📘 রউফুর রহীম 📄 ফিজার যুদ্ধ

📄 ফিজার যুদ্ধ


ফিজার জাহিলি আরবে সংঘটিত একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ। কুরাইশ তাদের মিত্র কিনানাকে সঙ্গে নিয়ে হাওয়াযিন গোত্রের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যুদ্ধটি লাগার পেছনে বড় কোনো কারণই ছিল না। তুচ্ছ একটা কলহকে কেন্দ্র করে ধাপে ধাপে সেটা ভয়াবহ যুদ্ধে গিয়ে গড়ায়। 'উরওয়াহ আর-রহহাল ইবনু 'উতবা ইবনু হাওয়াযিন একবার নু'মান ইবনুল-মুনযিরকে 'উকাজ মেলায় যাওয়ার জন্য তাঁর পণ্যবাহী বহরকে প্রতিরক্ষা দেন। বারাদ ইবনু কাইস ইবনু কিনানা 'উরওয়ার কাছে জানতে চায়, “তুমি কিনানা গোত্রের বিরুদ্ধে নু'মানকে প্রতিরক্ষা দিলে?” উত্তরে সে জানাল, “হ্যাঁ, এবং দরকার হলে সকল মানুষের বিরুদ্ধেও তাঁকে প্রতিরক্ষা দেবো।” এরপর 'উরওয়া নু'মানকে সঙ্গে করে সে বহর নিয়ে মেলায় যায়। বারাদও খুব কাছ থেকে তাকে অনুসরণ করতে করতে এগিয়ে আসে। সুযোগ খুঁজতে থাকে হত্যা করার জন্য 'উরওয়ার একটা অসতর্ক মুহূর্তের। পরিস্থিত পর্যবেক্ষণ করে সুযোগমতো হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিশোধ নেওয়া যাবে-এ আশায় তার গোত্র কিনানা হাওয়াযিন গোত্রকে কিছুই বুঝতে না দিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু খবরটি বেশিক্ষণ চাপা থাকেনি। হাওয়াযিনরা একসময় জেনে যায়; 'উরওয়াহ ও তার গোত্র হাওয়াযিন টের পেয়ে যায় তাদেরকে অনুসরণ করা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তারা ঘুরে যায় কিনানা গোত্রের দিকে। মুহূর্তের মধ্যে চিত্র পালটে যায়; শিকার এখন শিকারে পরিণত। হারাম এলাকায় (মাক্কার যে অংশে রক্তপাত নিষেধ) আশ্রয় নেওয়ার পূর্বে কিনানাকে পেয়েও যায় তারা। প্রচণ্ড যুদ্ধ শুরু হয় উভয় পক্ষে। সারা দিন তুমুল যুদ্ধ হলো। রাতে কিনানার লোকেরা হারামের ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। হাওয়াযিনও কিনানাদের হত্যা করা থেকে বিরত হয়। কিন্তু পরদিন হারাম এলাকাতেই আবার যুদ্ধ। চলল টানা কয়েকদিন। কুরাইশরা কিনানা গোত্রের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। [১৫৯] রাসূলুল্লাহরও অংশগ্রহণ ছিল এ যুদ্ধে; অল্প কিছুদিন। চাচারা সঙ্গে করে রণাঙ্গণে নিয়ে যান তাঁকে।

আরবরা মাক্কার হারাম এলাকাকে পবিত্র বলে জ্ঞান করত; জাহিলি যুগেও তারা এই পবিত্রতাকে মেনে চলত। কেউই সীমালঙ্ঘন করত না। কিন্তু এই যুদ্ধে যেহেতু মাক্কার পবিত্রতা লঙ্ঘিত হয়েছে, তাই যুদ্ধটির নামকরণ হয় ফিজার যুদ্ধ। [১৬০] পরবর্তীকালে রাসূল ফিজার যুদ্ধের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন,

“আমি শত্রুদের নিক্ষিপ্ত তিরগুলি ঠেকিয়ে দিতাম এবং তা কুড়িয়ে কুড়িয়ে চাচাদের হাতে তুলে দিতাম।” [১৬১]

ফিজার যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহর বয়স ছিল চৌদ্দ কি পনেরো। কারও কারও মতে, বিশ বছর। যারা বলেন সে সময় রাসূলুল্লাহর বয়স ছিল চৌদ্দ তাদের যুক্তি হলো, রাসূল তখন শত্রুদের নিক্ষিপ্ত তিরগুলো কেবল কুড়িয়ে এনে চাচাদের কাছে বয়ে নিতেন। তিনি যুদ্ধ করেননি। যা প্রমাণ করে যে, তাঁর বয়স তখন খুব বেশি ছিল না; চৌদ্দ কি পনেরো।

