📘 রূহের খোরাক > 📄 আল্লাহর ওয়াদা ও ভয়ভীতির প্রতি সন্দেহ-পোষণ

📄 আল্লাহর ওয়াদা ও ভয়ভীতির প্রতি সন্দেহ-পোষণ


পরকাল বিষয়ে সন্দেহের জন্ম দেয়
আল্লাহর কিছু দুর্ভাগা বান্দা নামে মুসলিম হলেও কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত আল্লাহ তাআলার বিভিন্ন ওয়াদা, জান্নাত ও জাহান্নামের বিভিন্ন বর্ণনা শয়তানের কুমন্ত্রণায় পড়ে অবিশ্বাস করে থাকে অথবা সন্দিহান হয়ে দোদুল্যমান এক জীবনে মগ্ন থাকে। তাদের অবিশ্বাস বা দোদুল্যমানতা থেকেই তারা চিন্তা করে—আমার সামনে এই মুহূর্তে উপস্থিত দুনিয়াই তো নিশ্চিত, হাতের মুঠোয় আছে। আর পরকাল সে তো সামনের কোনো এক সময়ের সন্দেহময় জীবন। যেই জীবন অনিশ্চিত। যেই জীবনে জান্নাত কিংবা জাহান্নাম অথবা সুখ কিংবা দুঃখের কোনো নিশ্চয়তা নেই। সেই অনিশ্চিত সময়ের জন্য আমি কেন এই নিশ্চিত সুখময় সময়কে উপভোগ করব না!
এসকল সন্দিহান মুসলিম বান্দার জন্য রয়েছে শাশ্বত মহাগ্রন্থ কুরআনুল কারীম। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে—
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ
‘কুরআনে নাযিলকৃত আয়াতের মধ্যে আমি মুমিনদের জন্য রহমত ও শিফা অবতীর্ণ করেছি।’১
দোদুল্যমান এই মুমিনরা আল্লাহ তাআলার নিদর্শন নিয়ে চিন্তা করলে তাদের এই সন্দেহ দূর হয়ে যাবে। যখন তারা আল্লাহ তাআলার অস্তিত্ব, কুদরত, তাঁর সীমাহীন রাজত্ব, ইচ্ছাশক্তি, একত্ববাদ, বিভিন্ন যুগে প্রেরিত রাসূলগণের ইতিহাস ইত্যাদি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করবে তখন তার সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে নবীদের সত্যবাদিতা। নবীগণ যে জান্নাত-জাহান্নাম-পরকালের সংবাদ দিয়েছেন তা তার নিকট সন্দেহাতীতভাবে সত্য হিসেবে প্রমাণিত হবে।
এমনকি মানুষ যখন তার নিজ অস্তিত্বের বিন্দু থেকে জীবনের সিন্ধু পর্যন্ত একবার গভীর নজরে তাকাবে, তখন আল্লাহ তাআলার কোনো ওয়াদা ও সতর্কতাকেই সন্দেহের চোখে দেখতে পারবে না। সামান্য বীর্যফোঁটা থেকে বিস্ময়কর জীবনের এতগুলো স্তর যে স্রষ্টা সুনিপুণভাবে আঞ্জাম দিয়ে আসছেন, যিনি শৈশব, কৈশোর, যৌবন আর বার্ধক্যের দিকে মানুষকে ঠেলে দিচ্ছেন, তাঁর কোনো কথাই অনর্থক হতে পারে না। তাঁর প্রতিটি কথা, ওয়াদা, ভীতিপ্রদর্শন শতভাগ সত্য, সন্দেহ-সংশয়ের বহু ঊর্ধ্বে। এভাবে বান্দা যখন সত্যিকারার্থেই নিজেকে নিয়ে চিন্তামগ্ন হবে, সে মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ঈমানের আলোয় তাঁর প্রতিটি কথার সত্যতা পাবে।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
وَفِي أَنْفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ
'তোমাদের নিজেদের মধ্যেও রয়েছে বহু নিদর্শন। তোমরা কি এসব দেখতে পাও না?'[১]

