📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ > 📄 হাদীস থেকে প্রমাণ

📄 হাদীস থেকে প্রমাণ


বদনজর সম্পর্কে নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একাধিক হাদিস রয়েছে।
১। আবু হুরায়রা রাযি. বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “বদনজর সত্য।
২। আবু হুরাইরা রাযি. নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, "তিনি বলেছেন বদনজর সত্য। আর তিনি উল্কি অংকন করতে নিষেধ করেছেন।”
৩। নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "হাম্ম বলতে কিছু নেই এবং বদনজর সত্য।”
৪। "ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ভাগ্যকে কোন জিনিস অতিক্রম করতে সক্ষম হলে বদনজরই অতিক্রম করতে পারতো।”
৫। আয়িশাহ রাযি. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা আল্লাহর নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করো। কেননা, বদনজর সত্য বা বাস্তব ব্যাপার।”
৬। নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "আল্লাহর ফয়সালা ও তাকদিরের পরে আমার উম্মাতের সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যাবে বদনজরের কারণে।”
৭। নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “বদনজর মানুষকে কবরে এবং উটকে পাতিলে প্রবেশ করিয়ে ছাড়ে।”
৮। ইমাম মালিক রহিমাহুল্লাহ তাঁর হাদিস গ্রন্থে বদনজর সম্পর্কে একটি দীর্ঘ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
আমির ইবনে রাবিয়াহ সাহল ইবনু হুনাইফকে গোসল করতে দেখে বললেন, আজ আমি যেই সুন্দর মানুষ দেখলাম এই রকম কাউকেও দেখিনি। এমনকি সুন্দরী যুবতীও এত সুন্দর দেহবিশিষ্ট দেখিনি। আমিরের এই কথা বলার সাথে সাথে সাহল সেখানে লুটিয়ে পড়লো。
এক ব্যক্তি নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে হাজির হয়ে আরয করল, "ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি সাহল ইবনে হুনাইফ এর কিছু খবর রাখেন কি? আল্লাহর কসম, সে মস্তক উত্তোলন করতে পারছে না।
"তখন নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "তুমি কি মনে করছ কেউ তাকে বদনজর দিয়েছে?, লোকটি বললো, "হ্যাঁ। ইবনে রাবিয়াহ (বদনজর দিয়েছে)। অতঃপর নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমির ইবনে রাবিয়াহকে ডেকে ক্রোধান্বিন হয়ে তাকে বললেন, “তোমাদের কেউ নিজের মুসলমান ভাইকে কেন হত্যা করছ? তুমি বারাক আল্লাহ কেন বললেন না?
এই বার তুমি তাঁর জন্য গোসল করো।” অতঃপর আমির হাত মুখ, হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের আশেপাশের স্থান এবং লুঙ্গির নিচের আবৃত দেহাংশ ধৌত করে। ওই পানি একটি পাত্রে জমা করলো। সেই পানি সাহলের দেহে ঢেলে দেওয়া হলো। অতঃপর সাহল সুস্থ হয়ে গেলো।

টিকাঃ
[২৩] সুনানে আবু দাউদ ৩৮৩৯
عن همام بن منبه قال: هذا ما حدثنا أبو هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: العين حق
[২৪] সহীহুল বুখারী ৫৭৪০, সহীহুল মুসলিম ২১৮৭, মুসনাদে আহমাদ ৮২৫২ عن أبي هريرة ، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «العين حق ونهى عن الوشم
[২৫] জামে' আত তিরমিজি ২০৬১ حَيَّةُ بْنُ حَابِسٍ التَّمِيمِي قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: لا شَيْءٌ في الهَامِ، وَالعَيْنُ حَقٌّ
[২৬] জামে' আত তিরমিজি ২০৬২ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْ كَانَ شَيْءٌ سَابَقَ القَدَرَ لَسَبَقَتْهُ العَيْنُ
[২৭] সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৫08
عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللهِ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم "اسْتَعِيذُوا بِاللهِ، فَإِنَّ الْعَيْنَ حَقٌّ"
[২৮] সহীহুল জামে ১২০৬। ত্বায়ালিসী, হাদীস নং-১৮৬৮ أكثر من يموت من أمتي بعد قضاء الله وقدره بالعين
[২৯] সহীহুল জামে ৪১৪৪ العين تدخل الرجل القبر وتدخل الجمل القدر
[৩০] সহিহ ইবনু মাজাহ ৩৫০৯, আহমাদ ১৬০২৩, মিশকাত ৪৫৬২
عَنْ أَبِي أَمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ: مَرَّ عَامِرُ بْنُ رَبِيعَةَ بِسَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ وَهُوَ يَغْتَسِلُ. فَقَالَ: لَمْ أَرَ كَالْيَوْمِ، وَلَا جِلْدَ مُخَبَّأَةٍ فَمَا لَبِثَ أَنْ لُبِطَ بِهِ، فَأْتِيَ بِهِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .. فَقِيلَ لَهُ: أَدْرِكْ سَهْلًا صَرِيعًا. قَالَ: "مَنْ تَتَّهِمُونَ بِهِ ؟ " قَالُوا: عَامِرَ ابْنَ رَبِيعَةً. قَالَ: عَلَامَ يَقْتُلُ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ؟ إِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ مِنْ أَخِيهِ مَا يُعْجِبُهُ، فَلْيَدْعُ لَهُ بِالْبَرَكَةِ ثُمَّ دَعَا بِمَاءٍ فَأَمَرَ عَامِرًا أَنْ يَتَوَضَّأُ، فَيَغْسِلْ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ وَرُكْبَتَيْهِ وَدَاخِلَةَ إِزَارِهِ، وَأَمَرَهُ أَنْ يَصُبُّ عَلَيْهِ.

