📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ > 📄 বদনজরের চিকিৎসা

📄 বদনজরের চিকিৎসা


শিশুদের বদনজরের রুকইয়াহ পদ্ধতি ১] প্রথমে শিশুর মাথায় হাত রেখে এই দুয়া পাঠ করুন-
৩৯ بسمِ اللهِ يُبرِيكَ مِنْ دَاءٍ يَشْفِيكَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَاسَدُ وَ مِنْ شَرِّ كُلِّ ذِي عَينٍ উচ্চারণ: ৪০ বিসমিল্লা-হি ইউবরিক, মিন দ্বা-ইন ইয়াশফিইক, অমিন শাররি হা- সিদিন ই-যা হা-সাদ, অমিন শাররি কুল্লি যী আই-ন।
بِسْمِ اللَّهِ ارْقِيْكَ وَاللَّهُ يَشْفِقْ مِنْ دَاءٍ يُؤْذِيكَ وَ مِنْ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ اللَّهُ يَشْفِيكَ ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ
৪১ উচ্চারণ: বিসমিল্লা-হি আরক্কিইক, অল্লা-হু ইয়াশফিইক, মিন দ্বা-ইন ইউ'জিই- ক, অমিন কুল্লি নাফছিন আও যাইনি হা-ছিদ, আল্ল-হু ইয়াশফিই-ক, বিসমিল্লা-হি আরক্কিইক।
এরপর এই দুয়া পাঠ করুন-
اللهمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ البَاسَ، وَشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لا شِفَاء إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءٌ لَا يُغَادِرُ سَاقَمًا ৪২ (উচ্চারণ: আল্লহুম্মা রব্বান না-স, আযহিবিল বা'স, অশফি আনতাশ শা-ফী, লা শিফাআ, ইল্লা শিফা-উকা শিফা-আল, লা-ইউ গয়া-দিরু ছাক্কামা-।)
এরপর এই দুয়া পাঠ করুন-
اللهم ذا السُّلْطَانَ الْعَظِيمِ ، ذَا الْمَنِ الْقَدِيمِ. ذَا الْوَجْهِ الْكَرِيمِ. وَلِيُّ الْكَلِمَاتِ التَّامَّاتِ. وَالدَّعْوَاتِ الْمُسْتَجَابَاتِ عَافِ (....) مِنْ أَنْفُسِ الْجِنِّ وَاعْيُنِ الْإِنْسِ " ৪৩ উচ্চারণ: আল্লহুম্মা যা সুলতা-নিল আজী-ম, যাল মান্নিল কদীম, যাল অজহিল কারীম, অলিয্যিল কালিমা-তিত তা-ম্মা, অদ্দাওয়া-তিল মুস্তাজা-বা-ত, 'আ- ফি (শিশুর নাম বলবে) মিন আংফুছিল জিন্নি অ আইনিল ইংহ্
শেষে দুরুদ শরীফ পাঠ করে রুকইয়াহ শেষ করতে হবে। আর ব্রাকেটের স্থানে শিশুর নাম বলবে।
পদ্ধতি ২] বদনজরের কারণে যদি শরীরের কোন স্থান ব্যথা বা অবশ হয়ে যায়, তখন সেই ব্যথার স্থানে হাত রেখে-
> সূরা ইখলাস - সাতবার > সূরা ফালাক্ক - সাতবার > সূরা নাস - সাতবার > ও শেষে দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে।
পদ্ধতি ৩] বদনজরের কারণ যদি না জানা যায় বা যদি আশংকা হয় যে, জিনের বদনজর লেগেছে তাহলে নিচের আয়াত ও সূরা পাঠ করে রুকইয়াহ করতে হবে।

টিকাঃ
[৩৯] সহিহ মুসলিম হাদিস নং ২১৮৬
[৪০] আরবী হরফের তিলাওয়াত কউচ্চারণ বাংলা বর্ণে করা অনুচিত। কেননা তাতে উচ্চারণ বিশুদ্ধ হয়না। (যারা বিশুদ্ধভাবে কুরআন রতে পারেন না প্রত্যেকেরই অনতিবিলম্বে শিখে নেয়া অত্যন্ত জরুরী) তা সত্ত্বেও পাঠকের পক্ষ থেকে এতএত সুপরামর্শ ও অনুরোধ অনলাইনে অফলাইনে অধমের নিকট এবং প্রকাশকের নিকট এসেছে যে, তাদের আগ্রহে আমরা অভিভূত ও আনন্দিত। পাঠকের চাহিদা হলো যেন দ্বিতীয় সংস্করণে আরবির উচ্চারণ বাংলায় যুক্ত করে দেই, সেইসব= সুহৃদ পাঠকের প্রয়োজন বিবেচনা করে আমরা শুধুমাত্র হাদিসে বর্নিত দুয়ার রুকইয়াহ সমুহের বাংলা উচ্চারণ যুক্ত করে দিয়েছি। কুরআনের আয়াত পূর্বানুরূপই থাকবে। এতদ্বসত্ত্বেও অশুদ্ধ উচ্চারণের দায়ভার পাঠকের জিম্মায় থাকবে।