টিকাঃ
[১] সূরা ইসরা, আয়াত-ক্রম: ৮২
[১] সূরা যারিয়াত, আয়াত-ক্রম: ২১

📘 রূহের খোরাক > 📄 একজন মুমিনের শরীয়ত-প্রতিপালনে অবহেলার কারণ

📄 একজন মুমিনের শরীয়ত-প্রতিপালনে অবহেলার কারণ


কোনো ব্যক্তি যদি জানতে পারে, আগামীকাল তাকে বাদশাহর দরবারে উপস্থিত হতে হবে, কোনো কৃতকর্মের জন্য তাকে রাজ দরবারে ভর্ৎসনা করা হবে কিংবা শাস্তি দেওয়া হবে অথবা তাকে বাদশাহ সম্মানিত করবেন বা পুরস্কৃত করবেন তাহলে তো এই ব্যক্তি সারাদিন সারারাত এই চিন্তায়ই বিভোর থাকবে। তাকে কখনো উদাসীন, বেখেয়ালি অথবা রাজদরবারে যাওয়ার প্রস্তুতি ব্যতীত ভিন্ন কোনো ব্যস্ততায় পাওয়া যাওয়ার কথা না! অথচ পরকালকে বিশ্বাস করে, মনে-প্রাণে সে আখিরাতের ব্যাপারে দৃঢ়প্রত্যয়ী, মহান রবের সামনে জীবনের হিসাব দেওয়ার ব্যাপারে তার মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই—এমন বহু লোককে দেখা যায়, সে আখিরাত ভুলে দুনিয়ার মোহে বিভোর হয়ে দিন কাটাচ্ছে। তার ওঠাবসা, চাল-চলনে পরকাল-বিস্মৃত উদাসীন ব্যক্তির মতোই মনে হয়। একদিকে তার অন্তর আখিরাতে পূর্ণ বিশ্বাসী, অন্যদিকে তার জীবনাচারে রয়েছে শরীয়ত-প্রতিপালনে যথেষ্ট দুর্বলতা। এ ধরনের মানুষের এই দ্বিমুখী আচরণের কারণ-
জ্ঞানের স্বল্পতা।
দুর্বল বিশ্বাস।
জাগতিক অতিব্যস্ততা।
দুনিয়ার মোহ।
প্রবৃত্তির চাহিদা।
স্বভাবজাত ইচ্ছা ও কল্পনা।
কামোদ্দীপক লোভ-লালসা।
শয়তানের ধোঁকা।
নিজের অবস্থানকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা।
এসব কারণে একজন বিশ্বাসী ব্যক্তিও কখনো কখনো অন্তরের বিশ্বাসের বিপরীতে গিয়ে পরকালকে অবিশ্বাসকারী ব্যক্তির মতো জীবনযাপন করতে পারে। এসব ধোঁকার মায়াজাল ছিন্ন করতে গিয়ে মানুষের মাঝে ঈমানের দৃষ্টিকোণ থেকে পার্থক্য জন্ম নেয়। আল্লাহ তাআলার প্রতি সকল মুসলিম একই ঈমান রাখলেও তাদের ঈমানী শক্তির মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয়ে যায় উল্লিখিত কারণসমূহের প্রভাবে।
বিশ্বাসী মানুষের অন্তরে বিদ্যমান উল্লিখিত সকল কারণের প্রতিকার হলো, ধৈর্যশক্তি ও অন্তর্দৃষ্টিজ্ঞান। আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীল ও অন্তর্দৃষ্টিজ্ঞান-সম্পন্ন দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তিদের প্রশংসায় আয়াত অবতীর্ণ করে ইরশাদ করেন-
وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا لَمَّا صَبَرُوا وَكَانُوا بِآيَاتِنَا يُوقِنُونَ
'তারা যেহেতু সবর করত তাই আমি তাদের মধ্য থেকে নেতৃস্থানীয় লোকদের মনোনীত করেছিলাম, যারা আমার নির্দেশে পথপ্রদর্শন করত। আর তারা আমার আয়াতসমূহে ছিল দৃঢ় বিশ্বাসী।'

টিকাঃ
[১] সূরা সিজদা, আয়াত-ক্রম: ২৪

📘 রূহের খোরাক > 📄 গুনাহের ক্ষতি

📄 গুনাহের ক্ষতি


ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম বলেন, এবার আমরা আমাদের গ্রন্থের মূল আলোচনা শুরু করতে পারি। অর্থাৎ, কারো অন্তরে যদি গুনাহ-আসক্তি বিদ্যমান থাকে তাহলে তার দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগতই নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ব্যক্তির জেনে রাখা আবশ্যক যে, গুনাহ বান্দার অন্তরে বিষের মতো প্রভাব ফেলে।
গুনাহের কাজ নিশ্চিতভাবেই মানুষের জন্য ক্ষতিকর। বিষ যেভাবে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর তেমনই গুনাহ ও পাপাচার মানুষের অন্তরের জন্য বিষতুল্য। মহান আল্লাহর আনুগত্য ছেড়ে দিয়ে অবাধ্যতা ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার কারণেই বস্তুত পার্থিব জগতের সকল অনিষ্ট, দুঃখ, কষ্ট, ক্লেশ, ধ্বংস, পতন এবং বরবাদির ঘটনা প্রকাশ পেতে থাকে।

