📄 আল্লাহর পরিপূর্ণ দাসত্ব
এরপর শাইখ একটু থামলেন, যেন কেউ কিছু জিজ্ঞেস করতে চাইলে, জিজ্ঞেস করতে পারে। আমি বললাম, 'শাইখ, আমরা সম্ভবত এখন এই আলাপ করতে পারি যে, মহব্বত ও ইবাদত একটি আরেকটির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। অর্থাৎ, অন্তরে আল্লাহর মহব্বত বৃদ্ধি পেলে তাঁর দাসত্বও (ইবাদত) বেড়ে যায়; আবার, মহব্বত কমে গেলে দাসত্বও কমে যায়। এ কথা কি ঠিক?'
শাইখ বললেন-'হাঁ, আমি এটাই বলতে চেয়েছি; কারণ, অন্তরে আল্লাহর মহব্বত বাড়লেই তাঁর দাসত্ব বাড়ে; তাঁর দাসত্ব বাড়লেই অন্য সব কিছুর প্রতি বিরাগ ও উদাসীনতা বাড়তে থাকে। অন্তর আসলে সত্তাগতভাবে দুই কারণে আল্লাহর মুখাপেক্ষী। এক. ইবাদতের কারণে; এটাই মৌলিক কারণ। দুই. সাহায্য-কামনা ও তাওয়াক্কুলের কারণে; এর মাধ্যমে অন্তর পরিচালিত হয়।'
'রবের ইবাদতেই অন্তর সুখ শান্তি সফলতা শুদ্ধতা পরিতৃপ্তি ও স্থিরতা লাভ করে। এজন্যই তিনি হয়ে আছেন প্রভু, প্রিয়তম ও বহুকাঙ্ক্ষিত; আবার অন্তর এই সুখ স্বাদ আনন্দ নিয়ামত, প্রশান্তি ও স্থিরতা অনুভব করে তাঁর মাধ্যমেই। অর্থাৎ, এগুলো তাঁর সাহায্যে তাঁর কাছ থেকেই অর্জিত হয়; অন্য কেউ নয়; বরং তিনিই এগুলো দান করেন। ফলে, "আমরা আপনারই ইবাদত করি; এবং আপনার নিকটেই সাহায়্য কামনা করি"[১]-কুরআনের এই আয়াতের বাস্তবতার কাছে সততই ঋণী হয়ে থাকে অন্তর।
'কারণ, বান্দা যা কিছু ভালোবাসে, যা কিছু পছন্দ করে এবং যা কিছু তালাশ করে ও ইচ্ছা করে, সেসবের ক্ষেত্রে যদি সে আল্লাহর সাহায্যপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু আল্লাহর এমন ইবাদতের সৌভাগ্য তার না হয়, যেই ইবাদতে আল্লাহই হবেন তার চূড়ান্ত লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং তিনিই হবেন তার সর্বপ্রথম ও প্রধান প্রিয়জন, সত্তাগতভাবে কেবল তাঁকেই সে ভালোবাসবে, অন্য কারও প্রতি ভালোবাসাটাও তাঁকে ভালোবাসার অনুগামী হবে, তাহলে বোঝা যাবে, সে আসলে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'র মর্ম অনুধাবন ও বাস্তবায়ন করতে পারেনি; এবং তাওহিদ (একত্ববাদ), উবুদিয়্যাত (দাসত্ব) ও মহব্বতও সে দেখাতে পারেনি; তার মধ্যে বহু ত্রুটি ও অপূর্ণতা রয়ে গেছে; বরং বহু দুঃখ, কষ্ট ও আফসোসেই পতিত হয়ে আছে সে।'
'আবার যদি সে আল্লাহকে পাওয়ার কোশেশ করে, কিন্তু আল্লাহর প্রতি ভরসা ও মুখাপেক্ষিতা না দেখায়, তাঁর সাহায্য প্রার্থনা না করে, তাহলে কিছুই অর্জিত হবে না। কারণ, তিনি যা চান তা-ই বান্দা পায়; তিনি যা চান না, বান্দা তা পায় না।'
'তাই, আল্লাহর প্রতি বান্দা মুখাপেক্ষী; কারণ, তিনিই বান্দার অভিষ্ট লক্ষ্য, তিনিই তার কাঙ্ক্ষিত প্রেমাস্পদ ও মাবুদ। আবার তাঁর প্রতি বান্দা এ কারণেও মুখাপেক্ষী যে, তাঁর নিকটেই সাহায্য চাইতে হয়; তাঁর প্রতিই ভরসা করতে হয়। ফলে, তিনি বান্দার এক অদ্বিতীয় ইলাহ (প্রভু ও মাবুদ); এবং তিনিই বান্দার অদ্বিতীয় রব (লালন-পালনকারী, সবকিছুর যোগানদানকারী)।'
