📄 তাবুক অভিযান ও বিদায় হাজ্জের মধ্যবর্তী সময়ের ঘটনাপ্রবাহ
এক. সাকীফ প্রতিনিধিদল ও ইসলামগ্রহণ
আল্লাহর রাসূল তায়েফ থেকে প্রত্যার্পণের পর তার পিছু নেন উরওয়া ইবনু মাসউদ সাকাফি। নবিজি মাদীনা প্রবেশের পূর্বে তাঁর সাথে মিলিত হয়ে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। তারপর নিজের গোত্রে ফিরে যান। জাতিকে ডাকেন ইসলামের দিকে। লোকজন তাকে তির মারে। একটি তিরের আঘাতে তিনি শহীদ হন। এর কিছুদিন পর তারা বুঝতে পারে, আশপাশের আরব্য মুসলিমদের সাথে লড়াই করার সামর্থ্য তাদের নেই। ফলে তারা নবিজির কাছে প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকজনকে প্রেরণের ব্যাপারে একমত হয়। নবিজি তাবুক থেকে ফিরে আসার পর ৯ম হিজরি সনে রমযান মাসে তাদের ছয়জন মাদীনায় আসে।
প্রতিনিধি দলটি গঠিত হয়েছিল বনু মালিক ও আহলাফের ছয় ব্যক্তিতে। প্রত্যেক গোত্র থেকে ছিল তিনজন করে। সবার প্রধান ছিল আবদু ইয়ালীন ইবনু আমর। প্রতিনিধি দলটির এই গঠন প্রমাণ করে, গভীর রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ ছিল তাদের ভাবনায়। তা হলো, মুহাজির বনু উমাইয়ার সাথে বনু আহলাফের ঐতিহাসিক মিত্রতার সম্পর্ক ছিল। প্রতিনিধি দলটির অন্যতম ইচ্ছা ছিল আল্লাহর রাসূলের সাথে সন্ধির সময় বনু উমাইয়া যেন সম্পর্কের সূত্র ধরে মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসতে পারে।
বনু সাকীফের ইসলামগ্রহণ আল্লাহর রাসূলের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, সাহাবিদের অনুভূতিতে তা জাগরূক ছিল। দেখা গেছে, বনু সাকীফের প্রতিনিধি দলটি যখন মাদীনার উপকণ্ঠে পৌঁছে, তখন আল্লাহর রাসূলের কাছে তাদের আগমনের সুসংবাদ পৌঁছানো নিয়ে আবু বাকর ও মুগীরা ইবনু শু'বার মধ্যে প্রতিযোগিতা লেগে যায়। শেষে আবু বাকর সিদ্দীকের সম্মানে মুগীরা সরে আসেন।
আল্লাহর রাসূল সন্তুষ্টচিত্তে প্রতিনিধি দলটিকে অভ্যর্থনা জানান। মাসজিদেই তাদের জন্য একটি তাঁবু স্থাপন করেন, যেন কুরআন তিলাওয়াত শুনতে পারে, দেখতে পারে মুসলিমদের সালাত। আতিথেয়তার দায়িত্ব নিয়েছিলেন নবিজি নিজে। তারা প্রতিদিন আল্লাহর রাসূলের কাছে আসত। আর উসমান ইবনু আবীল আ'সকে তাদের পেছনে রাখত। আলাপ শেষে তারা ফিরে গিয়ে দুপুরের বিশ্রামের জন্য শুয়ে পড়লে এই উসমান আল্লাহর রাসূলের সান্নিধ্যে এসে দীন সম্পর্কে জানতে চাইতেন। নবিজি তাকে কুরআন পড়ে শোনাতেন। এক সময় তিনি দীনের গভীর জ্ঞান অর্জন করেন।
প্রতিনিধি দলটি মাদীনায় বেশ কিছুদিন অবস্থান করে নবিজির সাথে মিশেছে, নবিজিও তাদেরকে ইসলামের দিকে ডেকেছেন। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে আবদু ইয়ালীল বলল, 'আপনি কি আমাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা পরিবারে ফিরতে চাচ্ছি।' আল্লাহর রাসূল বললেন, 'হ্যাঁ, তোমরা ইসলাম মানলে আমি তোমাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব, অন্যথায় কোনো সিদ্ধান্ত নেব না, আমার ও তোমাদের মাঝে কোনো সন্ধিও সম্ভব হবে না।'