[৪১] প্রাগুক্ত
[৪২] সহিহ বুখারী- চিকিৎসা অধ্যায়
[৪৩] তাফসীরে ইবনে কাসীর খণ্ড ৪ পৃষ্ঠা ৫৩৮

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ > 📄 শিশুদের বদনজরের রুকইয়াহ

📄 শিশুদের বদনজরের রুকইয়াহ


পদ্ধতি ১] প্রথমে শিশুর মাথায় হাত রেখে এই দুয়া পাঠ করুন-
৩৯ بسمِ اللهِ يُبرِيكَ مِنْ دَاءٍ يَشْفِيكَ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَاسَدُ وَ مِنْ شَرِّ كُلِّ ذِي عَينٍ উচ্চারণ: ৪০ বিসমিল্লা-হি ইউবরিক, মিন দ্বা-ইন ইয়াশফিইক, অমিন শাররি হা- সিদিন ই-যা হা-সাদ, অমিন শাররি কুল্লি যী আই-ন।
بِسْمِ اللَّهِ ارْقِيْكَ وَاللَّهُ يَشْفِقْ مِنْ دَاءٍ يُؤْذِيكَ وَ مِنْ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ اللَّهُ يَشْفِيكَ ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ
৪১ উচ্চারণ: বিসমিল্লা-হি আরক্কিইক, অল্লা-হু ইয়াশফিইক, মিন দ্বা-ইন ইউ'জিই- ক, অমিন কুল্লি নাফছিন আও যাইনি হা-ছিদ, আল্ল-হু ইয়াশফিই-ক, বিসমিল্লা-হি আরক্কিইক।
এরপর এই দুয়া পাঠ করুন-
اللهمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ البَاسَ، وَشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لا شِفَاء إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءٌ لَا يُغَادِرُ سَاقَمًا ৪২ (উচ্চারণ: আল্লহুম্মা রব্বান না-স, আযহিবিল বা'স, অশফি আনতাশ শা-ফী, লা শিফাআ, ইল্লা শিফা-উকা শিফা-আল, লা-ইউ গয়া-দিরু ছাক্কামা-।)
এরপর এই দুয়া পাঠ করুন-
اللهم ذا السُّلْطَانَ الْعَظِيمِ ، ذَا الْمَنِ الْقَدِيمِ. ذَا الْوَجْهِ الْكَرِيمِ. وَلِيُّ الْكَلِمَاتِ التَّامَّاتِ. وَالدَّعْوَاتِ الْمُسْتَجَابَاتِ عَافِ (....) مِنْ أَنْفُسِ الْجِنِّ وَاعْيُنِ الْإِنْسِ " ৪৩ উচ্চারণ: আল্লহুম্মা যা সুলতা-নিল আজী-ম, যাল মান্নিল কদীম, যাল অজহিল কারীম, অলিয্যিল কালিমা-তিত তা-ম্মা, অদ্দাওয়া-তিল মুস্তাজা-বা-ত, 'আ- ফি (শিশুর নাম বলবে) মিন আংফুছিল জিন্নি অ আইনিল ইংহ্
শেষে দুরুদ শরীফ পাঠ করে রুকইয়াহ শেষ করতে হবে। আর ব্রাকেটের স্থানে শিশুর নাম বলবে।

টিকাঃ
[৩৯] সহিহ মুসলিম হাদিস নং ২১৮৬
[৪০] আরবী হরফের তিলাওয়াত কউচ্চারণ বাংলা বর্ণে করা অনুচিত। কেননা তাতে উচ্চারণ বিশুদ্ধ হয়না। (যারা বিশুদ্ধভাবে কুরআন রতে পারেন না প্রত্যেকেরই অনতিবিলম্বে শিখে নেয়া অত্যন্ত জরুরী) তা সত্ত্বেও পাঠকের পক্ষ থেকে এতএত সুপরামর্শ ও অনুরোধ অনলাইনে অফলাইনে অধমের নিকট এবং প্রকাশকের নিকট এসেছে যে, তাদের আগ্রহে আমরা অভিভূত ও আনন্দিত। পাঠকের চাহিদা হলো যেন দ্বিতীয় সংস্করণে আরবির উচ্চারণ বাংলায় যুক্ত করে দেই, সেইসব= সুহৃদ পাঠকের প্রয়োজন বিবেচনা করে আমরা শুধুমাত্র হাদিসে বর্নিত দুয়ার রুকইয়াহ সমুহের বাংলা উচ্চারণ যুক্ত করে দিয়েছি। কুরআনের আয়াত পূর্বানুরূপই থাকবে। এতদ্বসত্ত্বেও অশুদ্ধ উচ্চারণের দায়ভার পাঠকের জিম্মায় থাকবে।
[৪১] প্রাগুক্ত
[৪২] সহিহ বুখারী- চিকিৎসা অধ্যায়
[৪৩] তাফসীরে ইবনে কাসীর খণ্ড ৪ পৃষ্ঠা ৫৩৮

