📘 রূহের রহস্য > 📄 কবরে কি মুমিন, মুনাফিক ও কাফির সবাইকে প্রশ্ন করা হয়

📄 কবরে কি মুমিন, মুনাফিক ও কাফির সবাইকে প্রশ্ন করা হয়


কবরে মুমিন, মুনাফিক ও কাফির সবাইকে প্রশ্ন করা হয় কিনা, এই প্রশ্নের উত্তরে উলামায়ে কেরাম নিম্নরূপ অভিমত ব্যক্ত করেছেন:

হযরত ইবনে আবদুল বার (র) বলেছেন, কবরে কিবলাপন্থীদেরকে পরীক্ষা করা হয়—সে ব্যক্তি মুমিন হোক বা মুনাফিকই হোক। এছাড়া আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে কবরে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার দৃঢ়তা দান করেন, আর মুনাফিকেরা তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করে। কাফির ও মুশরিকেরা কবরে কোন প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষার সম্মুখীন হয় না। কারণ তাদের মুক্তির কোন পথ নেই। (কিতাবুত তামহীদ) কিন্তু কুরআন ও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, কবরে মুমিন ও কাফির সবাইকে প্রশ্ন করা হয়। আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, "আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে এক প্রতিষ্ঠিত-প্রমাণিত কথার ভিত্তিতে দুনিয়াতে ও আখিরাতে দৃঢ়পদ রাখেন, আর যালিমদেরকে পথ ভ্রষ্ট করে দেন, আল্লাহ তা'আলা যা ইচ্ছা করেন তাই করেন।" (সূরা ইবরাহীম: আয়াত-২৭)

এই আয়াতটি ব্যাপক অর্থবোধক। কাজেই যালিম, মুনাফিক, মুশরিক, কাফির সবাইকে কবরে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যখন কোন বান্দাকে তার কবরে রাখা হয়, আর জানাযায় অংশগ্রহণকারীগণ বিদায় নেন, মৃতরা তাঁদের জুতোর শব্দ পর্যন্ত শুনতে পান। (বুখারী, মুসলিম) তিনি আরো ইরশাদ করেছেন, মুনাফিক ও কাফিরদেরকে কবরে প্রশ্ন করা হয়—তুমি ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে কি বলো? সে জবাব দেয়, আমার জানা নেই, লোকেরা যা বলতো আমিও তাই বলতাম। তাকে বলা হবে তুমি জানার চেষ্টা করোনি কেন এবং কুরআন পড়োনি কেন? তারপর তাকে লোহার একটি হাতুড়ি দ্বারা প্রহার করা হয়, আর সে চিৎকার করতে থাকে। এর শব্দ জিন ও ইনসান ছাড়া নিকটস্থ অন্য সবাই শুনতে পায়। বুখারী শরীফে "ওয়া আম্মাল কাফিরু" বাক্যটি ওয়াও অক্ষর সহকারে উল্লেখ করা আছে। কাজেই কাফিরদেরকেও যে কবরে প্রশ্ন করা হয়, এটা তারই প্রমাণ।

