📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ 📄 যাদু: অবৈধ আসক্তিকরণ (মোহাসক্তি, পরকীয়া, পর্ণ আসক্তি, হস্তমৈথুন ইত্যাদি)

📄 যাদু: অবৈধ আসক্তিকরণ (মোহাসক্তি, পরকীয়া, পর্ণ আসক্তি, হস্তমৈথুন ইত্যাদি)


আমাদের সমাজে এমন মানুষের নজিরও পাওয়া যায়, যারা শত্রুতা বা হিংসার বশবর্তী হয়ে কারণে অকারণে নির্দিষ্ট পুরুষ বা নারীকে মানুষ বা সমাজের চোখে হেও প্রতিপন্ন করার মানসে এমন জঘন্যতম নিকৃষ্ট পন্থা অবলম্বন করে থাকে।
এই ধরনের যাদুর প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
এই ধরনের যাদুতে মাদকাসক্তি, পরকীয়া, পর্ণআসক্তি, হস্তমৈথুনসহ ভয়ঙ্কর সব বদাভ্যাসের প্রতি আসক্ত করা হয়। যিনি আক্রান্ত হন হয়ত এই বদাভ্যাস আগে থেকে একটু আধটু তার মধ্যে ছিল। যাদুকর এই সুযোগটিই কাজে লাগায়। সে শুধু এই এহেন দুষ্কর্ম ও ব্যক্তির মাঝে আসক্তি বা প্রেম লাগিয়ে দেয় ব্যস। এতে তার কাছে এহেন কুৎসিত কু-অভ্যাস অত্যন্ত ভালোবাসায় পরিণত হয়ে যায়। তখন তার হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে যায়। এমনকি এই কঠিন ভয়ানক গুনাহর কাজের মধ্যে সে শান্তি অনুভব করে। অত্যাধিক আসক্তির কারণ সে ব্যক্তি নিজেই বুঝতে পারে না। কখনো যদি সে এই বদকর্মে বাধা প্রাপ্ত হয়, তখন সে দিশেহারা হয়ে যায়, এবং সে ততক্ষণপর্যন্ত স্বস্তি অনুভব করে না যতক্ষণ-না সে উক্ত পাপকাজে লিপ্ত হতে পারে। ফলশ্রুতিতে তার দ্বীন, ঈমান, স্বাস্থ্যের, যে অবনতি ঘটে সেটা তো সে ভূক্ষেপই করে না। অনেক সময় এই ধরনের রোগীর করুণ মৃত্যুও ঘটে।
এইসব যাদুর ধরণ এরকম হয়ে থাকে-
> হঠাৎ মাদকাসক্ত হয়ে পড়া। অত্যন্ত পরকীয়ায় আসক্তি। অত্যাধিক পর্ন দেখা বা হস্তমৈথুনের বদাভ্যাস। এবং কোন নেশাদ্রব্য বা বস্তুর প্রতি অত্যাধিক আসক্তি।
এ ধরনের রোগীর শারীরিক কিছু লক্ষণ হলো-
-চোখের নিচে কালচে দাগ পড়া।
-শরীর ভেঙ্গে যাওয়া।
-সর্বদা বুক ধড়ফর করা।
-নির্দিষ্ট আসক্তি ছাড়া কোন কিছু ভালো না লাগা।
-কোন কাজে কর্মে মন না বসা।
-অধিকাংশ সময় মাথা চক্রাকারে ঘুরতে থাকে এমন অনুভব হওয়া।
এই যাদু থেকে বেঁচে থাকার উপায়
এই যাদু থেকে বেঁচে থাকতে হলে- প্রথমে অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকতে হবে। এরপর পাঁচ ওয়াক্ত সলাত জামাতের সাথে আদায় করতে হবে। কোন গুনাহের বদাভ্যাসে লিপ্ত হওয়া যাবে না, লিপ্ত থাকলে তাওবা করতে হবে। কোন না মাহরাম নারীর প্রতি দৃষ্টি দেয়া যাবে না। একাকী থাকলে কোন দ্বীনী কাজ বা যিকর করতে হবে। অসৎ বন্ধুবান্ধব থেকে দূরে থাকতে হবে। মনে কুচিন্তা জাগলে ইসতেগফার পড়তে হবে। পরকালে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতার ভয় মনে জাগ্রত রাখতে হবে।
এই রোগীর ক্ষেত্রে প্রথমে সিহরের কমন রুকইয়াহ'র আয়াত পাঠ করতে হবে।