তবে রাসূল এ যুদ্ধে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অর্জন করেন সাহসিকতা, নির্ভীকতা ও বীরত্ব। যৌবনের শুরুতেই যুদ্ধের একটা প্রশিক্ষণও হয়ে যায় তাঁর। আরবদের অধিকাংশ যুদ্ধের মতো ফিজার যুদ্ধটাও একসময় শেষ হয়...। আল্লাহ তাদের মধ্যে হৃদ্যতা সৃষ্টি করে দেন। পরবর্তীকালে তাদের মধ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিয়ে অপসারিত করেন তাদের সকল ভ্রষ্টতা। [১৬২]

টিকাঃ
১৫৯. কিনানা গোত্রেরই একটি শাখা এই কুরাইশরা।
১৬০. ওয়াকাফাত তারবাওয়িয়া মা'আস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, পৃ. ৫৩।
১৬১. ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, ১/২২১-২২৪। আস-সীরাহ আল-হালাবিয়্যাহ, ১/১২৭-১২৯।
১৬২. ওয়াফাকাত তারবাওয়িয়া, পৃ. ৫৩।

📘 রউফুর রহীম 📄 হিলফুল-ফুযূল

📄 হিলফুল-ফুযূল


হিলফুল-ফুযূলের সূচনা হয় ফিজার যুদ্ধ থেকে কুরাইশদের ফিরে আসার অব্যবহিত পরে। কারণটা ছিল এ রকম—ইয়েমেনের শহর যুবাইদ থেকে একজন লোক ব্যবসার মাল-সামান নিয়ে একবার মাক্কায় আসে। 'আস ইবনু ওয়া'ইল নামের একজন লোক তার থেকে কিছু পণ্য কেনে। কিন্তু দাম পরিশোধ করছিল না। নিরুপায় হয়ে ব্যবসায়ী লোকটি কুরাইশ-সর্দারদের কাছে বিচার চায়। কিন্তু কুরাইশদের মধ্যে 'আস ইবনু ওয়ায়িলের ব্যাপক প্রভাব থাকায় লোকটিকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে না কুরাইশরা। অগত্যা লোকটি কা'বার সামনে দাঁড়িয়ে যায়। হৃদয়বান ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চেয়ে চিৎকার করে তাদেরকে আহ্বান করতে থাকে।

তার করুণ আহ্বানে সাড়া দিয়ে রাসূলুল্লাহর একজন চাচা, যুবাইর ইবনু 'আবদুল-মুত্তালিব এগিয়ে আসেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কেউ কি তার সাহায্যে এগিয়ে আসবে না!”

তার এ কথা শুনে হাশিম, যুহরা এবং তাইম ইবনু মুদ্রা প্রভৃতি গোত্রগুলো 'আবদুল্লাহ ইবনু জুদ'আনের বাড়িতে জড়ো হয়। 'আবদুল্লাহ ইবনু জুদ'আন তাদের সবার জন্য ভোজের আয়োজন করেন। সেখানে বসে তারা হারাম মাস (যুদ্ধ-বিগ্রহ, খুন-খারাবি করা যাবে না এমন চারটি মাসের একটি), যুল-কা'দাহ মাসে, আল্লাহর নামে প্রতিজ্ঞা করেন যে, অত্যাচারীর বিরুদ্ধে নির্যাতিতকে তারা সাহায্য করবেন। এবং মাজলুমের পাওনা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত জালিমের বিরুদ্ধে তাদের এ প্রতিরোধ চলবেই।[১৬৩]

সবাই তাদের কৃত প্রতিজ্ঞায় একাত্মতা ঘোষণা করে 'আস ইবনু ওয়াইলের কাছে আসে। 'আস থেকে যুবাইদি ব্যবসায়ী লোকটির পণ্য একপ্রকার ছিনিয়ে নেয় তারা। এরপর লোকটির পণ্য লোকটিকে বুঝিয়ে দেয়।

আরবরা এই সংঘকে 'হিলফুল-ফুযূল' নামে নামকরণ করে। তারা বলত, ওই লোকেরা এতদিনে মর্যাদাকর একটা কাজের কাজ করেছে।

