📄 ৪. উম্মু কুলসূম
রুকাইয়ার মৃত্যুর পর আরেক মেয়ে উম্মু কুলসূম (রদিয়াল্লাহু আনহা)-কে উসমানের সাথে বিয়ে দেন নবি । ৯ম হিজরিতে মৃত্যুবরণ করে সমাধিস্থ হন বাকী'তে। তার কোনও সন্তান ছিল না।
📄 ৫. ফাতিমা
বদর যুদ্ধের পর নবিজি -এর কনিষ্ঠা তনয়া ফাতিমার বিয়ে হয় আলি ইবনু আবী তালিবের সাথে। রদিয়াল্লাহু আনহুমা। দুই ছেলে হাসান-হুসাইন এবং দুই মেয়ে যাইনাব ও উম্মু কুলসূমের মা তিনি। বাবার মৃত্যুর ছয় মাস পর ফাতিমা (রদিয়াল্লাহু আনহা)-ও মারা যান। উপরোল্লিখিত পাঁচ জনেরই জন্ম মুহাম্মাদ নুবুওয়াত লাভের আগে।
📄 ৬. আবদুল্লাহ
আবদুল্লাহ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জন্ম কি নবুওয়াতের আগে হয়েছিল না পরে, তা নিয়ে মতপার্থক্য আছে। খাদীজার গর্ভের সর্বশেষ সন্তান তিনি। মারা যান শৈশবেই।
📄 ৭. ইবরাহীম
ইবরাহীম (রদিয়াল্লাহু আনহু) জন্ম নেন মদীনায় ৯ম হিজরির জুমাদাল ঊলা বা জুমাদাল আখিরাহ মাসে। তাঁর মা ছিলেন নবিজি -এর দাসী মারিয়া কিবতিয়া (রদিয়াল্লাহু আনহা)। ১০ম হিজরির ২৯ শাওয়াল ইবরাহীমের মৃত্যুর দিনে সূর্যগ্রহণ দেখা দেয়। মানুষ বলাবলি করতে থাকে যে, আল্লাহর রাসূল -এর পুত্রবিয়োগের ফলে এমনটি হচ্ছে। রাসূল পুত্রশোকের মাঝেও এ কুসংস্কারের সরব বিরোধিতা করেন। জানিয়ে দেন যে, মহাজাগতিক এসব ঘটনার সাথে মানুষের জন্ম-মৃত্যুর কোনও প্রভাব নেই। ষোলো কি আঠারো মাস বয়সে ইবরাহীমের মৃত্যু হয়। তখনো তিনি দুধপান করছিলেন। তিনিও বাকী'তে শায়িত আছেন। নবি তার ব্যাপারে বলেন, "জান্নাতি এক ধাত্রী এখন তার দুগ্ধপান পূর্ণ করছে।”
টিকাঃ
[৫৮৩] আহমাদ, আল-মুসনাদ, ৪/২৯৭; বাইহাকি, দালাইলুন নুবুওয়াহ, ৭/২৮৯।