📘 রুহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসয়ালাসমুহ > 📄 দ্বাদশতম মাসআলা: মুনকার ও নাকীরের প্রশ্ন কি এ উম্মতের জন্যই খাস নাকি অন্যান্য উম্মতেও জিজ্ঞাসা করে হয়েছিল?

📄 দ্বাদশতম মাসআলা: মুনকার ও নাকীরের প্রশ্ন কি এ উম্মতের জন্যই খাস নাকি অন্যান্য উম্মতেও জিজ্ঞাসা করে হয়েছিল?


উত্তর: আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত। প্রত্যেক জাতিই তাদের নবী সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। তাদেরকে প্রশ্ন করে ও তাদের বিরুদ্ধে দলীল প্রমাণিত হওয়ার পরেই কবরে শাস্তি দেওয়া হবে, যেভাবে কিয়ামতের দিনে তাদেরকে জেরা করা ও দলীল-প্রমাণ সাব্যস্ত করার পরে শাস্তি দেওয়া হবে।

📘 রুহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসয়ালাসমুহ > 📄 ত্রয়োদশতম মাসআলা: শিশুরা কি কবরে জিজ্ঞাসিত হবে?

📄 ত্রয়োদশতম মাসআলা: শিশুরা কি কবরে জিজ্ঞাসিত হবে?


উত্তর: না, শিশুরা কবরে জিজ্ঞাসিত হবে না। কেননা যাদের রাসূল ও রাসূলের আনিত জিনিস সম্পর্কে জ্ঞান আছে তাদেরকে প্রশ্ন করা হবে। ফলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তারা কি রাসূলের অনুসরণ করেছে, নাকি তার বিরুদ্ধাচরণ করেছে? পক্ষান্তরে শিশু ভালো-মন্দ কিছুই পার্থক্য করতে পারে না, তাহলে তাদেরকে কীভাবে জিজ্ঞেস করা হবে?
অন্য দিকে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি শিশুর জানাযার সালাত আদায় করলেন, তাকে এ দো'আ পড়তে শোনা গেছে,
«اللَّهُمَّ قِهِ عَذَابَ الْقَبْرِ».
“হে আল্লাহ আপনি তাকে কবরের 'আযাব থেকে রক্ষা করুন।”⁸ এখানে কবরের 'আযাব দ্বারা শিশুকে আনুগত্য না করা বা গুনাহের কাজে লিপ্ত থাকার কারণে কবরে শাস্তি দেওয়া উদ্দেশ্য নয়; কেননা আল্লাহ কাউকে গুনাহ ব্যতীত শাস্তি দিবেন না। বরং এখানে কবরের 'আযাব বলতে অন্যের কারণে মৃত ব্যক্তির যে কষ্ট হবে সে কষ্টের কথা বুঝানো হয়েছে; যদিও তার কর্মের কারণে কবরে শাস্তি হবে না।
এ ধরণের 'আযাবের বর্ণনা অন্য হাদীসেও বর্ণিত আছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّ المَيِّتَ لَيُعَذِّبُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ».
“মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য বিলাপের কারণে কবরে 'আযাব দেওয়া হয়”।⁹ অর্থাৎ সে জীবিত ব্যক্তির কান্নার কারণে ব্যথিত হয় ও কষ্ট পায়, জীবিত ব্যক্তির গুনাহের কারণে তাকে শাস্তি দেওয়া হয় না। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
﴿وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى﴾ [الانعام: ١٦٤]
“আর কোনো ভারবহনকারী অন্যের ভার বহন করবে না।” [সূরা আল-আন'আম, আয়াত: ১৬৪]
এমনিভাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«السَّفَرُ قِطْعَةُ مِنَ العَذَابِ».
“সফর 'আযাবের অংশ বিশেষ।”¹⁰ সুতরাং 'আযাব শাস্তির চেয়ে ব্যাপক। নিঃসন্দেহে কবরে অনেক দুঃখ-কষ্ট, দুঃশ্চিন্তা, হতাশা থাকবে যার প্রভাব শিশুর মধ্যে পরিলক্ষিত হবে। অতএব আল্লাহর কাছে কবরের 'আযাব থেকে শিশুর জন্য পানাহ চাওয়া মুসল্লির জন্য শরী'আতসম্মত। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।