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ > 📄 বদনজরের রুকইয়াহ আয়াত

📄 বদনজরের রুকইয়াহ আয়াত


বদনজর লাগার সঠিক কারণ জানা না থাকলে এই রুকইয়াহ পাঠ করতে হবে। সূরা বাকারাহ
يَكَادُ الْبَرْقُ يَخْطَفُ أَبْصَرَهُمْ كُلَّمَا أَضَاءَ لَهُم مَّشَوْا فِيهِ وَإِذَا أَظْلَمَ عَلَيْهِمْ قَامُوا ۖ وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَذَهَبَ بِسَمْعِهِمْ وَأَبْصُرِهِمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
অর্থ: বিদ্যুতালোকে যখন সামান্য আলোকিত হয়, তখন কিছুটা পথ চলে। আবার যখন অন্ধকার হয়ে যায়, তখন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে। যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন, তাহলে তাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নিতে পারেন। আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ের উপর সর্বময় ক্ষমতাশীল ৪৪
وَإِذِ اسْتَسْقَىٰ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِ فَقُلْنَا اضْرِب بِّعَصَاكَ الْحَجَرَ ۖ فَانفَجَرَتْ مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةً عَيْنًا ۖ قَدْ عَلِمَ كُلُّ أُنَاسٍ مَّشْرَبَهُمْ ۖ كُلُوا وَاشْرَبُوا مِن رِّزْقِ اللَّهِ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ ﴿٦٠﴾
অর্থ: আর মূসা যখন নিজ জাতির জন্য পানি চাইল, তখন আমি বললাম, স্বীয় যষ্ঠির দ্বারা আঘাত কর পাথরের উপরে। অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হয়ে এল বারটি প্রস্রবণ। তাদের সব গোত্রই চিনে নিল নিজ নিজ ঘাট। আল্লাহর দেয়া রিযিক খাও, পান কর আর দুনিয়ার বুকে দাংগা-হাংগামা করে বেড়িও না।
قَالُوا ادْعُ لَنَا رَبَّكَ يُبَيِّنُ لَنَا مَا لَوْنُهَا قَالَ إِنَّهُ يَقُوْلُ إِنَّهَا بَقَرَةٌ صَفْرَاءُ فَاقِعٌ لَوْنُهَا تَسُرُّ النَّظِرِينَ ﴿٩﴾ অর্থ: তারা বলল, তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর যে, তার রঙ কিরূপ হবে? মূসা (আ.) বললেন, তিনি বলেছেন যে, গাঢ় পীতবর্ণের গাভী-যা দর্শকদের চমৎকৃত করবে।
وَذَ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتٰبِ لَوْ يَرُدُّوْنَكُمْ مِّنْ بَعْدِ إِيْمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِّنْ عِنْدِ انْفُسِهِمْ مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمُ الْحَقُّ فَاعْفُوا وَاصْفَحُوْا حَتَّى يَأْتِيَ اللَّهُ بِأَمْرِهِ ۚ إِنَّ اللهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿١٠٩﴾ وَأَقِيمُوا الصَّلوةَ وَآتُوا الزَّکٰوةَ وَمَا تُقَدِّمُوا لِأَنْفُسِكُمْ مِّنْ خَيْرٍ تَجِدُوهُ عِنْدَ اللهِ إِنَّ اللَّهَ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ ﴿11﴾ আহলে কিতাবদের অনেকেই প্রতিহিংসাবশত চায় যে, মুসলমান হওয়ার পর তোমাদেরকে কোন রকমে কাফির বানিয়ে দেয়। তাদের কাছে সত্য প্রকাশিত হওয়ার পর (তারা এটা চায়)। যাক তোমরা আল্লাহর নির্দেশ আসা পর্যন্ত তাদের ক্ষমা কর এবং উপেক্ষা কর। নিশ্চয় আল্লাহ্ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজের জন্যে পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে, তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর, নিশ্চয় আল্লাহ্ তা প্রত্যক্ষ করেন।