আবদু ইয়ালীল বলল, 'যিনার ব্যাপারে আপনি কী বলবেন? আমরা দূর দেশে সফর করে থাকি। ফলে এই কাজটাতে আমাদেরকে জড়াতেই হয়। আমাদের কেউ এছাড়া থাকতেও পারবে না।' নবিজি বললেন, 'আল্লাহ এটাকে মুসলিমদের জন্য হারাম করে দিয়েছেন।' আবদু ইয়ালীল বলল, 'সুদ সম্পর্কে কী বলবেন?' নবিজি বললেন, 'সুদও হারাম।' আবদু ইয়ালীল আবার জিজ্ঞেস করল, 'মদের ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? আমাদের মদ বলতে আঙুরের রস। এটা ছাড়া আমাদের চলেই না।' নবিজি বললেন, 'আল্লাহ আমাদের জন্য এটাও হারাম করেছেন।'
প্রতিনিধি দলটি ওঠে গিয়ে নিজেরা নির্জনে মিলিত হলো। সুফিয়ান ইবনু আবদুল্লাহ বলল, 'আমার কথা শোনো, আল্লাহ ওদের ব্যাপারে কল্যাণ চাইলে ওরা এসব ছাড়তে পারবে। দেখো, নবির সঙ্গীরাও এসবে অভ্যস্ত ছিল, কিন্তু এখন তারা ছেড়ে দিয়েছে। আমি ইসলাম ছাড়া মুক্তির কোনো পথ দেখছি না।'
সর্বশেষ ওরা নবিজিকে জিজ্ঞেস করল, 'রব্বাতা দেবতার ব্যাপারে আপনি কী বলবেন?' নবিজি বললেন, 'আমরা ওটা ধ্বংস করে ফেলব।' ওরা বিচলিতের মতো বলল, 'হায় সর্বনাশ! রব্বাতা যদি জানে, আমরা তাকে ধ্বংস করতে চলেছি, তাহলে সে আমাদের পরিবারকে মেরে ফেলবে!' 'উমার ইবনুল খাত্তাব বললেন, 'আবদু ইয়ালীল, তোমাকে বুদ্ধিমান মনে করতাম, রব্বাতা শুধুই একটি পাথর, কে তার পূজা করল আর না করল, এসবের কিছুই সে জানে না।' আবদু ইয়ালীল বলল, 'উমার—আমরা তোমার কাছে আসিনি।' এরপর ঠিকই তারা ইসলাম গ্রহণ করে। সন্ধিচুক্তি সম্পন্ন হয়। সন্ধিপত্র লেখেন খালিদ ইবনু সাঈদ।
ওরা নবিজির কাছে আবার আবেদন জানায়, নামাজ না পড়ার জন্য। নবিজি বললেন, 'সেই ধর্মে কোনো কল্যাণ নেই, যাতে সালাত নেই।' সাকীফের লোকেরা আরো কিছু ফরজ বিধান পালন না করার কথা জানায়। তবে এক পর্যায়ে নিজেরাই ফেঁসে যায়। বাস্তবতার কাছে নত হতে হয়।
আল্লাহর রাসূল প্রতিনিধি দলটিকে যথাসাধ্য সম্মান করেছেন। তাদের আগমন, অবস্থান ও প্রত্যাগমন সবক্ষেত্রে যথেষ্ট সমাদর করেছেন। তায়েফের আমীর নির্ধারণ করেন উসমান ইবনু আবীল আ'স-কে। দীনের গভীর জ্ঞান অর্জন ও কুরআন শিক্ষার ব্যাপারে সবচেয়ে আগ্রহী ছিলেন তিনি। আগতদের মধ্যে বয়সে তিনিই ছিলেন সবার ছোট। আল্লাহর রাসূলের মানবিক আচরণ, সাহাবিদের সাথে সামগ্রিক জীবনে ভীষণ রকম প্রভাবিত হয়েছেন সবাই। তাদের প্রস্থানের পর খালিদ ইবনু ওয়ালিদের নেতৃত্বে একটি অভিযান প্রেরণ করেন নবিজি। মুগীরা ইবনু শু'বা ও তার সঙ্গীরা রব্বাতা মূর্তি ধ্বংস করে একদম মাটির সাথে মিশিয়ে দেন।
দুই. মুনাফিক সরদার আবদুল্লাহ ইবনু সালুলের মৃত্যু
