📄 দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী মুসাফিরখানা
হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'তোমরা এখন এমন ঘরে বসবাস করছ, যে ঘর তার মালিকের জন্য খুবই বেমানান। কারণ, এ ঘরটি তোমাদের পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এ ঘর ধ্বংস করে ফেলা হবে। এই অমোঘ সত্যটি আল্লাহ তোমাদের জানিয়েও দিয়েছেন। কাজেই দুনিয়ার পরীক্ষায় তোমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে। দুনিয়ার জীবন পরিচালনার জন্য মহান আল্লাহ যে আদেশ-নিষেধ করেছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।
মনে রাখবে, মহান আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ থাকার আদেশ করেছেন। কোথাও দুনিয়ার প্রতি অনুরাগী হতে বলেননি। যারা আল্লাহর খাঁটি বান্দা, তারা অনুধাবন করতে পারেন যে, দুনিয়া সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর বিশেষ একটি উদ্দেশ্য আছে। আর তা হলো আমলের মাধ্যমে আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ ও পাথেয় সংগ্রহ। বান্দার আমলের ওপর ভিত্তি করেই আল্লাহ তাআলা জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ফায়সালা করবেন। যারা জান্নাতে যাবে, তারা অনেক সুখে থাকবে। আর যারা জাহান্নামে যাবে, তাদের দুঃখের কোনো সীমা থাকবে না। তারা চিরকাল জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে।
দুনিয়া হলো 'দারুল আমাল' বা আখিরাতের সওদা খরিদ করার উন্মুক্ত বাজার। এখান থেকেই আখিরাতের বাজার করে নিতে হবে। যারা দুনিয়ার ব্যাপারে নির্মোহ থাকে, তারাই ভাগ্যবান। আর যারা দুনিয়ার মোহে পড়ে, তারাই হতভাগা।
শুনে রাখো, দুনিয়ার জীবন ক্ষয়ের। আখিরাতের জীবন চিরকালের। কাজেই দুনিয়ার সামান্য সুখের জন্য আখিরাতের অনন্তকালের সুখকে বিসর্জন দিয়ো না।'
হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'তোমরা এখন এমন ঘরে বসবাস করছ, যে ঘর তার মালিকের জন্য খুবই বেমানান। কারণ, এ ঘরটি তোমাদের পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এ ঘর ধ্বংস করে ফেলা হবে। এই অমোঘ সত্যটি আল্লাহ তোমাদের জানিয়েও দিয়েছেন। কাজেই দুনিয়ার পরীক্ষায় তোমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে। দুনিয়ার জীবন পরিচালনার জন্য মহান আল্লাহ যে আদেশ-নিষেধ করেছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।
মনে রাখবে, মহান আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ থাকার আদেশ করেছেন। কোথাও দুনিয়ার প্রতি অনুরাগী হতে বলেননি। যারা আল্লাহর খাঁটি বান্দা, তারা অনুধাবন করতে পারেন যে, দুনিয়া সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর বিশেষ একটি উদ্দেশ্য আছে। আর তা হলো আমলের মাধ্যমে আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ ও পাথেয় সংগ্রহ। বান্দার আমলের ওপর ভিত্তি করেই আল্লাহ তাআলা জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ফায়সালা করবেন। যারা জান্নাতে যাবে, তারা অনেক সুখে থাকবে। আর যারা জাহান্নামে যাবে, তাদের দুঃখের কোনো সীমা থাকবে না। তারা চিরকাল জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে।
দুনিয়া হলো 'দারুল আমাল' বা আখিরাতের সওদা খরিদ করার উন্মুক্ত বাজার। এখান থেকেই আখিরাতের বাজার করে নিতে হবে। যারা দুনিয়ার ব্যাপারে নির্মোহ থাকে, তারাই ভাগ্যবান। আর যারা দুনিয়ার মোহে পড়ে, তারাই হতভাগা।
শুনে রাখো, দুনিয়ার জীবন ক্ষয়ের। আখিরাতের জীবন চিরকালের। কাজেই দুনিয়ার সামান্য সুখের জন্য আখিরাতের অনন্তকালের সুখকে বিসর্জন দিয়ো না।'
হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'তোমরা এখন এমন ঘরে বসবাস করছ, যে ঘর তার মালিকের জন্য খুবই বেমানান। কারণ, এ ঘরটি তোমাদের পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এ ঘর ধ্বংস করে ফেলা হবে। এই অমোঘ সত্যটি আল্লাহ তোমাদের জানিয়েও দিয়েছেন। কাজেই দুনিয়ার পরীক্ষায় তোমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে। দুনিয়ার জীবন পরিচালনার জন্য মহান আল্লাহ যে আদেশ-নিষেধ করেছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।
মনে রাখবে, মহান আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ থাকার আদেশ করেছেন। কোথাও দুনিয়ার প্রতি অনুরাগী হতে বলেননি। যারা আল্লাহর খাঁটি বান্দা, তারা অনুধাবন করতে পারেন যে, দুনিয়া সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর বিশেষ একটি উদ্দেশ্য আছে। আর তা হলো আমলের মাধ্যমে আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ ও পাথেয় সংগ্রহ। বান্দার আমলের ওপর ভিত্তি করেই আল্লাহ তাআলা জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ফায়সালা করবেন। যারা জান্নাতে যাবে, তারা অনেক সুখে থাকবে। আর যারা জাহান্নামে যাবে, তাদের দুঃখের কোনো সীমা থাকবে না। তারা চিরকাল জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে।
দুনিয়া হলো 'দারুল আমাল' বা আখিরাতের সওদা খরিদ করার উন্মুক্ত বাজার। এখান থেকেই আখিরাতের বাজার করে নিতে হবে। যারা দুনিয়ার ব্যাপারে নির্মোহ থাকে, তারাই ভাগ্যবান। আর যারা দুনিয়ার মোহে পড়ে, তারাই হতভাগা।
শুনে রাখো, দুনিয়ার জীবন ক্ষয়ের। আখিরাতের জীবন চিরকালের। কাজেই দুনিয়ার সামান্য সুখের জন্য আখিরাতের অনন্তকালের সুখকে বিসর্জন দিয়ো না।'
হাসান বসরি রহিমাহুল্লাহ বলেন-
'তোমরা এখন এমন ঘরে বসবাস করছ, যে ঘর তার মালিকের জন্য খুবই বেমানান। কারণ, এ ঘরটি তোমাদের পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এ ঘর ধ্বংস করে ফেলা হবে। এই অমোঘ সত্যটি আল্লাহ তোমাদের জানিয়েও দিয়েছেন। কাজেই দুনিয়ার পরীক্ষায় তোমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে। দুনিয়ার জীবন পরিচালনার জন্য মহান আল্লাহ যে আদেশ-নিষেধ করেছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।
মনে রাখবে, মহান আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ থাকার আদেশ করেছেন। কোথাও দুনিয়ার প্রতি অনুরাগী হতে বলেননি। যারা আল্লাহর খাঁটি বান্দা, তারা অনুধাবন করতে পারেন যে, দুনিয়া সৃষ্টির পেছনে আল্লাহর বিশেষ একটি উদ্দেশ্য আছে। আর তা হলো আমলের মাধ্যমে আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ ও পাথেয় সংগ্রহ। বান্দার আমলের ওপর ভিত্তি করেই আল্লাহ তাআলা জান্নাত কিংবা জাহান্নামের ফায়সালা করবেন। যারা জান্নাতে যাবে, তারা অনেক সুখে থাকবে। আর যারা জাহান্নামে যাবে, তাদের দুঃখের কোনো সীমা থাকবে না। তারা চিরকাল জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে।
দুনিয়া হলো 'দারুল আমাল' বা আখিরাতের সওদা খরিদ করার উন্মুক্ত বাজার। এখান থেকেই আখিরাতের বাজার করে নিতে হবে। যারা দুনিয়ার ব্যাপারে নির্মোহ থাকে, তারাই ভাগ্যবান। আর যারা দুনিয়ার মোহে পড়ে, তারাই হতভাগা।
শুনে রাখো, দুনিয়ার জীবন ক্ষয়ের। আখিরাতের জীবন চিরকালের। কাজেই দুনিয়ার সামান্য সুখের জন্য আখিরাতের অনন্তকালের সুখকে বিসর্জন দিয়ো না।'
📄 দুনিয়ার মুখে দুনিয়ার পরিচয়
ফুদাইল ইবনু ইয়াজ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