قَالُوا أَنِّي يَكُوْنُ لَهُ الْمُلْكُ عَلَيْنَا وَقَالَ لَهُمْ نَبِيُّهُمْ إِنَّ اللهَ قَدْ بَعَثَ لَكُمْ طَالُوْتَ مَلِكًا قَالُوا اَنّى يَكُونُ وَنَحْنُ أَحَقُّ بِالْمُلْكِ مِنْهُ وَلَمْ يُؤْتَ سَعَةٌ مِّنَ الْمَالِ قَالَ إِنَّ اللَّهَ اصْطَفُهُ عَلَيْكُمْ وَزَادَهُ بَسْطَةً فِي الْعِلْمِ وَالْجِسْمِ وَاللهُ يُؤْتِي مُلْكَهُ مَنْ يَشَاءُ وَاللهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ ﴿٢٢﴾ অর্থ: আর তাদেরকে তাদের নাবি বললেন,-নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তালুতকে তোমাদের জন্য বাদশাহ সাব্যস্ত করেছেন। তারা বলতে লাগল তা কেমন করে হয় যে, তার শাসন চলবে আমাদের উপর। অথচ রাষ্ট্রক্ষমতা পাওয়ার ক্ষেত্রে তার চেয়ে আমাদেরই অধিকার বেশি। আর সে সম্পদের দিক দিয়েও সচ্ছল নয়। নাবি বললেন,-নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর তাকে পছন্দ করেছেন এবং স্বাস্থ্য ও জ্ঞানের দিক দিয়ে প্রাচুর্য দান করেছেন। বস্তুত আল্লাহ্ তাকেই রাজ্য দান করেন, যাকে ইচ্ছা। আর আল্লাহ্ হলেন অনুগ্রহ দানকারী এবং সব বিষয়ে অবগত।
لَا يُكَلِّفُ اللهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا رَبَّnā وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِنَا رَبَّnā وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَفِرِينَ
অর্থ: আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভু! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্যে কর। (আয়াত ২৮৬)
সূরা আলে ইমরান
وَلَقَدْ كُنْتُمْ تَمَنَّوْنَ الْمَوْتَ مِنْ قَبْلِ أَنْ تَلْقَوْهُ فَقَدْ رَأَيْتُمُوهُ وَأَنْتُمْ تَنْظُرُوْنَ ﴿١٢﴾
অর্থ: আর তোমরা তো মৃত্যু আসার আগেই মরণ কামনা করতে, কাজেই এখন তো তোমরা তা চোখের সামনে উপস্থিত দেখতে পাচ্ছ।
সূরা নিসা
أَمْ وَأَتَيْنُهُمْ يَحْسُدُوْنَ النَّاسَ عَلَى مَا أَتْهُمُ اللهُ مِنْ فَضْلِهِ فَقَدْ أَتَيْنَا آلَ إِبْرَبِيْمَ الْكِتٰبَ وَالْحِكْمَةَ مُلْكًا عَظِيمًا ﴿٥﴾
অর্থ: নাকি যাকিছু আল্লাহ্ তাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে দান করেছেন সে বিষয়ের জন্য মানুষকে হিংসা করে। অবশ্যই আমি ইব্রাহীমের বংশধরদেরকে কিতাব ও হেকমত দান করেছিলাম আর তাদেরকে দান করেছিলাম বিশাল রাজ্য। (আয়াত ৫৪)
সূরা মায়েদাহ وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنَ بِالْعَيْنِ وَ الْأَنْفَ بِالْأَنْفِ وَالْأُذُنَ بِالْأُذُنِ وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ وَالْجُرُوحَ قِصَاصٌ فَمَنْ تَصَدَّقَ بِهِ فَهُوَ كَفَّارَةٌ لَّهُ وَمَنْ لَّمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنْزَلَ اللهُ فَأُولَئِكَ هُمُ الظَّلِمُوْنَ ﴿۲۵﴾ অর্থ: আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম। অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়। যেসব লোক আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম। (আয়াত ৪৫)
