📄 যাদুর অস্তিত্ব কুরআন থেকে প্রমাণ
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُوا الشَّيْطِينُ عَلَى مُلْكِ سُلَيْمَنَ ۚ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَنُ وَلَكِنَّ الشَّيْطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ * وَمَا أُنْزِلَ عَلَى الْمَلَكَيْنِ بِبَابِلَ هَارُوتَ وَمَارُونَ وَمَا يُعَلِّمُنِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّى يَقُولَا إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلَا تَكْفُرْ فَيَتَعَلَّمُونَ مِنْهُمَا مَا يُفَرِّقُونَ بِهِ بَيْنَ الْمَرْءِ وَزَوْجِهِ وَمَا هُمْ بِضَارِيْنَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ وَيَتَعَلَّمُونَ مَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَلَقَدْ عَلِمُوا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ، وَلَبِئْسَ مَا شَرَوْا بِهِ أَنْفُسَهُمْ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ ﴿۱۰۲﴾
তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শয়তানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফর করেনি; শয়তানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে যাদুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত। তারা উভয়ই একথা না বলে কাউকে শিক্ষা দিত না যে, আমরা পরীক্ষার জন্য; কাজেই তুমি কাফির হয়ো না। অতঃপর তারা তাদের কাছ থেকে এমন যাদু শিখত, যদ্দারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া কারও অনিষ্ট করতে পারত না। যা তাদের ক্ষতি করে এবং উপকার না করে, তারা তাই শিখে। তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ যাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্মবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত! -সূরা বাকারা: ১০২
অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, قَالَ مُوسَى أَتَقُوْلُوْنَ لِلْحَقِّ لَمَّا جَاءَكُمْ أَسِحْرُ هُذَا وَلَا يُفْلِحُ السُّحِرُوْنَ ﴿46﴾ মুসা বলল, সত্যের ব্যাপারে একথা বলছ, তা তোমাদের কাছে পৌঁছার পর? একি যাদু? অথচ যারা যাদুকর, তারা সফল হতে পারে না। -সূরা ইউনুস: ৭৭
তিনি আরো বলেন,
فَلَمَّا الْقَوْا قَالَ مُوسَى مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ ﴿۸﴾ وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ ﴿۸﴾
অতঃপর যখন তারা নিক্ষেপ করল, মুসা বলল, যা কিছু তোমরা এনেছ তা সবই যাদু-এবার আল্লাহ্ এসব ভন্ডুল করে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ দুষ্কর্মীদের কর্মকে সুষ্ঠুতা দান করেন না। আল্লাহ্ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন স্বীয় নির্দেশে যদিও পাপীদের তা মনঃপুত নয়। সূরা ইউনুস: ৮১-৮২।
তিনি অন্যত্র বলেন,
قَالَ بَلْ الْقُوْا فَإِذَا حِبَالُهُمْ وَعِصِيُّهُمْ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِنْ سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَى ﴿ মূসা বললেন: বরং তোমরাই নিক্ষেপ কর। তাদের যাদুর প্রভাবে হঠাৎ তাঁর মনে হল, যেন তাদের রশিগুলো ও লাঠিগুলো ছুটাছুটি করছে। -সূরা ত্বহা: ৬৬