টিকাঃ
⁸ দো'আ, ত্বাবরানী, পৃষ্ঠা ৩৫৮, হাদীস নং ১১৮৭; মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং ৭৭৬।
⁹ মুত্তাফাকুন 'আলাইহি। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১২৮৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯২৭।
¹⁰ মুত্তাফাকুন 'আলাইহি। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮০৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৯২৭।

📘 রুহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসয়ালাসমুহ > 📄 চতুর্দশতম মাসআলা: কবরের 'আযাব কি সর্বদা চলতে থাকবে নাকি তা মাঝে মাঝে হবে?

📄 চতুর্দশতম মাসআলা: কবরের 'আযাব কি সর্বদা চলতে থাকবে নাকি তা মাঝে মাঝে হবে?


উত্তর: কবরের 'আযাব দু'ধরণের।
১- সার্বক্ষণিক 'আযাব। এর প্রমাণ আল্লাহ তা'আলার বাণী,
﴿النَّارُ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا غُدُوًّا وَعَشِيَّا ﴾ [غافر: ٤٦]
“আগুন, তাদেরকে সকাল-সন্ধ্যায় তার সামনে উপস্থিত করা হয়।” [সূরা গাফের, আয়াত: ৪৬]
সামুরা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরে 'আযাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন,
«فهو يُفْعَلُ بِهِ إِلَى يَوْمِ القِيَامَةِ».
“তার সাথে এভাবে কিয়ামত পর্যন্ত করা হবে।”¹¹
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরে 'আযাবপ্রাপ্ত দু'জনের কবরে খেজুরের ডাল পুঁতে রেখেছেন। সেখানে তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لَعَلَّهُ يُخَفِّفُ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا».
“হয়ত এ ডালগুলো শুকনো থাকা পর্যন্ত তাদের কবরের 'আযাব হালকা করা হবে।”¹² এ হাদীসে 'আযাব হালকা হওয়া নির্দিষ্ট সময়ের সাথে নির্ধারণ করা হয়েছে, আর তা হলো সেগুলো যতক্ষণ ভিজা থাকবে। তাহলে মূল হলো, কবরের 'আযাব সর্বদা চলতে থাকবে।
তবে কিছু হাদীসে বর্ণিত আছে যে, দু ফুৎকারের মাঝে তাদের কবরের 'আযাব হালকা করা হবে। যেহেতু তারা যখন কবর থেকে উঠবে তখন তারা বলবে,
﴿قَالُوا يَوَيْلَنَا مَنْ بَعَثَنَا مِن مَّرْقَدِنَا ﴾ [يس: ٥٢]
“তারা বলবে, হায় আমাদের দুর্ভোগ! কে আমাদেরকে আমাদের নিদ্রাস্থল থেকে উঠালো?” [সূরা ইয়াসীন, আয়াত: ৫২]
২- দ্বিতীয় প্রকারের কবরের 'আযাব নির্দিষ্ট কিছু দিনের জন্য হয়ে বন্ধ হয়ে যাবে। আর তা হবে কতিপয় গুনাহগারের 'আযাব; যাদের কিছু পাপ ছিল, সে অনুপাতে শাস্তি ভোগ করে তাদের 'আযাব বন্ধ রাখা হবে।

টিকাঃ
¹¹ সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৮৬।
¹² সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২১৮।

📘 রুহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসয়ালাসমুহ > 📄 পঞ্চদশতম মাসআলা: মৃত্যুর পরে কিয়ামত পর্যন্ত রূহসমূহ কোথায় অবস্থান করে?

📄 পঞ্চদশতম মাসআলা: মৃত্যুর পরে কিয়ামত পর্যন্ত রূহসমূহ কোথায় অবস্থান করে?