সূরা আন'আম لَا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الْأَبْصَارَ وَهُوَ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ ﴿١٠٣﴾ অর্থ: দৃষ্টিসমূহ তাঁকে পেতে পারে না, অবশ্য তিনি দৃষ্টিসমূহকে পেতে পারেন। তিনি অত্যন্ত সুক্ষদর্শী, সুবিজ্ঞ।
সূরা আ'রাফ وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا بِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّظِرِينَ ﴿١٠٨﴾ অর্থ: আর বের করলেন নিজের হাত এবং তা সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের চোখে ধবধবে উজ্জ্বল দেখাতে লাগল। (আয়াত ১০৮)
সূরা আনফাল يُجَادِلُونَكَ فِي الْحَقِّ بَعْدَ مَا تَبَيَّنَ كَأَنَّمَا يُسَاقُوْنَ إِلَى الْمَوْتِ وَهُمْ يَنْظُرُوْنَ ﴾ অর্থ: তারা তোমার সাথে বিবাদ করছিল সত্য ও ন্যায় বিষয়ে, তা প্রকাশিত হবার পর; তারা যেন মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে দেখতে দেখতে। (আয়াত ৬)
সূরা তাওবাহ
وَ إِذَا مَا أُنْزِلَتْ سُوْرَةٌ نَظَرَ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ بَلْ يَّرَنَكُمْ مِّنْ أَحَدٍ ثُمَّ انْصَرَفُوْا صَرَفَ اللهُ قُلُوْبَهُمْ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَفْقَهُوْنَ ﴿١٢﴾ অর্থ: আর যখনই কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তারা একে অন্যের দিকে তাকায় যে, কোন মুসলমান তোমাদের দেখছে কি-না-অতঃপর সরে পড়ে। আল্লাহ্ ওদের অন্তরকে সত্য বিমুখ করে দিয়েছেন। নিশ্চয়ই তারা নির্বোধ সম্প্রদায়। (আয়াত ১২৭)
সূরা ইউসুফ
وَقَالَ يُبَنِيَّ لَا تَدْخُلُوا مِنْ بَابٍ وَحِدٍ وَادْخُلُوا مِنْ أَبُوبٍ مُتَفَرِّقَةٍ وَمَا أُغْنِي عَنكُم مِّنَ اللَّهِ مِن شَيْءٍ إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَعَلَيْهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُتَوَكِّلُونَ وَتَوَلَّى عَنْهُمْ وَقَالَ يَأْسَفَى عَلَى يُوسُفَ وَابْيَضَتْ عَيْنَاهُ مِنَ الْحُزْنِ فَهُوَ كَظِيمٍ :
অর্থ: ইয়াকুব বললেন, হে আমার বৎসগণ! সবাই একই প্রবেশদ্বার দিয়ে যেয়ো না, বরং পৃথক পৃথক দরজা দিয়ে প্রবেশ করো। আল্লাহর কোন বিধান থেকে আমি তোমাদেরকে রক্ষা করতে পারি না। নির্দেশ আল্লাহরই চলে। তাঁরই উপর আমি ভরসা করি এবং তাঁরই উপর ভরসা করা উচিত ভরসাকারীদের। (আয়াত ৬৭)
সূরা হিজর
لَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ إِلَى مَا مَتَّعْنَا بِهِ أَزْوَاجًا مِّنْهُمْ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْمُؤْمِنِينَ ﴿٨٨﴾ অর্থ: আপনি চক্ষু তুলে ঐ বস্তুর প্রতি দেখবেন না, যা আমি তাদের মধ্যে কয়েক প্রকার লোককে ভোগ করার জন্যে দিয়েছি, তাদের জন্যে চিন্তিত হবেন না আর ঈমানদারদের জন্যে স্বীয় বাহু নত করুন। (আয়াত ৮৮)
সূরা কাহফ
وَلَوْلَا إِذْ دَخَلْتَ جَنَّتَكَ قُلْتَ مَا شَاءَ اللهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ إِن تَرَنِ أَنَا أَقَلَّ مِنكَ مَالًا وَوَلَدًا فَعَسَى رَبِّي أَن يُؤْتِيَنِ خَيْرًا مِّن جَنَّتِكَ وَيُرْسِلَ عَلَيْهَا حُسْبَانًا مِّنَ السَّمَاءِ فَتُصْبِحَ صَعِيدًا زَلَقًا .
অর্থ: যদি তুমি আমাকে ধনে ও সন্তানে তোমার চাইতে কম দেখ, তবে যখন তুমি তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন একথা কেন বললে না; আল্লাহ্ যা চান, তাই হয়। আল্লাহর দেয়া ব্যতীত কোন শক্তি নেই। আশা করি আমার পালকর্তা আমাকে তোমার বাগান অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর কিছু দেবেন এবং তার (তোমার বাগানের) উপর আসমান থেকে আগুন প্রেরণ করবেন। অতঃপর সকাল বেলায় তা পরিষ্কার ময়দান হয়ে যাবে। (আয়াত ৩৯-৪০)
সূরা আম্বিয়া
قَالُوا فَأْتُوْا بِهِ عَلَى أَعْيُنِ النَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَشْهَدُوْنَ ﴿﴾
অর্থ: তারা বলল: তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত কর, যাতে তারা দেখে। (আয়াত ৬১)
সূরা নামল
وَلَقَدْ أَتَيْنَا دَاوُدَ وَ سُلَيْمَنَ عِلْمًا وَقَالَا الْحَمْدُ لِلهِ الَّذِي فَضَّلَنَا عَلَى كَثِيرٍ مِّنْ عِبَادِهِ الْمُؤْمِنِينَ ﴿﴾ وَوَرِثَ سُلَيْمَنُ دَاوُدَ وَ قَالَ يَأَيُّهَا النَّاسُ عُلِّمْنَا مَنْطِقَ الطَّيْرِ وَ أُوتِيْنَا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ إِنَّ هَذَا لَهُوَ الْفَضْلُ الْمُبِينُ ﴿١٦﴾
অর্থ: আমি অবশ্যই দাউদ ও সুলায়মানকে জ্ঞান দান করেছিলাম। তাঁরা বলে ছিলেন, আল্লাহর প্রশংসা, যিনি আমাদেরকে তাঁর অনেক মুমিন বান্দার উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। সুলায়মান দাউদের উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন। বলেছিলেন, 'হে লোক সকল, আমাকে উড়ন্ত পক্ষীকূলের ভাষা শিক্ষা দেয়া হয়েছে এবং আমাকে সব কিছু দেয়া হয়েছে। নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট শ্রেষ্ঠত্ব।' (আয়াত ১৫-১৬)
সুরা ইয়াসিন وَجَعَلْنَا مِنْ بَيْنِ أَيْدِيْهِمْ سَدًّا وَ مِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنُهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُوْنَ ﴿१﴾ অর্থ: ৯) আমি তাদের সামনে ও পিছনে প্রাচীর স্থাপন করেছি, অতঃপর তাদেরকে আবৃত করে দিয়েছি, ফলে তারা দেখে না।
সূরা সফফাত فَنَظَرَ نَظْرَةٌ فِي النُّجُوْمِ ﴿১﴾ فَقَالَ إِنِّي سَقِيمٌ ﴿1﴾ فَأَرَادُوا بِهِ كَيْدًا فَجَعَلْتُهُمُ الْأَسْفَلِينَ ﴿৯﴾ অর্থ: অতঃপর সে একবার তারকাদের প্রতি লক্ষ্য করল। এবং বলল: আমি পীড়িত। তারপর তারা তার বিরুদ্ধে মহা ষড়যন্ত্র আঁটতে চাইল, কিন্তু আমি তাদেরকেই পরাভূত করে দিলাম। (আয়াত ৮৮-৮৯, ৯৮)
সূরা গাফির يَعْلَمُ خَائِنَةَ الْأَعْيُنِ وَمَا تُخْفِي الصُّدُوْرُ ﴿19﴾ অর্থ: চোখের চুরি এবং অন্তরের গোপন বিষয় তিনি জানেন। (আয়াত ১৯)
সূরা কফ أَفَلَمْ يَنْظُرُوا إِلَى السَّمَاءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَهَا وَزَيَّتُهَا وَمَا لَهَا مِنْ فُرُوجٍ ﴿۲﴾ অর্থ: তারা কি তাদের উপরস্থিত আকাশের পানে দৃষ্টিপাত করে না আমি কীভাবে তা নির্মাণ করেছি এবং সুশোভিত করেছি? তাতে কোন ছিদ্রও নেই। (আয়াত ৬)
সূরা যারিয়াত فَعَتَوْا عَنْ أَمْرِ رَبِّهِمْ فَأَخَذَتْهُمُ الصَّعِقَةُ وَهُمْ يَنْظُرُوْنَ ﴿২২﴾ অর্থ: অতঃপর তারা তাদের পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল এবং তাদের প্রতি বজ্রঘাত হল এমতাবস্থায় যে, তারা তা দেখেছিল। (আয়াত ৪৪)
