📄 দুঃখ-দুর্দশার মধ্যেও থাকে শিফা
আমি মনে মনে বললাম, 'শাইখ ফিতরাত সংক্রান্ত হাদিসের যে ব্যাখ্যা করলেন, এতে সূক্ষ্ম একটি আপত্তি রয়ে গেছে। বিষয়টি আসলে ভাবনারও বটে। এরই মধ্যে শাইখ আপত্তি উঠতে পারে এমন একটি বিষয়ে আলোচনা তুললেন। বিষয়টি হলো-আল্লাহ-প্রদত্ত ফিতরাত তথা স্বভাব-প্রকৃতির ওপর অবিচল থাকার পরও মুমিনরা কেন বিপদ-আপদে আক্রান্ত হয়?
শাইখ কথা প্রসঙ্গে বলছিলেন, 'মুমিনরা যে-সকল বিপদ-আপদ দুঃখ-দুর্দশায় নিপতিত হয় এর একটি ভালো দিক হলো, এর মাধ্যমে যাবতীয় পঙ্কিলতা ও কলুষতা থেকে মুক্ত হয়ে বান্দা জান্নাতের জন্য প্রস্তুত হয়। যেমন হাদিসে এসেছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
مَا يُصِيبُ الْمُؤْمِنُ مِنْ وَصَبٍ وَلَا نَصَبٍ وَلَا هَمْ وَلَا حُزْنٍ وَلَا غَمِّ وَلَا أَذًى حَتَّى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا إِلَّا كَفَّرَ اللَّهُ بِهَا خَطَايَاهُ
"মুমিন যে দুঃখ-দুর্দশা, চিন্তা-ভাবনা, কষ্ট-যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়, এমনকি তার পায়ে যদি একটি কাঁটাও ফুটে, এর বিনিময়ে আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন।"[১]
'এর সত্যায়ন পাওয়া যায় কুরআন খুললে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
مَن يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ
| “যে-কেউ মন্দ কাজ করবে, সে তার শাস্তি পাবে।”[২]
'এখন কেউ যদি এতসব রোগব্যাধি থেকে দুনিয়াতে পরিশুদ্ধ না হয়, বরং এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তাহলে তাকে আখেরাতে রোগমুক্ত হতে হবে। তাই আল্লাহ তাকে শুদ্ধির নিমিত্তে শাস্তি দেবেন। যেমন কেউ যদি একসঙ্গে একাধিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, উপরন্তু রোগ উপশমের জন্য কোনো ঔষধ সেবন না করে, অনন্তর আরও রোগ জমতে থাকে, তাহলে তার মৃত্যু দ্রুত অনিবার্য। আসারে বর্ণিত হয়েছে-
إِذا قَالُوا الْمَرِيضِ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ يَقُوْلُ اللهُ كَيْفَ أَرْحَمُهُ مِنْ شَيْءٍ بِهِ أَرْحَمُهُ
"রুগ্ন ব্যক্তির জন্য যখন দুআ হিসেবে অন্যরা বলে, 'হে আল্লাহ আপনি তার প্রতি রহম করুন!' তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, 'আমি যেভাবে তার প্রতি রহম করেছি, তা থেকে আবার কীভাবে রহম করব?”
'নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
الْمَرَضُ حِطَّةٌ يَحُطُّ الْخَطَايَا عَنْ صَاحِبِهِ كَمَا تَحُطُّ الشَّجَرَةُ الْيَابِسَةُ وَرَقَهَا "অসুস্থতা হলো অসুস্থ ব্যক্তির পাপমোচন করে, যেমন মৃত গাছ থেকে পাতাসমূহ ঝরে পড়ে।" [১]
'বিভিন্ন শারীরিক রোগব্যাধি- যেমন প্লেগ, ডায়রিয়া, মানসিক, ভারসাম্যহীনতা, ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ মুত্যুবরণ করলে সে শহিদি মর্যাদা লাভ করবে। অনুরূপভাবে কেউ পানিতে ডুবে কিংবা আগুনে পুড়ে অথবা ধ্বংসস্তুপের নিচে পড়ে মারা গেলেও শহিদ বলে গণ্য হবে।'
'তো, শারীরিক ব্যাধির মতো আত্মিক যে সকল ব্যাধি রয়েছে তাতে আক্রান্ত হয়ে যদি কেউ আল্লাহকে ভয় করে ও ধৈর্যধারণ করে এমতাবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করে, তবে সে শহিদি মর্যাদা পাবে, ঠিক যেমন একজন ভীতসন্ত্রস্ত ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে রণাঙ্গনে ধৈর্য ধরে আমৃত্যু জিহাদ করে শহিদ হয়ে থাকে।'
'এর কারণ হলো-কার্পণ্য ও ভীরুতা আত্মিক ব্যাধি। কেউ এইসব ব্যাধিকে পাত্তা দিলে মনে একরকম যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়, আবার না দিলেও যাতনা পোহাতে হয়। ঠিক যেমন শারীরিক রোগের বেলায় হয়ে থাকে। এই প্রকারের অন্তর্ভুক্ত কথিত প্রেম-ভালোবাসা-সে আলোচনা যদিও গত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, কেউ যদি প্রেমাসক্ত হয়ে পড়ে, তথাপি নিজেকে পবিত্র রাখতে চেষ্টা করে, বিষয়টি গোপন রাখে, ধৈর্যধারণ করে এবং এমতাবস্থায় মারাও যায়, তাহলে সে শহিদ বলে গণ্য হবে। এর কারণ হিসেবে এ-ও বলা হয়েছিল, এসব প্রেম-ভালোবাসা হলো অন্তরের ব্যাধি, যা মানুষকে ক্ষতির দিকে টেনে নেয়। ঠিক যেমন অসুস্থ ব্যক্তিকে রোগব্যাধি ক্ষতির মুখোমুখি করে। তো, কেউ যদি প্রেমাসক্ত হয় এবং সেই আসক্তিকে মনে স্থান দেয়, তাহলে দুনিয়া-আখেরাতে তাকে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে, এই আশঙ্কা আছে। আর যদি সে এটাকে পাত্তা না দেয়, গোপন রাখে, নিজেকে হেফাজতে রাখে, তবুও তাকে কষ্ট পেতে হয়; কিন্তু এই কষ্টাবস্থায় মারা গেলেও শহিদি মৃত্যু হবার আশা করা যায়। এখানে মূলত যে বিষয়টি ঘটে তা হলো, এসব প্রেমাসক্তি তাকে জাহান্নামে নেওয়ার ব্যবস্থা করে, আর সে মনের সঙ্গে যুদ্ধ করে নিজেকে তা থেকে হেফাজত করে। ঠিক যেমন ভীরুতা মানুষকে জান্নাত থেকে বাধা দেয়, কিন্তু সে তা পরোয়া না করে নিজেকে জিহাদের ময়দানে নিয়ে যায় এবং শহিদ হয়ে নিজেকে জান্নাতের উপযুক্ত করে।'
'তো, এই সকল রোগে আক্রান্ত হয়েও যদি কেউ নিজের ঈমানের ওপর অবিচল থাকে, তাকওয়া অবলম্বন করে, তাহলে সে ওই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হবে, যাদের সম্পর্কে নবীজি বলেছেন-
لَا يَقْضِي اللهُ لِلْمُؤْمِنِ قَضَاءً إِلَّا كَانَ خَيْرًا لَّهُ إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ فَشَكَرَ كَانَ خَيْرًا لَّهُ وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ فَصَبَرَ كَانَ خَيْرًا لَّهُ
“মুমিনদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা যে ফয়সালাই করুন না কেন, নিঃসন্দেহে তা কল্যাণকর। যদি সে কখনো সুসময় অতিক্রম করে এবং আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করে, তা তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। আবার যদি কখনো বিপদগ্রস্ত হয় এবং তাতে ধৈর্যধারণ করে, তবে সেটাও তার জন্য কল্যাণকরই হয়।”[১]
'সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের, দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক প্রিয়নবি ﷺ ও তাঁর সকল সাহাবীর ওপর।'
শাইখের মজলিস আজকের মতো এখানেই শেষ। কিন্তু মজলিস শেষ হলেও সকলের মনে একই কামনা—আল্লাহ তাআলা যেন আবার আমাদেরকে শাইখের মজলিসে সমবেত হওয়ার তাওফিক দেন এবং তাঁর থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ করে দেন।
টিকাঃ
[১] বুখারি, হাদিস-ক্রম: ৫৬৪১, ৫৬৪২; মুসলিম, হাদিস-ক্রম: ২৫৭৩।
[২] সূরা নিসা, আয়াত-ক্রম: ১২৩
[১] আল-মুজামুল কাবির, তাবরানি, হাদিস-ক্রম: ১০০২; সহিহ-আলবানি। হাদিসটির বিভিন্ন শাওয়াহেদ আছে।
[১] জামিউল উসুল, হাদিস-ক্রম: ৭০১২; শব্দগত তারতম্য আছে।
আমি মনে মনে বললাম, 'শাইখ ফিতরাত সংক্রান্ত হাদিসের যে ব্যাখ্যা করলেন, এতে সূক্ষ্ম একটি আপত্তি রয়ে গেছে। বিষয়টি আসলে ভাবনারও বটে। এরই মধ্যে শাইখ আপত্তি উঠতে পারে এমন একটি বিষয়ে আলোচনা তুললেন। বিষয়টি হলো-আল্লাহ-প্রদত্ত ফিতরাত তথা স্বভাব-প্রকৃতির ওপর অবিচল থাকার পরও মুমিনরা কেন বিপদ-আপদে আক্রান্ত হয়?