৯ম হিজরির শাওয়াল মাসের শেষের দিকে মুনাফিকদের সর্দার আবদুল্লাহ ইবনু উবাই বিন সালূল অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরের মাস জিলকদেই সে মারা যায়। মুনাফিক সর্দারের মৃত্যুর পর তার ছেলে বিশিষ্ট সাহাবি আবদুল্লাহ আসেন আল্লাহর রাসূলের কাছে। বাবার কাফনের জন্য একটি জামা প্রার্থনা করেন। নবিজি একটি জামা দান করেন। তিনি কামনা করেন, নবিজি যেন তার বাবার জানাযার সালাত পড়ান। আল্লাহর রাসূল এ আবেদনেও সাড়া দিয়ে নামাজের জন্য ওঠেন। পাশে ছিলেন 'উমার। তিনি আল্লাহর রাসূলের কাপড় টেনে ধরে তাকে সতর্ক করলেন; কিন্তু নবিজি অবশেষে তার জানাযা পড়ান। এরপর আল্লাহ তাআলা মুনাফিকদের জানাযার নামাযের ব্যাপারে চিরতরে বিরত থাকার নির্দেশ দেন।
তিন. স্ত্রীদেরকে ইচ্ছাধিকার প্রদান
আল্লাহ তাআলা বলেন—'হে নবি, আপনার পত্নীগণকে বলুন, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার বিলাসিতা কামনা করো, তবে এসো, আমি তোমাদের ভোগের ব্যবস্থা করে দিই এবং উত্তমপন্থয় তোমাদের বিদায় দিই। পক্ষান্তরে যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও পরকাল কামনা করো, তবে তোমাদের সৎকর্মপরায়ণদের জন্য আল্লাহ মহাপুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।' (সূরা আহযাব: ২৮-২৯)
এই আয়াত দুটি অবতীর্ণ হয় আল্লাহর রাসূল তাঁর স্ত্রীদেরকে সাময়িক সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন করার পর। স্ত্রীরা খোরপোশের ক্ষেত্রে একটু প্রশস্ততা কামনা করছিলেন, তারই প্রেক্ষিতে এই আয়াত নাযিল হয়। আল্লাহর রাসূলের বাসস্থান ছিল অত্যন্ত সাদাসিধে। নবিজি আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত কখনো পাতলা রুটি খাননি। আর জীবনে নিজ চোখে কোনো দিন ভুনা বকরি দেখেননি। তাখয়ীরের আয়াত অবতীর্ণের পর সকল স্ত্রী একটি দৃঢ় অবস্থানে নিজেদের বেঁধে নিয়েছিলেন—তারা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও আখিরাতকেই চয়ন করেছেন।
চার. লোকদের নিয়ে আবু বাকর সিদ্দীক-এর হাজ্জ পালন
১০ম হিজরিতে হাজ্জ ফরজ করা হয়। এর আগে ৯ম হিজরিতে আবু বাকর সিদ্দীক-কে হাজ্জের আমীর বানিয়ে প্রেরণ করেন। তার সাথে ছিল সাহাবিদের একটি বিরাট অংশ। আবু বাকর সিদ্দীক হাজ্জের কাফেলা নিয়ে কিছুদূর এগোবার পর সূরা বারাআহ নাযিল হয়। নবিজি আলি-কে ডেকে নির্দেশ দেন আবু বাকরের সাথে মিলিত হতে। মাক্কার লোকদের মাঝে তিনি ঘোষণা করেন যে—'শুধু মুমিনরাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। নগ্নরা বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না। এ বছরের পর কোনো মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না।'
পাঁচ. ৯ম হিজরি, প্রতিনিধি আগমনের বছর
৯ম ও ১০ম হিজরিতে চারপাশ থেকে আরবের প্রতিনিধিরা মাদীনায় আল্লাহর রাসূলের কাছে আসতে থাকে। বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধিদল মাদীনায় আগমনের কারণে হিজরি ৯ম বর্ষটিই ইতিহাসে বিশেষিত হয়ে আছে। প্রতিনিধিরা ইসলাম ও হালাল-হারাম সম্পর্কে জানার জন্য আল্লাহর রাসূলকে প্রশ্ন করতেন। আল্লাহর রাসূলও পরম আগ্রহী ছিলেন এদেরকে দীনের গভীর জ্ঞান শিক্ষা ও সমূহ প্রশ্নের যথার্থ উত্তর দেওয়ার ব্যাপারে।