তিনি আরো বলেন,
وَالْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ آتى
তোমার ডান হাতে যা আছে তুমি তা নিক্ষেপ কর। এটা যা কিছু তারা করেছে তা গ্রাস করে ফেলবে। তারা যা করেছে তা তো কেবল যাদুকরের কলাকৌশল। যাদুকর যেখানেই থাকুক, সফল হবে না।
তিনি আরো বলেন,
لَاهِيَةٌ قُلُوبُهُمْ وَأَسَرُّوا النَّجْوَى * الَّذِينَ ظَلَمُوا * هَلْ هُذَا إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ افَتَأْتُونَ السِّحْرَ وَأَنْتُمْ تُبْصِرُونَ
তাদের অন্তর থাকে খেলায় মত্ত। জালেমরা গোপনে পরামর্শ করে, সে তো তোমাদেরই মত একজন মানুষ; এমতাবস্থায় দেখে শুনে তোমরা তার যাদুর কবলে কেন পড়? -সূরা আম্বিয়া: ৩
তিনি আরো বলেন,
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِن شَرِّ النَّفَّثَتِ فِي الْعُقَدِ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ )
(১) বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
(২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
(৩) অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
(৪) গ্রন্থিতে ফুৎকার দিয়ে যাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
(৫) এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে। -সূরা ফালাক্ব: ১-৫
📄 হাদিস থেকে প্রমাণ
আয়িশাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ যুরাইক গোত্রের লাবীদ ইবনু আ'সাম নামক এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যাদু করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মনে হতো যেন তিনি একটি কাজ করেছেন, অথচ তা তিনি করেননি। একদিন বা একরাত্রি তিনি আমার কাছে ছিলেন। তিনি বার বার দু'আ করতে থাকেন। তারপর তিনি বলেনঃ হে 'আয়িশাহ! তুমি কি বুঝতে পেরেছ যে, আমি আল্লাহর কাছে যা জানতে চেয়েছিলাম, তিনি আমাকে তা জানিয়ে দিয়েছেন। স্বপ্নে দেখি) আমার নিকট দু'জন লোক আসেন। তাদের একজন আমার মাথার কাছে এবং অপরজন দু'পায়ের কাছে বসেন। একজন তাঁর সঙ্গীকে বলেনঃ এ লোকটির কী ব্যথা? তিনি বলেনঃ যাদু করা হয়েছে। প্রথম জন বলেনঃ কে যাদু করেছে? দ্বিতীয় জন বলেন, লাবীদ বিন আ'সাম। প্রথম জন জিজ্ঞেস করেনঃ কিসের মধ্যে? দ্বিতীয় জন উত্তর দেনঃ চিরুনী, মাথা আঁচড়ানোর সময় উঠা চুল এবং এক পুং খেজুর গাছের 'জুব'-এর মধ্যে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকজন সহাবী সাথে নিয়ে সেখানে যান। পরে ফিরে এসে বলেন, হে 'আয়িশাহ! সে কূপের পানি মেহদীর পানির মত লাল) এবং তার পাড়ের খেজুর গাছের মাথাগুলো শয়তানের মাথার মত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি এ কথা প্রকাশ করে দিবেন না? তিনি বললেন, আমাকে আগে আরো দান করেছেন। আমি মানুষকে এমন বিষয়ে প্ররোচিত করতে পছন্দ করি না, যাতে অকল্যাণ রয়েছে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলে সেগুলো মাটিতে ছুঁড়ে ফেলা হয়।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করলো, সে যেন যাদু বিদ্যার একটা শাখা আয়ত্ত করলো, এখন তা যত বাড়ায় বাড়ুক।