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ 📄 রক্ত স্রাবের যাদু

📄 রক্ত স্রাবের যাদু


এই ধরনের যাদু দ্বারা শুধু মাত্র নারীরাই আক্রান্ত হয়। যেসব নারীকে স্রাব প্রবাহিত করিয়ে যাদু করা হয়, যাদুকর সে নারীর শরীরে জিন প্রেরণ করে, সেই জিন তখন তার রগে রগে চলতে থাকে। হাদীসঃ নাবি সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "শয়তান আদম সন্তানের ভেতরে রক্ত প্রবাহের ন্যায় প্রবাহিত হয়,। জিন যখন নারীর জরায়ুর বিশেষ রগ পর্যন্ত পৌছে যায় তখন সেটাকে আঘাত করে; যার ফলে সেই রগ থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে, নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামনা বিনতে জাহাশের ইস্তেহাজা বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, "এটাতো রগের রক্ত হায়েজ নয়,। হাদিসের উভয় বর্ণনা দ্বারা বুঝা যায় ইস্তেহাজা তখনই হয়ে থাকে যখন শয়তান নারীর জরায়ুর রগগুলোর কোন একটিতে আঘাত হানে। আল্লামা ইবনে আসীর রহিমাহুল্লাহ বলেন, "ইস্তেহাযা বলা হয় ঋতু স্রাবের নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সময়ে রক্ত প্রবাহিত হলে,。
এই রোগের চিকিৎসা
[চিকিৎসা ১৪] এই রোগের রোগী কেবল নারীরাই হয়ে থাকে। তারা প্রতিদিন সকাল-সন্ধায় নিম্নোক্ত রুকইয়াহর তিলাওয়াত শুনবে। মাহরাম কেউ থাকলে সরাসরি বা অডিও শুনবে।
রক্তস্রাবের যাদুর রুকইয়াহ'র আয়াত
আল ইসরা
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةً لِلْمُؤْمِنِينَ وَلَا يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إِلَّا خَسَارًا
অর্থ: ৮২) আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।
بِسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ عَيْنِ حَاسِدٍ اللَّهُ يَشْفِيكَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ
দুয়া অর্থ: পরম করুণাময় আল্লাহ্ নামে রুকইয়াহ করছি, আপনার কাছে সমস্ত মন্দ জিনিষের খারাবি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি! এবং হিংসাত্বক নযর থেকে আশ্রয় চাচ্ছি! হে আল্লাহ্ শিফা দান করুন পরম করুণাময় আল্লাহ্র নামে রুকইয়াহ করছি! শেষ পর্যন্ত পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়ে সেই পানি অন্তত তিনদিন পান করবে ও তা দ্বারা গোছল করবে এরপরও যদি রক্ত প্রবাহ বন্ধ না হয় তবে “লিকুল্লি নাবিয়্যিন মুস্তাক্কর, এই আয়াতটিকে পরিচ্ছন্ন কালির মাধ্যমে লিখে পানিতে গুলিয়ে রোগী দুই অথবা তিন সপ্তাহ পান করবে ইনশাআল্লাহ্ রোগী নাজাত পেয়ে যাবে।
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ রহিমাহুল্লাহ বৈধ কালিদ্বারা কুরআনের লিখিত আয়াতকে পানিতে মিশিয়ে সে পানি পান করা ও তা দ্বারা গোছল করার বিষয়ে স্বীয় তাফসীর গ্রন্থে জায়েজ বলেছেন।

টিকাঃ
[১০৫] নিহায়া খণ্ড ১/পৃষ্ঠা ৪৭৯
[১০৬] ফতোয়া ইবনে তাইমিয়‍্যাহ ১৯/৬৪

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ 📄 যাদু, বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হওয়া