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ > 📄 বদনজরের কারণে যে সকল রোগ হতে পারে!

📄 বদনজরের কারণে যে সকল রোগ হতে পারে!


জ্বরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাথা, একাধিক প্রকারের ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, অবশ হওয়া, বন্ধ্যাত্ব, সুগার, ব্লাড প্রেশার, এমনকি বোবা হয়ে যাওয়াসহ মহিলাদের মাসিক ঋতুর অনিয়ম ও কিছু গোপন রোগ এবং কিছু মানসিক রোগ ইত্যাদি।

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ > 📄 কীভাবে বদনজর থেকে বেঁচে থাকবেন

📄 কীভাবে বদনজর থেকে বেঁচে থাকবেন


বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার পর এর চিকিৎসা করার চেয়ে, আক্রান্ত হওয়ার পূর্বের সতর্কতা অবলম্বন করা অপেক্ষাকৃত সহজ। কারো প্রশংসা করার সময় আল্লাহর জিকর করা। অর্থাৎ, আল্লাহর নাম নিয়ে কারো প্রশংসা করলে বদনজর লাগে না, যেমন মাশা-আল্লাহ, বারাকাআল্লাহ বললে বদনজরে পতিত হওয়ার আশংকা থাকে না। পবিত্র কুর'আনে আল্লাহ যেমন বলেছেন-
وَلَوْلَا إِذْ دَخَلْتَ جَنَّتَكَ قُلْتَ مَا شَاءَ اللهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ إِنْ تَرَنِ أَنَا أَقَلَّ مِنْكَ مَالًا وَوَلَدًا
অর্থ: “যখন তুমি বাগানে প্রবেশ করলে তখন তুমি মাশাআল্লাহ (আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন), লা- কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ (আল্লাহ্ ছাড়া কারো কোনো শক্তি সামর্থ নেই) বললে না কেন; যদিও তুমি আমাকে সন্তানে ও সম্পদে তোমার চেয়ে কম দেখো。
এখানে লক্ষণীয় যে, যদি কেউ আপনার বা আপনার কোন জিনিষের প্রশংসা করে, আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা ছাড়াই, তখন কি করণীয়? যদি এই ঘটনা আপনার উপস্থিতিতে ঘটে থাকে বা আপনি পরে জানতে পারেন তখন আপনি (لا حول و لا قوة الا بالله) বলবেন। নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যখন তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের অথবা নিজের কিংবা তার সম্পদের কিছু দেখে আশংকা বোধ করে, তখন সে যেন তার বরকতের দু'আ করে। কেননা নজর সত্য বিষয়।"