ছয়. জ্ঞান শিক্ষা ও প্রশাসনিক অবকাঠামো গঠনে দূত প্রেরণ
প্রতিনিধি কাফেলাগুলো মাদীনায় আসত ইসলামের প্রকাশ্য ঘোষণা ও ইসলামি শাসনের আওতাধীন হওয়ার জন্য। ঘরে ফিরে যাবার আগে তারা যথা সম্ভব কুরআন-সুন্নাহ শিক্ষা করত। আল্লাহর রাসূলও তাদের দীন শিক্ষা দিতে সঙ্গে সাহাবি প্রেরণ করতেন। নবিজি ইয়েমেনে প্রেরণের সময় মুআজ ইবনু জাবাল-কে হেদায়েত দেন যেন তিনি মানুষদেরকে সহজভাবে দীন শেখান।
টিকাঃ
[৯২৬] মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ, সাদিক উরজুন, ৪/৪৬০
[৯২৭] রিসালাতুল আম্বিয়া, 'উমার আহমাদ 'উমার, পৃ. ১৯৯
[৯২৮] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, ইবনু হিশাম ৪/১৯৩
[৯২৯] রিজালুল ইদারাতি ফিদ দাওলাতিল ইসলামিয়্যাহ, ড. হুসাইন মুহাম্মাদ, পৃ. ৭৬
[৯৩০] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, ইবনু হিশাম ৪/১৯৩
[৯৩১] তারীখুল ইসলামি, আয-যাহাবি, আল-মাগাযি, পৃ. ৬৭০
[৯৩২] আল-মাগাযি, ওয়াকিদি, ৩/৯৬৮
[৯৩৩] আত-তারীখুল ইসলামি, হামীদি, ৮/৫০; আল-মাগাযি, ওয়াকিদি, ৩/৯৬৮
[৯৩৪] আল-মুজতামাউল মাদীনাতি ফি আহদিন নাবুয়্যাতি, পৃ. ২২১-২২৩
[৯৩৫] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫১৯
[৯৩৬] প্রাগুক্ত
[৯৩৭] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, ইবনু হিশাম ৪/১৯৫
[৯৩৮] প্রাগুক্ত
[৯৩৯] দালাইলুন নাবুয়্যাতি, বাইহাকি ৫/৩০৩, ৩০৪
[৯৪০] আল-মাগাযি ৩/৬৭১
[৯৪১] দালাইলুন নাবুয়্যাতি, বাইহাকি ৫/৩০৪
[৯৪২] আস-সারায়া ওয়াল বুয়ুস, পৃ. ৩০০
[৯৪৩] প্রাগুক্ত
[৯৪৪] দালাইলুন নাবুয়্যাতি, ৫/৩০৩
[৯৪৫] আস-সারায়া ওয়াল বুয়ুস, পৃ. ৩০০
[৯৪৬] আল-মাগাযি ৩/৯৭২
[৯৪৭] দালাইলুন নাবুয়্যাতি, ৫/৩০৩
[৯৪৮] আস-সারায়া ওয়াল বুয়ুস, পৃ. ৩০১
[৯৪৯] তারীখ ইবন শাইবাহ, ২/৫০৭।
[৯৫০] আস-সারায়া ওয়াল বুয়ুস, পৃ. ৩০১
[৯৫১] দালাইলুন নাবুয়্যাতি, ৫/২৯৯-৩০৩
[৯৫২] তারীখুল ইসলামি, আয-যাহাবি, আল-মাগাযি, পৃ. ৬৫৯
[৯৫৩] আবু দাউদ, জানাযা অধ্যায়, হাদীস নং ৩০৯৪
[৯৫৪] বুখারি, ৪৬৭০
[৯৫৫৫] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৩৩, ৫৩৪
[৯৫৬] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬২১, ৬২২
[৯৫৭] দিরাসাত ফি আহদিন নাবুয়্যাহ, আশশুজা, পৃ. ২২১
[৯৫৮] মুঈনুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৪৬৪
[৯৫৯] দিরাসাত ফি আহদিন নাবুয়্যাতি, পৃ. ২১৯
[৯৬০] যাদুল মাআদ, ২/৯১
[৯৬১] আল-মুনাফিকূন, মুহাম্মাদ্দ জামীল গাযি, পৃ. ৯২, ৯৩
[৯৬২] দিরাসাত ফি আহদিন নাবুয়্যাহ, আশশুজা, পৃ. ২২০
[৯৬৩] কাযায়া নিসাউন নাবি ওয়াল মুমিনাত, পৃ. ৫১
[৯৬৪] প্রাগুক্ত, পৃ. ৬৮
[৯৬৫] মুসলিম ফিত-তালাক, ২/১১০৪
[৯৬৬] মুঈনুস সীরাহ, পৃ. ৪৬৫
[৯৬৭] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ ফি যাউইল কুরআনি ওয়াস সুন্নাহ, ২/৩৫, ৩৬
