুদ, ইবনুল মুবারক: ১/২৬০।

সাহল ইবনু আবিল আসাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'যে দুনিয়া ও আখিরাতকে সমান্তরালে রেখে চলতে চায়, তার দৃষ্টান্ত ওই ক্রীতদাসের মতো; যার মালিক দুজন এবং ঘটনাক্রমে দুইজনই বিপরীতমুখি স্বভাবের। কাজেই ক্রীতদাস বুঝে উঠতে পারে না যে, সে কাকে রেখে কাকে খুশি করবে। অনুরূপ যে-ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতকে একসাথে ভালোবাসে, সেও ঠাওরে উঠতে পারে না যে, দুনিয়াকে খুশি করবে নাকি আখিরাতকে?' [৯৬]
সাবেত রহিমাহুল্লাহ বলেন, সাইদ ইবনু আবি বুরদা রহিমাহুল্লাহ আমার কাছে একখানা পত্র লিখেন, তাতে লিখা ছিল— দুনিয়া এখন আর বেশিদিন বাকি নাই, শুধু দুটি জিনিস বাকি আছে। [১] অপেক্ষমান কিছু ফিতনা। [২] আর কিছু দুশ্চিন্তা এবং কষ্ট। [৯৭]

টিকাঃ
[৯৬] বাহজাতুল মাজালিস: ২/২৯১।
[৯৭] যুহুদ, ইবনুল মুবারক: ১/২৬০।

সাহল ইবনু আবিল আসাদ রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'যে দুনিয়া ও আখিরাতকে সমান্তরালে রেখে চলতে চায়, তার দৃষ্টান্ত ওই ক্রীতদাসের মতো; যার মালিক দুজন এবং ঘটনাক্রমে দুইজনই বিপরীতমুখি স্বভাবের। কাজেই ক্রীতদাস বুঝে উঠতে পারে না যে, সে কাকে রেখে কাকে খুশি করবে। অনুরূপ যে-ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতকে একসাথে ভালোবাসে, সেও ঠাওরে উঠতে পারে না যে, দুনিয়াকে খুশি করবে নাকি আখিরাতকে?' [৯৬]
সাবেত রহিমাহুল্লাহ বলেন, সাইদ ইবনু আবি বুরদা রহিমাহুল্লাহ আমার কাছে একখানা পত্র লিখেন, তাতে লিখা ছিল— দুনিয়া এখন আর বেশিদিন বাকি নাই, শুধু দুটি জিনিস বাকি আছে। [১] অপেক্ষমান কিছু ফিতনা। [২] আর কিছু দুশ্চিন্তা এবং কষ্ট। [৯৭]

টিকাঃ
[৯৬] বাহজাতুল মাজালিস: ২/২৯১।
[৯৭] যুহুদ, ইবনুল মুবারক: ১/২৬০।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00