📘 রউফুর রহীম 📄 ইসলামি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে মাদীনাকে বেছে নেওয়ার কারণ

📄 ইসলামি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে মাদীনাকে বেছে নেওয়ার কারণ


মাদীনাকে হিজরাত ও দাওয়াতের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে আল্লাহর কী প্রজ্ঞা কাজ করেছে, সে রহস্য আল্লাহই ভালো জানেন। তবে আমরা এতটুকু বলতে পারি, শহরটি প্রাকৃতিকভাবেই সুরক্ষিত ও যুদ্ধ উপযোগী। সুরক্ষিত হওয়ার দিক থেকে আরব উপদ্বীপের আর একটি শহরও এর ধারে কাছে ছিল না। বিস্তৃত পাহাড়শ্রেণি আগলে আছে মাদীনার পশ্চিম ও পূর্ব দিক; চাইলেও কেউ এই দুটি দিক দিয়ে শহরটিতে আক্রমণ করতে পারবে না। কেবল উত্তর দিকটি উন্মুক্ত ছিল; তাতেও নিরাপত্তার কোনো সমস্যা ছিল না (৫ম হিজরিতে, আহযাব যুদ্ধে পরিখা খনন করে রাসূল ﷺ এ দিকটি থেকে মাদীনাকে সুরক্ষা দেন)। অন্যদিকে দক্ষিণ দিক খেজুরবাগান ও ঘন ঝোপঝাড়ে বেষ্টিত ছিল; কোনো সৈন্যদল আক্রমণ করার ইচ্ছায় এ দিকটাকে যদি বেছেও নেয়, তবে তাদের মাড়াতে হবে খুবই সংকীর্ণ ও বিপৎসংকুল পথ। যেখানে কোনো ভাবেই সৈন্যবাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হবে না। সারিবদ্ধভাবে এগোনোর কোনো সুযোগ নেই এ পথ ধরে।

সামরিক বিবেচনায় ছোট একটা পাহারাও অনেক সময় সামরিক শৃঙ্খলাকে ধূলিসাৎ করা এবং সামনে এগোতে বাধা দানে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে। ঐতিহাসিক ইবনু ইসহাক বলেন, মাদীনার একটি দিক ছিল খোলামেলা। আর বাকি সবগুলো দিক ছিল বাড়িঘর এবং খেজুর বাগানে পরিবেষ্টিত, কোনো শত্রুদল বাধাগুলো অতিক্রম করার সামর্থ্য রাখত না।[৩৮]

মাদীনাকে বেছে নেওয়ার পেছনে আল্লাহর প্রজ্ঞার কথা জানাতে গিয়ে হিজরাতের আগে রাসূল ﷺ সাহাবিদের উদ্দেশে বলেছিলেন, 'আমি তোমাদের হিজরাত করার জায়গা দেখেছি। দু-লাবাতের মাঝে খেজুর বেষ্টিত।'[৩৯] এরপর হিজরাতে আগ্রহী সাহাবিরা দল বেঁধে মাদীনায় হিজরাত করেন।

মাদীনার আওস ও খাযরাজ গোত্র দুটির লোকজন ছিল আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন, সাহসী, শক্তিশালী ও স্বাধীনচেতা। কারও সামনে নত হওয়ার নজির তাদের ইতিহাসে নেই। তারা কখনো কোনো গোত্র কিংবা কোনো শাসন কর্তৃত্বের কাছে নতজানু হয়ে কর দেয়নি। ইবনু খালদূন বলেন, এ দুটি গোত্রই ইয়াসরিবে প্রভাব বিস্তার করে ছিল। ইয়াসরিবের প্রতিরক্ষার সবগুলো দিক ছিল তাদের নখদর্পণে। আওস ও খাযরাজের এমন শক্তিমত্তা দেখে প্রতিবেশী মুদার গোত্র তাদের দলে এসে যোগ দেয়।