তিনি আরো বলেন, আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূল বলেন, তোমরা ধ্বংসকারী বস্তুসমূহ থেকে বিরত থাকো। সেগুলো হলো, আল্লাহর সাথে শরীক করা এবং যাদু।
টিকাঃ
[৪৮] সহীহুল বুখারী: ৫৭৭৩
عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: سَحَرَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي زُرَيْقٍ، يُقَالُ لَهُ لَبِيدُ بْنُ الْأَعْصَمِ، حَتَّى كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ أَنَّهُ كَانَ يَفْعَلُ الشَّيْءَ، وَمَا فَعَلَهُ، حَتَّى إِذَا كَانَ ذَاتَ يَوْمٍ أَوْ ذَاتَ لَيْلَةٍ وَهُوَ عِنْدِي، لَكِنَّهُ دَعَا وَدَعَا، ثُمَّ قَالَ: " يَا عَائِشَةُ، أَشَعَرْتِ أَنَّ اللَّهَ أَفْتَانِي فِيمَا اسْتَفْتَيْتُهُ فِيهِ، أَتَانِي رَجُلاَنِ، فَقَعَدَ أَحَدُهُمَا عِنْدَ رَأْسِي، وَالْآخَرُ عِنْدَ رِجْلِي، فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِصَاحِبِهِ: مَا وَجَعُ الرَّجُلِ؟ فَقَالَ: مَطْبُوبٌ، قَالَ: مَنْ طَبَّهُ؟ قَالَ: لَبِيدُ بْنُ الْأَعْصَمِ، قَالَ: فِي أَيِّ شَيْءٍ؟ قَالَ: فِي مُشْطٍ وَمُشَاطَةٍ، وَجُفِّ طَلْعِ نَخْلَةٍ ذَكَرٍ، قَالَ: وَأَيْنَ هُوَ؟ قَالَ: فِي بِئْرِ ذَرْوَانَ ". فَأَتَاهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:۱۳۷] فِي نَاسٍ مِنْ أَصْحَابِهِ، فَجَاءَ فَقَالَ: "يَا عَائِشَةُ، كَأَنَّ مَاءَهَا نُقَاعَةُ الْحِنَّاءِ، أَوْ كَأَنَّ رُءُوسَ نَخْلِهَا رُءُوسُ الشَّيَاطِينِ". قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَفَلا اسْتَخْرَجْتَهُ؟ فَقَالَ: "قَدْ عَافَانِي اللَّهُ، فَكَرِهْتُ أَنْ أُثِيرَ عَلَى النَّاسِ فِيهِ شَرًّا". فَأَمَرْتُ بِهَا فَدُفِنَتْ.
[৫] ইবনে মাজাহ: ৩৯২৬ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - " مَنِ اقْتَبَسَ عِلْمًا مِنَ النُّجُومِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِنَ السِّحْرِ، زَادَ مَا زَادَ "
[৬] বুখারী: ৫৭৬৮ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " اجْتَنِبُوا الْمُوبِقَاتِ الشِّرْكُ بِاللَّهِ، وَالسِّحْرُ "
📄 যাদুর বিধান
যাদুর সমস্ত কারবার তথা শিক্ষা করা বা শিখানো, কাউকে যাদু করা বা করানো, কিংবা যাদুর সাহায্যে উপকৃত হওয়া বা চিকিৎসা নেয়া সবই কুফরি এবং হারাম।
আর এমন কিছু যাদু রয়েছে যা শিরক। যাদুকররা যাদুতে জিন ও শয়তানদের ব্যবহার করে এবং উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তাদের নামে কুরবানী ভোগ, বা সেজদা দিয়ে থাকে যা স্পষ্ট শিরক। যাদু হলো শয়তানের শিক্ষা।
এ বিষয়ে আল্লাহ্ পবিত্র কুরআনে বলেন,
وَلَكِنَّ الشَّيْطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ
"বরং শয়তানরাই কুফরি করেছিলো তারা মানুষকে যাদু বিদ্যা শিখাতো,।"
যাদুর মধ্যে ইলমে গায়েব তথা অদৃশ্যের দাবী রয়েছে, যার অধিকার একমাত্র আল্লাহ্ তায়ালারই। আল্লাহ্ সুবহানু অতায়ালা পবিত্র কুরআনে এ প্রসঙ্গে বলেছেন,
