📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া যেন সরাইখানা

📄 দুনিয়া যেন সরাইখানা


যাবের রহিমাহুল্লাহু বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু আলি রহিমাহুল্লাহু একবার আমাকে ডেকে বলেন-
‘যাবের! আমি খুব অস্বস্তি বোধ করছি।’
‘কিন্তু কেন?’
‘আমার মনে হয়, স্বচ্ছ হৃদয়ে যখন নির্মল দ্বীনের প্রবেশ ঘটে, তখন সেখানে দুনিয়ার মায়া-মোহ বলতে কিছু থাকে না। বরং দুনিয়ার মায়া-মোহ তখন একেবারেই মেকি মনে হয়। কারণ, বাস্তবে দুনিয়া নিতান্তই তুচ্ছ।
যাবের! দুনিয়া মূলত আরোহণের বাহনের মতো—একটু পরেই তোমাকে গন্তব্যে নামিয়ে দিয়ে চলে যাবে। কিংবা পরিধানের কাপড়ের মতো—একটু পরেই তুমি তা খুলে ফেলবে। কিংবা ফুলশয্যায় শায়িত নারীর মতো—একটু পরে যে তোমার বিরক্তি উৎপাদন করবে।
যাবের! তুমি সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করবে। দুনিয়ার চিন্তা মনে ঠাঁই দেবে না। আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবে। কারণ, যারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা, দুনিয়া তাদেরকে ধোঁকা দিতে পারে না। দুনিয়ার চাকচিক্য তাদের হৃদয়কে আপ্লুত করতে পারে না। মনে রেখো, দুনিয়া একটি সরাইখানার মতো—যেখানে মুসাফির ও পথচারীরা কিছুক্ষণ জিরিয়ে নেয়। এরপর আবার যাত্রা শুরু করে। কেউ সেখানে চিরকাল থাকে না। তাই তুমিও দুনিয়ায় চিরকাল থাকার কথা ভেবো না। নিজের প্রতি খেয়াল রেখো। আল্লাহ তোমাকে যেভাবে হিফাজত করছেন, তুমিও ঠিক সেভাবে তাঁর দ্বীনকে হিফাজত করো।’

যাবের রহিমাহুল্লাহু বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু আলি রহিমাহুল্লাহু একবার আমাকে ডেকে বলেন-
‘যাবের! আমি খুব অস্বস্তি বোধ করছি।’
‘কিন্তু কেন?’
‘আমার মনে হয়, স্বচ্ছ হৃদয়ে যখন নির্মল দ্বীনের প্রবেশ ঘটে, তখন সেখানে দুনিয়ার মায়া-মোহ বলতে কিছু থাকে না। বরং দুনিয়ার মায়া-মোহ তখন একেবারেই মেকি মনে হয়। কারণ, বাস্তবে দুনিয়া নিতান্তই তুচ্ছ।
যাবের! দুনিয়া মূলত আরোহণের বাহনের মতো—একটু পরেই তোমাকে গন্তব্যে নামিয়ে দিয়ে চলে যাবে। কিংবা পরিধানের কাপড়ের মতো—একটু পরেই তুমি তা খুলে ফেলবে। কিংবা ফুলশয্যায় শায়িত নারীর মতো—একটু পরে যে তোমার বিরক্তি উৎপাদন করবে।
যাবের! তুমি সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করবে। দুনিয়ার চিন্তা মনে ঠাঁই দেবে না। আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবে। কারণ, যারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা, দুনিয়া তাদেরকে ধোঁকা দিতে পারে না। দুনিয়ার চাকচিক্য তাদের হৃদয়কে আপ্লুত করতে পারে না। মনে রেখো, দুনিয়া একটি সরাইখানার মতো—যেখানে মুসাফির ও পথচারীরা কিছুক্ষণ জিরিয়ে নেয়। এরপর আবার যাত্রা শুরু করে। কেউ সেখানে চিরকাল থাকে না। তাই তুমিও দুনিয়ায় চিরকাল থাকার কথা ভেবো না। নিজের প্রতি খেয়াল রেখো। আল্লাহ তোমাকে যেভাবে হিফাজত করছেন, তুমিও ঠিক সেভাবে তাঁর দ্বীনকে হিফাজত করো।’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া ঘুমন্ত ব্যক্তির স্বপ্নের মতো