আল্লাহর রাসূলের মামার বংশ 'আদি ইবনু নাজ্জার গোত্রেরই একজন নারী ছিলেন দাদা 'আবদুল মুত্তালিবের মা; হাশিম 'আদি ইবনু নাজ্জার গোত্রের একজন 'আমরের কন্যা সালমাকে বিয়ে করেন। তার ঘরেই জন্ম নেন আল্লাহর রাসূলের দাদা 'আবদুল মুত্তালিব। হাশিম ছেলেকে সালমার কাছে রেখে চলে আসেন। বয়ঃসন্ধিক্ষণে পৌঁছার আগেই চাচা মুত্তালিব তাঁকে মক্কায় নিয়ে আসেন। আরব সামাজিক জীবনে আত্মীয়তার সম্পর্ককে অত্যন্ত সমীহ করা হতো। আবু আইয়ুব আল-আনসারি এমনই একজন আত্মীয়, রাসূল ﷺ মদিনায় গিয়ে যার বাড়িতে ওঠেন।

মদীনার আওস ও খাযরাজ গোত্রের লোকেরা ছিলেন কাহতান বংশের মুহাজির, মক্কার প্রথম প্রজন্মের মুসলিমরা এবং এর আশপাশের লোকজন ছিলেন 'আদনানের বংশধর। রাসূল ﷺ হিজরাত করে মদিনায় এলে আনসাররা তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসেন। সেখানে 'আদনানি ও কাহতানি আরবরা ইসলাম নামের একই পতাকা তলে সমবেত হন। যেন সবাই মিলে হয়ে ওঠেন একটি শরীর, একই আবেগ ও আক্রোশ সম্মিলিত করে তাদের সকলকে। অথচ জাহিলি যুগে তারা পরস্পরে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করত, বংশ গৌরবের প্রতিযোগিতায় নামত; কিন্তু আজ তারা এক হয়ে যাওয়ায় শয়তান জাহিলি ধারায় কাহতানি কিংবা 'আদনানি সূত্রিতার কোনো জিদ উসকে দেওয়ার রাস্তা পাচ্ছিল না। এভাবেই রাসূল ﷺ ও তাঁর সাহাবিদের বসবাস, দীনের দাওয়াত ও দাম্ভিকদের বিরুদ্ধে জিহাদের জন্য মদীনা হয়ে ওঠে যথোপযুক্ত ভূমি। মদীনা নামক সুদৃঢ় কেন্দ্র থেকেই ইসলাম তার আপন মহিমায় গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে আরম্ভ করে। প্রথমে জয় করে নেয় আরব উপদ্বীপ, তারপর একে একে তার বিজয় নিশান নিয়ে ছুটে চলে পৃথিবীর দিকে দিকে, পথে-প্রান্তরে।[৪০]

১) মদীনার প্রতি আল্লাহ্র রাসূলের মুগ্ধতা এবং এর জন্য তাঁর দু'আ: রাসূল ﷺ আল্লাহর কাছে এ বলে দু'আ করেছেন, 'মক্কা যেমন আমাদের প্রিয়, হে আল্লাহ, আপনি মদীনাকে আমাদের কাছে সেরূপ প্রিয় করে তুলুন বা তার চেয়েও বেশি।'[৪১] হযরত আনাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসূল ﷺ যখনই কোনো সফর থেকে ফিরতেন, তিনি মদীনার উঁচু উঁচু রাস্তার দিকে তাকাতেন, তাঁর উটনীকে জোরে হাঁকাতেন। আর যদি (উটনী না হয়ে) অন্য কোনো বাহন হতো, তাহলে সেটাকে দ্রুত ছোটাতেন।' [৪২]

২) মক্কার তুলনায় মাদীনাতে দ্বিগুণ বারাকাহর জন্য আল্লাহর কাছে আল্লাহ্র রাসূলের দু'আ: আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকজন তাদের গাছের প্রথম ফলটি আল্লাহর রাসূলের দরবারে নিয়ে আসতেন। রাসূল ﷺ সেটা দেখে বলতেন, হে আল্লাহ, আপনি আমাদের ফলে আমাদের জন্য বারাকাহ দিন, বারাকাহ দিন। আমাদের মাদীনাতে, বারাকাহ দিন সা'-এ এবং বারাকাহ দিন আমাদের মুদ্দ-এ। হে আল্লাহ, নিশ্চয় ইবরাহীম ছিলেন আপনার বান্দা, আপনার বন্ধু এবং আপনার একজন নবি। আর আমিও আপনার বান্দা এবং আপনার একজন নবি। তিনি মাক্কার জন্য আপনার নিকট দু'আ করেছিলেন। আর আমিও মাদীনার জন্য আপনার কাছে সেই দু'আ করছি, যা তিনি মাক্কার জন্য করেছিলেন এবং তার অনুরূপ।'[৪৩]

