📄 নবিজির আন্তরিক অসিয়ত
সাহর ইবনু হাওশাব রহিমাহুল্লাহু বর্ণনা করেন, ইসা আলাইহিস সালাম বলেন-
■ তোমরা এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়াকে প্রভু হিসেবে গ্রহণ করো না। অন্যথায় সে তোমাদেরকে গোলাম বানিয়ে ছাড়বে。
■ তোমাদের অর্থ-কড়ি এমন ব্যক্তির কাছে আমানত রেখো, যে তা বিনষ্ট করবে না。
■ মনে রেখো, দুনিয়ার কারও কাছে অর্থ-কড়ি জমা রাখলে, তা লোপাট হওয়ার আশঙ্কা থাকে; কিন্তু মহান রবের কাছে গচ্ছিত রাখলে, তা সুরক্ষিত থাকে এবং নিশ্চিত প্রবৃদ্ধি লাভ করে। [৭৬]
টিকাঃ
[৭৬] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৯। আল-ইতহাফ: ৮/৮২।
📄 সংক্ষিপ্ত দুটি নাসিহা
একবার কয়েকজন ভদ্রলোক আলি ইবনু তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে অনুরোধ করে বললেন-
'আমিরুল মুমিনিন, আপনি আমাদেরকে দুনিয়ার ব্যাপারে উপদেশ দিন।'
'সংক্ষিপ্তাকারে? নাকি বিশদভাবে?
'সংক্ষিপ্তাকারে।'
'দুনিয়ার বৈধ উপকরণ গ্রহণ করলে, কিয়ামতের দিন হিসাব দিতে হবে। আর অবৈধ উপকরণ গ্রহণ করলে, জাহান্নামে দগ্ধ হতে হবে।[৭৭]
টিকাঃ
[৭৭] কানযুল উম্মাল: ৮৫৬৬।
📄 দুনিয়া ও আখিরাত দুই সতিনের মতো
ওয়াহহাব ইবনু মুনাব্বিহ রহিমাহুল্লাহু দুনিয়ার ব্যাপারে বলেন- দুনিয়া আর আখিরাত দুই সতীনের মতো। তাদের একজন যে-পরিমাণ খুশি হবে; অপর জন ঠিক সে-পরিমাণ কষ্ট পাবে।[৭৮]
টিকাঃ
[৭৮] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৪।
📄 দুনিয়া তাদেরকে দিয়ে দাও
ইবনু উয়াইনাহ রহিমাহুল্লাহু বর্ণনা করেন, ইসা ইবনু মারয়াম আলাইহিমাস সালাম বলেন-
দুনিয়ায় তোমাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে শাসক ও নারী। তবে শাসকদের চেয়ে নারীরা বেশি বিপজ্জনক। কারণ, শাসকদেরকে দুনিয়া নিয়ে মেতে থাকতে দিলে তারা তোমাদের বিরোধিতা করবে না। কোনো ক্ষতিও করবে না। কিন্তু নারীদেরকে সামর্থ্যের সবটুকু দিলেও তারা তোমাদের বিচ্যুতির কারণ হতে পারে। কাজেই সালাত ও সিয়ামের মাধ্যমে তাদের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।[৭৯]
টিকাঃ
[৭৯] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৭। আল ইতহাফ: ৮/৮২।