📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া ও আখিরাত দুই সতিনের মতো

📄 দুনিয়া ও আখিরাত দুই সতিনের মতো


ওয়াহহাব ইবনু মুনাব্বিহ রহিমাহুল্লাহু দুনিয়ার ব্যাপারে বলেন- দুনিয়া আর আখিরাত দুই সতীনের মতো। তাদের একজন যে-পরিমাণ খুশি হবে; অপর জন ঠিক সে-পরিমাণ কষ্ট পাবে।[৭৮]

টিকাঃ
[৭৮] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৪।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া তাদেরকে দিয়ে দাও

📄 দুনিয়া তাদেরকে দিয়ে দাও


ইবনু উয়াইনাহ রহিমাহুল্লাহু বর্ণনা করেন, ইসা ইবনু মারয়াম আলাইহিমাস সালাম বলেন-
দুনিয়ায় তোমাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে শাসক ও নারী। তবে শাসকদের চেয়ে নারীরা বেশি বিপজ্জনক। কারণ, শাসকদেরকে দুনিয়া নিয়ে মেতে থাকতে দিলে তারা তোমাদের বিরোধিতা করবে না। কোনো ক্ষতিও করবে না। কিন্তু নারীদেরকে সামর্থ্যের সবটুকু দিলেও তারা তোমাদের বিচ্যুতির কারণ হতে পারে। কাজেই সালাত ও সিয়ামের মাধ্যমে তাদের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।[৭৯]

টিকাঃ
[৭৯] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৭। আল ইতহাফ: ৮/৮২।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 ঈসা ইবনু মারয়ামের কয়েকটি নাসিহা

📄 ঈসা ইবনু মারয়ামের কয়েকটি নাসিহা


শু'আইব ইবনু সালিহ রহিমাহুল্লাহু বর্ণনা করেন, ইসা আলাইহিস সালাম বলেন, দুনিয়া কারও হৃদয়ে জায়গা করে নিলে সে তিনটি বিপদের সম্মুখীন হয়-
এক. অনিঃশেষ ব্যস্ততা। এই ব্যস্ততা তাকে এতটাই অধীর করে রাখে যে, সে স্থিরচিত্তে একটি সিজদাও আদায় করতে পারে না।
দুই. মনস্তাত্ত্বিক ক্ষুধা ও সীমাহীন দারিদ্র্য। এই ক্ষুধা ও দারিদ্র্য তার মাঝে সম্পদের এমন আসক্তি তৈরি করে যে, কোটি টাকাকেও তখন নস্যি মনে হয়।
তিন. অযাচিত উচ্চাভিলাষ। এই উচ্চাভিলাষ কখনো তাকে দু-দণ্ড স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে দেয় না।
মনে রেখো, কেউ দুনিয়া তালাশ করে; আবার কাউকে দুনিয়া স্বয়ং তালাশ করে। যে আখেরাত তালাশ করে, তাকে দুনিয়া স্বয়ং তালাশ করে এবং তার জীবিকার ব্যবস্থা করে। আর যে দুনিয়া তালাশ করে, আখিরাত তার মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকে এবং মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তার গলা চেপে ধরে। [৮০]

টিকাঃ
[৮০] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৭। আল ইতহাফ: ৮/৮২।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া কারও উপকার করে না

📄 দুনিয়া কারও উপকার করে না


সাহাবি মুয়াজ ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু বলেন-
প্রিয় বন্ধু, এই ধূসর দুনিয়ার কাছ থেকে তোমরা ভালো কিছু পাবার আশা করো না। কারণ, দুনিয়া সব সময় তোমাদের ক্ষতি করতে চায়; কখনো উপকার করতে চায় না। মহান আল্লাহ যার হৃদয়কে দুনিয়াবিমুখ করেন, সে-ই দুনিয়া ও আখিরাতে সফলকাম। দুনিয়া অতীতে কারও উপকার করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না।
আবু জা'ফর রহিমাহুল্লাহু বলেন- আমার দাদার যিয়াদ নামক একজন গোলাম ছিল। সে দাদার পুত্রদেরকে কুরআনুল কারিম ও দ্বীন শিক্ষা দিত। একদিন তার পড়ানোর সময় দাদা তন্দ্রা যান। সে দাদাকে ঘুমন্ত ভেবে ছেলেদের সামনে দুনিয়ার মাহাত্ম্য নিয়ে আলোচনা করে। দাদা তন্দ্রা থেকে উঠে তাকে ডেকে বলেন, 'বেটা, তুমি আমার পুত্রদের সামনে দুনিয়ার মাহাত্ম্য নিয়ে আলোচনা করে তাদের মনে শয়তানের মিনার তৈরি করে দিয়েছ। সুতরাং তুমি এখন তাদেরকে আল্লাহর সিফাত ও তাঁর জিকির শিখিয়ে ওই মিনার ভেঙে দাও।'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00