📄 যাদু, বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হওয়া


বন্ধ্যত্ব মূলত দুই প্রকার: এক) সৃষ্টিগত ভাবে। দুই) যাদুর মাধ্যমে।
প্রথম প্রকারটি তাকদিরের ফায়সালা। সেটার বিষয়ে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ কিছু করতে পারবে না। তবে দ্বিতীয়টির চিকিৎসা সম্ভব।
এই যাদু যেভাবে করা হয়
বশকৃত জিন নারীর জরায়ুর ভেতরে প্রবেশ করে তার যেই ডিম্বাণু রয়েছে তা নষ্ট করে দেয়, যার ফলে আর বাচ্চা কনসেপ্ট হয় না। অথবা কখনো সে জিন ডিম্বাণুতে কিছু করে না যাতে করে জরায়ুতে বাচ্চা ধরে; কিন্তু গর্ভধারনের কিছু দিন পরে শয়তান তার জরায়ুর রগে আঘাত করে, যার ফলে স্রাব নির্গত হওয়া শুরু হয়, এবং গর্ভপাত হয়ে যায়। বারবার গর্ভপাত অধিকাংশ জিনের কারণে হয়ে থাকে। আর এজাতীয় অবস্থার বহু রোগীর কথা আমাদের জানা রয়েছে। হাদীসে আছে- নিশ্চয়ই শয়তান আদম সন্তানের মধ্যে রক্তের ন্যায় চলাচল করে।
যাদু দ্বারা বন্ধাত্বের কিছু লক্ষণ
• ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা।
• ভীতিজনক স্বপ্নে দেখা।
• মানষিক অস্বস্তি অনুভব করা।
• মেরুদণ্ডের নিচে ব্যথা করা।
• মতিভ্রম হওয়া।
এই যাদুর চিকিৎসা
[চিকিৎসা ১৫] উল্লেখিত আয়াতগুলোর অডিও রেকর্ড রোগী প্রতিদিন তিনবার শুনবে।
সূরা সফফাত সকালে পড়বে অথবা শুনবে।
সূরা মাআরিজ রাতে পড়বে অথবা শুনবে।
সূরা ফাতেহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা বাকারার শেষ রুকু, সূরা আলে ইমরানের শেষ রুকু,
সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস, কালোজিরা তেলে পড়ে, ফুঁক দিয়ে সেই তেল রোগী তার কপালে বুকে ও মেরুদণ্ডে শোয়ার আগে মালিশ করবে, এবং এই আয়াতগুলোই খাঁটি মধুতে ফুঁক দিয়ে প্রতিদিন এক চা চামচ খালি পেটে খাবে। এই আমল অন্তত তিন মাস পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে। ইনশাআল্লাহ্ সফল হবে।

টিকাঃ
[১০৭] সহিহুল বুখারী ৪/২৮২ সহিহুল মুসলিম ১৪/১১৫

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ 📄 যাদু দ্বারা যৌন ক্ষমতা নষ্ট করা