উত্তর: আলিমগণ এ ব্যাপারে অনেক মতানৈক্য করেছেন। তাদের প্রত্যেকেরই দলীল রয়েছে। তাদের কেউ কেউ বলেছেন, মৃত্যুর পরে রূহ জান্নাতে থাকে। আবার কেউ বলেছেন, রূহ জান্নাতের দরজায় থাকে। আবার অন্য একদল বলেছেন, রূহ কবরে থাকে। আবার আরেকদল বলেছেন, রূহসমূহকে ছেড়ে দেওয়া হয়, সেগুলো যেভাবে ইচ্ছা ঘুরে বেড়ায়। কেউ কেউ বলেছেন, এগুলো আল্লাহর কাছে থাকে। আরেকদলের মত হলো, মুমিনের রূহ আদম 'আলাইহিস সালামের ডান হাতে এবং কাফিরের রূহ আদম 'আলাইহিস সালামের বাম হাতে থাকে।
মূলকথা হলো, রূহসমূহ স্তর অনুসারে বরযাখে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে। কোনো রূহ ঊর্ধ্ব জগতের সর্বোচ্চ 'ইল্লীয়ীনে অবস্থান করে। এগুলো হলো নবীদের রূহ। তাদের রূহও পরস্পর মর্যাদা অনুসারে বিভিন্ন অবস্থানে থাকে। যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মি'রাজের রাতে দেখেছেন।
আবার কিছু রূহ সবুজ পাখির পাকস্থলিতে করে জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা সেখানে উড়ে বেড়ায়। এগুলো শহীদের আত্মা, তবে সব শহীদের আত্মা এভাবে উড়তে পারে না, কেননা কিছু শহীদের আত্মা ঋণ বা অন্যের হকের কারণে জান্নাতের দরজায় আটকে যায়। যেমন মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হলে আমার জন্য কী রয়েছে?
«قَالَ: الْجَنَّةُ فَلَمَّا وَلَّى قَالَ: إِلَّا الدَّيْنُ، سَارَّنِي بِهِ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ آنفًا».
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জান্নাত। লোকটি যখন চলে যাচ্ছিলেন তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তবে ঋণ ব্যতীত। জিবরীল আলাইহিস সালাম এইমাত্র আমাকে এ কথা গোপনে জানিয়ে গেলেন।”¹³
আবার কারো রূহ জান্নাতের দরজায় আটকা থাকবে। যেমন অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তি মারা গেলে তার সম্পর্কে বলেন,
«إِنَّ صَاحِبَكُمْ مَحْبُوسٌ عَنِ الْجَنَّةِ بِدَيْنِهِ».
“নিশ্চয় তোমার ভাই ঋণের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে আটকে আছে।”¹⁴
আবার কারো কারো রূহ কবরে আটকা থাকবে:
«كَلَّا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إِنَّ الشَّمْلَةَ الَّتِي أَخَذَهَا يَوْمَ خَيْبَرَ مِنَ المَغَانِمِ لَمْ تُصِبْهَا الْمَقَاسِمُ لَتَشْتَعِلُ عَلَيْهِ نَارًا».
“কখনও নয়। যার হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম! ঐ কম্বল যা সে খাইবরের দিন গনীমতের মাল বন্টন হওয়ার পূর্বে আত্মসাৎ করেছিল, তা তার উপর আগুন হয়ে জ্বলছে।”¹⁵
আবার কারো রূহ জান্নাতের দরজায় অবস্থান করবে। যেমন ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে,
«الشُّهَدَاءُ عَلَى بَارِقٍ - نَهْرٍ بِبَابِ الْجَنَّةِ - فِي قُبَّةٍ خَضْرَاءَ، يَخْرُجُ عَلَيْهِمْ رِزْقُهُمْ مِنَ الجَنَّةِ بُكْرَةً وَعَشِيًّا».