আরবরা নির্যাতনের স্টিমরোলার গুঁড়িয়ে দিয়েছে যে সংঘের মাধ্যমে রাসূল সেদিন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এই সংঘের শপথের পথ ধরেই আলোর মশাল উঁচু করে ধরেন তারা। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এই ঘটনাকে আরবদের গৌরবজনক কাজ হিসেবে ইতিহাসে ঠাঁই দেওয়া হয়। ঘটনাটির কথা বলতে গিয়ে রাসূল জানান, “আমি তখন ছোট একজন বালক। চাচাদের সঙ্গে ভালো মানুষদের দলে আমিও উপস্থিত ছিলাম। লাল উটের বিনিময়েও এ সংঘ (সংঘের শর্ত) ভেঙে দেওয়া আমি পছন্দ করি না।” [১৬৪] সে সময় একটা লাল উটের মালিক মানে বর্তমানের একজন কোটিপতি।

রাসূল অন্য একটা হাদীসে বলেন, “আমি 'আবদুল্লাহ ইবনু জুদ'আনের গৃহের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। সে সংঘের বদলে আমার একটা লাল উট হবে, এটা আমি পছন্দ করি না। ইসলামে এসেও যদি আমাকে এমন বিষয়ের প্রতি আহ্বান করা হতো, তাহলেও আমি সে ডাকে সাড়া দিতাম।” [১৬৫]

শিক্ষা ও উপকারিতা
ইনসাফ বা ন্যায়পরায়ণতার গুণটি নিঃসন্দেহে সর্বজনীন। স্থান-কাল-পাত্রের সাথে সম্পৃক্ত নয় এটা; মুহাম্মাদ নবি হওয়ার পূর্বে ন্যায়ভিত্তিক দুটি ভালো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে সম্মানিত বোধ করার বিষয়টি প্রকাশ করেছেন। এ থেকে বোঝা যায় ভালো কাজ প্রশংসিত হওয়ার দাবি রাখে। যদি সে ভালো কাজ জাহেলি যুগের মানুষরাও করে থাকে।

জাহেলি যুগের অজ্ঞতার ঘোর অমানিশার মধ্যে হিলফুল-ফুযূল যেন তৃষাতপ্ত খাঁখাঁ মরুভূমির মধ্যে এক টুকরো মরুদ্যান। এতে প্রতিভাত হয় যে, কোনো একটি নিয়মে কিংবা কোনো একটি সমাজে অনিয়মের বিস্তৃতি এ কথা প্রমাণ করে না যে, সেখানে কোনো ভালো কাজ আদৌ হয় না। মাক্কা ছিল এমনই একটি জাহিলি সমাজ, যেখানে ছেয়ে যায় মূর্তিপূজা এবং নির্যাতন- নিপীড়ন, ধর্ষণ-ব্যভিচার ও সুদী কারবার। এত কিছু সত্ত্বেও সেখানে মানবতাবোধসম্পন্ন, আত্মমর্যাদাবোধে উত্তীর্ণ এমন মানুষও ছিলেন যারা জুলুম-নির্যাতনকে ঘৃণা করতেন প্রচণ্ডভাবে। এসব কাজকে প্রশ্রয়ও দিতেন না তারা। এতে ইসলামের এমন দা'ঈদের জন্য শিক্ষা রয়েছে যাদের সমাজ ইসলামি অনুশাসন মেনে চলে না কিংবা ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত। [১৬৬]

জুলুম যত আকর্ষণীয় মোড়কেই উপস্থাপিত হোক না কেন তা অন্য কিছু হয়ে যায় না, তা সর্বদা জুলুমই থাকে এবং প্রত্যাখ্যাত। বেশি মানুষের বিরুদ্ধে জুলুম-নির্যাতন চললে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় হবে, আর কমসংখ্যক মানুষের বিরুদ্ধে হলে হবে না-ব্যাপারটি আদৌ সে রকম নয়। [১৬৭] ইসলাম জুলুমের বিরুদ্ধ যুদ্ধ ঘোষণা করে মাজলুমের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশে দাঁড়াতে গিয়ে ইসলাম দেখিনি নির্যাতিত লোকটির গায়ের রং, ধর্ম, দেশ; কিংবা তার সংখ্যা। বিচার করেনি তার জাতপাত; বরং ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সে মাজলুমকে সাহায্য করেছে। [১৬৮]

কোনো ভালো কাজের বিষয়ে একতাবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার বৈধতা প্রমাণিত হয় এখান থেকে। কুরআনে ভালো কাজে এগিয়ে যাওয়ার আদেশ করা হয়েছে আমাদেরকে। আল্লাহ বলেন,
“তোমরা সৎকাজ ও দীনদারিতে পরস্পর সহযোগিতা করো, তবে পাপ ও বাড়াবাড়িতে সহযোগিতা করো না। আর আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।” [সূরা মা'ইদা, ৫:২]

