📄 দুনিয়া একটোক পানি মাত্র
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।
📄 দুনিয়া অভদ্র ও ঝগড়াটে
আবু সুলাইমান রহিমাহুল্লাহু বলেন—
কোনো মানুষের অন্তরে আখিরাত জায়গা করে নিলে, দুনিয়া সঙ্গে সঙ্গে ঝগড়া শুরু করে দেয়। অপরদিকে দুনিয়া কারও অন্তরে এসে বাসা বাঁধলে আখিরাত নীরবে দূরে সরে যায়। কারণ, আখিরাত ভদ্র। আর দুনিয়া অভদ্র ও ঝগড়াটে। [৭]
টিকাঃ
[৭] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৪। সাফওয়াতুস সাফওয়াহ: ৪/২২৫।
আবু সুলাইমান রহিমাহুল্লাহু বলেন—
কোনো মানুষের অন্তরে আখিরাত জায়গা করে নিলে, দুনিয়া সঙ্গে সঙ্গে ঝগড়া শুরু করে দেয়। অপরদিকে দুনিয়া কারও অন্তরে এসে বাসা বাঁধলে আখিরাত নীরবে দূরে সরে যায়। কারণ, আখিরাত ভদ্র। আর দুনিয়া অভদ্র ও ঝগড়াটে। [৭]
টিকাঃ
[৭] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৪। সাফওয়াতুস সাফওয়াহ: ৪/২২৫।
আবু সুলাইমান রহিমাহুল্লাহু বলেন—
কোনো মানুষের অন্তরে আখিরাত জায়গা করে নিলে, দুনিয়া সঙ্গে সঙ্গে ঝগড়া শুরু করে দেয়। অপরদিকে দুনিয়া কারও অন্তরে এসে বাসা বাঁধলে আখিরাত নীরবে দূরে সরে যায়। কারণ, আখিরাত ভদ্র। আর দুনিয়া অভদ্র ও ঝগড়াটে। [৭]
টিকাঃ
[৭] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৪। সাফওয়াতুস সাফওয়াহ: ৪/২২৫।
📄 দুনিয়া ঘৃণার পাত্র
মুসা ইবনু ইয়াসার রহিমাহুল্লাহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِنَّ اللَّهَ جَلَّ ثَنَاؤُهُ لَمْ يَخْلُقُ خَلْقًا هُوَ أَبْغَضُ إِلَيْهِ مِنَ الدُّنْيَا، وَإِنَّهُ مُنْذُ خَلَقَهَا لَمْ يَنْظُرُ إِلَيْهَا
‘মহান আল্লাহ যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন, তন্মধ্যে দুনিয়াই তার কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। একারণে সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত তিনি দুনিয়ার প্রতি দৃষ্টিপাত করেননি। [৮]
টিকাঃ
[৮] জামিউস সাগির: ১৭৮০। যয়িফ। মুরসাল। কেউ কেউ মাওযু (বানোয়াট) বলেছেন।
মুসা ইবনু ইয়াসার রহিমাহুল্লাহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِنَّ اللَّهَ جَلَّ ثَنَاؤُهُ لَمْ يَخْلُقُ خَلْقًا هُوَ أَبْغَضُ إِلَيْهِ مِنَ الدُّنْيَا، وَإِنَّهُ مُنْذُ خَلَقَهَا لَمْ يَنْظُرُ إِلَيْهَا
‘মহান আল্লাহ যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন, তন্মধ্যে দুনিয়াই তার কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। একারণে সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত তিনি দুনিয়ার প্রতি দৃষ্টিপাত করেননি। [৮]
টিকাঃ
[৮] জামিউস সাগির: ১৭৮০। যয়িফ। মুরসাল। কেউ কেউ মাওযু (বানোয়াট) বলেছেন।
মুসা ইবনু ইয়াসার রহিমাহুল্লাহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِنَّ اللَّهَ جَلَّ ثَنَاؤُهُ لَمْ يَخْلُقُ خَلْقًا هُوَ أَبْغَضُ إِلَيْهِ مِنَ الدُّنْيَا، وَإِنَّهُ مُنْذُ خَلَقَهَا لَمْ يَنْظُرُ إِلَيْهَا