আহমদ ও ইবনে মাজাহ গ্রন্থে আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা) বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ আছে যে, আমরা একদিন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে এক জানায় শরীক ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন ইরশাদ করলেন, তোমরা শুনে রাখো, আমার উম্মতগণকে কবরে পরীক্ষা করা হয়। যখন কোন মৃত ব্যক্তিকে দাফন করে লোকজন চলে যায়, তখন ফেরেশতারা হাতুড়ি সঙ্গে নিয়ে আসেন এবং তাকে বসিয়ে প্রশ্ন করেন, তুমি তাঁর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পর্কে কি বলো? তিনি যদি মুমিন হন তাহলে বলেন, আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু। অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয় আল্লাহ ছাড়া আর কোন মা'বুদ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে নিশ্চয় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও রাসূল। ফেরেশতারা তখন তাঁকে বলেন, "তুমি সত্যবাদী”। তারপর জাহান্নামের একটি দরজা খুলে তাঁরা বলেন, "তুমি যদি কাফির হতে তাহলে এটাই হতো তোমার বাসস্থান।" আর সে ব্যক্তি কাফির বা মুনাফিক হলে ফেরেশতাদের প্রশ্নের উত্তরে বলে, আমার জানা নেই, তখন তাকে বলা হয়, তুমি জানতে চেষ্টা করোনি আর সরল পথেও আসোনি। তারপর তার সামনে জান্নাতের একটি দরজা খুলে তাকে বলা হয়, তুমি মুমিন হলে এটাই হতো তোমার বাসস্থান। তারপর ফেরেশতারা জাহান্নামের দরজা খুলে তাকে বলেন এটাই তোমার বাসস্থান। ফেরেশতারা তাকে লোহার হাতুড়ি দিয়ে এমনভাবে প্রহার করেন যা মানুষ ও জিন ছাড়া আল্লাহর অন্যসব সৃষ্টি তা শুনতে পায়। কোন একজন সাহাবী প্রশ্ন করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন কোন ব্যক্তিতো নেই, যার মাথার উপর ফেরেশতারা হাতুড়ি নিয়ে দাঁড়াবে আর সে ভয় পাবে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন পবিত্র কুরআনের সূরা ইবরাহীমের ২৭ নং আয়াতটি পড়ে শুনালেন।

হযরত বারা (রা) কর্তৃক হাদীসে উল্লেখ আছে যে, যখন কোন কাফির দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে আখিরাতের জীবনে প্রবেশ করে, তখন তার জন্য ফেরেশতারা আকাশ থেকে রুমাল বা চট নিয়ে আসেন। হাদীস শরীফে আরো বর্ণিত আছে, কবরে মৃত ব্যক্তির রূহকে তার দেহে ফিরিয়ে দেয়া হয়। অন্য একটি হাদীসে উল্লেখ আছে, যদি সে ব্যক্তি কাফির হয়, তার নিকট মালাকুল মাউত এসে তার শিয়রে বসে যান এবং জিজ্ঞেস করেন, এই অপবিত্র রূহ কার? ফেরেশতারা তার একটি জঘন্য নাম উচ্চারণ করে বলেন, অমুকের। তারপর ফেরেশতারা যখন তার রূহকে দুনিয়ার নিকটবর্তী আকাশে নিয়ে পৌঁছেন, তখন আকাশের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আর আকাশ থেকেই ঐ রূহকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়। তারপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করেন, "এবং যে কেউ আল্লাহর সাথে শরীক করে তার অবস্থা যেন সে আকাশ থেকে পড়ে গেলো এখন চাই তাকে মৃতদেহভোজী কোন পাখি ছোঁ মেরে তুলে নিলো কিম্বা বাতাস অন্য কোন দূরবর্তী স্থানে নিয়ে ছুঁড়ে মারলো।” (সূরা হজ্জ: আয়াত-৩১)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তারপর তার রূহ দেহে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং তার নিকট কঠোর প্রকৃতির ফেরেশতারা আসেন এবং তাকে বসিয়ে ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করেন—"তোমার রব কে?” সে জবাব দেয়, "হায় আমার জানা নেই।” ফেরেশতারা তখন বলেন, তুমিতো জানতে চেষ্টাই করোনি। ফেরেশতারা আবার প্রশ্ন করেন, "তোমাদের নিকট প্রেরিত নবীর অবস্থা কি?” সে বলে, আমি লোকজনের কাছে শুনেছি তারা তাঁকে নবী বলতো। আমার আর কোন কিছু জানা নেই, তিনি নবী ছিলেন কি ছিলেন না। তখন ফেরেশতারা বলেন, তুমি কি কখনো জানতে চেয়েছো? এই প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, "আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে এক দৃঢ় বাক্য দ্বারা দৃঢ় করেন পার্থিব জীবনে এবং পরকালে আর আল্লাহ যালিমদেরকে পথ ভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন।” (সূরা ইবরাহীম: আয়াত-২৭)