৩) আল্লাহ্র রাসূলের বারাকাহর কল্যাণে মাদীনাকে দাজ্জালের হাত থেকে ও প্লেগ রোগের প্রকোপ থেকে সুরক্ষা দান: আল্লাহ তা'আলা মাদীনার সুরক্ষার জন্য একদল ফেরেশতা নিয়োজিত করে দেন। তাদের নিরাপত্তা দেওয়াল ভেদ করার সাধ্য দাজ্জালেরও নেই। সে সময়ে মাদীনায় বসবাসরত কাফির-মুনাফিকদের দাজ্জালের কাছে ছুড়ে মারবে। এমনিভাবে রাসূল মাদীনাবাসীর সুস্বাস্থ্যের জন্য দু'আ করেছিলেন বলে সেখানে প্লেগ থাবা বসাতে পারেনা। [৪৪]

৪) মাদীনার দুর্দিনে ধৈর্য ধরার ফজিলত: যে ব্যক্তি মাদীনার কঠিন দিনে এবং রুটি-রুজির অনটনের দিনে ধৈর্যধারণ করবে, রাসূল কিয়ামাতের দিন তার জন্য সুপারিশ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।[৪৫] সা'দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল বলেছেন, 'মাদীনা তাদের জন্য উত্তম, যদি তারা জানত। যে ব্যক্তি মাদীনার প্রতি বিরাগভাজন হয়ে মাদীনাকে ছেড়ে যাবে না, আল্লাহ তাকে এর থেকেও উত্তম একটা অবস্থানে উপনীত করবেন।'[৪৬]

৫) মাদীনায় মারা যাওয়ার ফজিলত: ইবনু 'উমার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল বলেছেন, যার পক্ষে সম্ভব সে যেন মাদীনায় মৃত্যুবরণ করে; কারণ, যে ব্যক্তি সেখানে মারা যাবে, আমি তার জন্য সুপারিশ করব।[৪৭] হযরত 'উমার ইবনুল খাত্তাব এ দু'আটি প্রায়ই করতেন, 'হে আল্লাহ, আপানার পথে শহিদ হওয়ার এবং আপনার রাসূলের শহরে মৃত্যুবরণের তাওফীক দিন।[৪৮] আল্লাহ তা'আলা 'উমার ফারুক-এর দু'আ কবুল করেন; 'উমার সালাতের ইমামাত করার সময় আল্লাহর রাসূলের মিহরাবে শাহাদাত বরণ করেন।

৬) মাদীনা ঈমানের ঘাঁটি এবং সকল পঙ্কিলতা থেকে নিষ্কলুষ: ঈমানের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে মাদীনা। পৃথিবীর সেরা মানুষেরা আবাস গেড়েছেন সেখানে। দুষ্ট ও খারাপ লোকরা হয়েছে বিচ্যুত ও বিতাড়িত। কিছুদিন বুদ্বুদের মতো নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা করেছিল ঠিকই; কিন্তু খুব দ্রুতই তাদের উবে যেতে হয়েছে। আপন তাগিদেই রণে ভঙ্গ দিয়ে তারা পাততাড়ি গুটিয়ে পালিয়েছে। কখনো শোনা যায়নি, মাদীনার প্রতি বিরাগভাজন হয়ে কোনো মুসলিম মাদীনা ছেড়ে অন্য কোথাও থেকেছেন। তবে আল্লাহ কারও ভাগ্যে অন্য কিছু লিখে রাখলে সেটাভিন্ন কথা। [৪৯] আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় ঈমান মাদীনার দিকে এসে মিলিত হবে ঠিক সেভাবে, যেভাবে সাপ তার গর্তে গিয়ে আশ্রয় নেয়। [৫০] রাসূল বলেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, জেনে রাখো, নিশ্চয় মাদীনা হাপরের মতো; অনিষ্টকর সবকিছু সে বের করে দেয়। হাপর যেভাবে লোহার জং দূর করে, ঠিক সেভাবে মাদীনা তার সব অনিষ্ট মিটিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত কিয়ামাত হবেনা। [৫১]

