📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া সুখের জায়গা নয়

📄 দুনিয়া সুখের জায়গা নয়


আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া হলো ক্ষণস্থুর

📄 দুনিয়া হলো ক্ষণস্থুর


মুহাম্মাদ ইবনু আনাস রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার একটি কাফেলা 'আবরাকুল আযযাফ' নামক স্থান অতিক্রম করছিল। তখন তারা একটি অদৃশ্য আওয়াজ শুনতে পায়। তাদেরকে বলা হয়-
وَإِنَّ امْرَءًا دُنْيَاهُ أَكْبَرُ هَمِّهِ ... لَمُسْتَمْسِكُ مِنْهَا بِحَبْلِ غُرُورٍ
'দুনিয়াকে লক্ষ্য মেনে রইছে মানুষ অনেক দূরে পড়ছে গলায় ধোঁকার রশি বাঁধছে বাসা ক্ষণপুরে'।[৩৪]

টিকাঃ
[৩৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৮। বাহজাতুল মাজালিস: ৩/২৯৫।

মুহাম্মাদ ইবনু আনাস রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার একটি কাফেলা 'আবরাকুল আযযাফ' নামক স্থান অতিক্রম করছিল। তখন তারা একটি অদৃশ্য আওয়াজ শুনতে পায়। তাদেরকে বলা হয়-
وَإِنَّ امْرَءًا دُنْيَاهُ أَكْبَرُ هَمِّهِ ... لَمُسْتَمْسِكُ مِنْهَا بِحَبْلِ غُرُورٍ
'দুনিয়াকে লক্ষ্য মেনে রইছে মানুষ অনেক দূরে পড়ছে গলায় ধোঁকার রশি বাঁধছে বাসা ক্ষণপুরে'।[৩৪]

টিকাঃ
[৩৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৮। বাহজাতুল মাজালিস: ৩/২৯৫।

মুহাম্মাদ ইবনু আনাস রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার একটি কাফেলা 'আবরাকুল আযযাফ' নামক স্থান অতিক্রম করছিল। তখন তারা একটি অদৃশ্য আওয়াজ শুনতে পায়। তাদেরকে বলা হয়-
وَإِنَّ امْرَءًا دُنْيَاهُ أَكْبَرُ هَمِّهِ ... لَمُسْتَمْسِكُ مِنْهَا بِحَبْلِ غُرُورٍ
'দুনিয়াকে লক্ষ্য মেনে রইছে মানুষ অনেক দূরে পড়ছে গলায় ধোঁকার রশি বাঁধছে বাসা ক্ষণপুরে'।[৩৪]

টিকাঃ
[৩৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৮। বাহজাতুল মাজালিস: ৩/২৯৫।

মুহাম্মাদ ইবনু আনাস রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার একটি কাফেলা 'আবরাকুল আযযাফ' নামক স্থান অতিক্রম করছিল। তখন তারা একটি অদৃশ্য আওয়াজ শুনতে পায়। তাদেরকে বলা হয়-
وَإِنَّ امْرَءًا دُنْيَاهُ أَكْبَرُ هَمِّهِ ... لَمُسْتَمْسِكُ مِنْهَا بِحَبْلِ غُرُورٍ
'দুনিয়াকে লক্ষ্য মেনে রইছে মানুষ অনেক দূরে পড়ছে গলায় ধোঁকার রশি বাঁধছে বাসা ক্ষণপুরে'।[৩৪]

টিকাঃ
[৩৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৮। বাহজাতুল মাজালিস: ৩/২৯৫।

মুহাম্মাদ ইবনু আনাস রহিমাহুল্লাহু বলেন, একবার একটি কাফেলা 'আবরাকুল আযযাফ' নামক স্থান অতিক্রম করছিল। তখন তারা একটি অদৃশ্য আওয়াজ শুনতে পায়। তাদেরকে বলা হয়-
وَإِنَّ امْرَءًا دُنْيَاهُ أَكْبَرُ هَمِّهِ ... لَمُسْتَمْسِكُ مِنْهَا بِحَبْلِ غُرُورٍ
'দুনিয়াকে লক্ষ্য মেনে রইছে মানুষ অনেক দূরে পড়ছে গলায় ধোঁকার রশি বাঁধছে বাসা ক্ষণপুরে'।[৩৪]