শাইখ কথা প্রসঙ্গে বলছিলেন, 'মুমিনরা যে-সকল বিপদ-আপদ দুঃখ-দুর্দশায় নিপতিত হয় এর একটি ভালো দিক হলো, এর মাধ্যমে যাবতীয় পঙ্কিলতা ও কলুষতা থেকে মুক্ত হয়ে বান্দা জান্নাতের জন্য প্রস্তুত হয়। যেমন হাদিসে এসেছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
مَا يُصِيبُ الْمُؤْمِنُ مِنْ وَصَبٍ وَلَا نَصَبٍ وَلَا هَمْ وَلَا حُزْنٍ وَلَا غَمِّ وَلَا أَذًى حَتَّى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا إِلَّا كَفَّرَ اللَّهُ بِهَا خَطَايَاهُ
"মুমিন যে দুঃখ-দুর্দশা, চিন্তা-ভাবনা, কষ্ট-যন্ত্রণার সম্মুখীন হয়, এমনকি তার পায়ে যদি একটি কাঁটাও ফুটে, এর বিনিময়ে আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন।"[১]
'এর সত্যায়ন পাওয়া যায় কুরআন খুললে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-
مَن يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ
| “যে-কেউ মন্দ কাজ করবে, সে তার শাস্তি পাবে।”[২]
'এখন কেউ যদি এতসব রোগব্যাধি থেকে দুনিয়াতে পরিশুদ্ধ না হয়, বরং এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, তাহলে তাকে আখেরাতে রোগমুক্ত হতে হবে। তাই আল্লাহ তাকে শুদ্ধির নিমিত্তে শাস্তি দেবেন। যেমন কেউ যদি একসঙ্গে একাধিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়, উপরন্তু রোগ উপশমের জন্য কোনো ঔষধ সেবন না করে, অনন্তর আরও রোগ জমতে থাকে, তাহলে তার মৃত্যু দ্রুত অনিবার্য। আসারে বর্ণিত হয়েছে-
إِذا قَالُوا الْمَرِيضِ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ يَقُوْلُ اللهُ كَيْفَ أَرْحَمُهُ مِنْ شَيْءٍ بِهِ أَرْحَمُهُ
"রুগ্ন ব্যক্তির জন্য যখন দুআ হিসেবে অন্যরা বলে, 'হে আল্লাহ আপনি তার প্রতি রহম করুন!' তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, 'আমি যেভাবে তার প্রতি রহম করেছি, তা থেকে আবার কীভাবে রহম করব?”
'নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
الْمَرَضُ حِطَّةٌ يَحُطُّ الْخَطَايَا عَنْ صَاحِبِهِ كَمَا تَحُطُّ الشَّجَرَةُ الْيَابِسَةُ وَرَقَهَا "অসুস্থতা হলো অসুস্থ ব্যক্তির পাপমোচন করে, যেমন মৃত গাছ থেকে পাতাসমূহ ঝরে পড়ে।" [১]
'বিভিন্ন শারীরিক রোগব্যাধি- যেমন প্লেগ, ডায়রিয়া, মানসিক, ভারসাম্যহীনতা, ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ মুত্যুবরণ করলে সে শহিদি মর্যাদা লাভ করবে। অনুরূপভাবে কেউ পানিতে ডুবে কিংবা আগুনে পুড়ে অথবা ধ্বংসস্তুপের নিচে পড়ে মারা গেলেও শহিদ বলে গণ্য হবে।'
'তো, শারীরিক ব্যাধির মতো আত্মিক যে সকল ব্যাধি রয়েছে তাতে আক্রান্ত হয়ে যদি কেউ আল্লাহকে ভয় করে ও ধৈর্যধারণ করে এমতাবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করে, তবে সে শহিদি মর্যাদা পাবে, ঠিক যেমন একজন ভীতসন্ত্রস্ত ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে রণাঙ্গনে ধৈর্য ধরে আমৃত্যু জিহাদ করে শহিদ হয়ে থাকে।'
'এর কারণ হলো-কার্পণ্য ও ভীরুতা আত্মিক ব্যাধি। কেউ এইসব ব্যাধিকে পাত্তা দিলে মনে একরকম যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়, আবার না দিলেও যাতনা পোহাতে হয়। ঠিক যেমন শারীরিক রোগের বেলায় হয়ে থাকে। এই প্রকারের অন্তর্ভুক্ত কথিত প্রেম-ভালোবাসা-সে আলোচনা যদিও গত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, কেউ যদি প্রেমাসক্ত হয়ে পড়ে, তথাপি নিজেকে পবিত্র রাখতে চেষ্টা করে, বিষয়টি গোপন রাখে, ধৈর্যধারণ করে এবং এমতাবস্থায় মারাও যায়, তাহলে সে শহিদ বলে গণ্য হবে। এর কারণ হিসেবে এ-ও বলা হয়েছিল, এসব প্রেম-ভালোবাসা হলো অন্তরের ব্যাধি, যা মানুষকে ক্ষতির দিকে টেনে নেয়। ঠিক যেমন অসুস্থ ব্যক্তিকে রোগব্যাধি ক্ষতির মুখোমুখি করে। তো, কেউ যদি প্রেমাসক্ত হয় এবং সেই আসক্তিকে মনে স্থান দেয়, তাহলে দুনিয়া-আখেরাতে তাকে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে, এই আশঙ্কা আছে। আর যদি সে এটাকে পাত্তা না দেয়, গোপন রাখে, নিজেকে হেফাজতে রাখে, তবুও তাকে কষ্ট পেতে হয়; কিন্তু এই কষ্টাবস্থায় মারা গেলেও শহিদি মৃত্যু হবার আশা করা যায়। এখানে মূলত যে বিষয়টি ঘটে তা হলো, এসব প্রেমাসক্তি তাকে জাহান্নামে নেওয়ার ব্যবস্থা করে, আর সে মনের সঙ্গে যুদ্ধ করে নিজেকে তা থেকে হেফাজত করে। ঠিক যেমন ভীরুতা মানুষকে জান্নাত থেকে বাধা দেয়, কিন্তু সে তা পরোয়া না করে নিজেকে জিহাদের ময়দানে নিয়ে যায় এবং শহিদ হয়ে নিজেকে জান্নাতের উপযুক্ত করে।'
'তো, এই সকল রোগে আক্রান্ত হয়েও যদি কেউ নিজের ঈমানের ওপর অবিচল থাকে, তাকওয়া অবলম্বন করে, তাহলে সে ওই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত হবে, যাদের সম্পর্কে নবীজি বলেছেন-
لَا يَقْضِي اللهُ لِلْمُؤْمِنِ قَضَاءً إِلَّا كَانَ خَيْرًا لَّهُ إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ فَشَكَرَ كَانَ خَيْرًا لَّهُ وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ فَصَبَرَ كَانَ خَيْرًا لَّهُ
“মুমিনদের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা যে ফয়সালাই করুন না কেন, নিঃসন্দেহে তা কল্যাণকর। যদি সে কখনো সুসময় অতিক্রম করে এবং আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করে, তা তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। আবার যদি কখনো বিপদগ্রস্ত হয় এবং তাতে ধৈর্যধারণ করে, তবে সেটাও তার জন্য কল্যাণকরই হয়।”[১]
'সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের, দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক প্রিয়নবি ﷺ ও তাঁর সকল সাহাবীর ওপর।'
টিকাঃ
[১] বুখারি, হাদিস-ক্রম: ৫৬৪১, ৫৬৪২; মুসলিম, হাদিস-ক্রম: ২৫৭৩।
[২] সূরা নিসা, আয়াত-ক্রম: ১২৩
[১] আল-মুজামুল কাবির, তাবরানি, হাদিস-ক্রম: ১০০২; সহিহ-আলবানি। হাদিসটির বিভিন্ন শাওয়াহেদ আছে。
[১] জামিউল উসুল, হাদিস-ক্রম: ৭০১২; শব্দগত তারতম্য আছে।