📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 নূহ আলাইহিস সালামের দৃষ্টিতে দুনিয়ার দৃষ্টান্ত

📄 নূহ আলাইহিস সালামের দৃষ্টিতে দুনিয়ার দৃষ্টান্ত


আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া ও আল্লাহর কথোপকথন

📄 দুনিয়া ও আল্লাহর কথোপকথন


আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া যেন বিষাক্ত সাপ

📄 দুনিয়া যেন বিষাক্ত সাপ


আওন ইবনু মা'মার রহিমাহুল্লাহু বলেন, জনৈক আলিম পত্র মারফত উমর ইবনু আবদুল আজিজ রহিমাহুল্লাহুকে জানান যে-
'দুনিয়া একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। মানুষ এখানে চিরদিন থাকতে পারে না। খালি হাতে আসে; আবার খালি হাতে ফিরে যায়। আমাদের আদি পিতা আদম আলাইহিস সালামকে এখানে পাঠানো হয়েছিল শাস্তিস্বরূপ। কিন্তু মানুষ এটা বুঝতে চায় না। এই জীবনের পরেও যে, একটা জীবন আছে এবং সেই জীবনে পুরস্কার ও শাস্তির ব্যবস্থা আছে মানুষ সেটা মানতে চায় না। তাই দুনিয়ার প্রাপ্তিকেই তারা মহান আল্লাহর দেওয়া মহাপুরস্কার মনে করে। অনুরূপ দুনিয়ার কষ্ট ও শাস্তিকেই তারা চূড়ান্ত শাস্তি মনে করে।
মনে রাখবেন, দুনিয়া সাপের মতো। গায়ে হাত দিলে কোমল ও শীতল মনে হয়। ভেতরে অন্যরকম শিহরণ জাগে। কিন্তু ছোবল দিলে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়। দুনিয়ার এই ছোবল থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে অসুস্থ ব্যক্তির মতো সাবধান থাকতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যেমন চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলে। যাচ্ছে তাই করতে পারে না। আপনাকেও ঠিক তাই করতে হবে। আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। যাচ্ছে তাই করা যাবে না।
আরেকটা ব্যাপার, দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে নিজেকে শেষ করে দেবেন না। এপারের সামান্য সুখ-দুঃখকে চূড়ান্ত মনে করবেন না। মহান রব আপনার জন্য ওপারে অনেক সুখের ব্যবস্থা রেখেছেন। তাই ওপারের সুখের জন্য এপারের সুখ বিসর্জন দিন।'

আওন ইবনু মা'মার রহিমাহুল্লাহু বলেন, জনৈক আলিম পত্র মারফত উমর ইবনু আবদুল আজিজ রহিমাহুল্লাহুকে জানান যে-
'দুনিয়া একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। মানুষ এখানে চিরদিন থাকতে পারে না। খালি হাতে আসে; আবার খালি হাতে ফিরে যায়। আমাদের আদি পিতা আদম আলাইহিস সালামকে এখানে পাঠানো হয়েছিল শাস্তিস্বরূপ। কিন্তু মানুষ এটা বুঝতে চায় না। এই জীবনের পরেও যে, একটা জীবন আছে এবং সেই জীবনে পুরস্কার ও শাস্তির ব্যবস্থা আছে মানুষ সেটা মানতে চায় না। তাই দুনিয়ার প্রাপ্তিকেই তারা মহান আল্লাহর দেওয়া মহাপুরস্কার মনে করে। অনুরূপ দুনিয়ার কষ্ট ও শাস্তিকেই তারা চূড়ান্ত শাস্তি মনে করে।
মনে রাখবেন, দুনিয়া সাপের মতো। গায়ে হাত দিলে কোমল ও শীতল মনে হয়। ভেতরে অন্যরকম শিহরণ জাগে। কিন্তু ছোবল দিলে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়। দুনিয়ার এই ছোবল থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে অসুস্থ ব্যক্তির মতো সাবধান থাকতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যেমন চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলে। যাচ্ছে তাই করতে পারে না। আপনাকেও ঠিক তাই করতে হবে। আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। যাচ্ছে তাই করা যাবে না।
আরেকটা ব্যাপার, দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে নিজেকে শেষ করে দেবেন না। এপারের সামান্য সুখ-দুঃখকে চূড়ান্ত মনে করবেন না। মহান রব আপনার জন্য ওপারে অনেক সুখের ব্যবস্থা রেখেছেন। তাই ওপারের সুখের জন্য এপারের সুখ বিসর্জন দিন।'

