📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 যুহদের নিগূঢ় অর্থ

📄 যুহদের নিগূঢ় অর্থ


[৮৮] হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন- প্রয়োজন পরিমাণ দুনিয়া অর্জন করা দুনিয়াপ্রীতি নয়। তবে প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও দুনিয়া অর্জন না করার নাম হলো- 'যুহুদ বা দুনিয়াবিমুখতা।' যে বান্দা মরীচিকাময় দুনিয়ায় কোনো কিছু পেলে খুশি হয়, তার হৃদয় থেকে আখিরাতের চিন্তা দূর হয়ে যায়। ধীরে ধীরে সে ভ্রষ্টতার দিকে ধাবিত হয়।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 সর্বোত্তম যুহদ

📄 সর্বোত্তম যুহদ


[৮৯] আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক রহিমাহুল্লাহু বলেন- সর্বোত্তম যুহুদ হলো, দুনিয়া ত্যাগের বিষয়টি সবার কাছ থেকে গোপন রাখা। (কারণ, এটা প্রকাশ পেয়ে গেলে অন্তরে অহংকার ও লৌকিকতার অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে।)

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 যুহদের প্রকার

📄 যুহদের প্রকার


ইবরাহিম ইবনু আদহাম রহিমাহুল্লাহু বলেন, যুহুদ বা দুনিয়াবিমুখতা তিন প্রকার—
এক. ফরজ যুহুদ—অর্থাৎ, হারাম থেকে বেঁচে থাকা। দুই. নফল যুহুদ—অর্থাৎ, আয়েশি হালাল উপকরণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকা। তিন. প্রশংসনীয় যুহুদ—অর্থাৎ, সন্দেহপূর্ণ বিষয়াবলি থেকে বেঁচে থাকা।[৫১]

টিকাঃ
[৫১] বাহজাতুল মাজালিস: ২/৩০৩।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 যুহদ কাকে বলে?

📄 যুহদ কাকে বলে?


আহমাদ ইবনু আবিল হাওয়ারি রহিমাহুল্লাহু বলেন—
একবার আমি সুফিয়ান ইবনু উয়াইনাহ রহিমাহুল্লাহুকে জিজ্ঞেস করি, ‘আচ্ছা, হজরত! যুহুদ বা দুনিয়াবিমুখতা কাকে বলে?’ উত্তরে তিনি বলেন, ‘সুখের সময়ে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা আর দুঃখের সময়ে ধৈর্যধারণ করা।’ আমি আবার জানতে চাই, ‘কারও যদি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের উপযুক্ত কোনো নিয়ামত না থাকে এবং ধৈর্যধারণের মতো বিশেষ দুঃখও থাকে—তবে ওই ব্যক্তি কীভাবে প্রকৃত যাহিদ হবে?’ উত্তরে তিনি বলেন—‘সে আখিরাত নিয়ে চিন্তা করবে। এটাই তার ‘যুহুদ’।’[৫২]

টিকাঃ
[৫২] হিলইয়াতুল আওলিয়া: ৭/২৭৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00