এখানে উল্লেখ্য, পবিত্র কুরআন ও হাদীসের দৃষ্টিতে 'ফাজির' শব্দের দ্বারা কাফিরকেও বুঝায়। যেমন পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন, "সৎকর্মশীলরা থাকবে জান্নাতে আর দুষ্কর্মশীলরা থাকবে জাহান্নামে; সেখান থেকে তারা বিচার দিবসে প্রবেশ করবে। তারা সেখান থেকে পৃথকও হবে না।” (সূরা আল-ইনফিতার: আয়াত ১৩-১৬)

পবিত্র কুরআনে আরো উল্লেখ আছে "এটা কিছুতেই উচিত নয়, নিশ্চয়, নিশ্চয় পাপীদের আমলনামা সিজ্জীনে আছে।" (সূরা মুতাফফিফীন: আয়াত-৭)

হযরত বারা (রা) বর্ণিত একটি হাদীসে উল্লেখ আছে, যখন কোন কাফির দুনিয়ার সম্পর্ক ছিন্ন করে আখিরাতের জীবনে প্রবেশ করে, তখন দু'জন খুব শক্তিশালী ও কঠোর স্বভাবের ফেরেশতা আগুনের পোশাক ও আলকাতরা পাজামা নিয়ে তার কাছে অবতরণ করেন, আর তাকে সেই পোশাক পরিয়ে দেন। তার রূহ এমনিভাবে টেনে বের করা হয়, যেমনিভাবে বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট শলাকা পশম জাতীয় কোন কিছুর ভেতর থেকে টেনে বের করা হয়। এইভাবে রূহকে বের করার পর দুনিয়া ও আকাশের মধ্যবর্তী প্রত্যেক ফেরেশতা এই রূহকে অভিশাপ দেন। এই প্রসঙ্গে হাদীসে আরো উল্লেখ আছে—কোন মৃত ব্যক্তিকে দাফনের পর লোকজন ফিরে আসার সময় তাদের জুতোর শব্দ পর্যন্ত মৃত ব্যক্তি শুনতে পায়।

তারপর মৃত ব্যক্তিকে কবরে জিজ্ঞেস করা হয়, তোমার রব কে? তোমার নবী কে? আর তোমার দীন কি? সে তখন জবাব দেয়, আমার জানা নেই। তখন তাকে বলা হয়, তুমি কি কখনো জানতে চেয়েছো?

হযরত বারা (রা) বর্ণিত হাদীস শরীফে আরো উল্লেখ রয়েছে, আমরা একদিন জনৈক আনসারের জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বের হলাম। সে সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, "যখন কোন কাফিরের মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় এবং সে দুনিয়া ছেড়ে আখিরাতের দিকে অগ্রসর হতে থাকে, তখন তার জন্য ফেরেশতারা আগুনের কাফন ও দুর্গন্ধ নিয়ে তার নিকট অবতরণ করেন। আর তার মৃত্যুর পর তার রূহকে কবরে ফেরত পাঠানো হয়। তারপর দাঁতের সাহায্যে মাটি সরিয়ে আর পশমের কাঁটার সাহায্যে ভূমি খনন করে মুনকার-নাকীর এসে তার কবরে উপস্থিত হন। তাঁদের গলার আওয়াজ বজ্রের মতো, আর চোখগুলো চমকপ্রদ বিদ্যুতের ন্যায়। তাঁরা মৃত ব্যক্তিকে বসিয়ে জিজ্ঞেস করেন, ও হে, তোমার রব কে? সে উত্তর দেয়, আমার জানা নেই। তখন আবার প্রশ্ন করা হয়, তুমি কি কখনো তা জানতে চেয়েছিলে? তারপর ফেরেশতারা তাকে এমন ভারী লোহার মুগুর দিয়ে আঘাত করেন যেটা সারা জগতের মানুষ চেষ্টা করলেও উঠাতে পারবে না। তাছাড়া তার কবরকে এতো সংকীর্ণ করে দেয়া হয় যে, তার এক দিকের পাঁজর অন্য দিকের পাঁজরে ঢুকে পড়ে।” (মুসনাদে ইমাম আহমদ)