মুসলিমদের এমন যেকোনো ভালো কাজে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার বৈধতা রয়েছে। শার'ঈ-সম্মত কাঙ্ক্ষিত ভালো কাজ করার তাগিদ আছে ইসলামে। তবে এখানে খেয়াল রাখতে হবে যে, সেই ভালো কাজটি যাতে 'মাসজিদ আদ- দিরার'-এর মতো না হয়ে যায় আবার। আমরা জানি, মাসজিদ আদ-দিরার তৈরি করা হয় ইসলামের নাম দিয়ে ইসলাম ও মুসলিমের বিরুদ্ধাচরণ করার জন্য। হ্যাঁ, জুলুম অপসারণ কিংবা জালিমের মুখোমুখি হওয়ার জন্য মুসলিমরা যদি পরস্পরে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন তবে তা তাদের জন্য বৈধ। উদ্দেশ্য-বর্তমান ও ভবিষ্যতে ইসলাম ও মুসলিমদের কল্যাণ সাধন। হাদীসটি থেকে সেটাই প্রমাণিত হয়। [১৬৯] “যা আমার কাছে হুমরুন নি'আম বা লাল উটের থেকেও বেশি প্রিয়” [১৭০] রাসূলুল্লাহর এ উক্তি দ্বারা ন্যায়নীতি বাস্তবায়ন, নির্যাতন প্রতিরোধের ইঙ্গিতই প্রমাণিত হয়। রাসূলুল্লাহর অন্য উক্তিটি-“ইসলামের মধ্যে এসেও যদি আমাকে এমন বিষয়ের প্রতি আহ্বান করা হতো তাহলেও আমি সে ডাকে সাড়া দিতাম।” [১৭১] অর্থাৎ ইসলাম আসার পরও যদি 'হিলফুল-ফুযূল সংঘে'র মতো কোনো বিষয়ের প্রতি তাঁকে ডাকা হতো তিনি সে ডাকে সাড়া দিতেন সানন্দে। [১৭২]

একজন মুসলিমের উচিত সে তার সমাজে ভালো কাজে সর্বদা এগিয়ে থাকবে। কোনো একটা ঘটনায় সমাজে তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে গেল আর সে কিনা পুরোপুরি বেখবর-এমন হওয়াটা তার সাজে না। সমাধানে এগিয়ে না এসে পাদটীকার মতো জবুথবু হয়ে এক কোণে বসা থাকাটা একজন মুসলিম থেকে কোনোভাবেই কামনা করা যায় না। রাসূল ছিলেন তাঁর সমাজের কেন্দ্রবিন্দু; তাঁর ভালো কাজ প্রবাদতুল্য হয়ে ফিরত মানুষের মুখে মুখে। এমন ভালো গুণের কারণেই আরবের লোকেরা তাঁকে আল-আমীন বা পরম বিশ্বস্ত উপাধিতে ভূষিত করে। সমাজের নারী-পুরুষ সবাই তাঁর কথায় ভরসা পেত। সমাজে সৎগুণের কি যে কদর এবং সৎগুণের অধিকারীর কি যে মর্যাদা, হোক না সেটা বিকৃত সমাজ, হিলফুল-ফুযূল সংঘ তার একটি প্রাণবন্ত ছবি তুলে ধরে আমাদের সামনে। [১৭৩]

টিকাঃ
১৬৩. দেখুন: আবু শু'বাহ, আস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, ১/২১৩।
১৬৪. ইবরাহীম আল-'আলি, সহীহুস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, পৃ. ৫৯,
১৬৫. ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, ১/১৩৪; গাদবান, ফিকহুস-সীরাহ, পৃ. ১০২।
১৬৬. দেখুন: গাদবান, ফিকহুস-সীরাহ, পৃ. ১১০।
১৬৭. প্রাগুক্ত।
১৬৮. দেখুন: আবু ফারিস, আস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, ১২১।
১৬৯. দেখুন: আল-আসাস ফিস-সুন্নাতি ওয়াফিকহুহা; আস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, ১/১৭১, ১৭২।
১৭০. দেখুন: ইবনু হিশাম, আস-সীরাহ আন-নাবাওয়িয়া, ১/১৩৪।
১৭১. প্রাগুক্ত।
১৭২. দেখুন: আল-আসাস ফিস-সুন্নাহ, ১/১৭২।
১৭৩. দেখুন: গাদবান, ফিকহুস-সীরাহ, পৃ. ১১০, ১১১।

ফন্ট সাইজ
15px
17px