📄 দুনিয়া ঘুমন্ত ব্যক্তির স্বপ্নের মতো


হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহ বলেন—
‘দুনিয়াটা ঘুমের মতো। ঘুমন্ত ব্যক্তি যেমন ঘুমের ঘোরে হাজারো স্বপ্ন দেখে; কিন্তু ঘুম থেকে উঠলে সেগুলোর কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায় না—দুনিয়াও ঠিক তেমনি। এখানে মানুষ হাজারো স্বপ্ন দেখে; কিন্তু মৃত্যুর ফেরেশতা আসা মাত্রই মনে হয়, স্বপ্নগুলো অধরাই রয়ে গেছে। তখন স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়েই কবরে যেতে হয়।’

হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহ বলেন—
‘দুনিয়াটা ঘুমের মতো। ঘুমন্ত ব্যক্তি যেমন ঘুমের ঘোরে হাজারো স্বপ্ন দেখে; কিন্তু ঘুম থেকে উঠলে সেগুলোর কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায় না—দুনিয়াও ঠিক তেমনি। এখানে মানুষ হাজারো স্বপ্ন দেখে; কিন্তু মৃত্যুর ফেরেশতা আসা মাত্রই মনে হয়, স্বপ্নগুলো অধরাই রয়ে গেছে। তখন স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়েই কবরে যেতে হয়।’

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 নূহ আলাইহিস সালামের দৃষ্টিতে দুনিয়ার দৃষ্টান্ত

📄 নূহ আলাইহিস সালামের দৃষ্টিতে দুনিয়ার দৃষ্টান্ত


আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার আজরাইল আলাইহিস সালাম নুহ আলাইহিস সালামের কাছে গিয়ে বলেন, ‘হে আল্লাহর নবি, আপনি তো দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন। এই দীর্ঘ জীবনে দুনিয়া সম্পর্কে কী অভিজ্ঞতা অর্জন করলেন?
উত্তরে নুহ আলাইহিস সালাম বলেন—
الدُّنْيَا كَرَجُلٍ دَخَلَ بَيْتًا لَهُ بَابَانِ، فَقَامَ فِي وَسَطِ الْبَيْتِ هُنَيَّةً، ثُمَّ خَرَجَ مِنَ الْبَابِ الْآخَرِ .
'দুনিয়া দুই দরোজা বিশিষ্ট ছোট্ট একটি ঘরের মতো-যার এক দরোজা দিয়ে ঢুকে অপর দরোজা দিয়ে বের হতে হয়।'

📘 সালাফদের চোখে দুনিয়া > 📄 দুনিয়া ও আল্লাহর কথোপকথন

📄 দুনিয়া ও আল্লাহর কথোপকথন


আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-
দুনিয়া মূলত আসমান-জমিনের মাঝে ঝুলন্ত একটি নষ্ট মশকের মতো। সে সৃষ্টির শুরুলগ্ন থেকে ধ্বংসের শেষ লগ্ন পর্যন্ত মহান আল্লাহকে ডেকে বলতে থাকবে, 'হে আমার রব, আপনি কেন আমাকে এতটা ঘৃণা করেন? আপনি কেন আমাকে এতটা নিকৃষ্ট বানিয়েছেন?' তারা প্রতিটি ডাকের উত্তরে আল্লাহ বলেন, 'খামোশ, তুই এতটাই তুচ্ছ যে, আমার সঙ্গে কথা বলার যোগ্যতাও তোর নেই। [৩২]

টিকাঃ
[৩২] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৮। (আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00