“শহীদগণ জান্নাতের দরজায় দীপ্তমান নহরে সবুজ গম্বুজ বিশিষ্ট স্থানে থাকবে, সকাল-সন্ধ্যা তাদের জন্য জান্নাত থেকে খাবার আসবে।”¹⁶ তবে জা'ফর ইবন আবু তালিব রাদিয়াল্লাহু 'আনহু ক্ষেত্রে এটি ভিন্ন হবে। কেননা আল্লাহ তার দুহাতের বিনিময়ে দুটি ডানা দিয়েছেন, যা দ্বারা তিনি ইচ্ছামত জান্নাতের যেখানে খুশি সেখানে ঘুরে বেড়াতে পারেন।
আবার কারো রূহ জমিনে আবদ্ধ থাকে। তার রূহ ঊর্ধ্ব আসমানে যাবে না। কেননা এসব রূহ জমিনের নিম্নে থাকার রূহ। জমিনে অবস্থানরত রূহগুলো আসমানে অবস্থানরত রূহের সাথে মিলিত হবে না। যেমন, আসমানে অবস্থানরত রূহগুলো জমিনে অবস্থানরত রূহের সাথে মিলিত হবে না। যেসব রূহ দুনিয়াতে রবের পরিচয় লাভ করে নি, তাঁর ভালোবাসা অর্জন করে নি, তাঁর যিকর করে নি, তাঁর সাথে বন্ধুত্ব অর্জন করে নি, তাঁর নৈকট্য লাভ করে নি ইত্যাদি রূহ হলো জমিনে অবস্থানরত রূহ। মৃত্যুর পরে শরীর থেকে তাদের রূহ বের হলে তা জমিনেই অবস্থান করবে।
এমনিভাবে ঊর্ধ্বমুখী নফসসমূহ যা দুনিয়াতে আল্লাহর ভালোবাসা, যিকর, নৈকট্য লাভ ও বন্ধুত্ব স্থাপনে সর্বদা ব্যস্ত ছিলো সেগুলো শরীর থেকে আলাদা হওয়ার পরে তার উপযোগী ঊর্ধ্বজগতের রূহের সাথে মিলিত হবে। ব্যক্তি যাকে ভালোবাসে তার সাথে বারযাখে ও কিয়ামতে থাকবে। আল্লাহ তা'আলা বারযাখে ও কিয়ামতের দিনে রূহসমূহকে একে অন্যের সাথে মিলিত করে দিবেন, যা ইতোপূর্বে বর্ণিত হাদীসে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি মুমিনের রূহ তার অনুরূপ মুমিনের রূহের মধ্যে প্রবেশ করাবেন। অতএব, মৃত্যুর পরে রূহ শরীর থেকে আলাদা হলে তার আমল অনুযায়ী তার আকৃতির উপযোগী ও সমজাতীয় রূহের সাথেই থাকবে। তখন সেখানে তাদের সাথেই থাকবে।
আবার কিছু রূহ যিনাকারী ও যিনাকারীনির সাথে থাকবে, কিছু রূহ রক্তের নদীতে সাঁতার কাটবে, কিছু রূহকে পাথর গ্রাস করবে। অতএব, সব রূহ একই স্থানে সুখে বা দুঃখে থাকবে না; বরং কিছু রূহ 'ইল্লীয়ীনের সর্বোচ্চ ঊর্ধ্বজগতে থাকবে, আর জমিনের নিম্ন স্তরের রূহসমূহ জমিন থেকে উপরে উঠতে পারবে না বরং জমিনের নিম্নস্তরে থাকবে।

টিকাঃ
¹³ মুসনাদ আহমাদ, ২৮/৪৯১, হাদীস নং ১৭২৫৩। হাদীসের সনদটি সহীহ লিগাইরিহি। হাদীসটি মুসলিমে অন্য বর্ণনাকারী থেকে বর্ণিত আছে, হাদীস নং ১৮৮৫।
¹⁴ মুসনাদ আহমাদ, ৩৩/৩৭৫, হাদীস নং ২০২২২। হাদীসের সনদটি সহীহ, এর বর্ণনাকারীগণ বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনাকারী।
¹⁵ মুত্তাফাকুন 'আলাইহি। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৭০৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫।
¹⁶ মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ২৩৯০, হাদীসের সনদটি হাসান; সহীহ ইবন হিব্বান, হাদীস নং ৪৬৫৮, আলবানী রহ. হাদীসটির সনদকে হাসান বলেছেন (আত্ব-তা'লীক আত্ব-তারগীব, ২/১৯৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00