📄 ৩. রুকাইয়া
উসমান ইবনু আফফানের স্ত্রী রুকাইয়া এক সন্তানের মা (রদিয়াল্লাহু আনহুমা)। আবদুল্লাহ নামের এই সন্তানটির বয়স যখন ছয় বছর, তখন তার চোখে একটি মোরগের ঠোকরের কারণে আহত হয়ে তিনি মারা যান। আর নবি বদরের যুদ্ধে থাকাকালে মারা যান রুকাইয়া (রদিয়াল্লাহু আনহা)। যাইদ ইবনু হারিসা (রদিয়াল্লাহু আনহু) যুদ্ধ জয়ের খবর নিয়ে মদীনায় পৌঁছে তার মৃত্যুসংবাদ পান।
📄 ৪. উম্মু কুলসূম
রুকাইয়ার মৃত্যুর পর আরেক মেয়ে উম্মু কুলসূম (রদিয়াল্লাহু আনহা)-কে উসমানের সাথে বিয়ে দেন নবি । ৯ম হিজরিতে মৃত্যুবরণ করে সমাধিস্থ হন বাকী'তে। তার কোনও সন্তান ছিল না।
📄 ৫. ফাতিমা
বদর যুদ্ধের পর নবিজি -এর কনিষ্ঠা তনয়া ফাতিমার বিয়ে হয় আলি ইবনু আবী তালিবের সাথে। রদিয়াল্লাহু আনহুমা। দুই ছেলে হাসান-হুসাইন এবং দুই মেয়ে যাইনাব ও উম্মু কুলসূমের মা তিনি। বাবার মৃত্যুর ছয় মাস পর ফাতিমা (রদিয়াল্লাহু আনহা)-ও মারা যান। উপরোল্লিখিত পাঁচ জনেরই জন্ম মুহাম্মাদ নুবুওয়াত লাভের আগে।
📄 ৬. আবদুল্লাহ
আবদুল্লাহ (রদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জন্ম কি নবুওয়াতের আগে হয়েছিল না পরে, তা নিয়ে মতপার্থক্য আছে। খাদীজার গর্ভের সর্বশেষ সন্তান তিনি। মারা যান শৈশবেই।