একবার জনৈক ব্যক্তি কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক বৃদ্ধার সঙ্গে তার দেখা হয়। বৃদ্ধা আপাদমস্তক দামি অলংকার সুন্দর পোশাকে আচ্ছাদিত ছিল। পথচারীরা পেছন থেকে দেখে চোখ ফেরাতে পারছিল না। বারবার তার দিকে ফিরে ফিরে তাকাচ্ছিল। কিন্তু সামনে আসতেই তাদের আশা ভঙ্গ হচ্ছিল। কারণ, পেছন থেকে তাকে যতটা আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল, সামনে থেকে ঠিক ততটাই কদাকার দেখাচ্ছিল। কারণ, বৃদ্ধার চোখ দুটি ছিল যেমন বড়, তেমন নীল。
পথচারী লোকটি বৃদ্ধার এই দ্বৈত রূপ দেখে বলল, 'আমি তোমার বিষয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।' বৃদ্ধা বলল, 'যতদিন তুমি টাকা-পয়সাকে নিকৃষ্ট না জানবে, ততদিন তুমি আমার হাত থেকে মুক্তি পাবে না।' লোকটি জিজ্ঞাসা করল, 'হে বৃদ্ধা, তুমি কে?' বৃদ্ধা বলল, 'আমি-ই রঙিন দুনিয়া'।[৩]
টিকাঃ
[৩] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৯।
ফুদাইল ইবনু ইয়াজ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
একবার জনৈক ব্যক্তি কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক বৃদ্ধার সঙ্গে তার দেখা হয়। বৃদ্ধা আপাদমস্তক দামি অলংকার সুন্দর পোশাকে আচ্ছাদিত ছিল। পথচারীরা পেছন থেকে দেখে চোখ ফেরাতে পারছিল না। বারবার তার দিকে ফিরে ফিরে তাকাচ্ছিল। কিন্তু সামনে আসতেই তাদের আশা ভঙ্গ হচ্ছিল। কারণ, পেছন থেকে তাকে যতটা আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল, সামনে থেকে ঠিক ততটাই কদাকার দেখাচ্ছিল। কারণ, বৃদ্ধার চোখ দুটি ছিল যেমন বড়, তেমন নীল。
পথচারী লোকটি বৃদ্ধার এই দ্বৈত রূপ দেখে বলল, 'আমি তোমার বিষয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।' বৃদ্ধা বলল, 'যতদিন তুমি টাকা-পয়সাকে নিকৃষ্ট না জানবে, ততদিন তুমি আমার হাত থেকে মুক্তি পাবে না।' লোকটি জিজ্ঞাসা করল, 'হে বৃদ্ধা, তুমি কে?' বৃদ্ধা বলল, 'আমি-ই রঙিন দুনিয়া'।[৩]
টিকাঃ
[৩] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৯।
ফুদাইল ইবনু ইয়াজ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
একবার জনৈক ব্যক্তি কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক বৃদ্ধার সঙ্গে তার দেখা হয়। বৃদ্ধা আপাদমস্তক দামি অলংকার সুন্দর পোশাকে আচ্ছাদিত ছিল। পথচারীরা পেছন থেকে দেখে চোখ ফেরাতে পারছিল না। বারবার তার দিকে ফিরে ফিরে তাকাচ্ছিল। কিন্তু সামনে আসতেই তাদের আশা ভঙ্গ হচ্ছিল। কারণ, পেছন থেকে তাকে যতটা আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল, সামনে থেকে ঠিক ততটাই কদাকার দেখাচ্ছিল। কারণ, বৃদ্ধার চোখ দুটি ছিল যেমন বড়, তেমন নীল。
পথচারী লোকটি বৃদ্ধার এই দ্বৈত রূপ দেখে বলল, 'আমি তোমার বিষয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।' বৃদ্ধা বলল, 'যতদিন তুমি টাকা-পয়সাকে নিকৃষ্ট না জানবে, ততদিন তুমি আমার হাত থেকে মুক্তি পাবে না।' লোকটি জিজ্ঞাসা করল, 'হে বৃদ্ধা, তুমি কে?' বৃদ্ধা বলল, 'আমি-ই রঙিন দুনিয়া'।[৩]
টিকাঃ
[৩] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৯।
ফুদাইল ইবনু ইয়াজ রহিমাহুল্লাহু বলেন-
একবার জনৈক ব্যক্তি কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে এক বৃদ্ধার সঙ্গে তার দেখা হয়। বৃদ্ধা আপাদমস্তক দামি অলংকার সুন্দর পোশাকে আচ্ছাদিত ছিল। পথচারীরা পেছন থেকে দেখে চোখ ফেরাতে পারছিল না। বারবার তার দিকে ফিরে ফিরে তাকাচ্ছিল। কিন্তু সামনে আসতেই তাদের আশা ভঙ্গ হচ্ছিল। কারণ, পেছন থেকে তাকে যতটা আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল, সামনে থেকে ঠিক ততটাই কদাকার দেখাচ্ছিল। কারণ, বৃদ্ধার চোখ দুটি ছিল যেমন বড়, তেমন নীল。