হযরত বারা (রা)-এর হাদীসটি যাঁরা বর্ণনা করেছেন তাঁরা তাতে কাফির শব্দটি সুস্পষ্টভাবেই উল্লেখ করেছেন। অবশ্য কেউ কেউ 'ফাজির' শব্দটি উল্লেখ করেছেন, আবার কেউ কেউ মুনাফিক ও মুরতাদ শব্দ দু'টি উল্লেখ করেছেন। বর্ণনাকারী সন্দেহবশত একথাও বলেছেন, আমি জানি না, তিনি মুনাফিক নাকি মুরতাদ শব্দ ব্যবহার করেছেন। কিন্তু যারা 'কাফির' ও 'ফাজির' শব্দ ব্যবহার করেছেন, তারা কোনরূপ সন্দেহ ছাড়াই তা ব্যবহার করেছেন। অতএব যাঁরা নিশ্চিতভাবে কিছু বর্ণনা করেছেন, তাঁদের সংখ্যাও অনেক। তাঁদের বর্ণনা, এসব সন্দেহকারীদের বর্ণনার চেয়ে গ্রহণযোগ্য যারা এরূপ বর্ণনার ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ একাকী। এছাড়া উক্ত রেওয়ায়েতসমূহে কোন মতবিরোধও নেই। কেননা কাফির ও মুমিনের ন্যায় মুনাফিককেও সওয়াল করা হবে। অতএব আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে সুদৃঢ় রাখবেন, আর সীমা লঙ্ঘনকারী অর্থাৎ কাফির ও মুনাফিকদেরকে রাখবেন বিভ্রান্তিতে।

হযরত আবূ সায়ীদ (রা) বর্ণিত হাদীসে কাফির ও মুনাফিক দুইটি শব্দকে একত্রিত করা হয়েছে। যেমন উল্লেখ করা হয়েছে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে একটি জানাযায় শরীক ছিলাম। এই হাদীসে বলা হয়েছে—যদি মৃত ব্যক্তি কাফির বা মুনাফিক হয়, তাহলে তাকে প্রশ্ন করা হয়, তুমি ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে কি বলো? সে বলে আমি কিছুই জানি না। এর দ্বারা জানা গেলো কাফির ও মুনাফিককেও কবরে সওয়াল করা হয়। আবূ আমর (র) যে বলেছেন, কাফিরকে কবরে সওয়াল করা হয় না, তা ঠিক নয়। বরং কাফিরকেও কবরে সওয়াল করা হয় আর এটাই স্বাভাবিক ও যুক্তিগ্রাহ্য।

কিয়ামতের দিন কাফিরকেও সওয়াল করা হবে আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন, "এবং যেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, তোমরা রাসূলগণকে কি জবাব দিয়েছিলে? অতঃপর তাদের কথাবার্তা বন্ধ হয়ে যাবে এবং তারা একে অপরকে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারবে না।” (সূরা আল কাসাস: আয়াত ৬৫-৬৬)

"সুতরাং শপথ আপনার প্রতিপালকের, আমি অবশ্যই ওদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো ওদের কাজ-কর্ম সম্পর্কে।' (সূরা হিজর: আয়াত ৯২-৯৩)

"অতএব আমি অবশ্যই তাদেরকে জিজ্ঞেস করবো, যাদের কাছে রাসূল প্রেরিত হয়েছিলো এবং আমি অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো রাসূলগণকে। অতঃপর আমি স্বজ্ঞানে তাদের কাছে অবস্থা বর্ণনা করবো, বস্তুতঃ আমিতো অনুপস্থিত ছিলাম না।" (সূরা আল আ'রাফ: আয়াত ৬-৭)

কিয়ামতের দিন যখন তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তাহলে কবরে কেন তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে না? কাজেই আবূ আমর (র)-এর উক্ত অভিমতের পেছনে কোন যুক্তি বা ভিত্তি নেই।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00