৭) যাইদ ইবনু সাবিত থেকে বর্ণিত; রাসূল বলেন, নিশ্চয় এটা (মাদীনা) পবিত্র। সে সব পাপাচার মিটিয়ে দেয় ঠিক সেভাবে, যেভাবে আগুন রুপার ময়লা দূর করে। [৫২]

৮) অনিষ্টকারীর হাত থেকে মাদীনাকে আল্লাহর সুরক্ষা প্রদান: মাদীনার বিনাশ চায়, এমন যেকোনো লোকের অনিষ্ট থেকে আল্লাহ তা'আলা মাদীনা শহরকে সুরক্ষা দান করবেন। যে মাদীনায় কোনো বিদা'আত সৃষ্টি করবে কিংবা কোনো বিদা'আতিকে সেখানে আশ্রয় দেবে, অথবা মাদীনাবাসীকে হুমকি দেবে, রাসূল ﷺ এমন ব্যক্তিকে আল্লাহর অভিশাপ, শান্তি এবং দ্রুত ধ্বংস হওয়ার ভয় দেখিয়েছেন। [৫৩] সা'দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস থেকে বর্ণিত, রাসূল বলেন, মাদীনাবাসীর বিরুদ্ধে যে-ই ষড়যন্ত্র পাকাবে, সে লবণ যেভাবে মিশে যায় সেভাবে গলে যাবে। [৫৪] রাসূল আরও বলেন, মাদীনা একটি পবিত্র স্থান; যে ব্যক্তি সেখানে বিদা'আত সৃষ্টি করবে কিংবা কোনো বিদা'আতিকে প্রশ্রয় দেবে, তার ওপর আল্লাহ, ফেরেশতাগণ ও সকল মানুষের অভিশাপ। কিয়ামতের দিন তার কোনো দান-অনুদান এবং বিনিময় গৃহীত হবে না। [৫৫]

৯) মাদীনার পবিত্রতা: রাসূল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ওয়াহির ভিত্তিতে মাদীনাকে পবিত্র বলে ঘোষণা করেছেন; অতএব, সেখানে কোনো ধরনের রক্তপাত বৈধ নয়। তাই এখানকার অধিবাসীরা কারও চোখ রাঙানির ভয়ে তটস্থ থাকতে হবে না। এই ভূমির গাছপালা কাটা যাবে না। পথে কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু নিজের মনে করে পকেটে পুরে ফেলার কোনো সুযোগ নেই, যথাযথ মালিকের হাতে তুলে দিতে হবে [৫৬]। এমন আরও অনেক কিছুই করা যাবে না মাদীনার সে হারাম এলাকায়; কারণ সেখানে এগুলো করা হারাম। রাসূল বলেন, নিশ্চয় ইবরাহীম মাক্কাকে হারাম (পবিত্র) বলে ঘোষণা করেছেন এবং এর জন্য দু'আ করেছেন। ইবরাহীম যেভাবে মাক্কাকে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন, ঠিক সেভাবেই আমি মাদীনাকে হারাম ঘোষণা করেছি এবং এর মুদ্দ ও সা'-এ বারাকাহর বিষয়ের জন্য আমি দু'আ করেছি। ঠিক সেভাবেই, যেভাবে ইবরাহীম মাক্কার জন্য দু'আ করেছেন। [৫৭] তিনি আরও বলেন, হে আল্লাহ, নিশ্চয় ইবরাহীম মাক্কাকে হারাম করেছেন, আর আমি দুই লাবিতের মাঝে অবস্থানকারীকে হারাম করেছি, [৫৮] অর্থাৎ মাদীনা।