📘 রূহের খোরাক > 📄 ইতিহাসের সাক্ষ্য

📄 ইতিহাসের সাক্ষ্য


আল্লাহ তাআলার অবাধ্যতা ইবলিসকে ফিরিশতাদের রাজ্য থেকে বহিষ্কৃত ও ধিকৃত করেছে। পৃথিবীর সর্বোচ্চ অভিশাপপ্রাপ্ত প্রাণীতে পরিণত করেছে। জগতের সবচেয়ে ঘৃণিত, বিকৃত, কুৎসিত, কদাকার, কুশ্রী আর বদকার সৃষ্টির নাম এই ইবলিস। গুনাহ আর নাফরমানির কারণে সে আরশের নৈকট্যের পরিবর্তে সীমাহীন দূরত্বের জিন্দেগিতে পতিত হয়েছে। মহান আল্লাহর রহমতের বদলে তার জীবন এখন অভিশাপে পরিপূর্ণ। চারিত্রিক গুণাবলি ছেড়ে কদর্য চরিত্রের আধারে পরিণত হয়েছে সে। জান্নাতের নিয়ামত ত্যাগ করে প্রজ্জ্বলিত আগ্নেয়গিরির জাহান্নামকে বাসস্থান হিসেবে গ্রহণ করেছে। নাফরমানিতে মোহগ্রস্ত হয়ে ঈমানের নূরকে কুফরির অন্ধকার দিয়ে ঢেকে দিয়েছে। অবাধ্যতার কারণে সবচেয়ে উত্তম ও দয়ালু অভিভাবকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা করেছে। এই গুনাহের কারণেই পৃথিবীর বুকে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশি অপদস্থ আর লাঞ্চিত হয়েছে।
মহাপরাক্রমশালীর ক্রোধের অনলে পুড়ে ছারখার হয়ে সে জাগতের সমগ্র কাফির, ফাসেক, বদকার আর নিকৃষ্ট লোকদের সরদারে পরিণত হয়েছে। অথচ সে ছিল সৃষ্টিজগতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবিদ, যাহিদ আল্লাহমুখী ইবাদাতকারী। গুনাহের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে একপর্যায়ে বিশ্ববাসীর সকল পাপকর্মের দায়-দায়িত্ব ও নেতৃত্ব গ্রহণ করার ব্রতে নিজেকে অর্পণ করে দিয়েছে।
হে আল্লাহ! আপনারই দরবারে আমরা আশ্রয় প্রার্থনা করি আপনার আদেশের অবাধ্য হওয়া থেকে, আপনার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করা থেকে, আপনি আমাদেরকে রক্ষা করুন।
ইবলিসের কুমন্ত্রণায় আল্লাহ তাআলার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করায় আদি পিতা আদম ও আদি মাতা হাওয়া আলাইহিমাস সালাম জান্নাতের নিয়ামতরাজি থেকে পৃথিবীর বুকে প্রেরিত হয়েছেন। সুখ, শান্তি, আরাম আর বিলাসের জীবনাচার থেকে তাদেরকে প্রেরণ করে দেয়া হয়েছে দুঃখ দুর্দশাগ্রস্ত কষ্ট, ক্লেশে জর্জরিত এই পৃথিবীতে।
আল্লাহর নাফরমানি মানবজাতির জন্য এমন এক ভায়ানক দূরবস্থা, যার ফলে নাফরমানদের পুরো সম্প্রদায়কে নূহ আলাইহিস সালামের সময়কালে নিমজ্জিত করে দেয়া হয়েছিল ধ্বংসাত্মক এক মহাপ্লাবনে। এমনকি প্লাবনের জলরাশি পাহাড়কে পর্যন্ত ডুবিয়ে ফেলেছিল।
এই গুনাহের কারণেই আদ সম্প্রদায়ের উপর প্রবাহিত হয়েছে প্রলয়ঙ্করী ঝঞ্চা বায়ু। মানুষগুলো সব উদম বাগানের কাঁটা খেজুরগাছের মতো মুখ থুবড়ে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। তাদের ঘরবাড়ি, সাজানো সংসার চূর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে স্মৃতিলীন হয়ে আছে।
আল্লাহর অবাধ্যতার কারণেই সামূদ সম্প্রদায়কে হৃৎপিণ্ডে চিড়ধরানো তীব্র আওয়াজের মাধ্যমে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।
পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার কারণেই লূত আলাইহিস সালামের সম্প্রদায়কে ফিরিশতাগণ আল্লাহর হুকুমে জমিন থেকে আকাশের দিকে উঠিয়ে আছাড় মেরে ফেলে সমূলে ধ্বংস করে দিয়েছেন, পাথরের বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন। মাটিসমেত উলটে ফেলার কারণে সেই স্থানে প্রবাহিত হয়েছে জমাটবদ্ধ লবণাক্ত সাগর।
আল্লাহর নাফরমানিতে ডুবে থাকা শুআইব আলাইহিস সালামের জাতিকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে আসমানের বারিবহ মেঘমালা দিয়ে। ঘন কালো মেঘ তাদের অঞ্চলকে আঁধার-কালো করে তাদের উপর বর্ষণ করেছে অগ্নিবৃষ্টি। অবাধ্য সম্প্রদায় তাদের নাফরমানির কারণে আল্লাহর আযাবে ভস্মীভূত হয়েছে।
গুনাহের কারণেই তো ফিরআউন আর তার দলবলকে সমুদ্রে ডুবিয়ে মারা হয়েছে। ফিরআউনের দেহকে সমুদ্রে ডুবিয়ে সংরক্ষিত করা হয়েছে বিশ্ববাসীর শিক্ষার্জনের জন্য আর পাপাচার আত্মাকে ছুড়ে ফেলা হয়েছে জাহান্নামের লেলিহান অগ্নি-গহ্বরে।
ধনাঢ্য কারুনকে তার আলিশান বাসস্থান, ধন-সম্পদসহ ধুলোয় মিশিয়ে দেয়া হয়েছে এই গুনাহের কারণেই।
ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত জাতি বনী ইসরাঈলের জীবনাচার বারবার চরমভাবে সামগ্রিক বিপর্যয়ে পর্যদুস্ত হয়েছে আল্লাহ তাআলার লাগাতার নাফরমানি ও অবাধ্যতার ফলে। প্রচণ্ড ক্ষমতাধর অত্যাচারী বাদশাহকে তাদের জন্য ন্যস্ত করা হয়েছে। বাদশাহর সৈন্যবাহিনী তাদের বাড়িঘরে লুণ্ঠন করে তাদেরকে হত্যা করেছে। নারী ও শিশুদেরকে দাস-দাসীতে পরিণত করেছে। ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে বিরান ভূমিতে পরিণত করেছে শহরের পর শহর। তবুও তারা সতর্ক হয়নি। রবের নাফরমানিতেই নিমজ্জিত হয়েছে পুনরায়। ফলে আবারও তাদের উপর জালিম শাসক চাপিয়ে দেয়া হয়েছে, যে তাদের পুরো সাম্রাজ্যের উপর ধ্বংস আর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছে। এভাবে আল্লাহর নাফরমানি, অবাধ্যচারণ, গুনাহ আর পাপ-পঙ্কিলতায় যতবারই বনী ইসরাঈলের লোকেরা সম্মিলিতভাবে লিপ্ত হয়েছে, ততবারই তাদেরকে বিভিন্ন রকমের শাস্তি আর দুর্যোগ দিয়ে লণ্ডভণ্ড করে দেয়া হয়েছে। কখনো হত্যা ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে, কখনো অত্যাচারী শাসকদের দ্বারা, কখনো বানর কিংবা শুকরে রূপান্তরিত করে, আবার কখনো দুর্ভিক্ষ ও অভাব-অনটনের মাধ্যমে তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিয়ে তাদের পাপের পার্থিব প্রতিদান দেয়া হয়েছে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীনও কৃতকর্মের ফলাফল স্বরূপ তাদের ভাগ্যে এই দুর্ভোগ, দুর্দশাকে স্থায়ী করে দিয়েছেন। কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হচ্ছে-
لَيَبْعَثَنَّ عَلَيْهِمْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَنْ يَسُومُهُمْ سُوءَ الْعَذَابِ
'অবশ্যই আপনার রব কিয়ামত অবধি তাদের বিরুদ্ধে এমন লোকদের প্রেরণ করবেন, যারা তাদেরকে আস্বাদন করাবে অত্যন্ত নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি ও নির্যাতন।'[১]

টিকাঃ
[১] সূরা আরাফ, আয়াত-ক্রম: ১৬৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00