‘মহান আল্লাহ যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন, তন্মধ্যে দুনিয়াই তার কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। একারণে সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত তিনি দুনিয়ার প্রতি দৃষ্টিপাত করেননি। [৮]
টিকাঃ
[৮] জামিউস সাগির: ১৭৮০। যয়িফ। মুরসাল। কেউ কেউ মাওযু (বানোয়াট) বলেছেন।
📄 দুনিয়া ছলনাময়ী
আবু জা’ফর রহিমাহুল্লাহু বলেন—
একবার জনৈক জ্ঞানী এক বাদশাহকে বলেন, মহামান্য বাদশা! দুনিয়ার অর্থ-সম্পদ ও বিত্ত-বৈভব যাকে যত বেশি দেওয়া হয়েছে, দুনিয়া তার কাছে তত বেশি নিন্দাযোগ্য। কারণ, দুনিয়া এমন লোকের মানসিক স্বস্তি ও আত্মিক প্রশান্তি কেড়ে নেয়। তখন সে ভয় করে, আকস্মিক কোনো দুর্ঘটনায় তার ধনসম্পদ বিনষ্ট হয়ে যায় কিনা! কেউ এসে তার সুখ-সম্ভার কেড়ে নেয় কিনা! কোনো ছদ্মবেশী প্রিয় ভাজন কুক্ষিগত ক্ষমতায় ভাগ বসায় কিনা! তার নিটোল দেহে সহসাই রোগের প্রকোপ দেখা দেয় কিনা—এসব দুঃশ্চিন্তা তাকে প্রতিনিয়ত কুরে কুরে খায়। সুতরাং দুনিয়া তার কাছেই সবচেয়ে বেশি নিন্দাযোগ্য হওয়া উচিত।
দুনিয়ার চরিত্র ভালো নয়। সে ধরা দিয়ে, আবার পালিয়ে যায়। কাছে টেনে, আবার দূরে ঠেলে দেয়। আশা জাগিয়ে আবার হতাশায় ফেলে দেয়。
মানুষকে সম্পদ কিংবা ভালোবাসা দেওয়া তার স্বভাব নয়। সে একবার কাউকে হাসালে; পরক্ষণেই তাকে হাসির পাত্র বানায়। একবার কারও জন্য মায়াকান্না কাঁদালে; শতবার তাকে চোখের জলে ভাসায়। সকালে কাউকে প্রাচুর্য দিলে; বিকেলেই তাকে ভিখারি বানায়। রাতে কারও মাথায় রাজকীয় মুকুট পরিয়ে দিলে সকালেই তার মানসম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেয়。
দুনিয়া সব সময় স্বার্থপর। কারও জন্ম বা মৃত্যুতে তার কিছু আসে যায় না। এমনকি তার মধ্যে কোনো ভাবান্তরও ঘটে না। কারণ, মৃত্যুর মাধ্যমে যারা তার থেকে দূরে সরে যায়, সে অনায়াসেই তাদের উত্তম বিকল্প পেয়ে যায় এবং এই বিকল্প পেয়েই সে আহ্লাদিত থাকে。
দুনিয়ার বুকে দুঃখ বলতে কিছুই নেই। কারণ, সবাই তাকে ভালোবাসে। তার জন্য সাধনা করে। এ যাবৎ কতজন যে তার জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। কিন্তু এত কিছুর পরও কেউ কখনো দুনিয়ার ভালোবাসা পায়নি。
দুনিয়া বড় কঠিন। বড় নির্দয়। বড় ছলনাময়ী। সে তার রূপ-লাবণ্য দিয়ে সবাইকে নিজের আঁচল-তলে টেনে নেয়। কিন্তু সে কারও বাহুবন্ধনে আবদ্ধ হয় না। তাকে ভালোবেসে প্রতি মুহূর্তে হাজারো মানুষ আত্নহত্যা করে! কিন্তু সেদিকে তার কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই। এটাই হলো এই স্বার্থপর দুনিয়ার অবস্থা।[৯]
টিকাঃ
[৯] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২১৭।