[৯৬৮] বুখারি, ৫০৩
[৯৬৯] বুখারি, ২৪৬৮
[৯৭০] বুখারি, ৬৪৫৭
[৯৭১] বুখারি, ৬৪৫৯
[৯৭২] কাযায়া নিসাউন নাবি ওয়াল মুমিনাত ফি সূরাতিল আহযাব, পৃ. ৭৭
[৯৭৩] বুখারি, ৪৭৮৬
[৯৭৪] কাযায়া নিসাউন নাবি ওয়াল মুমিনাত ফি সূরাতিল আহযাব, পৃ. ৭৯
[৯৭৫] তাফসীরুস সাদি, ৪/১৪৮
[৯৭৬] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৭/১৩৬
[৯৭৭] মুঈনুস সীরাহ, পৃ. ৪৭৫
[৯৭৮] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৩৬
[৯৭৯] নাযরাতুন নাঈম, ১/৩৯৮
[৯৮০] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬২৫
[৯৮১] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৩৭
[৯৮২] নাযরাতুন নাঈম, ১/৩৯৯
[৯৮৩] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬২৪
[৯৮৪] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৪০
[৯৮৫] প্রাগুক্ত
[৯৮৬] কিরাআতু সিয়াসিয়্যাহ, লিস-সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ২৮৩
[৯৮৭] প্রাগুক্ত, পৃ. ২৮৪
[৯৮৮] নাযরাতুন নাঈম, ১/৩৯৬
[৯৮৯] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫/৪৬, ৪৭
[৯৯০] নাযরাতুন নাঈম, ১/৩৯৭
[৯৯১] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫৪২
[৯৯২] বুখারি, ৪৩৬৫, ৪৩৬৮, ৪৩৭২, ৪৩৯২
[৯৯৩] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫/৪০-৯৮
[৯৯৪] নাযরাতুন নাঈম, ১/৩৯৮
[৯৯৫] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুল আসাসু ফিস-সুন্নাহ, ২/১০১৪
[৯৯৬] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫৪৪
[৯৯৭] আল-আসাস ফিস-সুন্নাহ, ২/১০১৪
[৯৯৮] আল-মাদীনাতুন নাবাউয়্যাহ ফাজরুল ইসলাম, ২/৪০০
[৯৯৯] দিরাসাত ফি আহদিন নাবুয়্যাহ, আশশুজা, পৃ. ২২১
[১০০০] মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ, সাদিক উরজুন, ৪/৫২০
[১০০১] প্রাগুক্ত, ৪/৫২১
[১০০২] বুখারি, ৫৩
[১০০৩] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬৩১
[১০০৪] প্রাগুক্ত, পৃ. ৬৩৫
[১০০৫] বুখারি, ৬৩
[১০০৬] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬৩০; মুসনাদু আহমাদ ১/২৬৪
[১০০৭] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫/৪৮
[১০০৮] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৪৭
[১০০৯] যাদুল মাআদ, ৩/৬৩৩
[১০১০] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৪৭
[১০১১] প্রাগুক্ত
[১০১২] প্রাগুক্ত
[১০১৩] বুখারি, ৩৭৪৫
[১০১৪] ফিকহুস সীরাহ, আল-বৃতি, পৃ. ৩২২
[১০১৫] আস-সীরাহ, ইবনু হিশাম, ৪/২৫০
[১০১৬] আল-ফিকহুস সিয়াসি লিল-ওয়াসাইকিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ২৩১
[১০১৭] বুখারি, ৪৩৪৭
[১০১৮] আত-তারীখুল ইসলামি, ৮/১৮৭
[১০১৯] মুঈনুস সীরাহ, পৃ. ৪৮৬
[১০২০] সাহীহুস সীরাহ, পৃ. ৬৫৪
[১০২১] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৫৯
[১০২২] বুখারি, ৪৩৪২