আওন ইবনু মা'মার রহিমাহুল্লাহু বলেন, জনৈক আলিম পত্র মারফত উমর ইবনু আবদুল আজিজ রহিমাহুল্লাহুকে জানান যে-
'দুনিয়া একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। মানুষ এখানে চিরদিন থাকতে পারে না। খালি হাতে আসে; আবার খালি হাতে ফিরে যায়। আমাদের আদি পিতা আদম আলাইহিস সালামকে এখানে পাঠানো হয়েছিল শাস্তিস্বরূপ। কিন্তু মানুষ এটা বুঝতে চায় না। এই জীবনের পরেও যে, একটা জীবন আছে এবং সেই জীবনে পুরস্কার ও শাস্তির ব্যবস্থা আছে মানুষ সেটা মানতে চায় না। তাই দুনিয়ার প্রাপ্তিকেই তারা মহান আল্লাহর দেওয়া মহাপুরস্কার মনে করে। অনুরূপ দুনিয়ার কষ্ট ও শাস্তিকেই তারা চূড়ান্ত শাস্তি মনে করে।
মনে রাখবেন, দুনিয়া সাপের মতো। গায়ে হাত দিলে কোমল ও শীতল মনে হয়। ভেতরে অন্যরকম শিহরণ জাগে। কিন্তু ছোবল দিলে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়। দুনিয়ার এই ছোবল থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে অসুস্থ ব্যক্তির মতো সাবধান থাকতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যেমন চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলে। যাচ্ছে তাই করতে পারে না। আপনাকেও ঠিক তাই করতে হবে। আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। যাচ্ছে তাই করা যাবে না।
আরেকটা ব্যাপার, দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে নিজেকে শেষ করে দেবেন না। এপারের সামান্য সুখ-দুঃখকে চূড়ান্ত মনে করবেন না। মহান রব আপনার জন্য ওপারে অনেক সুখের ব্যবস্থা রেখেছেন। তাই ওপারের সুখের জন্য এপারের সুখ বিসর্জন দিন।'

আওন ইবনু মা'মার রহিমাহুল্লাহু বলেন, জনৈক আলিম পত্র মারফত উমর ইবনু আবদুল আজিজ রহিমাহুল্লাহুকে জানান যে-
'দুনিয়া একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। মানুষ এখানে চিরদিন থাকতে পারে না। খালি হাতে আসে; আবার খালি হাতে ফিরে যায়। আমাদের আদি পিতা আদম আলাইহিস সালামকে এখানে পাঠানো হয়েছিল শাস্তিস্বরূপ। কিন্তু মানুষ এটা বুঝতে চায় না। এই জীবনের পরেও যে, একটা জীবন আছে এবং সেই জীবনে পুরস্কার ও শাস্তির ব্যবস্থা আছে মানুষ সেটা মানতে চায় না। তাই দুনিয়ার প্রাপ্তিকেই তারা মহান আল্লাহর দেওয়া মহাপুরস্কার মনে করে। অনুরূপ দুনিয়ার কষ্ট ও শাস্তিকেই তারা চূড়ান্ত শাস্তি মনে করে।
মনে রাখবেন, দুনিয়া সাপের মতো। গায়ে হাত দিলে কোমল ও শীতল মনে হয়। ভেতরে অন্যরকম শিহরণ জাগে। কিন্তু ছোবল দিলে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়। দুনিয়ার এই ছোবল থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে অসুস্থ ব্যক্তির মতো সাবধান থাকতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যেমন চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলে। যাচ্ছে তাই করতে পারে না। আপনাকেও ঠিক তাই করতে হবে। আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। যাচ্ছে তাই করা যাবে না।
আরেকটা ব্যাপার, দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে নিজেকে শেষ করে দেবেন না। এপারের সামান্য সুখ-দুঃখকে চূড়ান্ত মনে করবেন না। মহান রব আপনার জন্য ওপারে অনেক সুখের ব্যবস্থা রেখেছেন। তাই ওপারের সুখের জন্য এপারের সুখ বিসর্জন দিন।'