পথচারী লোকটি বৃদ্ধার এই দ্বৈত রূপ দেখে বলল, 'আমি তোমার বিষয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।' বৃদ্ধা বলল, 'যতদিন তুমি টাকা-পয়সাকে নিকৃষ্ট না জানবে, ততদিন তুমি আমার হাত থেকে মুক্তি পাবে না।' লোকটি জিজ্ঞাসা করল, 'হে বৃদ্ধা, তুমি কে?' বৃদ্ধা বলল, 'আমি-ই রঙিন দুনিয়া'।[৩]
টিকাঃ
[৩] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৯।
📄 দুনিয়া জাদুকর
মালেক ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, দুনিয়া বড়ই আজব জাদুকর। তোমরা এই জাদুকর থেকে দূরে থাকো—অনেক দূরে। দুনিয়া নামক জাদুকরের জাদু অনেক সাংঘাতিক। এই জাদু আলিমদের হৃদয়কেও বশীভূত করে ফেলে।[৪]
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِحْذَرُوا الدُّنْيَا؛ فَإِنَّهَا أَسْحَرُ مِنْ هَارُوتَ وَمَارُوتَ
'তোমরা দুনিয়া থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, দুনিয়া 'হারুত-মারুত'-এর চেয়েও বড় জাদুকর।[৫]
টিকাঃ
[৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৩।
[৫] কানযুল উম্মাল: ৩/১৮৩। হাদিস মুনকার।
মালেক ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, দুনিয়া বড়ই আজব জাদুকর। তোমরা এই জাদুকর থেকে দূরে থাকো—অনেক দূরে। দুনিয়া নামক জাদুকরের জাদু অনেক সাংঘাতিক। এই জাদু আলিমদের হৃদয়কেও বশীভূত করে ফেলে।[৪]
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِحْذَرُوا الدُّنْيَا؛ فَإِنَّهَا أَسْحَرُ مِنْ هَارُوتَ وَمَارُوتَ
'তোমরা দুনিয়া থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, দুনিয়া 'হারুত-মারুত'-এর চেয়েও বড় জাদুকর।[৫]
টিকাঃ
[৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৩।
[৫] কানযুল উম্মাল: ৩/১৮৩। হাদিস মুনকার।
মালেক ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, দুনিয়া বড়ই আজব জাদুকর। তোমরা এই জাদুকর থেকে দূরে থাকো—অনেক দূরে। দুনিয়া নামক জাদুকরের জাদু অনেক সাংঘাতিক। এই জাদু আলিমদের হৃদয়কেও বশীভূত করে ফেলে।[৪]
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِحْذَرُوا الدُّنْيَا؛ فَإِنَّهَا أَسْحَرُ مِنْ هَارُوتَ وَمَارُوتَ
'তোমরা দুনিয়া থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, দুনিয়া 'হারুত-মারুত'-এর চেয়েও বড় জাদুকর।[৫]
টিকাঃ
[৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৩।
[৫] কানযুল উম্মাল: ৩/১৮৩। হাদিস মুনকার।
মালেক ইবনু দিনার রহিমাহুল্লাহু বলেন, দুনিয়া বড়ই আজব জাদুকর। তোমরা এই জাদুকর থেকে দূরে থাকো—অনেক দূরে। দুনিয়া নামক জাদুকরের জাদু অনেক সাংঘাতিক। এই জাদু আলিমদের হৃদয়কেও বশীভূত করে ফেলে।[৪]
আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—
إِحْذَرُوا الدُّنْيَا؛ فَإِنَّهَا أَسْحَرُ مِنْ هَارُوتَ وَمَارُوتَ
'তোমরা দুনিয়া থেকে বেঁচে থাকো। কারণ, দুনিয়া 'হারুত-মারুত'-এর চেয়েও বড় জাদুকর।[৫]
টিকাঃ
[৪] ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন: ৩/২২৩।
[৫] কানযুল উম্মাল: ৩/১৮৩। হাদিস মুনকার।
📄 দুনিয়া একটোক পানি মাত্র
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।
আবদুল ওয়াহিদ রহিমাহুল্লাহু বলেন—
দুনিয়া কী? দুনিয়া তো বেশি কিছু না। প্রচণ্ড তৃষ্ণার সময় মানুষ মাত্র এক ঢোক পানির বিনিময়ে পুরো দুনিয়া বিক্রি করে দিতে চাইবে।
মুসতাওরিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন—
وَاللهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ مَا يَرْجِعُ إِلَيْهِ
‘বিশাল সমুদ্রে আঙুল চুবিয়ে উঠালে তাতে যতটুকু পানি লেগে থাকে, আখিরাতের তুলনায় দুনিয়া ঠিক ততটুকু। সুতরাং তোমরা দুনিয়ার প্রাপ্তি যথাযথভাবে বিচার করো। [৬]
টিকাঃ
[৬] সহিহ মুসলিম: ২৮৫৮।