[১০২৩] আত-তারীখুল ইসলামি, হামীদি, ৮/১৮৬
[১০২৪] দিরাসাত ফি আহদিন নাবুয়্যাহ, আশশুজা, পৃ. ২২১
[১০২৫] আল-ইবার ওয়া দীওয়ানুল মুবতাদা ওয়াল খাবর, ২/৫৯
[১০২৬] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, ইবনু হিশাম, ৪/১৫৩
[১০২৭] আদ-দাওলাতুল আরাবিয়্যাতুল ইসলামিয়্যাহ, মানসূর হারাবি, পৃ. ৪৪
[১০২৮] প্রাগুক্ত; আল-কাতানি, ১/২২৭
[১০২৯] আদ-দাওলাতুল আরাবিয়্যাতুল ইসলামিয়্যাহ, পৃ. ৪৪
📄 বিদায় হাজ্জ, দশম হিজরি
ইসলামের পঞ্চ ভিত্তির একটি হলো হাজ্জ। ১০ম হিজরিতে হাজ্জ ফরজ করা হয়। ইবনুল কাইয়িম এই মত ব্যক্ত করেছেন। ১০ম হিজরিতে মাদীনা থেকে এই একটি হাজ্জই করেছেন আল্লাহর রাসূল। এই হাজ্জেই তিনি মানুষকে বিদায় জানিয়েছেন, এরপর আর হাজ্জ করতে পারেননি, তাই এই হাজ্জ বিদায় হাজ্জ নামে প্রসিদ্ধ। আরাফার ময়দানে অবতীর্ণ হয়—‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম, পূর্ণ করলাম আমার নিয়ামাত, আর তোমাদের জন্য দীন হিসেবে ইসলামকে মনোনীত করলাম।’ (সূরা মাইদাহ: ০৩)
টিকাঃ
[১০০০] যাদুল মাআদ, ৩/৫৯৫
[১০৩১] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ ফি যাউইল মাসাদিরিল আসলিয়্যাহ, পৃ. ৬৮০
[১০৩২] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৭৫
[১০৩৩] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৮৬
📄 এক. যেভাবে সূচনা হলো বিদায় হাজ্জের
১০ম হিজরির জিলকদ মাস। আল্লাহর রাসূল ঘোষণা করলেন যে, এই বছর তিনি হজ্জব্রত পালনের সংকল্প করেছেন। জিলকদ মাসের এখনো পাঁচদিন বাকি আছে। দিনটি শনিবার। যোহরের চার রাকাত নামাজ আদায় করে আল্লাহর রাসূল সবাইকে নিয়ে রওনা করেন। নবিজির সাথে তালবিয়া পাঠে সাহাবিরা কেউ কম করছেন কেউ বেশি করছেন। নবিজি মেনে নিয়ে সেভাবেই পড়তে বলছেন, কাউকে মন্দ বলছেন না। জিলহাজ্জ মাসের চারদিন গত হয়েছে। আজ রবিবার রাত। শুভ্র কাফেলা নিয়ে নবিজি এখানে রাত্রি যাপন করেন। ভোরের স্নিগ্ধ আবেশে আদায় করেন ফজরের সালাত।
নবিজি কা'বার চত্বরে এসে তাওয়াফ শুরু করেন। সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাঈ শেষ হলে তিনি সাহাবিদের উদ্দেশে নির্দেশ দিলেন যাদের সাথে হাদি নেই তারা যেন উমরা করে হালাল হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার দ্বিপ্রহরের আগে তিনি সঙ্গীদের নিয়ে মিনার প্রান্তরে চলে আসেন। নবিজি সোজা আরাফায় চলে আসেন। সূর্য হেলে পড়ার পর তিনি উপত্যকার সমতল ভূমিতে এসে তিনি লোকদের উদ্দেশ্য ভাষণ দেন। তিনি বললেন—'তোমাদের জীবন, তোমাদের সম্পদ তেমন হারাম, যেমন আজকের দিনে, এই মাসে তোমাদের এই নগরীতে হারাম। মনে রেখো, জাহিলি যুগের সমস্ত কিছু এখন আমার পদতলে সমাধিত। তোমাদের মাঝে একটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, এটাকে আঁকড়ে ধরলে তোমরা আর পথভ্রষ্ট হবে না। তা হলো আল্লাহর কিতাব।'