'মোটকথা, এই দুটি (তথা, আল্লাহ তাআলাই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হওয়া এবং সাহায্য প্রার্থনাও তাঁর কাছেই হওয়া) ছাড়া আল্লাহর দাসত্ব পূর্ণতা পায় না। তাই, বান্দা সত্তাগতভাবে আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভালোবাসলে, কিবা, অন্য কারও প্রতি সাহায্য প্রার্থনার দৃষ্টি দিলে, যাকে সে ভালোবেসেছে, বা যার কাছ থেকে সাহায্যপ্রাপ্তির আশা করেছে, ভালোবাসা ও সাহায্যের আশা-অনুসারে সে তার গোলামে পরিণত হয়।'
'পক্ষান্তরে, সত্তাগতভাবে কেবল আল্লাহকেই ভালোবাসলে; অন্য কিছুকেও কেবল তাঁর জন্যই মহব্বত করলে; কেবল তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করলে; দুনিয়াবি কোনো উপায়-উপকরণ গ্রহণ এবং কোনো কিছু অর্জনের ক্ষেত্রে এই বিশ্বাস করলে, যে, আল্লাহ তাআলাই একে সৃষ্টি করেছেন এবং এভাবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন; আসমান ও জমিনের সব কিছুর রব, মালিক ও স্রষ্টা তিনিই; তাঁরই নিকটে মুখাপেক্ষী সবাই; এমনটা করতে পারলে তবেই বলা যাবে যে, আল্লাহর প্রতি বান্দার পরিপূর্ণ উবুদিয়্যাত (তথা দাসত্ব) অর্জিত হয়েছে।'
টিকাঃ
[১] সূরা ফাতিহা; আয়াত-ক্রম: ০৪
📄 আল্লাহর দাসত্বের স্তরসমূহ
আমি বললাম, 'শাইখ, স্বাভাবিকতই মানুষ এক্ষেত্রে বিভিন্ন স্তরের হবে; প্রতিযোগিতার ময়দানে যেমনটা হয়। তো, এক্ষেত্রে মানুষের স্তর কয়টি বা কী কী, তা জানা যাবে?'
শাইখ বললেন, 'আসলে এক্ষেত্রে মানুষ এত অসংখ্য স্তরে বিভক্ত যে, আল্লাহ ব্যতীত কারও পক্ষে এটা গোনা সম্ভব না। ব্যস, সৃষ্টির মধ্যে (বাহ্যিক ও আত্মিকভাবে) সবচেয়ে পূর্ণতা, মর্যাদা, উচ্চতা ও আল্লাহর নৈকট্যের অধিকারী যে ব্যক্তি; এবং (দ্বীনি বিষয়ে) সবচেয়ে শক্তিশালী ও হিদায়াতপ্রাপ্ত যে, সে-ই আল্লাহর সবচেয়ে পরিপূর্ণ দাস।'
'যেই বার্তা দিয়ে রাসূলগণকে প্রেরণ করা হয়েছে এবং যেই দিকনির্দেশনা দিয়ে নাজিল করা হয়েছে আসমানি কিতাবসমূহ, তার মূলকথাও এটিই। অর্থাৎ, বান্দা নিজেকে শুধু আল্লাহর নিকটেই সমর্পণ করবে। ফলে, আল্লাহর নিকট এবং তাঁকে ছাড়া অন্য কারও নিকটেও নিজেকে সমর্পণকারী হলো মুশরিক; আর, যে নিজেকে আল্লাহর নিকট সমর্পণে অস্বীকৃতি জানায়, সে অহংকারী, কাফির।'
'সহিহ হাদিসে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে-
لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ مِنْ كِبَرٍ وَلَا يَدْخُلُ النَّارَ يَعْنِي مَنْ كِانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ إِيْمَانٍ
"অন্তরে অণুপরিমাণও অহংকার-পোষণকারী জান্নাতে যাবে না; যেমনিভাবে জাহান্নামে যাবে না অণুপরিমাণ ঈমানের অধিকারীও।”' [১]
'দেখুন, এখানে অহংকার আনা হয়েছে ঈমানের বিপরীতে; কারণ, দাসত্বের মর্ম ও তাৎপর্যের বিরোধী এই অহংকার। এজন্যই তো সহিহ হাদিসে এসেছে, নবীজি বলেন-
قَالَ اللَّهُ تَعَالَى الْكِبْرِيَاءُ رِدَائِي وَالْعَظْمَةُ إِزَارِي فَمَنْ نَازَعَنِي وَاحِدًا مِنْهُمَا قَذَفْتُهُ فِي النَّارِ
"আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, বড়ত্ব আমার কাপড়, আর অহংকার আমার চাদর; এর কোনো একটি নিয়ে কেউ আমার সঙ্গে ঝগড়া করলে আমি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব।”[২]
'বড়ত্ব ও অহংকার হলো রবের মহান দুটি বৈশিষ্ট্য। তবে আজমতের (বড়ত্ব) চেয়ে কিবরিয়া (অহংকার) বড়। এ কারণে অহংকারের তুলনা করেছেন চাদরের সঙ্গে, আর বড়ত্বের তুলনা করেছেন (লুঙ্গি-জাতীয়) কাপড়ের সঙ্গে।
'এ কারণেই তো আজান, নামাজ ও ঈদের প্রতীক হলো তাকবির (যা মহান রবের কিবরিয়ার প্রকাশ); আবার, সাফা-মারওয়ার মতো সম্মানিত স্থানে এবং উঁচু জায়গা বা বাহনে আরোহণের সময় এই তাকবির বলা মুস্তাহাব। বিরাটাকারে আগুন লাগলে তাকবিরের মাধ্যমে তা নেভানো যায়; আজানের সময় এই তাকবিরের কারণেই শয়তান পালায়।'
'আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ “তোমাদের রব বলেন, আমাকে ডাকো; আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। নিশ্চয়ই যারা আমার ইবাদত থেকে অহংকার-বশত মুখ ফিরিয়ে নেয়, তারা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।”[১]
'আল্লাহর ইবাদত থেকে অহংকার-বশত মুখ ফিরিয়ে নেয় যে, সে অবশ্যই অন্য কারও পূজায় লিপ্ত হয়। কারণ, মানুষ অনুভূতিশীল প্রাণী; নিয়ত ও ইচ্ছা দ্বারা সে পরিচালিত হয়। সহিহ হাদিসে এসেছে, নবীজি বলেছেন-
أَصْدَقُ الْأَسْمَاءِ: حَارِثٌ وَهَمَّامٌ | “সবচেয়ে যথার্থ নাম হলো হারিস ও হাম্মাম।”[২]
“হারিস' হলো কর্মচারী ও উপার্জনকারী; আর 'হাম্মাম' শব্দটি হাম্মুন ধাতু থেকে জোরদার ও উচ্চ পর্যায়ের অর্থ দেওয়ার জন্য গঠিত। হাম্মুন অর্থ হলো, প্রথম ইচ্ছা।
এখন এই দুটি (উপার্জনকারী ও প্রবল ইচ্ছার অধিকারী) নামকে বলা হলো যথার্থ। তার মানে, সবসময়েই মানুষের মধ্যে কোনো না কোনো ইচ্ছা থাকে; প্রতিটি ইচ্ছারই আবার একটি অভিষ্ট গন্তব্য থাকে। এমনিভাবে, প্রতিটি বান্দার ইচ্ছা ও ভালোবাসার গন্তব্যরূপে কাঙ্ক্ষিত ও উদ্দিষ্ট কিছু একটা থাকে। এখন যে ব্যক্তি নিজের ইচ্ছা ও ভালোবাসার গন্তব্যরূপে আল্লাহ তাআলাকে মাবুদ হিসেবে গ্রহণ না করবে, বরং অহংকারের বশে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে; তারও তো আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো পূজনীয় উদ্দিষ্ট ও কাঙ্ক্ষিত কেউ থাকবে। ফলে, সে ওই পূজনীয় সত্তার গোলামে পরিণত হবে। সেই সত্তা হয়তো সম্পদ হবে, নতুবা হবে সম্মান মর্যাদা বা প্রতিপত্তি। অথবা সেই সত্তা হবে এমন, আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাকে সেই লোকটা ইলাহুরূপে গ্রহণ করেছে। যেমন- সূর্য, তারকা, নক্ষত্র, বিভিন্ন নবী ও ফেরেশতা (আলাইহিমুস সালাম); কিবা, নবী ও ওলিগণের কবর ইত্যাদি।'
'আর, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারও দাস হওয়া মানে মুশরিক হয়ে যাওয়া। আর, প্রত্যেক অহংকারীই মুশরিক। এজন্যই আমরা জানি যে, ফেরাউন ছিল আল্লাহর ইবাদত থেকে সৃষ্টিকুলের সবচেয়ে বড় অহংকারী, আর সে তো মুশরিক।
'আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَ لَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِـَٔايَـٰتِنَا وَسُلْطَـٰنٍ مُّبِينٍ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَهَـٰمَـٰنَ وَقَارُونَ فَقَالُوا۟ سَـٰحِرٌ كَذَّابٌ
"আমি মুসাকে আমার নিদর্শনাবলি ও সুস্পষ্ট প্রমাণ সহকারে ফেরাউন হামান ও কারুনের কাছে প্রেরণ করেছি; তারা (তাকে) বলেছে-জাদুকর ও চরম মিথ্যুক।"[১]
'এই আলোচনার এক পর্যায়ে আল্লাহ তাআলা বর্ণনা করেন-
وَقَالَ مُوسَىٰٓ إِنِّى عُذْتُ بِرَبِّى وَرَبِّكُم مِّن كُلِّ مُتَكَبِّرٍ لَّا يُؤْمِنُ بِيَوْمِ ٱلْحِسَابِ
"মুসা বললেন-হিসাব-দিবসের প্রতি অবিশ্বাসী প্রতিটা অহঙ্কারী থেকে, আমি আমার ও তোমাদের রবের নিকট পানাহ চাই।"[২]
'আরেকটু পরে আল্লাহ বলেন-
كَذَٰلِكَ يَطْبَعُ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ قَلْبِ مُتَكَبِّرٍ جَبَّارٍ
"এভাবেই আল্লাহ প্রতিটা অহঙ্কারী ও স্বেচ্ছাচারীর অন্তরে সিল মেরে দেন।”[৩]
'অন্যত্র আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَقُرُونَ وَفِرْعَوْنَ وَهُمَنَ وَلَقَدْ جَاءَهُم مُّوسَىٰ بِالْبَيِّنَتِ فَاسْتَكْبَرُوا فِي الْأَرْضِ وَمَا كَانُوا سَبِقِينَ
“আমি কারুন, ফেরাউন ও হামানকে ধ্বংস করেছি; তাদের কাছে মুসা এসেছিলেন প্রমাণাদি নিয়ে; তখন তারা (মুসাকে না মেনে) পৃথিবীতে দম্ভ-অহংকার প্রদর্শন করেছিল; কিন্তু তারা বিজয়ী হয়নি।”(১)
'অন্যত্র বলেন—
إِنَّ فِرْعَوْنَ عَلَا فِي الْأَرْضِ وَجَعَلَ أَهْلَهَا شِيَعًا يَسْتَضْعِفُ طَائِفَةً مِّنْهُمْ يُذَبِّحُ أَبْنَاءَهُمْ وَيَسْتَحْيِ نِسَاءَهُمْ
“নিশ্চয় ফেরাউন জমিনে (মিসরে) ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছিল; এবং এর বাসিন্দাদেরকে বিভক্ত করে ফেলেছিল বিভিন্ন দলে; এদের একটি দলকে (বনু ইসরাইল) সে দুর্বল করে রাখত; তাদের পুত্র-সন্তানদেরকে হত্যা করে নারীদেরকে জীবিত রাখত।”(২)
'এর একটু পরে বলেন—
فَانظُرْ كَيْفَ كَانَ عَقِبَةُ الظَّلِمِينَ | “দেখো, জালিমদের পরিণাম কী হয়েছিল!”[৩]
'এমন সব আয়াতে কুরআন ভরপুর। সেগুলো থেকেও আমরা উল্লিখিত বিষয়টি বুঝতে পারব।'
টিকাঃ
[১] মুসলিম, হাদিস-ক্রম: ৯১; তিরমিযি, হাদিস-ক্রম: ১৯৯৯
[২] হাদিসটি সহিহ; মুসনাদু আহমাদ, হাদিস-ক্রম: ৯৩৫৯; আবু দাউদ, হাদিস-ক্রম: ৪০৯০।
[১] সূরা গাফির, আয়াত-ক্রম: ৬০
[২] মুসনাদু আহমাদ: ৪/৩৪৫; আবু দাউদ, হাদিস-ক্রম: ৪৯৫০; নাসায়ি: ৬/১৮১; আল- আদাবুল মুফরাদ: ৬২৫; মুসনাদু আবু য়া'লা: ৭১৬৯, ৭১৭০ (মুহাম্মাদ ইবনু মুহাজিরের সূত্রে, মারফু' সনদে); এই হাদিসটির সনদে আক্বীল ইবনু শাবীব নামে একজন মাজহুল (অপরিচিত) বর্ণনাকারী থাকায় এটি যঈফ; (তাকরীব); তবে, সহিহ কথা হলো, হাদিসটি মুরসাল; দেখুন- আল-ই'লাল (ইবনু আবী হাতিম রচিত): ২/৩১২-৩১৩; ইবনু ওয়াহব তাঁর জামে'তে (পৃষ্ঠা: ০৭) এই হাদিসটির একটি মুরসাল শাহেদ (সমর্থনকারী) এনেছেন।
[১] সূরা মুমিন; আয়াত-ক্রম: ২৩-২৪
[২] সূরা মুমিন; আয়াত-ক্রম: ২৭
[৩] সূরা আল-মুমিন; আয়াত: ৩৫
[১] সূরা আনকাবুত; আয়াত-ক্রম: ৩৯
[২] সূরা কাসাস; আয়াত-ক্রম: ০৪
[৩] সূরা কাসাস; আয়াত-ক্রম: ৪০