قُلْ لَّا يَعْلَمُ مَنْ فِي السَّمُوتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلَّا اللَّهُ وَمَا يَشْعُرُونَ أَيَّانَ يُبْعَثُونَ (৬) “বলুন আসমান ও জমিনে যারা আছে আল্লাহ্ ব্যতীত কেউই গায়েব জানে না,
অতএব যাদু একরকমের স্পষ্ট গায়েব জানার মতই। আর গায়েব জানা আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করারই শামিল। আর আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত কারী সুস্পষ্ট কাফির এবং মুশরিক।
টিকাঃ
[৯১] সুরা বাকারাহ আয়াত নং ১০২
[৯২] সুরা নামল আয়াত নং ৬৫
📄 যাদুকরের বিধান
যাদুকরদের বিধান হলো যদি তার যাদু, কুফুরি পর্যায়ের হয় তাহলে তাকে মুরতাদ হিসেবে হত্যা করা হবে। আর যদি কুফুরি পর্যায়ের না হয় তাহলে উম্মাহকে তার অনিষ্টতা ও বিপর্যয়ের থেকে বাঁচানোর জন্য হত্যা করতে হবে।
বাজালা ইবনে আব্দাহ হতে বর্ণিত তিনি বলেন, "উমর ইবনে খাত্তাব রাযি. এর মৃত্যুর একবছর পূর্বে আমাদের নিকট আদেশ আসে, প্রতিটি যাদুকর ও যাদুকরনিকে হত্যা করো, বর্ণনাকারী বলেন অতপর আমরা তিনজন যাদুকরকে হত্যা করি。
হাফসা বিনতে উমর রাযি. নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী। তার একজন দাসী ছিলো। সে তাকে যাদু করেছিলো এবং স্বীকার করে তা বের করে দিয়েছিলো। অতঃপর হাফসা রাযি. তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেন।
ইমাম ইবনে মুনযির রহিমাহুল্লাহ বলেন, যখন কোন ব্যক্তি স্বীকার করে যে, সে কুফুরী কালাম দিয়ে যাদু করেছে, তখন তাকে হত্যা করা ওয়াজিব, যদি সে তাওবা না করে থাকে。
ইমাম মালিক রহিমাহুল্লাহ বলেন, “কোন যাদুকর যদি নিজেই যাদু করে অন্য কেই তা জন্য যাদু করে দিয়েছে এমন না হয় তাহলে সুংয় যাদুকারী এ আয়াতের উদাহরণ হবে, আল্লাহ তাআলা বলেন, আর যে এটা খরিদ করেছে সে জানে যে, আখেরাতে তার জন্য কিছুই নেই। তাই আমি মনে করি, তাকে হত্যা করতে হবে যদি সে নিজেই যাদু করে থাকে。
টিকাঃ
[৯৩] আবু দাউদ হাদিস নং৩০৪৩ আহমদ১/১৯০ও বায়হাকী ৮/১৩৫ نجالة يحدث عمرو بن اوس وأبا الشعثاء قال: كنت كاتباً لجزء بن معاوية عم الأحنف بن قيس، إذ جاءنا كتاب عمر قبل موته بسنةٍ: اقْتُلُوا كل ساحر، وفَرِّقُوا بين كل ذي محرم من المجوس، وانهوهم عن الزمزمة، فقتلنا في يوم ثلاث سواحر،
[৯৪] বায়হাকী ৮/২৩৪ হা: ১৬৪৯৯ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَن حَفْصَةَ بِنْتَ عُمَرَ، رَضِيَ الله عَنْهُمَا ، مَحْرَتْهَا جَارِيَةٌ لَهَا فَأَفَرَّتْ بِالسِّحْرِ وَأَخْرَجَتْهُ فَقَتَلْتُهَا
[৯৫] আল ইকনা': ২/৬৮৫
[৯৬] মুআত্তা মালেক: হাদীস নং-৩২৪৮ اذا اقر الرجل طائعا أنه سحر بكلام يكون ذلك الكلام كفرا وجب قتله إن لم يتب ٣٢٤٨ - قال مَالِكٌ: السَّاجِرُ الَّذِي يَعْمَلُ السِّحْرَ وَلَمْ يَعْمَلْ ذلِكَ لَهُ غَيْرُهُ هُوَ مَثَلُ الَّذِي قَالَ اللَّهُ تبَارَكَ وَتَعَالَى فِي كِتَابِهِ: (وَلَقَدْ عَلِمُوا لَمَنِ اشْتَرَاهُ مَا لَهُ فِي الآخِرَةِ مِنْ خلاق) [البقرة ١٠٢:٢] فَأَرَى أَنْ يُقْتَلَ ذلِكَ إِذَا عَمِلَ ذلِكَ هُوَ نَفْسُهُ.