এই প্রেক্ষাপটেই কুরআনের আয়াত নাযিল হয়—'আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম...'। সূর্যাস্তের পর আল্লাহর রাসূল আরাফা থেকে নেমে আসেন। মুযদালিফায় এসে মাগরিব ও ইশার সালাত আদায় করেন। কুরবানির দিন জামরাতুল আকাবায় এসে কংকর নিক্ষেপ করেন। মিনার প্রান্তরে আবার সারগর্ভ একটি ভাষণ দেন। তিনি নিজ হাতে ৬৩টি উট কুরবানি করেন। নবিজি মাক্কায় ফিরে বিদায়ী তাওয়াফ করেন। বিদায় হাজ্জ থেকে ফেরার পথে গাদীরে খুম্মা নামক স্থানে আল্লাহর রাসূল আরেকবার খুতবা দেন। তিনি বললেন—'আমি তোমাদের মাঝে দুটি ভারী জিনিস রেখে যাচ্ছি। প্রথমটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং দ্বিতীয়টি হলো আমার পরিবার।'
বিদায় হাজ্জের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ এক পূর্ণতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহর রাসূল ﷺ প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল পাপ ও জাহেলি সম্পর্ক থেকে বেঁচে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভ্রাতৃত্ব, সাম্য এবং আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। নবিজি হাতে-কলমে ও বারংবার আলোচনার মাধ্যমে সাহাবিদেরকে ইসলামের বিধানসমূহ শিক্ষা দিয়েছেন।
টিকাঃ
[১০৩৪] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬৬৪
[১০৩৫] বুখারি, ১৫৪৯
[১০৩৬] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৮৬
[১০৩৭] মুসলিম, ১২২৭
[১০৩৮] প্রাগুক্ত, হাদীস নং ১২১৮
[১০৩৯] প্রাগুক্ত; সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬৫৯
[১০৪০] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬৬১; মুসলিম, ১২১৮
[১০৪১] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৮৯
[১০৪২] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, পৃ. ৬৬২
[১০৪৩] সাহীহুস সীরাহ, পৃ. ৬৬২
[১০৪৪] সাহীহুস সীরাতিন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৮৯
[১০৪৫] প্রাগুক্ত, পৃ. ৩৯০
[১০৪৬] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫৫০
[১০৪৭] হাজ্জের ফরজ বিধান
[১০৪৮] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৯০
[১০৪৯] মুসলিম, ১২১৮
[১০৫০] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৯০
[১০৫১] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৭৯
[১০৫২] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৯০
[১০৫৩] মুসলিম, ২০৪৮
[১০৫৪] আন-নাসাই ফি খাসাইসি আলি, পৃ. ২১
[১০৫৫] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫৫০
[১০৫৬] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫/২০৯
[১০৫৭] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫৫১
[১০৫৮] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৮১
[১০৫৯] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ৩৯১
[১০৬০] আল-আসাসু ফিস-সুন্নাহ, ২/১০৫৪