টিকাঃ
[৩৩] সূরাতুল কাহফ ১৮/৩৯
[৩৪] মুসনাদে আহমাদ ১৫৭০০

📘 রুকইয়াহ শারইয়াহ > 📄 বদনজরে রুকইয়াহ করতে নবী (স.) এর নির্দেশ

📄 বদনজরে রুকইয়াহ করতে নবী (স.) এর নির্দেশ


আলী রাযি. বলেন, জিবরাইল আ. একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চিন্তিত দেখে তার কারণ জিজ্ঞেস করলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "হাসান এবং হুসাইনের উপর বদনজর লেগেছে। "তখন জিবরাইল আ. বললেন, বদনজর এক বাস্তব বিষয়, আমি তাদের জন্য একটি দু'আ পড়বো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "আমাকে দু'আটি শিখান। তখন তিনি শিখলেন (এবং তাদের জন্য পাঠ করলেন)। তখন তাঁরা সুস্থ হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো।
এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন, "তোমরা তোমাদের ও তোমাদের স্ত্রী ও পুত্রদের জন্য আল্লাহর কাছে পানাহ চাও।
ইবনে কায়েস মাক্কি রহ. বলেন, জাফর ইবনে আবি তুলিব রাযি. এর দুটি ছেলে নাবির কাছে আসলো। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের একজন পারিচারিকাকে জিজ্ঞাসা করলেন, "এই ছেলেরা এত জীর্ণশীর্ণ ও দূর্বল কেন? পারিচারিকা উত্তর দিলো, "ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! তাদের উপর খুব সহজেই বদনজর লেগে যায়। আর তাদেরকে রুকইয়াহ করাইনি। কারণ হয়তোবা আপনি তা পছন্দ করেন না। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "এদের জন্য রুকইয়াহর ব্যবস্থা করো। কেননা যদি কোন বস্তু তাক্বদ্বিরের আগে চলতে পারতো তা হতো বদনজর。
উরওয়াহ ইবনে যুবাইর রহ. বর্ণনা করেন, নাবি পত্নী উম্মে সালামাহ রাযি. এর ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করেন। তখন ঘরে একটি বাচ্চা কাঁদছিল। লোকেরা আরয করলো, বাচ্চাটির উপর বদনজর লেগেছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “বদনজরের জন্য রুকইয়াহ করাচ্ছো না কেন?
উম্মু সালামাহ রাযি. বর্ণনা করেছেন, নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে একটি মেয়েকে এমন অবস্থায় দেখলেন যে তার চেহারা মলিন। তখন তিনি বললেন, “তাকে রুকইয়াহ করাও; কেননা তার উপর নজর লেগেছে।
আবদুল্লাহ ইবনে সালিম রাযি. এ হাদিস অনুযায়ী যুবাইদি থেকে একইভাবে বর্ণনা করেছেন।

টিকাঃ
[৩৫] তাফসির ইবনে কাসির খন্ড ৪ পৃষ্ঠা ৫৩৮।
إِذَا رَأَى أَحَدُكُمْ مِنْ أَخِيهِ، أَوْ مِنْ نَفْسِهِ، أَوْ مِنْ مَالِهِ مَا يُعْجِبُهُ، فَلْيُبَرِّكْهُ فَإِنَّ الْعَيْنَ حَقٌّ عن علي رضي الله عنه أن جبريل أتى النبي صلى الله عليه وسلم فوافقه مغتما فقال: يا محمد ما هذا الغم الذي أراه في وجهك قال: «الحسن والحسين أصابتهما عين قال: صدق بالعين فإن العين حق أفلا عودتهما بهؤلاء الكلمات؟ قال وما هن يا جبريل؟ قال: قل اللهم ذا السلطان العظيم والمن القديم ذا الوجه الكريم ولي الكلمات التامات والدعوات المستجابات، عاف الحسن والحسين من أنفس الجن وأعين الإنس، فقالها النبي صلى الله عليه وسلم، فقاما يلعبان بين يديه فقال النبي صلى الله عليه وسلم «عوذوا أنفسكم ونساءكم وأولادكم بهذا التعويذ فإنه لم يتعوذ المتعوذون بمثله =
[৩৬] মুয়াত্তা ইমাম মালেক খন্ড ২ পৃষ্ঠা ৬৫৯। হা: ৩৪৬২
مَالِكٌ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ قَيْسِ الْمَكِيِّ: أَنَّهُ قَالَ: دُخِلَ عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم بابني جَعْفَرِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ. فَقَالَ لِحَاضِنَتِهِمَا: «مَا لِي أَرَاهُمَا ضَارِعَيْنِ فَقَالَتْ: حَاضِنَتُهُمَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ! [ف: ٣٣٦] إِنَّهُ تَسْرَعُ إِلَيْهِمَا الْعَيْنُ. وَلَمْ يَمْنَعْنَا أَنْ نَسْتَرْقِي لَهُمَا إِلا أَنَّا لَا نَدْرِي مَا يُوَافِقُكَ مِنْ ذلِكَ. فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «اسْتَرْقُوا لَهُمَا، فَإِنَّهُ لَوْ سَبَقَ شَيْءٌ الْقَدَرَ. لَسَبَقَتْهُ الْعَيْنُ».
[৩৭] মুয়াত্তা ইমাম মালেক খন্ড-২, পৃষ্ঠা ৬৬০, হা: ৩৪৬৩
مَالِكٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ: أَنْ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ حَدَّثَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ بَيْتَ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. وَفِي الْبَيْتِ صَبِيٌّ يَبْكِي فَذَكَرُوا (۱) أَنَّ بِهِ الْعَيْنَ. قَالَ عُرْوَةُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «ألا تَسْتَرْقُونَ [ ص: ٥٩ - 1] لَهُ مِنَ الْعَيْنِ؟
[৩৮] সহীহুল বুখারী ৫৭৩৯, সহীহুল মুসলিম ২১৯৩ (ইফা ৫২১৫)। عن أم سلمة رضي الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى في بيتها جارية في وجهها سفعة، فقال: «استرقوا لها، فإن بها النظرة

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00