📄 যাদু দ্বারা যৌন ক্ষমতা নষ্ট করা


যাদুর দায়িত্বে নিয়োজিত শয়তান পুরুষের মস্তিষ্কে প্রভাব বিস্তার করে। যা মানুষের কেন্দ্রবিন্দু ও যৌন চাহিদা নিয়ন্ত্রণকারী। আর অন্য সব অংগ ভালো থাকে। আর যখন পুরুশ তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে চায়; তখন শয়তান পুরুষের মস্তিষ্ককে প্রভাবিত করে যৌন শক্তিকে দুর্বল করে ফেলে। যার ফলে রক্ত সঞ্চালক ক্রিয়া থেমে যায়। আর যৌনাঙ্গের রক্ত ফিরে যায়। ফলে পুরুষাঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যায়। আবার কখনো এমনো হয় যে, যখন একজন পুরুষের দুজন স্ত্রী থাকে। তখন সে তার মধ্যে একজনের সাথে তো মিলিত হতে পারে; কিন্তু অন্যজনের সাথে মিলনে ব্যর্থ হয়। এটা এজন্য যে হয়ত তাদের মধ্যে কোন স্ত্রী এই যাদু কর্মের মূল হোতা। আর যাদুর নিয়োজিত শয়তান একজনের থেকে দূরে রাখার জন্যে সে যখন ঐ স্ত্রীর নিকট যায়, তখন তার যৌন উত্তেজনার কেন্দ্র নষ্ট করে দেয়। যদি কাউকে যাদু করে যৌন ক্ষমতা নষ্ট করা হয়, তবে তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আর যদি অন্য কোন প্রবলেমের কারণে নষ্ট হয়ে থাকে তাহলে সেটা অভিজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে চিকিৎসা করাতে হবে।
রুকইয়াহ দ্বারা যৌন রোগের চিকিৎসা
[চিকিৎসা ১৬] যাদু দ্বারা যৌন ক্ষমতা লোপ পাওয়ার অনেক প্রকারের চিকিৎসা রয়েছে আমরা শুধু এখানে ছয়টি পদ্ধতি উল্লেখ করবো।
{পদ্ধতি নং ১} হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহ বলেন, আমি যাফর মুস্তাগফিরির কিতাবে ঝাড়ফুঁকের পদ্ধতি অধ্যয়ন করেছি যে, যাফর মুস্তাগফিরি বলেন, আমি নাসুহ বিন ওয়াসেলের হাতে (কুতাইবা ইবনে আহমদ বুখারীর ব্যাখ্যার একাংশে) পেলাম যে, “কাতাদাহ সাইদ ইবনে মুসাইয়িয়বের নিকট জিজ্ঞেস করলেন, কোন পুরুষ যদি তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে ব্যর্থ হওয়ার রোগে আক্রান্ত হয়, তবে কি তার জন্য রুকইয়ার চিকিৎসা বৈধ?
তিনি বললেন, “ঝাড়ফুকের উদ্দেশ্য তো সুস্থ্য করা তাই এতে কোন সমস্যা নেই। শরিয়তে মানব কল্যানে কোন কার্যকর বিষয় নিষেধ নেই। নাসুহ বলেন যে, হাম্মাদ শাকির আমাকে চিকিৎসার পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে বলেন কিন্তু আমি বলতে পারিনি।
এরপর তিনি আমাকে বললেন, যখন এমন ব্যক্তি যে, স্ত্রী সহবাস ব্যতীত অন্য সকল কাজই করতে পারে, এমন রোগী কিছু জালানী বা লাকড়ী একত্রিত করে তাতে আগুন লাগিয়ে দিবে, এবং সেই আগুনের মাঝখানে একটি কুড়াল রেখে দিবে আর যখন কুড়াল গরম হয়ে যাবে তখন সেটাকে বের করে তাতে পেসাব করে দিবে। ইনশাআল্লাহ্ এতে সে আরোগ্য লাভ করবে।
{পদ্ধতি নং ২} রোগীর কানের কাছে উচ্চস্বরে এগুলো পাঠ করবে- সূরা ফাতেহা ৭০ বার আয়াতুল কুরসী ৭০ বার সূরা নাস ও ফালাক্ক একই ভাবে সাত দিন পাঠ করতে হবে। ইনশাআল্লাহ্ যাদু নিষ্ক্রিয় হয়ে রোগী সুস্থ্য হয়ে যাবে।
{পদ্ধতি নং ৩} একটি পরিষ্কার পাত্রে পরিচ্ছন্ন কালি দিয়ে সূরা ইউনুসের ৮১- ৮২ নং আয়াত লিখে সেই পাত্রে কালোজিরার তেল ঢেলে নেড়েচেড়ে পান করবে এবং কপালে ও বুকে মালিশ করবে। ইনশাআল্লাহ্ যাদু বিনষ্ট ও নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে এবং রোগী আরোগ্য লাভ করবে।
কুরআনের আয়াত ও হাদিসে বর্ণিত জিকরসমূহ লিখে পানিতে গুলিয়ে তা রোগীকে পান করানো জায়েজ।
{পদ্ধতি নং ৪} একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে সূরা ফালাক্ক ও সূরা নাস এবং بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ اللَّه يَشْفِيكَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ দোয়াটি সাতবার পড়ে তাতে ফুঁক দিবে এবং এই পানি রোগী পরপর তিনদিন পান করবে এবং গোছল করবে তবে খেয়াল রাখতে হবে কোন অপবিত্র স্থানে গোছল করা যাবে না। ইনশাআল্লাহ্ যাদু নষ্ট হয়ে যাবে এবং রোগী সুস্থ্য হয়ে যাবে।
{পদ্ধতি নং ৫} সাতটি সবুজ কচি বড়ই পাতা পিষে পানিতে গুলিয়ে মিক্স করে- > আয়াতুল কুরসি সাতবার > সূরা ইখলাস সাতবার > সূরা ফালাক্ব সাতবার > সূরা নাছ সাতবার পড়ে সেই পানিতে ফুঁক দিয়ে রোগী পান করবে এবং গোছল করবে কয়েকদিন পর্যন্ত। এই পানিতে অন্য পানি মিশানো যাবেনা আর গরম ও করা যাবেনা। শীতকাল থাকলে রোদে গরম করা যাবে। আর গোছল পবিত্র স্থানে করতে হবে। ইনশা আল্লাহ্ প্রথম গোছলেই যাদু নষ্ট হয়ে যাবে।
{পদ্ধতি নং ৬} এই পদ্ধতি হলো- সূরা ইউনুস এর ৮১-৮২ নং আয়াত ইন্না-ল্লাহা সাইউবতিলুহ্ আয়াতাংশটি বারবার পড়বে।
সূরা আরাফ এর ১১৭-১২২ নং আয়াত সাতবার করে পাঠ করে পানিতে ফুঁক দিয়ে সেই পানি রোগী পান করবে এবং কিছুদিন গোছল করবে।

টিকাঃ
[১০৮] ফাতহুল বারী খণ্ড ১০পৃঃ২২৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية