📄 মানবাত্মা ধ্বংসের চার উপাদান
মানুষকে তার রব থেকে দূরে সরিয়ে পার্থিব ও পরকালের জগতের চূড়ান্ত ক্ষতির দিকে ঠেলে দেয় আত্মার চার ব্যাধি。
* গাফলত。
* আল্লাহর নাফরমানি。
* নিফাক。
* শিরক。
এই চারটি ক্ষতিকর স্বভাব পর্যায়ক্রমে মানুষকে নষ্ট করে। সর্বপ্রথম গাফলত মানুষের অন্তরকে আল্লাহভোলা করে আল্লাহ তাআলার নিরাপদ বেষ্টনী থেকে বের করে দূরে নিয়ে যায়। এরপর মাসিয়াত তথা আল্লাহর নাফরমানির দ্বারা বান্দা ও আল্লাহ তাআলার মাঝে আরও দীর্ঘ দূরত্বের সৃষ্টি হয়। সর্বশেষে মানবাত্মাকে মহাধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয় নিফাক বা মুনাফিকি এবং আপন রবের সাথে শিরকের মতো গর্হিত মন্দ কাজ।
অপরদিকে আল্লাহ-ভীতি ও তাকওয়া হলো মানুষের নিরাপত্তা-বেষ্টনী, নিরাপদ দুর্গ, শয়তানকে প্রতিহতকারী ঢাল, নফসের ধোঁকার বিপরীতে শক্তিশালী আত্মরক্ষা-ব্যবস্থা। তাকওয়া মানুষকে যেমন তার চিরশত্রু শয়তান থেকে নিরাপদ রাখে, তেমনি তা জাগতিক সকল ঝামেলা, কষ্ট-ক্লেশ ও পরকালীন সকল দুশ্চিন্তা ও করুণ পরিণতি থেকে সর্বোত্তম পন্থায় হেফাযত করে।
📄 গুনাহ মানুষের মান-সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেয়
আল্লাহর অবাধ্য হওয়ার অন্যতম শাস্তি হলো, আল্লাহ তাআলার নিকট গুনাহগার ব্যক্তির সম্মান ও মর্যাদা নিঃশেষ হয়ে যায়। ফলাফল হিসেবে সে সৃষ্টিজগতেও মান-সম্মানহীন ব্যক্তিতে পরিণত হয়। মানবজাতির মাঝে যে ব্যক্তির তাকওয়া-গুণ সর্বাধিক, আল্লাহ তাআলার নিকট তার মর্যাদাও সর্বোচ্চ। যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যে সবার চেয়ে এগিয়ে থাকে, সে মহান রবের ততই নৈকট্য অর্জন করে। বান্দা তার আনুগত্যের মাত্রা অনুযায়ী আল্লাহ তাআলার নিকট তার অবস্থান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করে নেয়। আবার বান্দা যখন আল্লাহ তাআলার কোনো আদেশ অমান্য করে কিংবা রবের অবাধ্য হয়ে ওঠে তখন সে নিজেই নিজের অবস্থানকে নষ্ট করে ফেলে। আর আল্লাহ তাআলার নিকট যার অবস্থান নষ্ট হয়ে যায়, মানুষের নিকটও তার অবস্থান ও মর্যাদা নষ্ট হতে শুরু করে। আল্লাহর অবাধ্য হতে হতে একপর্যায়ে আল্লাহর নিকট এবং মানুষের নিকটও তার কোনো স্থান বা মর্যাদা বাকি থাকে। গুনাহের শাস্তিস্বরূপ মান-সম্মানহীন নিতান্ত তুচ্ছ এক মানুষে পরিণত হয়ে যায়। অপমান-অপদস্থতার দুঃসহ এক জীবন নিয়ে সে বেঁচে থাকে। সমাজের বোঝা হয়ে, গুরুত্বহীন হয়ে যায়। কোনো সম্মান থাকে না তার জীবনে। তার সুখ, দুঃখ, আনন্দ, বেদনার সকল অনুভূতি মানুষের নিকট গুরুত্বহীন হয়ে যায়। এই নীরব কষ্ট আর যন্ত্রণা সয়েও গুনাহগার ব্যক্তি কেবল প্রবৃত্তির নেশার ঘোরে মোহগ্রস্ত হয়ে সে তার নাফরমানিতে মত্ত থাকে।
বান্দার প্রতি আল্লাহ তাআলার অন্যতম একটি নিয়ামত হলো, আল্লাহ তাআলা সমাজের বুকে তার নাম, মান, মর্যাদা উঁচু করে তোলেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর নির্বাচিত বান্দা ও নবীগণের ব্যাপারে ইরশাদ করেন-
وَاذْكُرْ عِبَادَنَا إِبْرَاهِيمَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ أُولِي الْأَيْدِي وَالْأَبْصَارِ - إِنَّا أَخْلَصْنَاهُمْ بِخَالِصَةٍ ذِكْرَى الدَّارِ
'আপনি স্মরণ করুন, হাত ও চোখের অধিকারী আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়াকুবের কথা। আমি তাদেরকে এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য, তথা তাদেরকে এই জগতের উত্তম আলোচনা ও স্মরণের মধ্যমণি বানিয়ে দিয়েছি।'
অর্থাৎ, লোকেরা তাদেরকে নিয়ে উত্তম ও সুন্দর আলোচনা করবে। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
'আর আমি তো আপনার নাম ও আলোচনাকে করেছি সমুচ্চিত'।
নবীদের অনুসরণ করে মহান আল্লাহর আনুগত্য করার পথে নবীর উম্মত হিসেবে উত্তরাধিকার সূত্রে একজন নেককার বান্দাও নবীদের জন্য প্রদত্ত গুণাবলি অনেকাংশেই অর্জন করতে পারে। আর আল্লাহর নাফরমানির দ্বারা বান্দা সেসকল গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য হারিয়ে বিপরীত চরিত্রে নিজেকে প্রকাশ করে।
टিকা:
[১] সূরা সোয়াদ, আয়াত-ক্রম: ৪৫, ৪৬
[২] সূরা আলাম নাশরাহ, আয়াত-ক্রম: ৪
📄 গুনাহ মানুষকে নিন্দিত করে তোলে
গুনাহে নিমজ্জিত ব্যক্তির নাম থেকে উত্তম উপাধি ও পরিচয় তুলে নেয়া হয়। প্রশংসামূলক ও সম্মানসূচক উপাধি দ্বারা তার নাম ভূষিত হয় না। নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত সব উপাধি তার জন্য বরাদ্দ হয়ে যায়। তার নামের সাথে কেউ তখন মুমিন, নেককার, মুহসিন, মুত্তাকী, আল্লাহর আনুগত্যশীল, তাওবাকারী, আল্লাহর ওলী, বুযুর্গ, আল্লাহভীরু, সালিহ, ন্যায়পরায়ণ, ইবাদাতগুজার, আল্লাহমুখী, উত্তম, আল্লাহর সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, নৈকট্যশীল বান্দা-ইত্যাদি বিশেষণ ব্যবহার করে না।
তার জন্য ব্যবহার করা হয় ফাজির, পাপিষ্ঠ, নাফরমান, মুখালিফ বা ইসলাম-বিদ্বেষী, গুনাহগার, মুফসিদ, বিশৃঙ্খলাকারী, খবিস, নিকৃষ্ট, নরাধম, যিনাকার, ব্যভিচারী, খুনি, মিথ্যুক, খিয়ানতকারী, অবিশ্বস্ত, চোর, ডাকাত, আত্মীয়তার সম্পর্কছিন্নকারী, ধোঁকাবাজ-ইত্যাদি সব মন্দ বিশেষণ।
এই ধরনের পঙ্কিলতাপূর্ণ নামেই গুনাহগারকে অভিহিত করা হয়। কুরআনুল কারীমে বলা হয়েছে-
بِئْسَ الْاِسْمُ الْفُسُوْقُ بَعْدَ الْاِيْمَانِ
'ঈমানের সৌভাগ্য অর্জনের পর কাউকে নিকৃষ্ট নামে ডাকা অত্যন্ত গর্হিত কাজ।।১৯
এই আয়াতে ঈমানদার ব্যক্তিকে ফাসিক বলে আহ্বান করতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু যে ব্যক্তি গুনাহে নিমজ্জিত হয়, বদকারের জীবনকে বেছে নেয়, সে মহান রবের ক্রোধের অনলে পুড়ে ভষ্ম হয়ে যায়। জাহান্নামের আগুন হয় তার গন্তব্য। জাগতিক জীবনে সে লাঞ্ছনা আর অপদস্থতাকে বরণ করে নেয়। পক্ষান্তরে নেককার ও সৎ বান্দাদের জন্য যেসকল নাম ও বিশেষণ ব্যবহার করা হয়, সেই নাম তাদেরকে মানবসমাজে শ্রেষ্ঠত্ব দান করে। মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জন করে তারা। জান্নাতের সুশীতল জীবনধারা তাদেরকে আলিঙ্গন করে নেয়।
আল্লাহর অবাধ্য ব্যক্তি জাগতিক এই জীবনে যেসকল গ্লানিমূলক নিন্দনীয় নাম ও ভূষণের অধিকারী হয়, সমাজে তাকে যেসমস্ত লজ্জাজনক নামে তাকে ডাকা হয়, সুস্থ বিবেকের দৃষ্টিতে গুনাহ থেকে বিরত থাকার জন্য জাগতিক এই গ্লানি ও লজ্জাটুকুই যথেষ্ট। আর গুনাহ থেকে বিরত থেকে সৎ ও নেক কাজের তাৎক্ষণিক প্রতিদান হিসেবে একজন ঈমানদার ব্যক্তি জাগতিক যেসকল প্রশংসামূলক উপাধিতে ভূষিত হয়, শুধুমাত্র সেসব বিশেষণে বিশেষায়িত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাটাই একজন বিবেকবান মানুষ আনুগত্যশীল ও ইবাদাতগুজার হবার জন্য যথেষ্ট।
টিকা:
[১] সূরা হুজুরাত, আয়াত-ক্রম: ১১
📄 গুনাহ মানুষের বিবেক-বুদ্ধিকে প্রভাবিত করে
গুনাহ মানুষের বোধ ও বুদ্ধি হ্রাস করায় ব্যাপক প্রভাব ফেলে। একজন চালাক-প্রকৃতির গুনাহগার বান্দার তুলনায় বুদ্ধিমান আনুগত্যশীল বান্দার মেধার প্রখরতা ও তীক্ষ্ণতা অধিক কার্যকরী থাকে। তার চিন্তা-চেতনায় সত্য ও সঠিক দিক ফুটে ওঠে। তাঁর মত ও প্রস্তাবনা বাস্তবমুখী ও গ্রহণযোগ্য হয়। পবিত্র কুরআনুল কারীমেও আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন আয়াতে বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ লোকদেরকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ করেন-
وَاتَّقُونِ يَا أُولِي الْأَلْبَابِ
'বিবেক-বোধসম্পন্ন হে সম্প্রদায়! তোমরা আমাকে ভয় করো।'
فَاتَّقُوا اللَّهَ يَا أُولِي الْأَلْبَابِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
'সফল হওয়ার লক্ষ্যে তোমরা আল্লাহ তাআলাকে ভয় করো, হে বুদ্ধিমান সম্প্রদায়!'
وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّا أُولُو الْأَلْبَابِ
'প্রকৃত বিচক্ষণ ব্যক্তিরাই শিক্ষা অর্জন করে।'
আর বাস্তবতা হলো, প্রকৃত বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ ব্যক্তি কখনোই এমন সত্তার বিরুদ্ধাচরণ করতে পারে না, যাঁর নিয়ন্ত্রণে সে বেঁচে থাকে, যাঁর দৃষ্টিসীমার মাঝেই তার ওঠাবসা। যে মহান সত্তার নিকট কোনো বিষয়ই গোপন থাকে না, তার অবাধ্যতা প্রকাশ করে কোনো ব্যক্তি কখনোই নিজেকে পূর্ণ ও প্রখর মেধার অধিকারী দাবি করতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে একজন গুনাহগার ব্যক্তিও আল্লাহ তাআলার ক্রোধে জর্জরিত হওয়া সত্ত্বেও প্রতিনিয়ত আল্লাহর নিয়ামতের দ্বারাই জীবন ধারণ করে বেঁচে থাকে। নাফরমানিতে লিপ্ত হয়ে সে জীবনের প্রতিটি ক্ষণে মহান রবের অসন্তুষ্টি, দূরত্ব আর অভিশাপের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে।
পাপ-পঙ্কিলতাপূর্ণ জীবনের কালো অধ্যায়ে সে আল্লাহ তাআলার দয়ার দরজা থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছে, তার অবাধ্য আচরণে আল্লাহ তাআলা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, তাকে পদে পদে অপদস্থ করছেন। জীবনের সুখ-শান্তি, মহান রবের সন্তুষ্টি, ভালোবাসা, নৈকট্য, চক্ষু ও অন্তরের প্রশান্তি, নেককার ও বুযুর্গ ব্যক্তিদের দলভুক্ত হওয়ার সৌভাগ্য- সার্থক জীবনের সকল উপাদান থেকে সে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী ভোগ-বিলাসে মোহগ্রস্ত কোনো পাপিষ্ঠ লোককে এজন্যই পূর্ণমাত্রার বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান বলে বিশেষায়িত করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। ক্ষণস্থায়ী এ আনন্দ-উপকরণ একদিন তার জীবন থেকে আধোঘুমের স্বপ্নের মতো নিঃশেষ হয়ে যাবে। চিরস্থায়ী সুখ-শান্তি আর মহাসাফল্যের সোপান অধরাই থেকে যাবে তার জীবনে। জাগতিক ও পরকালীন জীবনের এ মহাসৌভাগ্যকে স্বেচ্ছায় ত্যাগ করে অস্থায়ী ও অনিশ্চিত এক উশৃঙ্খল আয়েশি জীবন গ্রহণকারী এমন পাপিষ্ঠ ব্যক্তি যদি দুনিয়াবি অন্য কোনো স্বাভাবিক বিষয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হতো, তাকে অবশ্যই মানসিক বিকারগ্রস্ত পাগল বলে আখ্যায়িত করা হতো।
সুস্থ বিবেক ও বুদ্ধিমত্তার আলোকে এ কথা সহজেই বোঝা যায়-প্রকৃত সুখ-শান্তি ও আরাম-আয়েশসহ সবধরনের নিয়ামত মহান রবের সন্তুষ্টিতেই নিহিত রয়েছে। আর সকল প্রকার দুঃখ, কষ্ট, ক্লেশ ও যন্ত্রণা রবের অসন্তুষ্টি ও ক্রোধের মাঝে লুকায়িত।
চোখের শীতলতা, আত্মার প্রশান্তি, প্রাণবন্ত হৃদয়, হৃদয়ের প্রফুল্লতা, জীবনের স্বাদ, বেঁচে থাকার স্বার্থকতা এবং পরকালের অমূল্য নিয়ামতরাজি—সবকিছুর চাবি হচ্ছে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি। পরকালীন নিয়ামতের সামান্যতম অংশও যদি বান্দার ভাগ্যে জুটে যায়, দুনিয়ার সকল নিয়ামত তার নিকট তুচ্ছ ও গৌণ মনে হবে। মহান রবের আনুগত্য ও সন্তুষ্টির চেষ্টারত বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ ঈমানদার ব্যক্তি কার্যত দুনিয়াতেও আল্লাহর নাফরমান বান্দার চেয়ে উত্তম ও উৎকৃষ্ট জীবন যাপন করে। নিশ্চিন্ত ও ভাবনাহীন স্বাচ্ছন্দ্যময় এক জগত-সংসারে সে বসবাস করে। নাফরমান বান্দার তুলনায় তার জীবনের দুঃখ, কষ্ট, দুশ্চিন্তা তুলনামূলক কম ও সহনীয় পর্যায়ে থাকে। একজন নেককার বান্দা প্রকৃতপক্ষে একইসাথে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতের নিয়ামতের সুখ-সাগরে ভাসতে থাকে। আর গুনাহগার বান্দার পরিণতি কতই-না করুণ! সাময়িক ও ক্ষণিকের ভোগ-বিলাসে মত্ত হয়ে সে চিরস্থায়ী সুখের ঠিকানা হারিয়ে ফেলে। সে যেন কোনো নির্বোধ ব্যবসায়ী; মূল্যবান মণিমুক্তা দিয়ে যে বাজার থেকে শুকনো গোবর খরিদ করে, সুগন্ধযুক্ত মেশক আম্বর দিয়ে কেনে দুর্গন্ধময় আবর্জনা। আল্লাহ তাআলার নিয়ামতপ্রাপ্ত নবী, সিদ্দীক, শহীদ ও নেকলোকদের সান্নিধ্য লাভের সুযোগ নষ্ট করে অভিশপ্ত লোকদের সংশ্রবকে সে গ্রহণ করেছে।
ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়ায় মুমিনগণ যে কষ্ট ও সাময়িক দুশ্চিন্তার শিকার হন, সে ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
إِنْ تَكُونُوا تَأْلَمُونَ فَإِنَّهُمْ يَأْلَمُونَ كَمَا تَأْلَمُونَ وَتَرْجُونَ مِنَ اللَّهِ مَا لَا يَرْجُونَ
'যদি তোমরা কষ্টপ্রাপ্ত হও, তবে তারাও তো তোমাদের মতোই কষ্টপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু তোমরা আল্লাহ তাআলার নিকট যা আশা করো, তারা তা আশা করে না।১৯
টিকা:
[১] সূরা বাকারা, আয়াত-ক্রম: ১৯৭
[২] সূরা মায়িদা, আয়াত-ক্রম: ১০০
[৩] সূরা বাকারা, আয়াত-ক্রম: ২৬৯
[১] সূরা নিসা, আয়াত-ক্রম: ১০৪