[১০৬১] ফিকহুস সীরাহ, আল-বৃতি, পৃ. ৩৩১
[১০৬২] কিরাআতু সিয়াসিয়্যাহ, পৃ. ৩০৩
[১০৬৩] প্রাগুক্ত
[১০৬৪] প্রাগুক্ত, পৃ. ৩০৪
[১০৬৫] দাওলাতুর রাসূলি মিনাত তাকউইনি ইলাত তামকীন, পৃ. ৫৭৫
[১০৬৬] ফিকহুস সীরাহ, আল-বুতি, পৃ. ৩৩২
[১০৬৭] দাওলাতুর রাসূলি মিনাত তাকউইনি ইলাত তামকীন, পৃ. ৫৭৬
[১০৬৮] ফিকহুস সীরাহ, আল-বৃতি, পৃ. ৩৩৩
[১০৬৯] আল-মাউসূআহ ফি সামাহাতিল ইসলাম, উرজুন, ২/৮-৭৬
[১০৭০] ফিকহুস সীরাহ, আল-বৃতি, পৃ. ৩৩৩
[১০৭১] আল-জানিবুস সিয়াসি ফি হায়াতির রাসূলি, পৃ. ১৩১
[১০৭২] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫৪৯; মুসলিম ২/৯৪২
[১০৭৩] আল-মুসতাফাদু মিন কিসাসিল কুরআন, ২/৫১৮
[১০৭৪] প্রাগুক্ত, ২/৫১৭, ৫১৮
[১০৭৫] প্রাগুক্ত, ২/৫১৮
[১০৭৬] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাতুস সাহীহাহ, ২/৫৪৯
[১০৭৭] বুখারি, ১৯৮৯
[১০৭৮] বুখারি, ১২৬৫
[১০৭৯] বুখারি, ১৫১৩
[১০৮০] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ ফি যাউইল মাসাদিরিল আসলিয়্যাহ, পৃ. ৬৮১
[১০৮১] আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, আবু শুহবাহ, ২/৫৭৯
📄 নবিজির মৃত্যুব্যাধি, অতঃপর মহামহিম বন্ধুর সান্নিধ্যে
এক. নবিজির ওফাতের ইঙ্গিতবাহী সমূহ আয়াত ও হাদীস
১. আয়াতসমূহ
'আর মুহাম্মদ একজন রাসূল বই তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রাসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে?' (সূরা আলে ইমরান: ১৪৪)। ইবনু কাসীর বলেন, এই আয়াতটি আবু বাকর সিদ্দীক আল্লাহর রাসূলের মৃত্যুর পর উপস্থাপন করেছিলেন।
২. মৃত্যুর ইঙ্গিতবাহী হাদীসগুলো
আয়িশা বলেন, একবার আল্লাহর রাসূল ﷺ ফাতিমাকে কানে কানে বললেন—'জিবরাঈল প্রতি বছর আমাকে কুরআন একবার শোনায়, এ বছর ইতোমধ্যে দুইবার শুনিয়েছে। তার মানে হলো আমার অন্তিম মুহূর্ত খুব কাছে।' জাবির বলেন, বিদায় হাজ্জে নবিজি বলেছিলেন, 'হয়তো এই হাজ্জের পর আর কোনো হাজ্জ করতে পারব না।' আবু সাঈদ খুদরি বলেন, আল্লাহর রাসূল সমবেত লোকদের সামনে বয়ান করতে গিয়ে বলেন, 'এক বান্দাকে আল্লাহ তাঁর জন্য নির্বাচন করেছেন।' শুনে আবু বাকর কান্নায় ভেঙে পড়েন, কারণ তিনি ইঙ্গিতটি বুঝতে পেরেছিলেন।
টিকাঃ
[১০৮৪] তাফসীরে কুরতুবি, ৪/২২২
[১০৮৫] তাফসীর ইবন কাসীর, ৪/৫৩
[১০৮৬] আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫/৯৫।
[১০৮৭] বুখারি, ৪৪০৩
[১০৮৮] মুজমাউয যাওয়াইদ ৯/২৬
[১০৮৯] বুখারি, ৬২৮৫, ৬২৮৬
[১০৯০] মারযুন নাবি ওয়া ওয়াফাতুহু, পৃ. ৩৫
[১০৯১] মুসলিম, ১২৯৭
[১০৯২] শারহুন নাওয়াউই আলা সাহীহি মুসলিম, ৯/৪৫
[১০৯৩] লাতাইফুল মাআরিফ, পৃ. ১০৫
[১০৯৪] বুখারি, ৩৬৫৪
[১০৯৫] ফাতহুল বারি, ७/১৬
[১০৯৬] আল-বাযযার, ১/৩৯৭; হাদীস নং ৮৪৪
[১০৯৭] মারযুন নাবি ওয়া ওয়াফাতুহু, পৃ. ৩৭
[১০৯৮] মুজমাউয যাওয়াইদ ৯/২২; আল-বানি, হাদীস নং ২৪৯৭
[১০৯৯] মারযুন নাবি ওয়া ওয়াফাতুহু, পৃ. ৩৮