আওন ইবনু মা'মার রহিমাহুল্লাহু বলেন, জনৈক আলিম পত্র মারফত উমর ইবনু আবদুল আজিজ রহিমাহুল্লাহুকে জানান যে-
'দুনিয়া একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। মানুষ এখানে চিরদিন থাকতে পারে না। খালি হাতে আসে; আবার খালি হাতে ফিরে যায়। আমাদের আদি পিতা আদম আলাইহিস সালামকে এখানে পাঠানো হয়েছিল শাস্তিস্বরূপ। কিন্তু মানুষ এটা বুঝতে চায় না। এই জীবনের পরেও যে, একটা জীবন আছে এবং সেই জীবনে পুরস্কার ও শাস্তির ব্যবস্থা আছে মানুষ সেটা মানতে চায় না। তাই দুনিয়ার প্রাপ্তিকেই তারা মহান আল্লাহর দেওয়া মহাপুরস্কার মনে করে। অনুরূপ দুনিয়ার কষ্ট ও শাস্তিকেই তারা চূড়ান্ত শাস্তি মনে করে।
মনে রাখবেন, দুনিয়া সাপের মতো। গায়ে হাত দিলে কোমল ও শীতল মনে হয়। ভেতরে অন্যরকম শিহরণ জাগে। কিন্তু ছোবল দিলে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়। দুনিয়ার এই ছোবল থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে অসুস্থ ব্যক্তির মতো সাবধান থাকতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যেমন চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলে। যাচ্ছে তাই করতে পারে না। আপনাকেও ঠিক তাই করতে হবে। আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। যাচ্ছে তাই করা যাবে না।
আরেকটা ব্যাপার, দুনিয়ার ধোঁকায় পড়ে নিজেকে শেষ করে দেবেন না। এপারের সামান্য সুখ-দুঃখকে চূড়ান্ত মনে করবেন না। মহান রব আপনার জন্য ওপারে অনেক সুখের ব্যবস্থা রেখেছেন। তাই ওপারের সুখের জন্য এপারের সুখ বিসর্জন দিন।'

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া সুখের জায়গা নয়

📄 দুনিয়া সুখের জায়গা নয়


আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে ছিলাম। তিনি কবুতরের বাসার মতো ছোট একটি ঘরে খেজুর-পাতার পাটি বিছিয়ে শুয়ে ছিলেন। তাঁর কোমল দেহে শক্ত পাটির দাগ বসে গিয়েছিল। আমি সেই দগদগে দাগে আলতো করে হাত বুলাচ্ছিলাম আর কাঁদছিলাম। তিনি আমার কান্নার শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন-
يَا عَبْدَ اللَّهِ مَا يُبْكِيكَ .
'আবদুল্লাহ, তুমি কাঁদছ কেন?'
আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল, আপনার এই দুরবস্থা দেখে আমার শুধু কায়সার-কিসরার কথা মনে পড়ছে। তারা রেশমের ও মখমলের দামি বিছানায় শয়ন করে। আর আপনি সামান্য খেজুর পাতার চাটাইয়ে শুয়ে আরাম করেন! আপনি কি লক্ষ করেছেন, আপনার গায়ে চাটাইয়ের দাগ পড়ে গেছে। উত্তরে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-
أَمَا تَرْضَى أَنْ تَكُونَ لَهُمُ الدُّنْيَا وَلَنَا الْآخِرَةُ؟ مَا أَنَا وَالدُّنْيَا إِلَّا كَمَثَلِ رَجُلٍ مَرَّ فِي يَوْمٍ صَائِفٍ فَاسْتَظَلَّ تَحْتَ شَجَرَةٍ، فَلَمَّا أَبْرَدَ ارْتَحَلَ، فَذَهَب .
'কেঁদো না। তুমি কি এটা জেনে প্রীত হবে না যে, দুনিয়ার সুখ তাদের জন্য; আর আখিরাতের সুখ একান্তই আমাদের জন্য? 'আমার এবং দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হলো ওই পথিকের মতো, যে গ্রীষ্মের ভরদুপুরে গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়। এরপর গরমের তীব্রতা কমে এলে গাছটিকে পেছনে ফেলে সামনে চলে যায়."[৩৩]

টিকাঃ
[৩৩] মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১০/৩২৬। সনদ সহিহ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00