সূরা কমার
وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَى أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ ﴿১২﴾ অর্থ: এবং ভূমি থেকে প্রবাহিত করলাম প্রস্রবণ। অতঃপর সব পানি মিলিত হল এক পরিকম্পিত কাজে। (আয়াত ১২)
সূরা আর-রহমান
فِيْهِمَا عَيْنِنَضَّاخَنِ ﴾ فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبُنِ ﴿৬৭﴾ অর্থ: তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ। অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে? (আয়াত ৬৬-৬৭)
সূরা ওয়াক্বিয়া
فَلَوْلَا إِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُوْمَ ﴿۸۳﴾ وَاَنْتُمْ حِيْنَئِذٍ تَنْظُرُونَ ﴾ অর্থ: অতঃপর যখন কারও প্রাণ কষ্ঠাগত হয়। এবং তোমরা তাকিয়ে থাক, (আয়াত ৮৩-৮৪)
সূরা মুলক
الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمُوتٍ طِبَاقًا مَا تَرَى فِي خَلْقِ الرَّحْمَنِ مِنْ تَفُوتٍ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَى مِن فُطُورٍ ، ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ الْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٍ অর্থ: তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ্ তা'আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। (আয়াত ৩-৪)
সূরা ক্বলাম
وَإِن يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْ لِقُوْنَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُوْلُوْnā إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ ﴿۱﴾ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعُلَمِينَ ﴿۵۲﴾ অর্থ: কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলে: সে তো একজন পাগল। অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়। (আয়াত ৫১-৫২)
সূরা কিয়ামাহ
وُّجُوْةٌ يَّوْمَئِذٍ نَّاضِرَةٌۚۖ اِلٰى رَبِّهَا نَاظِرَةٌۙۖ অর্থ: সেদিন অনেক মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হবে। তারা তার পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে। (আয়াত ২২-২৩)
সূরা নাযিয়াআত
يَّوْمَ تَرْجُفُ الرَّاجِفَةُۙ تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُۘ قُلُوْبٌ يَّوْمَئِذٍ وَّاجِفَةٌۙ اَبْصَارُهَا خَاشِعَةٌۗ যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী, অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী; সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহ্বল হবে। তাদের দৃষ্টি নত হবে। (আয়াত ৬-৯)
সূরা বালাদ
اَلَمْ نَجْعَلْ لَّهٗ عَيْنَيْنِۙ وَّلِسَانًا وَّشَفَتَيْنِۙ وَّهَدَيْنٰهُ النَّجْدَيْنِۙ অর্থ: আমি কি তাকে দেইনি চক্ষুদ্বয়, জিহ্বা ও ওষ্ঠদ্বয়? বস্তুতঃ আমি তাকে দু’টি পথ প্রদর্শন করেছি। (আয়াত ৮ ১০)
সবশেষে দুরূদ শরীফ পড়ে রুকইয়াহ শেষ করতে হবে। আর রুকইয়াহ পাঠ শেষে এক গ্লাস পানিতে ফুঁক দিয়ে রোগীকে পান করাতে হবে। এবং বদনজরের গোছল দিতে হবে।

টিকাঃ
[৪৪] সুরা বাকারাহ আয়াত নং ২০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00