মাদীনার এমন অনন্য মর্যাদার পুরোমাত্রায় ভাগীদার ছিলেন সাহাবিরা। মাক্কা থেকে মাদীনায় হিজরাত করে কখন আসবেন, সেখানে কবে থেকে বসবাস শুরু করবেন—এ নিয়ে সাহাবিরা খুবই উদ্‌গ্রীব ছিলেন। এভাবেই মুসলিম উম্মাহর শৌর্য-বীর্য সব এসে একত্রিত হয় মাদীনার ভূখণ্ডে। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনের তাগিদে উম্মাহ তার শক্তি নিয়োগ করে সব ধরনের শির্ক ও রংবেরঙের কুফুরির মূলোৎপাটনে। তারাই পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও-প্রান্তে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে বয়ে নিয়ে যান ইসলামের বিজয় পতাকা।

টিকাঃ
৩৮. আস-সীরাতুন নাবাউয়্যাহ, নদভি, পৃ. ১৫৭
৩৯. আল-হিজরাতুন নাবাউয়্যাতুল মুবারাকাহ, পৃ. ৫২
৪০. আল-আসাসু ফিস সুন্নাহ, ১/৩৩৩
৪১. আল-হিজরাতুন নাবাউয়্যাতুল মুবারাকাহ, পৃ. ১৫৭
৪২. বুখারি, উমরাহ অধ্যায়, ৩/৬৩০, হাদীস নং ১৮০২
৪৩. মুসলিম, হাজ্জ অধ্যায়, মাদীনার ফজিলত পরিচ্ছেদ, হাদীস নং ২/১০০০, হাদীস নং ১৩৭৩
৪৪. আল-হিজরাতুন নাবাউয়্যাতুল মুবারাকাহ, পৃ. ১৫৮
৪৫. প্রাগুক্ত, পৃ. ১৬০
৪৬. মুসলিম, হাজ্জ অধ্যায়, মাদীনার ফজিলত পরিচ্ছেদ, হাদীস নং ২/৯৯২, হাদীস নং ১৩৬৩
৪৭. আহমাদ, ২/৭৪, হাদীস নং ৫৮১৮, সনদ সহীহ। ইবনু হিব্বান সহীহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, হাদীস নং ৩৮৪১
৪৮. বুখারি, মাদীনার ফজিলত অধ্যায়, ৪/১০০, হাদীস নং ১৮৯০
৪৯. আল-হিজরাতুন নাবাউয়্যাতুল মুবারাকাহ, পৃষ্ঠা. ১৬১
৫০. বুখারি, মাদীনার ফজিলত অধ্যায়, ৪/৯৩, হাদীস নং ১৮৭৬
৫১. মুসলিম, হাজ্জ অধ্যায়, ২/১০০৫, হাদীস নং ১৩৮১
৫২. বুখারি, যুদ্ধাভিযান অধ্যায়, উহুদ যুদ্ধ পরিচ্ছেদ, ৭/৩৫৬, হাদীস নং ৪০৫০
৫৩. আল-হিজরাতুন নাবাউয়্যাতুল মুবারাকাহ, পৃষ্ঠা. ১৬২
৫৪. বুখারি, মাদীনার ফজিলত অধ্যায়, ৪/৯৩, হাদীস নং ১৮৭৭
৫৫. মুসলিম, হাজ্জ অধ্যায়, মাদীনার ফজিলত পরিচ্ছেদ, ২/৯৯৯, হাদীস নং ১৩৭১
৫৬. এই বিধি অবশ্য সবখানের জন্যই প্রযোজ্য, পবিত্র স্থানে এটা বিশেষ গুরুত্ব লাভ করে।
৫৭. বুখারি, বেচাকেনা অধ্যায়, ৪/৩৪৬, হাদীস নং ২১২৯
৫৮. বুখারি, কিতাবুল মাগাযি, ৭/৩৭৭, হাদীস নং ৪০৮৪

ফন্ট সাইজ
15px
17px