টিকাঃ
[৩৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৮। বাহজাতুল মাজালিস: ৩/২৯৫।

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া হলো পানির মতো

📄 দুনিয়া হলো পানির মতো


হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমার নিকট একথা পৌঁছেছে যে, নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরام রাদিয়াল্লাহু আনহুমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন-
إِنَّمَا مَثَلُ الدُّنْيَا كَمَثَلِ الْمَاشِي فِي الْمَاءِ، هَلْ يَسْتَطِيعُ الَّذِي يَمْشِي فِي الْمَاءِ أَلَّا تَبْتَلَّ قَدَمَاهُ؟ .
'দুনিয়া হলো পানির মতো। পানিতে নেমে কেউ কি পা না ভিজিয়ে থাকতে পারে?'[৩৫]

টিকাঃ
[৩৫] কানযুল উম্মাল: ১/২০১। মুনকাতি, মুরসাল।

হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমার নিকট একথা পৌঁছেছে যে, নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরام রাদিয়াল্লাহু আনহুমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন-
إِنَّمَا مَثَلُ الدُّنْيَا كَمَثَلِ الْمَاشِي فِي الْمَاءِ، هَلْ يَسْتَطِيعُ الَّذِي يَمْشِي فِي الْمَاءِ أَلَّا تَبْتَلَّ قَدَمَاهُ؟ .
'দুনিয়া হলো পানির মতো। পানিতে নেমে কেউ কি পা না ভিজিয়ে থাকতে পারে?'[৩৫]

টিকাঃ
[৩৫] কানযুল উম্মাল: ১/২০১। মুনকাতি, মুরসাল।

হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমার নিকট একথা পৌঁছেছে যে, নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরام রাদিয়াল্লাহু আনহুমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন-
إِنَّمَا مَثَلُ الدُّنْيَا كَمَثَلِ الْمَاشِي فِي الْمَاءِ، هَلْ يَسْتَطِيعُ الَّذِي يَمْشِي فِي الْمَاءِ أَلَّا تَبْتَلَّ قَدَمَاهُ؟ .
'দুনিয়া হলো পানির মতো। পানিতে নেমে কেউ কি পা না ভিজিয়ে থাকতে পারে?'[৩৫]

টিকাঃ
[৩৫] কানযুল উম্মাল: ১/২০১। মুনকাতি, মুরসাল।

হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমার নিকট একথা পৌঁছেছে যে, নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরام রাদিয়াল্লাহু আনহুমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন-
إِنَّمَا مَثَلُ الدُّنْيَا كَمَثَلِ الْمَاشِي فِي الْمَاءِ، هَلْ يَسْتَطِيعُ الَّذِي يَمْشِي فِي الْمَاءِ أَلَّا تَبْتَلَّ قَدَمَاهُ؟ .
'দুনিয়া হলো পানির মতো। পানিতে নেমে কেউ কি পা না ভিজিয়ে থাকতে পারে?'[৩৫]

টিকাঃ
[৩৫] কানযুল উম্মাল: ১/২০১। মুনকাতি, মুরসাল।

হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহু বলেন, আমার নিকট একথা পৌঁছেছে যে, নবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরام রাদিয়াল্লাহু আনহুমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন-
إِنَّمَا مَثَلُ الدُّنْيَا كَمَثَلِ الْمَاشِي فِي الْمَاءِ، هَلْ يَسْتَطِيعُ الَّذِي يَمْشِي فِي الْمَاءِ أَلَّا تَبْتَلَّ قَدَمَاهُ؟ .
'দুনিয়া হলো পানির মতো। পানিতে নেমে কেউ কি পা না ভিজিয়ে থাকতে পারে?'[৩৫]

টিকাঃ
[৩৫] কানযুল উম্মাল: ১/২০১। মুনকাতি, মুরসাল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00